বরিশালের হিজলায় ঢাকাগামী লঞ্চের ডেকে চাদর বিছিয়ে টাকা উত্তোলনের অভিযোগে এক বিএনপি কর্মীকে গণধোলাই দিয়েছেন যাত্রীরা। সোমবার (১৬ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের গঙ্গাপুর লঞ্চঘাটে ঘটনাটি ঘটে।
মারধরের শিকার বিএনপি কর্মীর নাম মো. খালেক মাঝি। তিনি হরিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক। অভিযুক্ত খালেক মাঝি জানান, তিনি চাঁদাবাজি করতে যাননি। লঞ্চের অভ্যন্তরে গোলযোগ দেখে তিনি থামাতে যান। এসময় লঞ্চের যাত্রীরা মিলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেছে।
লঞ্চে থাকা যাত্রীরা জানান, আজ সকাল ৮টার দিকে মুলাদীর মৃধার হাট থেকে ‘এম বি জানডা’ নামে একটি লঞ্চ যাত্রী নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা হয়। সকাল ৯টার দিকে লঞ্চটি হিজলার হরিনাথপুরের শৌলা ঘাটে নোঙর করে। যাত্রীরা লঞ্চের ডেকে বসার চেষ্টা করেন। আগে থেকে লঞ্চের ডেকে বিছিয়ে রাখা চাদরে বসা যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন শুরু করেন খালেক মাঝি ও তার সহযোগীরা।
লঞ্চের ডেকে থাকা একাধিক যাত্রী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মারধর শুরু করেন খালেক মাঝি ও তার সহযোগীরা। এতে লঞ্চের কয়েকজন যাত্রী আহত হন। পরে লঞ্চে থাকা অন্য যাত্রীরা ক্ষিপ্ত হয়ে খালেক মাঝি ও তার সঙ্গে থাকা লোকজনদের ধরে গণধোলাই দেন। পরে জনরোষ এড়াতে দলবল নিয়ে দ্রুত সটকে পড়েন খালেক মাঝি।
লঞ্চে থাকা মেহেদী হাসান বান্না নামে এক যাত্রী মোবাইল ফোনে জানান, খালেক মাঝি নামে এক বিএনপি কর্মী ও তার সহযোগীরা লঞ্চের যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা তুলছিলেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় কিছু যাত্রীর ওপর হামলা করেন তারা। এক যাত্রীর কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে যাত্রীরা এক জোট হয়ে ওই বিএনপি কর্মীকে গণধোলাই দেন।
হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি জানেন না। খোঁজ নিচ্ছেন। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। হিজলা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জাহিদ জানান, এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। খোঁজ নেওয়া হবে। ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০০:৪১
বরিশালের আলোচিত মাদক সম্রাট রিফিউজি রফিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম নগরের দুটি স্থানে অভিযান তাকেসহ রাব্বি, রানা, মিঠুন মৃধা এবং সিফাত গ্রেপ্তারে সফলতা পায়। এবং তাদের হেফাজত থেকে ৫৭ বোতল ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই রফিক আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর বাসিন্দা হলেও গোটা শহরে মাদকের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিয়েছেন, দিচ্ছেন। কীর্তনখোলা নদীর পূর্বতীর হিরননগর, কাজীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকাসমূহে তিনি মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটিয়েছেন। তার বিক্রিত এই মরননেশায় আসক্ত-আক্রান্ত হচ্ছে যুব সমাজ।
মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালি মডেলসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডজনখানে মামলা আছে, এর মধ্যে বেশকিছু বিচারাধীন বলে জানা গেছে। এবং তিনি মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে বিভিন্ন সময়ে কারান্তরীণ থাকার বহু উদাহরণও আছে।
স্থানীয়রা বলছেন, রফিকের স্ত্রী-সন্তান থেকে শুরু করে গোটা পরিবার মাদক বিক্রিতে জড়িত। এবং তাদের উপার্জনের একমাত্র পথই হচ্ছে মাদক বিক্রি, বিশেষ করে গাঁজা সরবরাহ। এই অবৈধ বাণিজ্যের অর্থে তিনি আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীতে একটি বহুতল ভবনও করেছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
চিহ্নিত এই মাদক ব্যবসায়ী তৎকালীন পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পালিয়ে গিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন। অবশ্য ডিবি পুলিশ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পরে পুলিশ এনিয়ে রফিক ওরফে গাঁজা রফিককে দুইবার গ্রেপ্তার করল।
