১৬ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৯
বরিশালের হিজলা উপজেলা সদরে আওয়মী লীগ বিএনপি সব আমলে প্রভাবশালী ক্ষমতাবান কে এই ঝন্টু বেপারী।যিনি আওয়ামী লীগ আমলে ক্ষমতার দাপটে অনেকের জায়গা জমি সম্পত্তি ব্যবসা
প্রতিষ্ঠান দখল করে হয়েছেন কোটিপতি। ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগি বাকের হাওলাদার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।তিনি খুন্না
গৌবিন্দ্রপুর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।হিজলা থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। স্থানীয় অনেকে জানান দীর্ঘ আওয়ামী লী থাকাকালীন সময়ে অসহায় মানুষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল
করেছেন।বর্তমানে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ঝন্টু বেপারী রহাল তবিয়াতে।স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ঝন্টু বেপারীর অত্যাচারের হাত থেকে বাচতে বিভিন্ন মহলের ধারে ধারে ঘুরছেন। থানা সুত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস আগে ঝন্টু বেপারীকে আটক জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু আইনের ফাকফোকড় দিয়ে আবার চলে আসে।
বরিশালের হিজলা উপজেলা সদরে আওয়মী লীগ বিএনপি সব আমলে প্রভাবশালী ক্ষমতাবান কে এই ঝন্টু বেপারী।যিনি আওয়ামী লীগ আমলে ক্ষমতার দাপটে অনেকের জায়গা জমি সম্পত্তি ব্যবসা
প্রতিষ্ঠান দখল করে হয়েছেন কোটিপতি। ঝন্টু বেপারী ও তার সহযোগি বাকের হাওলাদার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়না।তিনি খুন্না
গৌবিন্দ্রপুর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।হিজলা থানাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় চুরি ডাকাতির একাধিক মামলা রয়েছে। স্থানীয় অনেকে জানান দীর্ঘ আওয়ামী লী থাকাকালীন সময়ে অসহায় মানুষের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল
করেছেন।বর্তমানে শেখ হাসিনা পালিয়ে গেলে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ঝন্টু বেপারী রহাল তবিয়াতে।স্থানীয় ভুক্তভোগীরা ঝন্টু বেপারীর অত্যাচারের হাত থেকে বাচতে বিভিন্ন মহলের ধারে ধারে ঘুরছেন। থানা সুত্রে জানা যায়, গত কয়েক মাস আগে ঝন্টু বেপারীকে আটক জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু আইনের ফাকফোকড় দিয়ে আবার চলে আসে।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
ভারতের চণ্ডীগড়ে নতুন আবগারি নীতির আওতায় এখন থেকে পেট্রল পাম্পে মদ বিক্রি করা যাবে। এছাড়া ডিপার্টমেন্টাল স্টোরেও মিলবে মদ। এর ফলে শহরের বাসিন্দাদের জন্য অ্যালকোহল কেনা আরও সহজ হয়ে উঠবে। আগে যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মদের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন সেই সীমাবদ্ধতা আর থাকছে না। খবর এনডিটিভির।
চণ্ডীগড়ের ডেপুটি কমিশনার নিশান্ত কুমার যাদব জানান, নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্প ও বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে এই সুবিধা চালু করা হবে, তবে এর জন্য কঠোর যোগ্যতার মানদণ্ড রাখা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক জিএসটি টার্নওভার ৩ কোটি রুপির বেশি, তারাই কেবল এই লাইসেন্স পাবে। এই লাইসেন্স দেওয়া হবে সেকশন ১০বি-এর অধীনে।
প্রশাসনের মতে, এই সিদ্ধান্ত চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থাকে আধুনিক করার একটি পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিকভাবে যেমন সংগঠিত খুচরা বিপণিতে অ্যালকোহল বিক্রি করা হয়, সেই ধাঁচেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক ও নারীদের জন্য কেনাকাটা আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে, কারণ অনেকেই প্রচলিত মদের দোকানে যেতে অস্বস্তি বোধ করেন।
বর্তমানে চণ্ডীগড়ে পেট্রোল পাম্পের ভেতরে বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং নির্ধারিত টার্নওভার পূরণ করে, তাহলে তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে স্বতন্ত্র পেট্রোল পাম্পগুলোর ক্ষেত্রেও।
এছাড়া, মদের দোকানগুলোর খোলার সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এসব দোকান খোলা রাখা যাবে। আশপাশের রাজ্যগুলোর সময়সূচি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে মাত্র চারটি মদের দোকান এখনো নিলামে তোলা হয়নি এবং ১ এপ্রিলের মধ্যে সবগুলো দোকান চালু করার চেষ্টা চলছে।
