
২৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:৫৬
র্যাগিং ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের তিন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল-১ এ ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে কৃষি অনুষদের প্রথম (২০২৩-২৪) সেমিস্টারের কিছু শিক্ষার্থীর সঙ্গে র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির ৪১তম সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে গত ৯ অক্টোবরের সভা শেষে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়।
অফিস আদেশে জানানো হয়, কৃষি অনুষদের ৪র্থ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ফারহান ইসরাক খান (আইডি নং ২২০১১০২, রেজি নং ১১০৭৪) র্যাগিংয়ের পরিকল্পনা, নেতৃত্ব, সহায়তা এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের দায়ে দুই সেমিস্টারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
একই ঘটনায় জড়িত নাফিউল আলম নাহিদ (আইডি নং ২২০৪০৩৩, রেজি নং ১১৪০৮) কে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ফারিয়া আক্তার নাতাশা (আইডি নং ২৩১০১১৯, রেজি নং ১২২৮৫) কে ঘটনার মূল উস্কানীদাত্রী হিসেবে মিথ্যা টিজিংয়ের অভিযোগে র্যাগিং প্ররোচনা দেয়ার কারণে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা বহিষ্কারের মেয়াদকালে কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বা আবাসিক হলে অবস্থান করতে পারবে না।
ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম’র অনুমোদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ আদেশ জারি করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, র্যাগিংয়ের মতো নিন্দনীয় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসন শূন্য সহনশীল নীতি অনুসরণ করছে। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’
র্যাগিং ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের তিন শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হল-১ এ ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে কৃষি অনুষদের প্রথম (২০২৩-২৪) সেমিস্টারের কিছু শিক্ষার্থীর সঙ্গে র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির ৪১তম সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে গত ৯ অক্টোবরের সভা শেষে মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে অফিস আদেশ জারি করা হয়।
অফিস আদেশে জানানো হয়, কৃষি অনুষদের ৪র্থ সেমিস্টারের শিক্ষার্থী ফারহান ইসরাক খান (আইডি নং ২২০১১০২, রেজি নং ১১০৭৪) র্যাগিংয়ের পরিকল্পনা, নেতৃত্ব, সহায়তা এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের দায়ে দুই সেমিস্টারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
একই ঘটনায় জড়িত নাফিউল আলম নাহিদ (আইডি নং ২২০৪০৩৩, রেজি নং ১১৪০৮) কে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ফারিয়া আক্তার নাতাশা (আইডি নং ২৩১০১১৯, রেজি নং ১২২৮৫) কে ঘটনার মূল উস্কানীদাত্রী হিসেবে মিথ্যা টিজিংয়ের অভিযোগে র্যাগিং প্ররোচনা দেয়ার কারণে এক সেমিস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
অফিস আদেশে আরও বলা হয়, বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা বহিষ্কারের মেয়াদকালে কোনোভাবেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস বা আবাসিক হলে অবস্থান করতে পারবে না।
ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম’র অনুমোদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিন স্বাক্ষরিত এ আদেশ জারি করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, র্যাগিংয়ের মতো নিন্দনীয় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রশাসন শূন্য সহনশীল নীতি অনুসরণ করছে। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১১
বঙ্গোপসাগরের গভীরে ডুবে যাওয়া পটুয়াখালীর গলাচিপার ৬ জেলের মধ্যে আল-আমিন নামের একজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে জেলেরা। তাকে উদ্ধারের পর চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আল আমিনের চিকিৎসার তদারকি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে ভোলার ঢাল চর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ভাসমান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে আল আমিনের সঙ্গে থাকা অন্য ৫ জেলের সন্ধান মেলেনি।
উদ্ধার জেলে আল আমিন উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ইচাদী গ্রামের চান মিয়া হাওলাদারের ছেলে।
গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে চরফ্যাশন থেকে জনৈক দুলাল মাঝি আল আমিনের স্ত্রী মাকসুদা বেগমের কাছে মোবাইল ফোনে একটি বার্তা পাঠান যে, সাগর থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা স্পিডবোট নিয়ে চরফ্যাশন চলে যাই। সেখান থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করি।
উদ্ধার হওয়া জেলে আল আমিন বলেন, বঙ্গোপসাগরে ফিশিং ট্রলার গত রবিবার রাত ১০টার দিকে ঝড়ে কবলে পড়ে ১১ জেলে নিয়ে ডুবে যায়।
সে সময় ট্রলারের ভেতর তিনজন ছিল, তারা বের হতে পারেনি। কিন্তু আমরা ৮ জন সাগরে ভেসেছিলাম। এসময় আমি আক্কাস আর সাগর ট্রলার ধরে ভেসেছিলাম। কিন্তু একসময় সবাই ট্রলার ছেড়ে দিয়ে তীরে ফেরার জন্য সাঁতার দিই। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সবাই আলাদা হয়ে যাই।