সোমবার রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে রিফিউজি কলোনীর বাসাটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সাথে আরও তিনজনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৫৭ বোতল ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত মাদকবিক্রেতাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। সোমবার রাতে ডিসি দক্ষিণের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে, জানান ওসি।’
বরিশালের আলোচিত মাদক সম্রাট রিফিউজি রফিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের একটি টিম নগরের দুটি স্থানে অভিযান তাকেসহ রাব্বি, রানা, মিঠুন মৃধা এবং সিফাত গ্রেপ্তারে সফলতা পায়। এবং তাদের হেফাজত থেকে ৫৭ বোতল ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, এই রফিক আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীর বাসিন্দা হলেও গোটা শহরে মাদকের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দিয়েছেন, দিচ্ছেন। কীর্তনখোলা নদীর পূর্বতীর হিরননগর, কাজীপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকাসমূহে তিনি মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটিয়েছেন। তার বিক্রিত এই মরননেশায় আসক্ত-আক্রান্ত হচ্ছে যুব সমাজ।
মাদক বিক্রেতা রফিকের বিরুদ্ধে বরিশাল কোতয়ালি মডেলসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডজনখানে মামলা আছে, এর মধ্যে বেশকিছু বিচারাধীন বলে জানা গেছে। এবং তিনি মাদকসহ গ্রেপ্তার হয়ে বিভিন্ন সময়ে কারান্তরীণ থাকার বহু উদাহরণও আছে।
স্থানীয়রা বলছেন, রফিকের স্ত্রী-সন্তান থেকে শুরু করে গোটা পরিবার মাদক বিক্রিতে জড়িত। এবং তাদের উপার্জনের একমাত্র পথই হচ্ছে মাদক বিক্রি, বিশেষ করে গাঁজা সরবরাহ। এই অবৈধ বাণিজ্যের অর্থে তিনি আলেকান্দা রিফিউজি কলোনীতে একটি বহুতল ভবনও করেছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।
চিহ্নিত এই মাদক ব্যবসায়ী তৎকালীন পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে পালিয়ে গিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন। অবশ্য ডিবি পুলিশ শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান চালিয়ে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পরে পুলিশ এনিয়ে রফিক ওরফে গাঁজা রফিককে দুইবার গ্রেপ্তার করল।
সোমবার রাতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) বেল্লাল হোসেনের নেতৃত্বে রিফিউজি কলোনীর বাসাটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সাথে আরও তিনজনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৫৭ বোতল ফেনসিডিল ও গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, চিহ্নিত মাদকবিক্রেতাদের ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। সোমবার রাতে ডিসি দক্ষিণের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাকে নিজের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে, জানান ওসি।’

২৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:৩৪
মহাসড়কে থ্রি-হুইলার (তিন চাকার যানবাহন) চলাচল বন্ধের দাবিতে বরিশাল থেকে ঢাকাসহ সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বাস শ্রমিকেরা। সোমবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে এ ধর্মঘট শুরু হয়। এতে বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ থেকে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, আকস্মিক বাস চলাচল বন্ধ হওয়ায় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে আটকা পড়েছেন অনেক যাত্রী। কেউ বাসের অপেক্ষায় টার্মিনালে বসে আছেন, আবার দূরপাল্লার বাসে ওঠা যাত্রীরাও পড়েছেন ভোগান্তিতে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বাস শ্রমিক-মালিকদের সঙ্গে থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার চালক-মালিকদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। বরিশাল থেকে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই উত্তেজনা দেখা দেয়। এরই জেরে সোমবার সকালে বানারীপাড়া উপজেলার শিমুলতলা এলাকায় বাসে যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে বাস শ্রমিকদের সঙ্গে মাহিন্দ্রাচালকদের বিরোধ হয়। পরে ওই রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, শিমুলতলা এলাকায় মাহিন্দ্রাচালকেরা একত্রিত হয়ে বাস শ্রমিকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। এরপর বানারীপাড়ার দিকে যাওয়া অন্য বাসেও একই ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে প্রথমে বরিশাল থেকে অভ্যন্তরীণ ১৪টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ করা হয়। পরে দূরপাল্লার বাসও বন্ধ করে দেন শ্রমিকেরা।