গত বছরের মতো সমস্যার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার একটি নতুন আর্থিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের সম্ভাব্য বার্ষিক আয়ের ১৭ শতাংশ অগ্রিম জমা দিতে হবে। এর ফলে লাইসেন্সধারীদের দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং মাঝপথে চুক্তি বাতিলের ঝুঁকি কমবে।
এই নতুন নীতিমালা ইতোমধ্যেই আর্থিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক বরাদ্দ থেকে প্রশাসন অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে। সব মিলিয়ে, এই নীতি চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে, যেখানে ভোক্তাদের সুবিধা, কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব বৃদ্ধির মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।’
ভারতের চণ্ডীগড়ে নতুন আবগারি নীতির আওতায় এখন থেকে পেট্রল পাম্পে মদ বিক্রি করা যাবে। এছাড়া ডিপার্টমেন্টাল স্টোরেও মিলবে মদ। এর ফলে শহরের বাসিন্দাদের জন্য অ্যালকোহল কেনা আরও সহজ হয়ে উঠবে। আগে যেখানে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট মদের দোকানের ওপর নির্ভর করতে হতো, এখন সেই সীমাবদ্ধতা আর থাকছে না। খবর এনডিটিভির।
চণ্ডীগড়ের ডেপুটি কমিশনার নিশান্ত কুমার যাদব জানান, নির্দিষ্ট কিছু পেট্রোল পাম্প ও বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে এই সুবিধা চালু করা হবে, তবে এর জন্য কঠোর যোগ্যতার মানদণ্ড রাখা হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠান বার্ষিক জিএসটি টার্নওভার ৩ কোটি রুপির বেশি, তারাই কেবল এই লাইসেন্স পাবে। এই লাইসেন্স দেওয়া হবে সেকশন ১০বি-এর অধীনে।
প্রশাসনের মতে, এই সিদ্ধান্ত চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থাকে আধুনিক করার একটি পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিকভাবে যেমন সংগঠিত খুচরা বিপণিতে অ্যালকোহল বিক্রি করা হয়, সেই ধাঁচেই এই পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এতে বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক ও নারীদের জন্য কেনাকাটা আরও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ হবে, কারণ অনেকেই প্রচলিত মদের দোকানে যেতে অস্বস্তি বোধ করেন।
বর্তমানে চণ্ডীগড়ে পেট্রোল পাম্পের ভেতরে বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর নেই। তবে ভবিষ্যতে যদি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং নির্ধারিত টার্নওভার পূরণ করে, তাহলে তারা লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবে। একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে স্বতন্ত্র পেট্রোল পাম্পগুলোর ক্ষেত্রেও।
এছাড়া, মদের দোকানগুলোর খোলার সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত এসব দোকান খোলা রাখা যাবে। আশপাশের রাজ্যগুলোর সময়সূচি বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, বর্তমানে মাত্র চারটি মদের দোকান এখনো নিলামে তোলা হয়নি এবং ১ এপ্রিলের মধ্যে সবগুলো দোকান চালু করার চেষ্টা চলছে।
গত বছরের মতো সমস্যার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবার একটি নতুন আর্থিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। লাইসেন্স পেতে আগ্রহীদের সম্ভাব্য বার্ষিক আয়ের ১৭ শতাংশ অগ্রিম জমা দিতে হবে। এর ফলে লাইসেন্সধারীদের দায়বদ্ধতা বাড়বে এবং মাঝপথে চুক্তি বাতিলের ঝুঁকি কমবে।
এই নতুন নীতিমালা ইতোমধ্যেই আর্থিকভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সাম্প্রতিক বরাদ্দ থেকে প্রশাসন অতিরিক্ত ১৫০ কোটি টাকা রাজস্ব অর্জন করেছে। সব মিলিয়ে, এই নীতি চণ্ডীগড়ের মদ বিক্রির ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনছে, যেখানে ভোক্তাদের সুবিধা, কঠোর নিয়ন্ত্রণ এবং রাজস্ব বৃদ্ধির মধ্যে একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৪৮
বরিশালের রিফিউজি কলোনি এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন চিহ্নিত মাদক সম্রাট এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল মামলার আসামি ‘গাঁজা রফিক’। শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নাককাটা রুবেল’-এর প্রধান অর্থ জোগানদাতা হিসেবে পরিচিত এই রফিকের বিরুদ্ধে এবার অনুসন্ধানী সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও হেনস্তার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি একটি মামলার বাদী অনুসন্ধানী সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয় রফিক ও তার সহযোগীরা। গত শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে রফিকের মোবাইল নম্বর থেকে প্রথমে এক নারী এবং পরবর্তীতে রেজা নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিক আসলামকে চরম হেনস্তা করেন। রেজা এর আগে নিজেকে ‘আলেকান্দা’র বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা চালান।