Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৯ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৫৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তার স্বামী পালিয়ে যান। শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রসুলপুর কলোনীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগী বেগম (২৮) রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে তার স্বামী রেজাউল শিকদার রেজা (৩০) পালিয়ে গেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোহাগী বেগম এবং রেজাউল শিকদার রেজার টিনের চালা ও টিনের বেড়াযুক্ত দোতলা বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১ কেজি ১৩০ গ্রাম লুজ গাঁজা এবং ৮২টি গাঁজার পুড়িয়া, যার ওজন ৪৫০ গ্রাম, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি পার্স ব্যাগের ভেতর থেকে ৪টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ১ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ১০৫ দশমিক ৮০ গ্রাম। একই স্থান থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে, নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক।
বরিশাল নগরীর রসুলপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০৫৮ পিস ইয়াবা, ১ কেজি ৫৮০ গ্রাম গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকাসহ এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তার স্বামী পালিয়ে যান। শনিবার (৯ মে) সকালে জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন রসুলপুর কলোনীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গ্রেপ্তার সোহাগী বেগম (২৮) রসুলপুর এলাকার বাসিন্দা। অভিযানে তার স্বামী রেজাউল শিকদার রেজা (৩০) পালিয়ে গেছেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সোহাগী বেগম এবং রেজাউল শিকদার রেজার টিনের চালা ও টিনের বেড়াযুক্ত দোতলা বসতঘরে অভিযান চালিয়ে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে ১ কেজি ১৩০ গ্রাম লুজ গাঁজা এবং ৮২টি গাঁজার পুড়িয়া, যার ওজন ৪৫০ গ্রাম, উদ্ধার করা হয়। এছাড়া একটি পার্স ব্যাগের ভেতর থেকে ৪টি জিপারযুক্ত পলিথিনে রাখা ১ হাজার ৫৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া ইয়াবার মোট ওজন ১০৫ দশমিক ৮০ গ্রাম। একই স্থান থেকে মাদক বিক্রির নগদ ৬ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে, নিশ্চিত করেছেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক।

১০ মে, ২০২৬ ১৬:১২

১০ মে, ২০২৬ ১৫:৫৬

০৯ মে, ২০২৬ ১৯:০৮
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ায় ৫ টি মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী রঞ্জন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর শুক্রবার (৮মে) রাতে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, রঞ্জন মজুমদারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তার গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে। তার বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেবা কল্যাণ সঞ্চয় ঋনদান সমিতি নামের এনজিও ব্যবসার নামে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় রঞ্জন।
পরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায় সে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে তার গ্রেফতার ও আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তার গ্রেফতারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
সন্তানের সুখের জন্য নিজের সুখ আর স্বপ্ন বিলিয়ে দিতে পারেন যিনি তিনি হলেন মা। অথচ সন্তান প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজের সুখের খোঁজে ভুলে যাচ্ছেন সেই মাকেই। আর তাই জীবনের অন্তিম মুহূর্তে কখনো কখনো বৃদ্ধাশ্রমের চার দেয়ালের মাঝে ঠাঁই হয় দুঃখিনি মায়ের।
