
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩০
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৪০
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:০১
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৪০
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:২৫

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৮
যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে বরগুনার পাথরঘাটার সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ যুব সংস্থা’। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় পাথরঘাটা হাসপাতাল সড়কের সংগ্রাম মিলনায়তনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, সমাজকর্মী ও সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মহিউদ্দিন এসমে। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ স্বেচ্ছাসেবক মেহেদী সিকদার, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, সাংবাদিক মল্লিক মো. ইলিয়াস বুলবুল সোহেল এবং স্বেচ্ছাসেবক সোহাগ আকন।
সংগঠনের সহসভাপতি তাসলিমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি শোয়েব তাসিন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামই নয়, এটি ছিল বাঙালির আত্মপরিচয় ও জাতীয় চেতনার জাগরণের সূচনা। ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতি স্বাধীনতার স্বপ্নকে লালন করেছে। বক্তারা নতুন প্রজন্মের কাছে একুশের চেতনা পৌঁছে দিতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দিবসটি উপলক্ষে শুদ্ধ বাংলা ভাষায় বক্তৃতা ও খাঁটি আঞ্চলিক ভাষায় বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, মাতৃভাষার মর্যাদা ও আঞ্চলিক ভাষার সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আলোচনা সভা শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। আয়োজকেরা জানান, ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে আগামী দিনেও এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।
যথাযোগ্য মর্যাদা ও গভীর শ্রদ্ধায় মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করেছে বরগুনার পাথরঘাটার সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘তারুণ্যের বাংলাদেশ যুব সংস্থা’। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় পাথরঘাটা হাসপাতাল সড়কের সংগ্রাম মিলনায়তনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, সমাজকর্মী ও সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট সমাজসেবক মহিউদ্দিন এসমে। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা ও প্রবীণ স্বেচ্ছাসেবক মেহেদী সিকদার, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, সাংবাদিক মল্লিক মো. ইলিয়াস বুলবুল সোহেল এবং স্বেচ্ছাসেবক সোহাগ আকন।
সংগঠনের সহসভাপতি তাসলিমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি শোয়েব তাসিন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগ গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তাঁরা বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামই নয়, এটি ছিল বাঙালির আত্মপরিচয় ও জাতীয় চেতনার জাগরণের সূচনা। ভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় বাঙালি জাতি স্বাধীনতার স্বপ্নকে লালন করেছে। বক্তারা নতুন প্রজন্মের কাছে একুশের চেতনা পৌঁছে দিতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
দিবসটি উপলক্ষে শুদ্ধ বাংলা ভাষায় বক্তৃতা ও খাঁটি আঞ্চলিক ভাষায় বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীরা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, মাতৃভাষার মর্যাদা ও আঞ্চলিক ভাষার সাংস্কৃতিক গুরুত্ব তুলে ধরেন।
আলোচনা সভা শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা। আয়োজকেরা জানান, ভাষা আন্দোলনের চেতনা ধারণ করে আগামী দিনেও এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৫
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদায় বরগুনা শহীদ মিনারে উদযাপন করা হয়েছে।দিবসটির প্রথম প্রহর রাত ১২টা ০১ মিনিটে বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিমেষ বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আতিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত বিন সাদেকসহ সহকারী কমিশনারগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই খোদা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সালাহউদ্দিন, সদর থানার ওসি মো. আ. আলীম উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি রাতের প্রথম প্রহরে বরগুনা জেলা বিএনপি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট, বরগুনা পৌরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী ও সাংবাদিক সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংস্থা এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) অংশগ্রহণ করে। তারা প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে ৫২ ভাষা আন্দোলনের শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসন ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের গুরুত্ব এবং মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধার বার্তা দিয়েছেন। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলো ভবিষ্যত প্রজন্মকে ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা করার আহ্বান জানান।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদায় বরগুনা শহীদ মিনারে উদযাপন করা হয়েছে।দিবসটির প্রথম প্রহর রাত ১২টা ০১ মিনিটে বরগুনা জেলা প্রশাসক তাছলিমা আক্তার শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনিমেষ বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. আতিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা মেজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত বিন সাদেকসহ সহকারী কমিশনারগণ উপস্থিত ছিলেন।