আল আমিন আরো বলেন, আমি একটি তেলের পট পেয়ে ভেসেছিলাম। বুধবার বিকেলে ভোলার দুলাল মাঝির জেলেরা আমাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন নিয়ে আসে। এ ছাড়া আমার আর কিছু মনে নেই।
গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কলিমুল্লা খান বলেন, আল আমিনের বেঁচে থাকার খবর পেয়ে আমরা তার পরিবারের লোকজন নিয়ে চরফ্যাশন থেকে গলাচিপা নিয়ে এসেছি। সে সুস্থ হোক, পরে বিস্তারিত জানতে পারব।
গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী সাংবাদিকদের বলেন, উদ্ধার হওয়া জেলে আল আমিন জানিয়েছেন, সাগরে ভেসে যাওয়া অন্য ৫ জেলে হয়তো বেঁচে আছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, আল আমিন অন্য জেলেদের অবস্থান সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছেন। তার তথ্য অনুসরণ করে উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গত ৫ জুলাই বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পরে গলাচিপার ১১ জন জেলেসহ ফিশিং ট্রলার ডুবে যায়। পরদিন ৫ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এর পর বুধবার বিকেলে জেলে আল আমিন উদ্ধার হলেও ৫ জন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন, গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের দক্ষিণ পানপট্টির মৃত গেদু হাওলাদারে ছেলে মো. হারুন হাওলাদার, পানপট্টি গ্রামের মো. এমাদুল, গজালিয়া ইউনিয়নের ইচাদী গ্রামের মো. ফোরকান, মো. সায়েম এবং গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের মো. আকাশ।’
বঙ্গোপসাগরের গভীরে ডুবে যাওয়া পটুয়াখালীর গলাচিপার ৬ জেলের মধ্যে আল-আমিন নামের একজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে জেলেরা। তাকে উদ্ধারের পর চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
আল আমিনের চিকিৎসার তদারকি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)।
বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে ভোলার ঢাল চর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে ভাসমান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। তবে আল আমিনের সঙ্গে থাকা অন্য ৫ জেলের সন্ধান মেলেনি।
উদ্ধার জেলে আল আমিন উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ইচাদী গ্রামের চান মিয়া হাওলাদারের ছেলে।
গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান সাংবাদিকদের বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে চরফ্যাশন থেকে জনৈক দুলাল মাঝি আল আমিনের স্ত্রী মাকসুদা বেগমের কাছে মোবাইল ফোনে একটি বার্তা পাঠান যে, সাগর থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করা হয়েছে। খবর পেয়ে আমরা স্পিডবোট নিয়ে চরফ্যাশন চলে যাই। সেখান থেকে আল আমিনকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গলাচিপা হাসপাতালে ভর্তি করি।
উদ্ধার হওয়া জেলে আল আমিন বলেন, বঙ্গোপসাগরে ফিশিং ট্রলার গত রবিবার রাত ১০টার দিকে ঝড়ে কবলে পড়ে ১১ জেলে নিয়ে ডুবে যায়।
সে সময় ট্রলারের ভেতর তিনজন ছিল, তারা বের হতে পারেনি। কিন্তু আমরা ৮ জন সাগরে ভেসেছিলাম। এসময় আমি আক্কাস আর সাগর ট্রলার ধরে ভেসেছিলাম। কিন্তু একসময় সবাই ট্রলার ছেড়ে দিয়ে তীরে ফেরার জন্য সাঁতার দিই। কিন্তু কিছুক্ষণ পর সবাই আলাদা হয়ে যাই।
আল আমিন আরো বলেন, আমি একটি তেলের পট পেয়ে ভেসেছিলাম। বুধবার বিকেলে ভোলার দুলাল মাঝির জেলেরা আমাকে উদ্ধার করে চরফ্যাশন নিয়ে আসে। এ ছাড়া আমার আর কিছু মনে নেই।
গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য কলিমুল্লা খান বলেন, আল আমিনের বেঁচে থাকার খবর পেয়ে আমরা তার পরিবারের লোকজন নিয়ে চরফ্যাশন থেকে গলাচিপা নিয়ে এসেছি। সে সুস্থ হোক, পরে বিস্তারিত জানতে পারব।
গলাচিপা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী সাংবাদিকদের বলেন, উদ্ধার হওয়া জেলে আল আমিন জানিয়েছেন, সাগরে ভেসে যাওয়া অন্য ৫ জেলে হয়তো বেঁচে আছেন। এমন তথ্যের ভিত্তিতে আমরা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, আল আমিন অন্য জেলেদের অবস্থান সম্পর্কে কিছু তথ্য দিয়েছেন। তার তথ্য অনুসরণ করে উদ্ধার কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
গত ৫ জুলাই বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পরে গলাচিপার ১১ জন জেলেসহ ফিশিং ট্রলার ডুবে যায়। পরদিন ৫ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এর পর বুধবার বিকেলে জেলে আল আমিন উদ্ধার হলেও ৫ জন জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
নিখোঁজ জেলেরা হলেন, গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের দক্ষিণ পানপট্টির মৃত গেদু হাওলাদারে ছেলে মো. হারুন হাওলাদার, পানপট্টি গ্রামের মো. এমাদুল, গজালিয়া ইউনিয়নের ইচাদী গ্রামের মো. ফোরকান, মো. সায়েম এবং গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের মো. আকাশ।’

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৬
