
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৬
শিশুদের মধ্যেও শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কোন আয়োজনের যেন কমতি নেই। বিভিন্ন পারা মহল্লায় প্রতি বছর এ দিনে শিশুরা নানা আয়োজন করে দিনটি উদযাপন করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর রসুলপুর কলোনিতে প্রায় ১৫টি শহীদ মিনার তৈরি করেছে শিশুরা। বেশ কয়েকটি গ্ৰুপে ভাগ হয়ে শিশুরা এই শহীদ মিনারগুলো তৈরি করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনার তৈরির বিষয়টি নিয়ে শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগের দিন থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি বিকেল পর্যন্ত নগরীর রসুলপুর কলোনিতে ছিল এই উৎসাহ উদ্দীপনা।
কোন কোন জায়গায় শিশুদের উদ্যোগে পাঁচ টাকা দশ টাকা করে চাঁদা তুলে ও ঘরে ঘরে থেকে চাল-ঢাল উঠিয়ে আয়োজন করা হয় খিচুড়ির।
আবার রান্না শেষে বিতরণ করা হয় সবার মাঝে। এমন আয়োজন প্রতিবছর করা হয় বলে জানান এক শিশুর অভিভাবক।
সাকিব নামের এক শিশুর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, বেশ কিছু বছর ধরেই এই আয়োজন করা হচ্ছে এই কলোনিতে।
একুশে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে এই কলোনির সবার মাঝে অন্য রকম এক আনন্দ বিরাজ করে। আর এ আয়োজনে শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।
জানা গেছে, এই পুরো আয়োজনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। তারা শহীদ মিনার নির্মাণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে থাকে। ফলে শিশুরাও তাদের কাজে পায় ভিন্ন এক অনুভূতি।
স্থানীয়রা জানান, মূলত ১০-১২ বছর আগে শহীদ মিনার নির্মাণের এমন আয়োজনের উদ্যোগ নেয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী।
তার হাত ধরেই এই কলোনিতে এমন আয়োজন শুরু হয়। এরপর থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি মানেই কীর্তনখোলা নদীর তীরে রসুলপুর কলোনিতে ভিন্ন এক আয়োজন। পুরো আয়োজনটি শিশু কেন্দ্রীক হলেও ছোট-বড় সবাই এতে সহায়তা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা চুন্নু বলেন, শিশুরা শহীদ মিনার নির্মাণের এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির এক সপ্তাহ আগে থেকেই টাকা জমাতে শুরু করে। সেই জমানো টাকা দিয়ে গাঁদা ফুল ও রঙিন কাগজ কিনে সাজায় শহীদ মিনার।
লাবনী নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী বলেন, মনীষা আপা আমাদের এই শহীদ মিনার দেখে পুরস্কার দেয়। শুধু পুরস্কার নয় শহীদ মিনার সম্পর্কেও ধারণা দেয়।
লাবনীর মা বলেন, আমার মেয়ে তার বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে রঙ্গিন কাগজ, রং ও কাঠের গুড়া কিনে এনে শহীদ মিনার বানিয়েছে। সে বানাতে পেরে বেশ খুশি। তার ভালো লাগা আমাদের কাছেও ভালো লাগছে।
সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা কমিটির বর্তমান সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শিশুদের উৎসাহ দিতেই ১৩ বছর ধরে এমন আয়োজন।
কলোনির শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ছাড়াও ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তার এই আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, রসুলপুর কলোনি এটি দারিদ্র্য এলাকা, এখানকার শিশুরা প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে ওঠে। এখানে মাদকের, সন্ত্রাসের বিস্তার রয়েছে এবং নানা ধরনের অন্ধকার জগতের হাতছানি এলাকাগুলোতে রয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশ, বেড়ে ওঠা, দেশপ্রেম সৃষ্টির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
শিশুদের মধ্যেও শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কোন আয়োজনের যেন কমতি নেই। বিভিন্ন পারা মহল্লায় প্রতি বছর এ দিনে শিশুরা নানা আয়োজন করে দিনটি উদযাপন করে।
এরই ধারাবাহিকতায় বরিশাল নগরীর রসুলপুর কলোনিতে প্রায় ১৫টি শহীদ মিনার তৈরি করেছে শিশুরা। বেশ কয়েকটি গ্ৰুপে ভাগ হয়ে শিশুরা এই শহীদ মিনারগুলো তৈরি করেছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শহীদ মিনার তৈরির বিষয়টি নিয়ে শিশুদের অভিভাবকদের মধ্যে বেশ উৎসাহ উদ্দীপনার।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আগের দিন থেকে একুশে ফেব্রুয়ারি বিকেল পর্যন্ত নগরীর রসুলপুর কলোনিতে ছিল এই উৎসাহ উদ্দীপনা।
কোন কোন জায়গায় শিশুদের উদ্যোগে পাঁচ টাকা দশ টাকা করে চাঁদা তুলে ও ঘরে ঘরে থেকে চাল-ঢাল উঠিয়ে আয়োজন করা হয় খিচুড়ির।
আবার রান্না শেষে বিতরণ করা হয় সবার মাঝে। এমন আয়োজন প্রতিবছর করা হয় বলে জানান এক শিশুর অভিভাবক।
সাকিব নামের এক শিশুর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, বেশ কিছু বছর ধরেই এই আয়োজন করা হচ্ছে এই কলোনিতে।
একুশে ফেব্রুয়ারিকে ঘিরে এই কলোনির সবার মাঝে অন্য রকম এক আনন্দ বিরাজ করে। আর এ আয়োজনে শিশুদের পাশাপাশি বড়রাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়।
জানা গেছে, এই পুরো আয়োজনকে ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে যায় সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট। তারা শহীদ মিনার নির্মাণ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করে থাকে। ফলে শিশুরাও তাদের কাজে পায় ভিন্ন এক অনুভূতি।
