
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২২:১১
বরগুনার তালতলী উপজেলায় মাদকের টাকা না পেয়ে বাবাকে মারধরের পর বাবার ছুরিকাঘাতে সফিক হাওলাদার (২৮) নামে এক মাদকাসক্ত ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর বাবা হারুন হাওলাদার আত্মগোপনে আছেন। তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হারুন হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সফিক হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরেই মাদকাসক্ত ছিলেন। তাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন সময় রিহ্যাবেও পাঠানো হয়। তবে সেখান থেকে ফিরে এসে পুনরায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। সব শেষ সফিক গত ৭ আক্টোবর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর ১০ ডিসেম্বর কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে বাড়িতে এসে বিভিন্ন সময় বাবা হারুনের কাছে মাদকের টাকা চেয়ে চাপ সৃষ্টি করতেন সফিক। তবে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে বাবা হারুন ছেলেকে একটি থাপ্পড় দেয়। পরে সফিক আরও উত্তেজিত হয়ে বাবকে মারধর করতে যাওয়ার একপর্যায়ে ঘরে থাকা কাঁচা মরিচ কাটার ছুরি দিয়ে ছেলের পিঠে আঘাত করেন হারুন হাওলাদার। পরে সফিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
নিহত সফিকের মা ও হারুন হাওলাদারের স্ত্রী রাসেদা বেগম বলেন, আমার ছেলে মাদকাসক্ত ছিল। বারবার রিহ্যাবে দিলেও সে ঠিক হয়নি। একবার জেলেও গেছে কিন্তু ছাড়া পেয়েও ভালো হয়নি। দুপুরে বাবা ছেলের মধ্যে বাকবিতন্ডায় একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটেছে।
ওসি মো. আশাদুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে বাবার সঙ্গে ছেলের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবার ছুরিকাঘাতে ছেলে সফিক হাওলাদার নিহত হয়েছেন। তবে নিহত সফিক মাদকাসক্ত ছিল এবং বাবার সঙ্গে প্রায় সময়ই বাকবিতণ্ডা হতো। এ ঘটনায় বাবা হারুন হাওলাদার পলাতক রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।
বরগুনার তালতলী উপজেলায় মাদকের টাকা না পেয়ে বাবাকে মারধরের পর বাবার ছুরিকাঘাতে সফিক হাওলাদার (২৮) নামে এক মাদকাসক্ত ছেলের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর বাবা হারুন হাওলাদার আত্মগোপনে আছেন। তালতলী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইউনিয়নের ইদুপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হারুন হাওলাদারের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত সফিক হাওলাদার দীর্ঘদিন ধরেই মাদকাসক্ত ছিলেন। তাকে সুস্থ স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে বিভিন্ন সময় রিহ্যাবেও পাঠানো হয়। তবে সেখান থেকে ফিরে এসে পুনরায় মাদকাসক্ত হয়ে পড়েন। সব শেষ সফিক গত ৭ আক্টোবর পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর ১০ ডিসেম্বর কারাগার থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে বাড়িতে এসে বিভিন্ন সময় বাবা হারুনের কাছে মাদকের টাকা চেয়ে চাপ সৃষ্টি করতেন সফিক। তবে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে বাবা হারুন ছেলেকে একটি থাপ্পড় দেয়। পরে সফিক আরও উত্তেজিত হয়ে বাবকে মারধর করতে যাওয়ার একপর্যায়ে ঘরে থাকা কাঁচা মরিচ কাটার ছুরি দিয়ে ছেলের পিঠে আঘাত করেন হারুন হাওলাদার। পরে সফিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
নিহত সফিকের মা ও হারুন হাওলাদারের স্ত্রী রাসেদা বেগম বলেন, আমার ছেলে মাদকাসক্ত ছিল। বারবার রিহ্যাবে দিলেও সে ঠিক হয়নি। একবার জেলেও গেছে কিন্তু ছাড়া পেয়েও ভালো হয়নি। দুপুরে বাবা ছেলের মধ্যে বাকবিতন্ডায় একপর্যায়ে এ ঘটনা ঘটেছে।
ওসি মো. আশাদুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে বাবার সঙ্গে ছেলের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে বাবার ছুরিকাঘাতে ছেলে সফিক হাওলাদার নিহত হয়েছেন। তবে নিহত সফিক মাদকাসক্ত ছিল এবং বাবার সঙ্গে প্রায় সময়ই বাকবিতণ্ডা হতো। এ ঘটনায় বাবা হারুন হাওলাদার পলাতক রয়েছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১৫
বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার হিরুর ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনি আহত হয়েছেন।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাসার সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাম সরোয়ার হিরু দুপুরের খাবার খেয়ে বাসা থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে বের হলে বাসার সামনেই ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়।
হামলার সময় লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হলে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিল উপস্থিত হলে তারা তাকে উদ্ধার করে বাসায় পৌঁছে দেয়। দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আহত গোলাম সরোয়ার হিরু বলেন, ‘পাথরঘাটা বাজারে যাওয়ার সময় তিন-চারজন দুর্বৃত্ত এসে আমাকে লোহার পাইপ দিয়ে মারধর করে। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত পেয়েছি। নিরাপত্তার স্বার্থে বাসায় চিকিৎসক এনে চিকিৎসা নিচ্ছি।’
এসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত নৌবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
এদিকে, পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সজিবসহ একাধিক নেতাকর্মী দাবি করেন, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং রয়েছে এবং নিজেদের দ্বন্দ্ব আড়াল করতে বিএনপির ওপর দোষ চাপানো হতে পারে।
অন্যদিকে, পাথরঘাটা কে.এম. মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর জনসভায় দলের একাধিক নেতাকর্মী গোলাম সরোয়ার হিরুর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান।
উল্লেখ্য, গোলাম সরোয়ার হিরু বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ১৯৯৬ সালে ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২০১৩ সালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের সৃষ্টি করেন। দল পরিবর্তন ও নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁর রাজনৈতিক জীবন বরাবরই আলোচিত।
বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার হিরুর ওপর দুর্বৃত্তদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনি আহত হয়েছেন।সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরগুনার পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাসার সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানার এসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাম সরোয়ার হিরু দুপুরের খাবার খেয়ে বাসা থেকে বাজারের উদ্দেশ্যে বের হলে বাসার সামনেই ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত তার ওপর হামলা চালায়।
হামলার সময় লোহার পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হলে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্তাক্ত জখম হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিল উপস্থিত হলে তারা তাকে উদ্ধার করে বাসায় পৌঁছে দেয়। দুর্বৃত্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আহত গোলাম সরোয়ার হিরু বলেন, ‘পাথরঘাটা বাজারে যাওয়ার সময় তিন-চারজন দুর্বৃত্ত এসে আমাকে লোহার পাইপ দিয়ে মারধর করে। এতে শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত পেয়েছি। নিরাপত্তার স্বার্থে বাসায় চিকিৎসক এনে চিকিৎসা নিচ্ছি।’
এসআই মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়া দায়িত্বপ্রাপ্ত নৌবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
এদিকে, পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম সজিবসহ একাধিক নেতাকর্মী দাবি করেন, সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং রয়েছে এবং নিজেদের দ্বন্দ্ব আড়াল করতে বিএনপির ওপর দোষ চাপানো হতে পারে।
অন্যদিকে, পাথরঘাটা কে.এম. মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর জনসভায় দলের একাধিক নেতাকর্মী গোলাম সরোয়ার হিরুর ওপর হামলার তীব্র নিন্দা জানান।
উল্লেখ্য, গোলাম সরোয়ার হিরু বরগুনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি ১৯৯৬ সালে ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
২০১৩ সালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে উপনির্বাচনে অংশ নিয়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করে রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্কের সৃষ্টি করেন। দল পরিবর্তন ও নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁর রাজনৈতিক জীবন বরাবরই আলোচিত।

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০১
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ইসলামের পতাকা উড়লে তা দক্ষিণাঞ্চলের সাগরপাড় থেকেই প্রথম উড়বে। তিনি আরও দাবি করেন, দেশের কোথাও যদি হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী নাও হয়, বরগুনা-১ আসনে বিজয় নিশ্চিত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বরগুনার আমতলী পৌরসভা ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার গঠনের আশায় নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে, কেউ সোনার বাংলা, কেউ সবুজ বা ডিজিটাল বাংলার কথা বলে। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অতিরিক্ত আশ্বাস না দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বিজয়ী হলে আল্লাহর রহমতে দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো কোনো পথ বেছে নেওয়া যাবে না।
তিনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সভ্য মানুষ। আমাদের বিরক্ত করবেন না, ভালো থাকতে দেন, আপনারাও ভালো থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী হলে বরগুনাকে দেশের একটি মডেল জেলায় রূপান্তর করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেছেন, ইসলামের পতাকা উড়লে তা দক্ষিণাঞ্চলের সাগরপাড় থেকেই প্রথম উড়বে। তিনি আরও দাবি করেন, দেশের কোথাও যদি হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী নাও হয়, বরগুনা-১ আসনে বিজয় নিশ্চিত হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বরগুনার আমতলী পৌরসভা ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জনসভায় সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল সরকার গঠনের আশায় নানা ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকে, কেউ সোনার বাংলা, কেউ সবুজ বা ডিজিটাল বাংলার কথা বলে। তবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অতিরিক্ত আশ্বাস না দিয়ে জনগণের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বিজয়ী হলে আল্লাহর রহমতে দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুখে হাসি ফুটবে। প্রতিদ্বন্দ্বী দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা ভোটকেন্দ্র দখলের মতো কোনো পথ বেছে নেওয়া যাবে না।