এমনই একজন বৃদ্ধা মা বরিশালের ঊষা রাণী। যিনি চার সন্তানের জননী হয়েও জীবনের শেষ মুহূর্তটা কাটছে বৃদ্ধাশ্রমের চার দেয়ালের মাঝে একাকিত্বে।
জীবনের পুরোটা সময় সন্তানদের মানুষ করতে করতেই কেটে গেছে তার জীবন। নিজের কষ্ট ভুলে সন্তানদের সুখের জন্য লড়াই করেছিলেন প্রতিনিয়ত।
মানুষের বাড়িতে কাজ করে চার ছেলেমেয়ের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন। কিন্তু বয়সের ভারে যখন একটু আশ্রয় আর স্নেহের প্রয়োজন হলো, ঠিক তখনই বৃদ্ধা মাকে খেলনার মতো ছুড়ে ফেলেছে সন্তানরা।
উষা রাণী জানান, নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে বাড়িঘর। একটা সময় বড় ছেলের পা ধরে অনুরোধ কাছেন একটু আশ্রয়ের জন্য। তবুও মন গলেনি তার। ঘরের কোনেও ঠাঁই হয়নি উষা রাণীর।
ছোট ছেলে তার ছেলের কথায় ঘর থেকে নামিয়ে দিয়েছে। অপর ছেলের বউ আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। একমাত্র মেয়ের বাসায় উঠেছিলেন ঊষা। সেখানেও ঠাঁই হয়নি। মেয়ে জামাই দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, এক সন্তানের দরজা থেকে আরেক সন্তানের দরজায় ঘুরেও আশ্রয় মেলেনি। তাই শেষ বয়সে নিকট আত্মীয়ের সহযোগিতায় ঠাঁই হয়েছে কাউনিয়ার বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমে। সেখানেই মানবেতর জীবন কাটছে তার।
তবে সন্তানদের অবহলো থেকে বৃদ্ধাশ্রমের তিনবেলা খেয়ে বেশ ভালই আছেন এই আশ্রমে। তবে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, এত রাগ, অভিমান আর কষ্টের পরেও ঊষা রাণীর একটু ক্ষোভও নেই সন্তানদের প্রতি।
তিনি আজও সন্তানদের জন্য দোয়া চাইছেন সৃষ্টিকর্তার কাছে। তারা যেন ভালো থাকেন সেটাই কামনাই করেন তিনি। তিনি বলেন, আমি মারা যাওয়ার আগে যেন আমার কোনো সন্তানের কিছু না হয়।
তারা যেন সুখে এবং শান্তিতেই থাকে। বৃদ্ধাশ্রমের আরেক নিবাসী বৃদ্ধা শেফালী বেগম বলেন, অল্প বয়সে বাবা-মা বিয়ে দিয়েছে। অল্প বয়সেই বিধবা হয়েছি। দিনমজুরের কাজ করে একমাত্র ছেলেকে বড় করেছি। ঈদে শশুর-শাশুড়িকে হাজার টাকায় মার্কেট করে দিয়েছে। আমার কপালে জোটেনি কিছু। জুটেছে শুধু ছেলের হাতে মারধর।
শুধু ঊষা রাণী এবং শেফালী বেগম নয়, বৃদ্ধাশ্রমের আশ্রিতা প্রতিটি মায়ের বুকেই চেপে আছে আকাশ সমান দুঃখ, কষ্ট আর অবহেলার গল্প। যেই বয়সে নাতি-নাতনিদের সাথে খুনসুটিতে মেতে থাকার কথা সেই বয়সে নিস্তব্ধ আর একাকিত্বে কাটছে তাদের জীবন।
তারা বলেন, বুড়ো হয়ে গেলে বাবা-মা সন্তানদের কাছে বোঝা হয়ে যায়। কীভাবে ঠেলে ফেলে দেবে সেই চিন্তা করে। তবুও সেই সন্তানদের অভিশাপ নয়, বরং তাদের উন্নতি আর সাফল্য কামনা করছেন তারা। মায়ের ভালোবাসা এমনই নিঃস্বার্থ, অটুট এবং চিরন্তন। মা দিবসে নয়, প্রতিদিন হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও যত্নের প্রতিশ্রুতি।
বৃদ্ধাশ্রম, বয়স্ক পুনর্বাসন কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, একসময় ১৩০ শয্যার বৃদ্ধাশ্রম ছিল। মানুষের সাহায্য-সহযোগিতায় চলতো প্রতিষ্ঠান। তবে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সাহায্য সহযোগিতা কমে গেছে। এখন ভাড়া বাসায় ৬০ শয্যার বৃদ্ধাশ্রমে ৬০ জন মা আছেন। তবে অর্থ সংকটে তাও বন্ধের পথে।
তিনি বলেন, মায়েরা একসময় বোঝা হয়ে যায়। তবে প্রতিটি সন্তানের উচিত মায়েদের যত্ন নেওয়া, তাদের ভালোবাসা। মা-বাবা না থাকলে তাদের আর পাওয়া যাবে না।
ঊষা রাণী আর শেফালীদের গল্প আমাদের সামনে তুলে ধরছে এক কঠিন প্রশ্ন! আমরা কি সত্যিই বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব পালন করছি? নাকি শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করে মায়েদের উপহাস করছি?