স্থানীয়রা জানান, মূলত ১০-১২ বছর আগে শহীদ মিনার নির্মাণের এমন আয়োজনের উদ্যোগ নেয় সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের নেত্রী ডা. মনীষা চক্রবর্তী।
তার হাত ধরেই এই কলোনিতে এমন আয়োজন শুরু হয়। এরপর থেকে ২১শে ফেব্রুয়ারি মানেই কীর্তনখোলা নদীর তীরে রসুলপুর কলোনিতে ভিন্ন এক আয়োজন। পুরো আয়োজনটি শিশু কেন্দ্রীক হলেও ছোট-বড় সবাই এতে সহায়তা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা চুন্নু বলেন, শিশুরা শহীদ মিনার নির্মাণের এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য একুশে ফেব্রুয়ারির এক সপ্তাহ আগে থেকেই টাকা জমাতে শুরু করে। সেই জমানো টাকা দিয়ে গাঁদা ফুল ও রঙিন কাগজ কিনে সাজায় শহীদ মিনার।
লাবনী নামে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রী বলেন, মনীষা আপা আমাদের এই শহীদ মিনার দেখে পুরস্কার দেয়। শুধু পুরস্কার নয় শহীদ মিনার সম্পর্কেও ধারণা দেয়।
লাবনীর মা বলেন, আমার মেয়ে তার বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে রঙ্গিন কাগজ, রং ও কাঠের গুড়া কিনে এনে শহীদ মিনার বানিয়েছে। সে বানাতে পেরে বেশ খুশি। তার ভালো লাগা আমাদের কাছেও ভালো লাগছে।
সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) বরিশাল জেলা কমিটির বর্তমান সদস্য সচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী বলেন, শিশুদের উৎসাহ দিতেই ১৩ বছর ধরে এমন আয়োজন।
কলোনির শিশুদের মানসিক বিকাশের জন্য চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ছাড়াও ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্পসহ বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। তার এই আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
তিনি আরও বলেন, রসুলপুর কলোনি এটি দারিদ্র্য এলাকা, এখানকার শিশুরা প্রতিকূল পরিবেশে বেড়ে ওঠে। এখানে মাদকের, সন্ত্রাসের বিস্তার রয়েছে এবং নানা ধরনের অন্ধকার জগতের হাতছানি এলাকাগুলোতে রয়েছে। আমরা মনে করি, এ ধরনের আয়োজন শিশুদের মানসিক বিকাশ, বেড়ে ওঠা, দেশপ্রেম সৃষ্টির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৪০
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:০১
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৪০
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:২৫

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৪০
বরিশালের বাবুগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
একুশের প্রথম প্রহরে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। এসময় উপজেলা প্রশাসন ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাবুগঞ্জ ও এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ, বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাবুগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি প্রভাতফেরি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘুরে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অমর একুশের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, বাবুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক ইকবাল কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বাবুগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জায়েদ খান।
এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রউফ, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ইমামুল হক আলীম, মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুস সালেহীন, উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়দা আখতার, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, তথ্যআপা প্রকল্প কর্মকর্তা জিনিয়া আফরিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে উপজেলা শিশু একাডেমির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু একটি তারিখ নয়, এটা বাঙালির স্বাধিকার, গৌরব ও আত্মমর্যাদার এক প্রতীক। পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিলেও আমরাই একমাত্র গৌরবান্বিত জাতি, যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়ে মাতৃভাষাকে বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠিত করেছি। আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারি আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। সিয়েরা লিওনে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের জন্য বিরল সম্মান এবং গৌরবের। তাই বাংলা ভাষার মর্যাদাকে সমুন্নত রেখে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক এবং শুদ্ধভাবে বাংলা বানান লেখা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে।'
বরিশালের বাবুগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষ্যে শহীদ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, প্রভাতফেরি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
একুশের প্রথম প্রহরে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতে বাবুগঞ্জ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে কর্মসূচির সূচনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা। এসময় উপজেলা প্রশাসন ছাড়াও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বাবুগঞ্জ ও এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ, বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, রাশেদ খান মেনন মডেল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, বাবুগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