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রফিক কেবল মাদক ব্যবসাই নয়, বরং শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নাককাটা রুবেল’-এর অবৈধ অস্ত্রের ভাণ্ডারও নিয়ন্ত্রণ করছেন। বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, রুবেলের কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্রের একটি বড় অংশ বর্তমানে রফিকের কাছে গচ্ছিত রয়েছে। রফিক নিজেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন, যার কল রেকর্ড সংবাদমাধ্যম ‘তালাশ বিডি’-র কাছে সংরক্ষিত আছে।
অত্যন্ত ধূর্ত এই মাদক সম্রাট হোয়াটসঅ্যাপে সাংবাদিক আসলামকে ডিবি পুলিশের ভয় দেখান। এবং নিজেকে ‘রাজা রফিক’ দাবি করে তিনি দম্ভোক্তি করেন যে, ডিবি পুলিশের মাধ্যমে সাংবাদিককে তুলে নিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেবেন। এছাড়া মামলার বাদীকে বিভিন্ন সময় অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে ম্যানেজ করার ব্যর্থ চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়েও কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
রিফিউজি কলোনি ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা এই চক্রটির দাপটে দিশেহারা। সাধারণ মানুষ তাদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না। মাদক ও অস্ত্রের এই মরণ নেশা থেকে এলাকাকে বাঁচাতে ভুক্তভোগীরা দ্রুত এই মাদক সম্রাট ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।
রফিকের মাদক ব্যবসার স্বীকারোক্তি এবং সাংবাদিককে হুমকির সমস্ত কল রেকর্ড ও ডিজিটাল প্রমাণ বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের হস্তগত রয়েছে, যা আইনি প্রক্রিয়ায় রফিকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।’
বরিশাল টাইমস
বরিশালের রিফিউজি কলোনি এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন চিহ্নিত মাদক সম্রাট এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল মামলার আসামি ‘গাঁজা রফিক’। শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নাককাটা রুবেল’-এর প্রধান অর্থ জোগানদাতা হিসেবে পরিচিত এই রফিকের বিরুদ্ধে এবার অনুসন্ধানী সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি ও হেনস্তার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সম্প্রতি একটি মামলার বাদী অনুসন্ধানী সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ প্রাণনাশের হুমকি দেয় রফিক ও তার সহযোগীরা। গত শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে রফিকের মোবাইল নম্বর থেকে প্রথমে এক নারী এবং পরবর্তীতে রেজা নামে এক ব্যক্তি সাংবাদিক আসলামকে চরম হেনস্তা করেন। রেজা এর আগে নিজেকে ‘আলেকান্দা’র বাসিন্দা পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টির চেষ্টা চালান।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। রফিক কেবল মাদক ব্যবসাই নয়, বরং শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘নাককাটা রুবেল’-এর অবৈধ অস্ত্রের ভাণ্ডারও নিয়ন্ত্রণ করছেন। বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, রুবেলের কাছে থাকা বিপুল পরিমাণ অবৈধ অস্ত্রের একটি বড় অংশ বর্তমানে রফিকের কাছে গচ্ছিত রয়েছে। রফিক নিজেই মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন, যার কল রেকর্ড সংবাদমাধ্যম ‘তালাশ বিডি’-র কাছে সংরক্ষিত আছে।
অত্যন্ত ধূর্ত এই মাদক সম্রাট হোয়াটসঅ্যাপে সাংবাদিক আসলামকে ডিবি পুলিশের ভয় দেখান। এবং নিজেকে ‘রাজা রফিক’ দাবি করে তিনি দম্ভোক্তি করেন যে, ডিবি পুলিশের মাধ্যমে সাংবাদিককে তুলে নিয়ে মাদক মামলায় ফাঁসিয়ে দেবেন। এছাড়া মামলার বাদীকে বিভিন্ন সময় অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে ম্যানেজ করার ব্যর্থ চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়েও কুরুচিপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
রিফিউজি কলোনি ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা এই চক্রটির দাপটে দিশেহারা। সাধারণ মানুষ তাদের ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না। মাদক ও অস্ত্রের এই মরণ নেশা থেকে এলাকাকে বাঁচাতে ভুক্তভোগীরা দ্রুত এই মাদক সম্রাট ও তার সহযোগীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।
রফিকের মাদক ব্যবসার স্বীকারোক্তি এবং সাংবাদিককে হুমকির সমস্ত কল রেকর্ড ও ডিজিটাল প্রমাণ বর্তমানে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের হস্তগত রয়েছে, যা আইনি প্রক্রিয়ায় রফিকের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রমাণ হিসেবে কাজ করবে।’