সন্তানের সুখের জন্য নিজের সুখ আর স্বপ্ন বিলিয়ে দিতে পারেন যিনি তিনি হলেন মা। অথচ সন্তান প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজের সুখের খোঁজে ভুলে যাচ্ছেন সেই মাকেই। আর তাই জীবনের অন্তিম মুহূর্তে কখনো কখনো বৃদ্ধাশ্রমের চার দেয়ালের মাঝে ঠাঁই হয় দুঃখিনি মায়ের।
এমনই একজন বৃদ্ধা মা বরিশালের ঊষা রাণী। যিনি চার সন্তানের জননী হয়েও জীবনের শেষ মুহূর্তটা কাটছে বৃদ্ধাশ্রমের চার দেয়ালের মাঝে একাকিত্বে।
জীবনের পুরোটা সময় সন্তানদের মানুষ করতে করতেই কেটে গেছে তার জীবন। নিজের কষ্ট ভুলে সন্তানদের সুখের জন্য লড়াই করেছিলেন প্রতিনিয়ত।
মানুষের বাড়িতে কাজ করে চার ছেলেমেয়ের মুখে খাবার তুলে দিয়েছেন। কিন্তু বয়সের ভারে যখন একটু আশ্রয় আর স্নেহের প্রয়োজন হলো, ঠিক তখনই বৃদ্ধা মাকে খেলনার মতো ছুড়ে ফেলেছে সন্তানরা।
উষা রাণী জানান, নদী ভাঙনে বিলীন হয়েছে বাড়িঘর। একটা সময় বড় ছেলের পা ধরে অনুরোধ কাছেন একটু আশ্রয়ের জন্য। তবুও মন গলেনি তার। ঘরের কোনেও ঠাঁই হয়নি উষা রাণীর।
ছোট ছেলে তার ছেলের কথায় ঘর থেকে নামিয়ে দিয়েছে। অপর ছেলের বউ আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। একমাত্র মেয়ের বাসায় উঠেছিলেন ঊষা। সেখানেও ঠাঁই হয়নি। মেয়ে জামাই দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছে।
তিনি বলেন, এক সন্তানের দরজা থেকে আরেক সন্তানের দরজায় ঘুরেও আশ্রয় মেলেনি। তাই শেষ বয়সে নিকট আত্মীয়ের সহযোগিতায় ঠাঁই হয়েছে কাউনিয়ার বেসরকারি বৃদ্ধাশ্রমে। সেখানেই মানবেতর জীবন কাটছে তার।
তবে সন্তানদের অবহলো থেকে বৃদ্ধাশ্রমের তিনবেলা খেয়ে বেশ ভালই আছেন এই আশ্রমে। তবে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, এত রাগ, অভিমান আর কষ্টের পরেও ঊষা রাণীর একটু ক্ষোভও নেই সন্তানদের প্রতি।
তিনি আজও সন্তানদের জন্য দোয়া চাইছেন সৃষ্টিকর্তার কাছে। তারা যেন ভালো থাকেন সেটাই কামনাই করেন তিনি। তিনি বলেন, আমি মারা যাওয়ার আগে যেন আমার কোনো সন্তানের কিছু না হয়।
তারা যেন সুখে এবং শান্তিতেই থাকে। বৃদ্ধাশ্রমের আরেক নিবাসী বৃদ্ধা শেফালী বেগম বলেন, অল্প বয়সে বাবা-মা বিয়ে দিয়েছে। অল্প বয়সেই বিধবা হয়েছি। দিনমজুরের কাজ করে একমাত্র ছেলেকে বড় করেছি। ঈদে শশুর-শাশুড়িকে হাজার টাকায় মার্কেট করে দিয়েছে। আমার কপালে জোটেনি কিছু। জুটেছে শুধু ছেলের হাতে মারধর।
শুধু ঊষা রাণী এবং শেফালী বেগম নয়, বৃদ্ধাশ্রমের আশ্রিতা প্রতিটি মায়ের বুকেই চেপে আছে আকাশ সমান দুঃখ, কষ্ট আর অবহেলার গল্প। যেই বয়সে নাতি-নাতনিদের সাথে খুনসুটিতে মেতে থাকার কথা সেই বয়সে নিস্তব্ধ আর একাকিত্বে কাটছে তাদের জীবন।
তারা বলেন, বুড়ো হয়ে গেলে বাবা-মা সন্তানদের কাছে বোঝা হয়ে যায়। কীভাবে ঠেলে ফেলে দেবে সেই চিন্তা করে। তবুও সেই সন্তানদের অভিশাপ নয়, বরং তাদের উন্নতি আর সাফল্য কামনা করছেন তারা। মায়ের ভালোবাসা এমনই নিঃস্বার্থ, অটুট এবং চিরন্তন। মা দিবসে নয়, প্রতিদিন হোক মায়ের প্রতি ভালোবাসা ও যত্নের প্রতিশ্রুতি।
বৃদ্ধাশ্রম, বয়স্ক পুনর্বাসন কল্যাণ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক মো. শাখাওয়াত হোসেন বলেন, একসময় ১৩০ শয্যার বৃদ্ধাশ্রম ছিল। মানুষের সাহায্য-সহযোগিতায় চলতো প্রতিষ্ঠান। তবে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সাহায্য সহযোগিতা কমে গেছে। এখন ভাড়া বাসায় ৬০ শয্যার বৃদ্ধাশ্রমে ৬০ জন মা আছেন। তবে অর্থ সংকটে তাও বন্ধের পথে।