বাসচালক আমজাদ জানান, মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু এরপরও এসব যানবাহন মহাসড়কে চলাচল করছে। তার অভিযোগ, পুলিশের সামনে দিয়ে থ্রি-হুইলার চলাচল করলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এসব যানবাহনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে বলেও দাবি করে তিনি বলেন, মহাসড়ক থেকে থ্রি-হুইলার সরানো না হলে আন্দোলন চলবে।
বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশাররফ হোসেন রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, বানারীপাড়ায় মাহিন্দ্রাচালকেরা সড়ক আটকে বাস শ্রমিকদের সঙ্গে ঝামেলা শুরু করেন। শ্রমিকেরা প্রথমে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি, পরে পরিস্থিতিগত কারণে দুপুরে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে এ বিষয়ে থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার চালক বা মালিকদের বক্তব্য না পাওয়া গেলেও বরিশাল কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড নথুল্লাবাদসংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আকস্মিক বাস চলাচল বন্ধের কারণে যাত্রী ভোগান্তি হচ্ছে তা বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকারও স্বীকার করেছেন। এবং তিনি বলছেন, উভয়গ্রুপের সাথে কথা বলে পরিবহন সেবা দ্রুত সচল করতে কাজ করছেন।’
মহাসড়কে থ্রি-হুইলার (তিন চাকার যানবাহন) চলাচল বন্ধের দাবিতে বরিশাল থেকে ঢাকাসহ সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বাস শ্রমিকেরা। সোমবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে এ ধর্মঘট শুরু হয়। এতে বরিশালের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নথুল্লাবাদ থেকে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সব রুটের বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, আকস্মিক বাস চলাচল বন্ধ হওয়ায় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে আটকা পড়েছেন অনেক যাত্রী। কেউ বাসের অপেক্ষায় টার্মিনালে বসে আছেন, আবার দূরপাল্লার বাসে ওঠা যাত্রীরাও পড়েছেন ভোগান্তিতে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বাস শ্রমিক-মালিকদের সঙ্গে থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার চালক-মালিকদের বিরোধ দীর্ঘদিনের। বরিশাল থেকে অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন রুটে মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই উত্তেজনা দেখা দেয়। এরই জেরে সোমবার সকালে বানারীপাড়া উপজেলার শিমুলতলা এলাকায় বাসে যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে বাস শ্রমিকদের সঙ্গে মাহিন্দ্রাচালকদের বিরোধ হয়। পরে ওই রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
বাস শ্রমিকদের অভিযোগ, শিমুলতলা এলাকায় মাহিন্দ্রাচালকেরা একত্রিত হয়ে বাস শ্রমিকদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। এরপর বানারীপাড়ার দিকে যাওয়া অন্য বাসেও একই ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে প্রথমে বরিশাল থেকে অভ্যন্তরীণ ১৪টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ করা হয়। পরে দূরপাল্লার বাসও বন্ধ করে দেন শ্রমিকেরা।
বাসচালক আমজাদ জানান, মহাসড়কে থ্রি-হুইলার চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু এরপরও এসব যানবাহন মহাসড়কে চলাচল করছে। তার অভিযোগ, পুলিশের সামনে দিয়ে থ্রি-হুইলার চলাচল করলেও ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। এসব যানবাহনের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে বলেও দাবি করে তিনি বলেন, মহাসড়ক থেকে থ্রি-হুইলার সরানো না হলে আন্দোলন চলবে।
বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশাররফ হোসেন রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, বানারীপাড়ায় মাহিন্দ্রাচালকেরা সড়ক আটকে বাস শ্রমিকদের সঙ্গে ঝামেলা শুরু করেন। শ্রমিকেরা প্রথমে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাননি, পরে পরিস্থিতিগত কারণে দুপুরে বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