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে ঝড়ো হাওয়া এবং উত্তাল ঢেউয়ের কারণে ৩টি মাছধরা ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৩ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমবায় সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা বুধবার বরিশালটাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, চর বিজয় সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে বুধবার দুপুর একটার দিকে ৬ জেলে নিয়ে একটি ছোট মাছধরা নৌকা ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায় ট্রলারের মালিক মাসুদ মাঝি উদ্ধার হলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৫ জেলে।
এছাড়া গতকাল মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটায় বঙ্গোপসাগরের ১৭ কিলোমিটার গভীরে ১৮ জেলে নিয়ে ফকিরহাটের এফবি মহিমা নামের একটি ট্রলার ডুবে যায়। বুধবার দুপুরে ১৬ জেলে উদ্ধার হলেও এখনও দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে গত রোববার বঙ্গোপসাগরের ৬০ কিলোমিটার গভীরে ১১ জেলে নিয়ে গলাচিপার খরিদা গ্রামের ইমাদুলের মালিকানাধীন অপর একটি ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায় ৫ জন উদ্ধার হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছে ৬ জেলে।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, “নিখোঁজ জেলেদের আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। আর জেলেদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড অভিযান চালাচ্ছে”।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে ঝড়ো হাওয়া এবং উত্তাল ঢেউয়ের কারণে ৩টি মাছধরা ট্রলার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১৩ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।মহিপুর মৎস্য আড়ৎ মালিক সমবায় সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রাজু আহমেদ রাজা বুধবার বরিশালটাইমসকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, চর বিজয় সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে বুধবার দুপুর একটার দিকে ৬ জেলে নিয়ে একটি ছোট মাছধরা নৌকা ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায় ট্রলারের মালিক মাসুদ মাঝি উদ্ধার হলেও এখনো নিখোঁজ রয়েছে ৫ জেলে।
এছাড়া গতকাল মঙ্গলবার বিকাল পাঁচটায় বঙ্গোপসাগরের ১৭ কিলোমিটার গভীরে ১৮ জেলে নিয়ে ফকিরহাটের এফবি মহিমা নামের একটি ট্রলার ডুবে যায়। বুধবার দুপুরে ১৬ জেলে উদ্ধার হলেও এখনও দুই জেলে নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
এর আগে গত রোববার বঙ্গোপসাগরের ৬০ কিলোমিটার গভীরে ১১ জেলে নিয়ে গলাচিপার খরিদা গ্রামের ইমাদুলের মালিকানাধীন অপর একটি ট্রলার ডুবে যায়। এ ঘটনায় ৫ জন উদ্ধার হলেও এখনও নিখোঁজ রয়েছে ৬ জেলে।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, “নিখোঁজ জেলেদের আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। আর জেলেদের উদ্ধারে কোস্টগার্ড অভিযান চালাচ্ছে”।

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গঙ্গামতি এলাকার ফরেস্ট রিজার্ভ সংলগ্ন সৈকত থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে কুয়াকাটা নৌ পুলিশ ফাঁড়ি মরদেহটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহটির বয়স আনুমানিক ৩৫ থেকে ৩৮ বছর। মরদেহের পরনে ছিল কালো প্যান্ট ও সাদা গেঞ্জি। গেঞ্জিতে ‘বাংলাদেশ ইসলামী যুব আন্দোলন, চট্টগ্রাম’ লেখা ও সংগঠনের লোগো রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ও মনির জানান, মঙ্গলবার বিকেলে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি গঙ্গামতি সৈকতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ভাসমান মরদেহটি দেখতে পান। পরে তারা কুয়াকাটা নৌ পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি সমুদ্রে নিখোঁজ বা ট্রলারডুবির কোনো জেলের মরদেহ হতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুয়াকাটা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, গঙ্গামতি এলাকা থেকে ৩০ থেকে ৩৮ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গঙ্গামতি এলাকার ফরেস্ট রিজার্ভ সংলগ্ন সৈকত থেকে অর্ধগলিত অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে কুয়াকাটা নৌ পুলিশ ফাঁড়ি মরদেহটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহটির বয়স আনুমানিক ৩৫ থেকে ৩৮ বছর। মরদেহের পরনে ছিল কালো প্যান্ট ও সাদা গেঞ্জি। গেঞ্জিতে ‘বাংলাদেশ ইসলামী যুব আন্দোলন, চট্টগ্রাম’ লেখা ও সংগঠনের লোগো রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সিরাজুল ও মনির জানান, মঙ্গলবার বিকেলে কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি গঙ্গামতি সৈকতে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ভাসমান মরদেহটি দেখতে পান। পরে তারা কুয়াকাটা নৌ পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি সমুদ্রে নিখোঁজ বা ট্রলারডুবির কোনো জেলের মরদেহ হতে পারে। তবে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কুয়াকাটা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ মনিরুজ্জামান বলেন, গঙ্গামতি এলাকা থেকে ৩০ থেকে ৩৮ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মরদেহটির পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল টাইমস