তিনি বলেন, মায়েরা একসময় বোঝা হয়ে যায়। তবে প্রতিটি সন্তানের উচিত মায়েদের যত্ন নেওয়া, তাদের ভালোবাসা। মা-বাবা না থাকলে তাদের আর পাওয়া যাবে না।
ঊষা রাণী আর শেফালীদের গল্প আমাদের সামনে তুলে ধরছে এক কঠিন প্রশ্ন! আমরা কি সত্যিই বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্ব পালন করছি? নাকি শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করে মায়েদের উপহাস করছি?
ডেঙ্গুর মৌসুম এলেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বরিশাল নগরজুড়ে। প্রতিবছরের মতো এবারও বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়লেও নগরবাসীর অভিযোগ, মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের দৃশ্যমান কার্যক্রম খুব একটা চোখে পড়ে না।
এর মধ্যেই সামনে এসেছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য, যা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৭২৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৯২ জন। যদিও নগরজুড়ে নিয়মিত ফগিং ও মশা নিধন কার্যক্রম চালানোর দাবি করছে সিটি করপোরেশন, বাস্তবে মশার উপদ্রব কমেনি বলে অভিযোগ নগরবাসীর।
বিসিসির হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা, ফগার মেশিন ক্রয় ও প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সংগ্রহের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে এ বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যয়ও করা হয়েছে।
অথচ মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে একই খাতে ব্যয় দেখানো হয়েছিল মাত্র ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা শাখার জন্য বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কিন্তু বছর শেষে ব্যয় দেখানো হয় ৬ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০ টাকা। পরবর্তী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেই বাজেট আরও বাড়িয়ে করা হয়েছে ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের ব্যয় বিবরণীতে দেখা যায়, পরিচ্ছন্নতা শাখায় মোট ব্যয় হয়েছিল ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৫ টাকা। এর মধ্যে মশা নিধনে খরচ করা হয় ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১৪ লাখ ১৪ হাজার ২০০ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী ক্রয়ে ব্যয় দেখানো হয় মাত্র ৩০ হাজার টাকা।
কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসে সেই চিত্র বদলে যায় নাটকীয়ভাবে। ওই বছরে শুধু মশা নিধন খাতেই ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭১ টাকা। একই সময়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪২ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী কেনায় খরচ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৮১ হাজার ১৭২ টাকা।
এছাড়া চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে মশা নিধন খাতে বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬ কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী কেনায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
হঠাৎ কয়েকগুণ ব্যয় বৃদ্ধির এই তথ্য সামনে আসার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। তাদের প্রশ্ন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও কেন নগরীতে মশার উপদ্রব কমছে না? কেন প্রতি বছরই ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে?
বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা শাখার প্রধান ইউসুফ আলী নিজেও বিপুল ব্যয়ের হিসাব নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মশা মারায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে, এটি আমার কাছেও অবিশ্বাস্য মনে হয়। আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানি না।
সাধারণত রাসায়নিক কেনার বাইরে বড় ধরনের কোনো বিল হয় না। যেখানে আগের বছর ২১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে, সেখানে হঠাৎ কয়েক কোটি টাকা ব্যয় অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, মশা নিধনের কার্যক্রম আগের নিয়মেই রুটিন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের নগর সম্পাদক মো. রফিকুল আলম বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মশক নিধনে ২১ লাখ টাকা ব্যয় বাস্তবসম্মত ছিল।
কিন্তু পরবর্তী বছর প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যদি সত্যিই এত অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে, তাহলে নগরীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ এতটা বাড়ার কথা নয়।
তিনি আরও বলেন, মশা নিধন খাতে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে বর্তমান বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, এসব ব্যয় আমার দায়িত্ব গ্রহণের আগের সময়ের।
তখন দায়িত্বে ছিলেন বর্তমান বন ও পরিবেশ সচিব এবং সাবেক বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার। বিষয়টি সম্পর্কে তিনিই ভালো বলতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, মশা নিধনে ব্যবহৃত রাসায়নিক কার্যকর নয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গুর বিস্তার এবং মশা নিধন খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য সামনে আসায় বরিশাল নগরবাসীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, শুধু বাজেট বাড়িয়ে নয়, কার্যকর পরিকল্পনা, নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতার মাধ্যমেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
ডেঙ্গুর মৌসুম এলেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বরিশাল নগরজুড়ে। প্রতিবছরের মতো এবারও বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালগুলোতে রোগীর চাপ বাড়লেও নগরবাসীর অভিযোগ, মশা নিধনে সিটি করপোরেশনের দৃশ্যমান কার্যক্রম খুব একটা চোখে পড়ে না।
এর মধ্যেই সামনে এসেছে বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য, যা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা।
বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৭২৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬৯২ জন। যদিও নগরজুড়ে নিয়মিত ফগিং ও মশা নিধন কার্যক্রম চালানোর দাবি করছে সিটি করপোরেশন, বাস্তবে মশার উপদ্রব কমেনি বলে অভিযোগ নগরবাসীর।
বিসিসির হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা, ফগার মেশিন ক্রয় ও প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সংগ্রহের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে এ বরাদ্দের প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যয়ও করা হয়েছে।
অথচ মাত্র দুই বছর আগে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে একই খাতে ব্যয় দেখানো হয়েছিল মাত্র ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে এই ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে ব্যয়ের যৌক্তিকতা ও স্বচ্ছতা নিয়ে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পরিচ্ছন্নতা শাখার জন্য বরাদ্দ ছিল ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। কিন্তু বছর শেষে ব্যয় দেখানো হয় ৬ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ৯০ টাকা। পরবর্তী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সেই বাজেট আরও বাড়িয়ে করা হয়েছে ৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের ব্যয় বিবরণীতে দেখা যায়, পরিচ্ছন্নতা শাখায় মোট ব্যয় হয়েছিল ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৫ টাকা। এর মধ্যে মশা নিধনে খরচ করা হয় ২১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৫ টাকা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ১৪ লাখ ১৪ হাজার ২০০ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী ক্রয়ে ব্যয় দেখানো হয় মাত্র ৩০ হাজার টাকা।
কিন্তু ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এসে সেই চিত্র বদলে যায় নাটকীয়ভাবে। ওই বছরে শুধু মশা নিধন খাতেই ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩ কোটি ৫৪ লাখ ৩৩ হাজার ৪৭১ টাকা। একই সময়ে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৮ লাখ ৬৯ হাজার ৬৪২ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী কেনায় খরচ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ২ লাখ ৮১ হাজার ১৭২ টাকা।
এছাড়া চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে মশা নিধন খাতে বরাদ্দ আরও বাড়িয়ে করা হয়েছে ৬ কোটি ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ টাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সামগ্রী কেনায় ১ কোটি ১০ লাখ টাকা।
হঠাৎ কয়েকগুণ ব্যয় বৃদ্ধির এই তথ্য সামনে আসার পর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। তাদের প্রশ্ন, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ের পরও কেন নগরীতে মশার উপদ্রব কমছে না? কেন প্রতি বছরই ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে?