বরিশাল টাইমস

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৪
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে যান চলাচল। পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে আয়ের চাকা থেমে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। চালকরা তেলের আশায় এক বাজার থেকে আরেক বাজারে ছুটেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. আরিফ বলেন, কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাচ্ছি না। গাড়ি নিয়ে বের হলেও তেল না পেয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। কোনো আয় নেই। অসুস্থ বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা হবে।
স্থানীয় জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী হারুন ফরাজি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। গত পাঁচদিন ধরে তেল প্রায় নেই বললেই চলে। দোকান খুলে বসে থাকলেও বিক্রি করার মতো তেল নেই। এতে আমরাও বেকার হয়ে বসে আছি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
তালতলী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আঃ হালিম সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেলে সামাজিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হয়। একইসঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই দ্রুত জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তালতলী থানার ওসি আসাদুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোথাও যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এতে শুধু যান চলাচল নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার তালতলী উপজেলায় তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় অচল হয়ে পড়েছে যান চলাচল। পেট্রোল ও অকটেনের অভাবে মোটরসাইকেল ও অটোরিকশাসহ ছোট যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এতে আয়ের চাকা থেমে গিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চালক ও শ্রমজীবী মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরেই উপজেলার বিভিন্ন বাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমতে থাকে। বৃহস্পতিবার থেকে সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। চালকরা তেলের আশায় এক বাজার থেকে আরেক বাজারে ছুটেও কাঙ্ক্ষিত জ্বালানি পাচ্ছেন না।
ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক মো. আরিফ বলেন, কয়েকদিন ধরে পেট্রোল পাচ্ছি না। গাড়ি নিয়ে বের হলেও তেল না পেয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে। কোনো আয় নেই। অসুস্থ বাবা-মা, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে গেছে। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের না খেয়ে থাকার অবস্থা হবে।
স্থানীয় জ্বালানি তেল ব্যবসায়ী হারুন ফরাজি বলেন, চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। গত পাঁচদিন ধরে তেল প্রায় নেই বললেই চলে। দোকান খুলে বসে থাকলেও বিক্রি করার মতো তেল নেই। এতে আমরাও বেকার হয়ে বসে আছি এবং আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি।
তালতলী সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আঃ হালিম সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, মানুষের আয়-রোজগারের পথ বন্ধ হয়ে গেলে সামাজিক অস্থিরতা বাড়তে পারে। বেকারত্ব বৃদ্ধি পেলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের ঝুঁকি তৈরি হয়। একইসঙ্গে যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় শিক্ষার্থী, রোগী ও সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং জরুরি সেবাও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এই সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে এর প্রভাব দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়তে পারে। তাই দ্রুত জ্বালানি সংকট সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
তালতলী থানার ওসি আসাদুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে পুলিশ সতর্ক রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। কোথাও যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়। সে বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে।
স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এতে শুধু যান চলাচল নয়, বরং পুরো এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.