পরে জেলা পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই খোদা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আল মাসুদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইব্রাহিম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সালাহউদ্দিন, সদর থানার ওসি মো. আ. আলীম উপস্থিত ছিলেন।
পাশাপাশি রাতের প্রথম প্রহরে বরগুনা জেলা বিএনপি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট, বরগুনা পৌরসভাসহ বিভিন্ন সরকারি ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল, পেশাজীবী ও সাংবাদিক সংগঠন, সাংস্কৃতিক সংস্থা এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) অংশগ্রহণ করে। তারা প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে ৫২ ভাষা আন্দোলনের শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা প্রশাসন ভাষাশহীদদের আত্মত্যাগের গুরুত্ব এবং মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধার বার্তা দিয়েছেন। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী সংগঠনগুলো ভবিষ্যত প্রজন্মকে ভাষা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা করার আহ্বান জানান।

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৮
বরগুনার তালতলীতে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় ভাসমান অবস্থায় একটি বিশাল সামুদ্রিক কোরাল মাছ ধরা পড়েছে জেলের জালে। মাছটির ওজন ২২ কেজি ৫০০ গ্রাম। পরে তালতলী মাছ বাজারে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এটি বিক্রি হয় ১৯ হাজার ১২৫ টাকায়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় জেলে মান্নান খান ইলিশ ধরতে সাগরে গেলে ফকিরহাট সংলগ্ন মোহনায় মাছটিকে ভাসতে দেখেন। তিনি জাল ফেলে মাছটি তুলে নেন। তবে মাছটি তখন মৃত ছিল বলে জানান জেলেরা। পরে মাছটি তালতলী মাছ বাজারে নিয়ে আসা হলে তা দেখতে ভিড় জমে যায়।
তালুকদার মৎস্য আড়তে শহিদুল হক তালুকদারের গদিতে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে কেজিপ্রতি ৮৫০ টাকা দরে মাছটির দাম হাঁকানো হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. বশির মৃধা মাছটি কিনে নেন। ব্যবসায়ীরা জানান, মাছটির রং কিছুটা সাদাটে হয়ে যাওয়ায় প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যায়নি। মাছটি আরও সতেজ থাকলে এর দাম ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারত।
জেলে মান্নান খান বলেন, এত বড় মাছ জীবনে খুব কমই পেয়েছি। সাগরে ভাসতে দেখে জাল ফেলি। তখন মাছটি জীবিত ছিল না। তবে প্রায় ১৯ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পেরে অনেক খুশি। মাছ কম পেলেও এই একটি মাছ আমাদের বড় সহায়তা করেছে।
মাছের ক্রেতা মো. বশির মৃধা বলেন, সচরাচর এত বড় কোরাল পাওয়া যায় না। মাছটি কেটে কেজি দরে বিক্রি করা হবে। ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা-ধরা’-এর তালতলী সমন্বয়ক মো. আরিফুর রহমান বলেন, এটি শুধু একটি বাজারের ঘটনা নয়, বরং সামুদ্রিক পরিবেশের জন্য একটি সতর্কবার্তা।
এত বড় মাছ হঠাৎ মৃত অবস্থায় ভেসে ওঠা স্বাভাবিক নয়। দূষণ, অবৈধ জাল, ট্রলারের আঘাত বা সমুদ্রে বর্জ্য নিঃসরণের মতো কারণ থাকতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, বড় আকারের কোরাল বঙ্গোপসাগরে পাওয়া যায়। তবে মৃত অবস্থায় ভেসে উঠলে তার কারণ খতিয়ে দেখা দরকার। প্রাকৃতিক কারণ, রোগ বা আঘাত বিভিন্ন কারণে এমন হতে পারে। বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হবে এবং জেলেদের সচেতন থাকতে বলা হয়েছে।
বরগুনার তালতলীতে বঙ্গোপসাগরের মোহনায় ভাসমান অবস্থায় একটি বিশাল সামুদ্রিক কোরাল মাছ ধরা পড়েছে জেলের জালে। মাছটির ওজন ২২ কেজি ৫০০ গ্রাম। পরে তালতলী মাছ বাজারে উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে এটি বিক্রি হয় ১৯ হাজার ১২৫ টাকায়।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে স্থানীয় জেলে মান্নান খান ইলিশ ধরতে সাগরে গেলে ফকিরহাট সংলগ্ন মোহনায় মাছটিকে ভাসতে দেখেন। তিনি জাল ফেলে মাছটি তুলে নেন। তবে মাছটি তখন মৃত ছিল বলে জানান জেলেরা। পরে মাছটি তালতলী মাছ বাজারে নিয়ে আসা হলে তা দেখতে ভিড় জমে যায়।
তালুকদার মৎস্য আড়তে শহিদুল হক তালুকদারের গদিতে উন্মুক্ত ডাকের মাধ্যমে কেজিপ্রতি ৮৫০ টাকা দরে মাছটির দাম হাঁকানো হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. বশির মৃধা মাছটি কিনে নেন। ব্যবসায়ীরা জানান, মাছটির রং কিছুটা সাদাটে হয়ে যাওয়ায় প্রত্যাশিত দাম পাওয়া যায়নি। মাছটি আরও সতেজ থাকলে এর দাম ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারত।
জেলে মান্নান খান বলেন, এত বড় মাছ জীবনে খুব কমই পেয়েছি। সাগরে ভাসতে দেখে জাল ফেলি। তখন মাছটি জীবিত ছিল না। তবে প্রায় ১৯ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পেরে অনেক খুশি। মাছ কম পেলেও এই একটি মাছ আমাদের বড় সহায়তা করেছে।
মাছের ক্রেতা মো. বশির মৃধা বলেন, সচরাচর এত বড় কোরাল পাওয়া যায় না। মাছটি কেটে কেজি দরে বিক্রি করা হবে। ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা-ধরা’-এর তালতলী সমন্বয়ক মো. আরিফুর রহমান বলেন, এটি শুধু একটি বাজারের ঘটনা নয়, বরং সামুদ্রিক পরিবেশের জন্য একটি সতর্কবার্তা।
এত বড় মাছ হঠাৎ মৃত অবস্থায় ভেসে ওঠা স্বাভাবিক নয়। দূষণ, অবৈধ জাল, ট্রলারের আঘাত বা সমুদ্রে বর্জ্য নিঃসরণের মতো কারণ থাকতে পারে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন বলেন, বড় আকারের কোরাল বঙ্গোপসাগরে পাওয়া যায়। তবে মৃত অবস্থায় ভেসে উঠলে তার কারণ খতিয়ে দেখা দরকার। প্রাকৃতিক কারণ, রোগ বা আঘাত বিভিন্ন কারণে এমন হতে পারে। বিষয়টি নজরদারিতে রাখা হবে এবং জেলেদের সচেতন থাকতে বলা হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.