তিনি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা সভ্য মানুষ। আমাদের বিরক্ত করবেন না, ভালো থাকতে দেন, আপনারাও ভালো থাকেন।’
তিনি আরও বলেন, হাতপাখা প্রতীক বিজয়ী হলে বরগুনাকে দেশের একটি মডেল জেলায় রূপান্তর করা হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি মিজানুর রহমান কাসেমী। এছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৭
বরগুনার আমতলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আশশাকুর ফিরোজ (৫৮) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
গতকাল বুধবার রাতে পটুয়াখালীর হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকায় সড়ক পারাপারের সময় একটি অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
নিহত আশশাকুর ফিরোজ আমতলী সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যায় আশশাকুর ফিরোজ আমতলীর বাসা থেকে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আনতে পটুয়াখালীর হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকায় যান।
ওষুধ নিয়ে রাত সোয়া ৯টার দিকে আমতলীতে ফেরার সময় সড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশা তাঁকে ধাক্কা দিলে তিনি সড়কে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাত সোয়া ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহত ফিরোজের স্ত্রী মোসা. রাজিয়া আক্তার বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যার পর ওষুধ আনতে পটুয়াখালী যান। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে জানতে পারি, তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।’
আমতলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জামাল হোসেন বলেন, তাঁর মৃত্যুতে কলেজের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি একজন দক্ষ ও জনপ্রিয় শিক্ষক ছিলেন।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়। যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হলেও তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
পটুয়াখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় আমতলী সরকারি কলেজমাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে বিকেলে আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের জঙ্গলিয়া গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।
বরগুনার আমতলী সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও বরগুনা সদর উপজেলার আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আশশাকুর ফিরোজ (৫৮) সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।
গতকাল বুধবার রাতে পটুয়াখালীর হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকায় সড়ক পারাপারের সময় একটি অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে তিনি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
নিহত আশশাকুর ফিরোজ আমতলী সরকারি কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যায় আশশাকুর ফিরোজ আমতলীর বাসা থেকে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ আনতে পটুয়াখালীর হেতালিয়া বাঁধঘাট এলাকায় যান।
ওষুধ নিয়ে রাত সোয়া ৯টার দিকে আমতলীতে ফেরার সময় সড়ক পার হচ্ছিলেন। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশা তাঁকে ধাক্কা দিলে তিনি সড়কে পড়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে রাত সোয়া ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহত ফিরোজের স্ত্রী মোসা. রাজিয়া আক্তার বলেন, ‘বুধবার সন্ধ্যার পর ওষুধ আনতে পটুয়াখালী যান। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে জানতে পারি, তিনি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।’
আমতলী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. জামাল হোসেন বলেন, তাঁর মৃত্যুতে কলেজের অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তিনি একজন দক্ষ ও জনপ্রিয় শিক্ষক ছিলেন।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে আনা হয়। যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হলেও তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
পটুয়াখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় আমতলী সরকারি কলেজমাঠে প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে বিকেলে আয়লা পাতাকাটা ইউনিয়নের জঙ্গলিয়া গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.