সকালে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে একটি প্রভাতফেরি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঘুরে উপজেলা পরিষদের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনার সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ হলরুমে অমর একুশের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ প্রদীপ কুমার সরকার, বাবুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক ইকবাল কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম, বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুজন সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না এবং বাবুগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জায়েদ খান।
এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুন্নাহার তামান্না, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রউফ, উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ইমামুল হক আলীম, মৎস্য কর্মকর্তা নাজমুস সালেহীন, উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ ইসমাইল হোসেন, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শামীমা ইয়াসমিন ডলি, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুর রহমান সন্ন্যামত, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাসরিন জোবায়দা আখতার, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম, তথ্যআপা প্রকল্প কর্মকর্তা জিনিয়া আফরিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবদুল করিম হাওলাদার প্রমুখসহ উপজেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে উপজেলা শিশু একাডেমির উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমা উল হুসনা বলেন, 'একুশে ফেব্রুয়ারি শুধু একটি তারিখ নয়, এটা বাঙালির স্বাধিকার, গৌরব ও আত্মমর্যাদার এক প্রতীক। পৃথিবীর অনেক দেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতার জন্য জীবন দিলেও আমরাই একমাত্র গৌরবান্বিত জাতি, যারা ভাষার জন্য জীবন দিয়ে মাতৃভাষাকে বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠিত করেছি। আমাদের একুশে ফেব্রুয়ারি আজ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। সিয়েরা লিওনে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটা আমাদের জন্য বিরল সম্মান এবং গৌরবের। তাই বাংলা ভাষার মর্যাদাকে সমুন্নত রেখে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সঠিক এবং শুদ্ধভাবে বাংলা বানান লেখা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনোযোগী হতে হবে।'

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৪
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্ন অনুযায়ী দেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। আগামী মাস থেকে কার্যক্রম শুরু হবে এবং প্রথম পর্যায়ে নগদ অর্থ প্রদান করা হবে। মোট ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের নারী সদস্য এই কার্ডের মালিক হবেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনাসভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলার মানুষ তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় কখনো আপস করেনি। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান প্রমাণ করে, ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন বাংলাদেশের মানুষের মূল চেতনা।
তিনি নির্বাচনের গুরুত্বে জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনই ক্ষমতা দখলের একমাত্র পন্থা। গণমাধ্যমকে সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে এবং কোনো গোষ্ঠীকে হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী আরও সতর্ক করেছেন যে, প্রশাসনকে ভুল কাজে ব্যবহার করা যাবে না এবং রাজনৈতিক নেতাদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন, বক্তব্য রাখেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মঞ্জুর মোর্শেদ আলী, জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আবদুল হান্নান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ভাষা সৈনিকরা।
বরিশাল টাইমস
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্বপ্ন অনুযায়ী দেশে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। আগামী মাস থেকে কার্যক্রম শুরু হবে এবং প্রথম পর্যায়ে নগদ অর্থ প্রদান করা হবে। মোট ৪ কোটি ১০ লাখ পরিবারের নারী সদস্য এই কার্ডের মালিক হবেন।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলোচনাসভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলার মানুষ তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় কখনো আপস করেনি। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে ২০২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান প্রমাণ করে, ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আন্দোলন বাংলাদেশের মানুষের মূল চেতনা।