তবে এ বিষয়ে থ্রি-হুইলার মাহিন্দ্রার চালক বা মালিকদের বক্তব্য না পাওয়া গেলেও বরিশাল কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড নথুল্লাবাদসংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর থানা পুলিশের ইনচার্জ (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন বলেন, দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হচ্ছে। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
আকস্মিক বাস চলাচল বন্ধের কারণে যাত্রী ভোগান্তি হচ্ছে তা বরিশাল জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকারও স্বীকার করেছেন। এবং তিনি বলছেন, উভয়গ্রুপের সাথে কথা বলে পরিবহন সেবা দ্রুত সচল করতে কাজ করছেন।’

২৩ আগস্ট, ২০২৬ ২১:০৯
দেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ১০ জেলায় রাতের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২২ আগস্ট) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী কক্সবাজারের উপর দিয়ে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।
দেশের উপকূলীয় এলাকাসহ ১০ জেলায় রাতের মধ্যে ৪৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। একইসঙ্গে, বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে।
রোববার (২২ আগস্ট) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য রাত ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদফতরের দেওয়া এই তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, বরিশাল, রাজশাহী, খুলনা, রংপুর, চট্রগ্রাম, নোয়াখালী কক্সবাজারের উপর দিয়ে ঘন্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।

১৬ জুন, ২০২৫ ১৮:১৭
বরিশালের হিজলায় ঢাকাগামী লঞ্চের ডেকে চাদর বিছিয়ে টাকা উত্তোলনের অভিযোগে এক বিএনপি কর্মীকে গণধোলাই দিয়েছেন যাত্রীরা। সোমবার (১৬ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়নের গঙ্গাপুর লঞ্চঘাটে ঘটনাটি ঘটে।
মারধরের শিকার বিএনপি কর্মীর নাম মো. খালেক মাঝি। তিনি হরিনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক। অভিযুক্ত খালেক মাঝি জানান, তিনি চাঁদাবাজি করতে যাননি। লঞ্চের অভ্যন্তরে গোলযোগ দেখে তিনি থামাতে যান। এসময় লঞ্চের যাত্রীরা মিলে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেছে।
লঞ্চে থাকা যাত্রীরা জানান, আজ সকাল ৮টার দিকে মুলাদীর মৃধার হাট থেকে ‘এম বি জানডা’ নামে একটি লঞ্চ যাত্রী নিয়ে ঢাকার দিকে রওনা হয়। সকাল ৯টার দিকে লঞ্চটি হিজলার হরিনাথপুরের শৌলা ঘাটে নোঙর করে। যাত্রীরা লঞ্চের ডেকে বসার চেষ্টা করেন। আগে থেকে লঞ্চের ডেকে বিছিয়ে রাখা চাদরে বসা যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন শুরু করেন খালেক মাঝি ও তার সহযোগীরা।
লঞ্চের ডেকে থাকা একাধিক যাত্রী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মারধর শুরু করেন খালেক মাঝি ও তার সহযোগীরা। এতে লঞ্চের কয়েকজন যাত্রী আহত হন। পরে লঞ্চে থাকা অন্য যাত্রীরা ক্ষিপ্ত হয়ে খালেক মাঝি ও তার সঙ্গে থাকা লোকজনদের ধরে গণধোলাই দেন। পরে জনরোষ এড়াতে দলবল নিয়ে দ্রুত সটকে পড়েন খালেক মাঝি।
লঞ্চে থাকা মেহেদী হাসান বান্না নামে এক যাত্রী মোবাইল ফোনে জানান, খালেক মাঝি নামে এক বিএনপি কর্মী ও তার সহযোগীরা লঞ্চের যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা তুলছিলেন। টাকা দিতে অস্বীকার করায় কিছু যাত্রীর ওপর হামলা করেন তারা। এক যাত্রীর কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে যাত্রীরা এক জোট হয়ে ওই বিএনপি কর্মীকে গণধোলাই দেন।
হিজলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট দেওয়ান মনির হোসেন জানান, বিষয়টি তিনি জানেন না। খোঁজ নিচ্ছেন। বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। হিজলা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জাহিদ জানান, এ বিষয়ে থানায় কেউ অভিযোগ করেননি। খোঁজ নেওয়া হবে। ঘটনার সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৩
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২০
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:০৮
২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৫৫