বরিশাল সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা শাখার প্রধান ইউসুফ আলী নিজেও বিপুল ব্যয়ের হিসাব নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
তিনি বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মশা মারায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে, এটি আমার কাছেও অবিশ্বাস্য মনে হয়। আমরা এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানি না।
সাধারণত রাসায়নিক কেনার বাইরে বড় ধরনের কোনো বিল হয় না। যেখানে আগের বছর ২১ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে, সেখানে হঠাৎ কয়েক কোটি টাকা ব্যয় অবশ্যই প্রশ্নবিদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, মশা নিধনের কার্যক্রম আগের নিয়মেই রুটিন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের নগর সম্পাদক মো. রফিকুল আলম বলেন, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মশক নিধনে ২১ লাখ টাকা ব্যয় বাস্তবসম্মত ছিল।
কিন্তু পরবর্তী বছর প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। যদি সত্যিই এত অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে, তাহলে নগরীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ এতটা বাড়ার কথা নয়।
তিনি আরও বলেন, মশা নিধন খাতে ব্যয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। এ বিষয়ে বর্তমান বিসিসি প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, এসব ব্যয় আমার দায়িত্ব গ্রহণের আগের সময়ের।
তখন দায়িত্বে ছিলেন বর্তমান বন ও পরিবেশ সচিব এবং সাবেক বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার রায়হান কাওছার। বিষয়টি সম্পর্কে তিনিই ভালো বলতে পারবেন।
তিনি আরও জানান, মশা নিধনে ব্যবহৃত রাসায়নিক কার্যকর নয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডেঙ্গুর বিস্তার এবং মশা নিধন খাতে অস্বাভাবিক ব্যয়ের তথ্য সামনে আসায় বরিশাল নগরবাসীর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সচেতন মহলের দাবি, শুধু বাজেট বাড়িয়ে নয়, কার্যকর পরিকল্পনা, নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহিতার মাধ্যমেই ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।
অবশেষে বরিশালের বানারীপাড়ায় ৫ টি মামলায় ওয়ারেন্টভূক্ত পলাতক আসামী রঞ্জন মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর শুক্রবার (৮মে) রাতে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা সদর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
জানা গেছে, রঞ্জন মজুমদারের বিরুদ্ধে চেক জালিয়াতি, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে পৃথক ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল। তার গ্রামের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নের তেতলা গ্রামে। তার বাবার নাম হরেন্দ্রনাথ মজুমদার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেবা কল্যাণ সঞ্চয় ঋনদান সমিতি নামের এনজিও ব্যবসার নামে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বানারীপাড়া উপজেলার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় রঞ্জন।
পরে গ্রাহকদের আমানতের টাকা আত্মসাৎ করে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায় সে। তার প্রতারণার শিকার হয়ে বহু মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের কাছে তার গ্রেফতার ও আত্মসাৎ হওয়া টাকা উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে তার গ্রেফতারের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে আসে।
বানারীপাড়া থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, ৫টি মামলায় আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজছিল পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তার অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার (৯ মে) তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।