তিনি নির্বাচনের গুরুত্বে জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনই ক্ষমতা দখলের একমাত্র পন্থা। গণমাধ্যমকে সঠিক ও সুষ্ঠুভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে এবং কোনো গোষ্ঠীকে হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না।
মন্ত্রী আরও সতর্ক করেছেন যে, প্রশাসনকে ভুল কাজে ব্যবহার করা যাবে না এবং রাজনৈতিক নেতাদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমন, বক্তব্য রাখেন বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি মঞ্জুর মোর্শেদ আলী, জেলা পুলিশ সুপার ফারজানা ইসলাম, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আবদুল হান্নান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং ভাষা সৈনিকরা।
বরিশাল টাইমস

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৩
দেশে ভয়ভীতিমুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সাংবাদিকতা পেশার নিজস্ব কাঠামো ও নীতিমালা রয়েছে। এই পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো সমস্যা, সংকট বা বিরোধ সেই কাঠামোর মধ্যেই সমাধান হওয়া প্রয়োজন। এর বাইরে অন্য কোনো প্রশাসনিক বা মন্ত্রণালয়ভিত্তিক হস্তক্ষেপ করা হলে পেশাগত স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের কিছু বাস্তব সমস্যা রয়েছে। সেগুলো চিহ্নিত করে ইতোমধ্যে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে সাংবাদিকদের আর্থিক ও পেশাগত নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। এ লক্ষ্যে ওয়েজ বোর্ডকে দ্রুত সময়োপযোগী করার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশকে প্রস্তুত করাই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এবারের জাতীয় নির্বাচন থেকে সরকার ও প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।
ভবিষ্যতে যেন সবসময় একটি নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করা যায় এবং নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হয়, সেটিই সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জন্মের পর এত বিতর্কহীন নির্বাচন আর হয়নি। আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বৃহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি। সেই পরিকল্পনা অনেক বিস্তৃত, তবে আমরা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ শুরু করেছি।
এই পরিকল্পনার আওতায় নারী অধিকার নিশ্চিত করা, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান, বেকারদের কর্মসংস্থান তৈরি এবং কৃষকদের ঋণ মওকুফসহ কৃষি কার্ড প্রদানের বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।
এছাড়া চলমান পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে মন্ত্রিপরিষদে আলোচনা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার সজাগ রয়েছে বলেও তিনি জানান। অনুষ্ঠানের শেষে মন্ত্রী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আন্দোলনের অগ্রপথিক নেতাদের অবদান স্মরণ করেন।
দেশে ভয়ভীতিমুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সাংবাদিকতা পেশার নিজস্ব কাঠামো ও নীতিমালা রয়েছে। এই পেশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যেকোনো সমস্যা, সংকট বা বিরোধ সেই কাঠামোর মধ্যেই সমাধান হওয়া প্রয়োজন। এর বাইরে অন্য কোনো প্রশাসনিক বা মন্ত্রণালয়ভিত্তিক হস্তক্ষেপ করা হলে পেশাগত স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের কিছু বাস্তব সমস্যা রয়েছে। সেগুলো চিহ্নিত করে ইতোমধ্যে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে সাংবাদিকদের আর্থিক ও পেশাগত নিরাপত্তার বিষয়টি সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করছে। এ লক্ষ্যে ওয়েজ বোর্ডকে দ্রুত সময়োপযোগী করার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বাংলাদেশকে প্রস্তুত করাই সরকারের একমাত্র লক্ষ্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থে নয়, উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এবারের জাতীয় নির্বাচন থেকে সরকার ও প্রশাসন গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।
ভবিষ্যতে যেন সবসময় একটি নিরপেক্ষ ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করা যায় এবং নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা আরও দৃঢ় হয়, সেটিই সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জন্মের পর এত বিতর্কহীন নির্বাচন আর হয়নি। আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে বৃহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছি। সেই পরিকল্পনা অনেক বিস্তৃত, তবে আমরা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কাজ শুরু করেছি।
এই পরিকল্পনার আওতায় নারী অধিকার নিশ্চিত করা, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান, বেকারদের কর্মসংস্থান তৈরি এবং কৃষকদের ঋণ মওকুফসহ কৃষি কার্ড প্রদানের বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।
এছাড়া চলমান পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে মন্ত্রিপরিষদে আলোচনা হয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার সজাগ রয়েছে বলেও তিনি জানান। অনুষ্ঠানের শেষে মন্ত্রী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং আন্দোলনের অগ্রপথিক নেতাদের অবদান স্মরণ করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.