
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩০
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩১
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৫
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৮
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা প্রায় ১ হাজার ২৬০ লিটার বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। পরে এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের দিকে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোন, পাথরঘাটা স্টেশনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফট্যানেন্ট মো. আবুল কাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে পাথরঘাটা উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পাথরঘাটা কোস্টগার্ড স্টেশন সূত্রে জানা যায়, বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কৃত্রিমভাবে জ্বালানির সংকট তৈরি করে মজুতসহ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছেন বিভিন্ন এলাকার অসাধু ব্যবসায়ীরা। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাথারঘাটার বিভিন্ন এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ড সদস্যরা।
এ সময় উপজেলার মাছের খাল বাজার সংলগ্ন এলাকায় সাইফুল স্টোর নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তল্লাশি চালালে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ২৬০ লিটার জ্বালানি তেল পাওয়া যায়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা।
পরবর্তীতে পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে বৈধ কাগজপত্র ব্যতিত অবৈধভাবে জ্বালানি তেল পেট্রোল, অকটে ও ডিজেল মজুত এবং বিক্রি করার দায়ে ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া উদ্ধারকৃত জ্বালানি সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করার নির্দেশনা প্রদান করেন।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাপস পাল বলেন, কোস্টগার্ডের অভিযানে অবৈধভাবে মজুত জ্বালানি উদ্ধারের পর ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪০
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।
বরগুনার আমতলী উপজেলায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১৪০০ লিটার অবৈধভাবে মজুতকৃত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার বিকেলে আমতলী পৌর শহরের একে পাইলট বিদ্যালয় সড়ক এবং ঘটখালী এলাকার দুটি পৃথক দোকানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে ৯৮০ লিটার ডিজেল, ২২০ লিটার পেট্রোল এবং ২০০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৬৩ টাকা।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও আমতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুদ ও বিক্রির দায়ে সংশ্লিষ্ট দুই বিক্রেতাকে জ্বালানি তেল আইনে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেন।
এ সময় বিচারক অতিরিক্ত তেল থাকা এবং বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় কিছু যানবাহনকে জ্বালানি তেল সরবরাহ করেননি। পরবর্তীতে জব্দকৃত তেল দুটি পেট্রোল পাম্পে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হয় বলে জানানো হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে।

১৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:০৭
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
বরগুনার পাথরঘাটা ভৌগলিক কারণে সুপেয় পানি তীব্র সংকট। নিরাপদ পানি নিশ্চিতকরণ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং শিশু সুরা জোরদারের ল্েয গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, শিক, সাংবাদিক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের বিনাপানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অনুষ্ঠিত গণ-শুনানির আয়োজন করে নজরুল স্মৃতি সংসদ, সহযোগিতায় মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন।
গণশুনানীতে চরদুয়ানী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথরঘাটা উপজেলা জনস¦াস্থ্য প্রকৌশলী মো.মেহেদী হাসান।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, নজরুল স¥ৃতি সংসদের নির্বাহী পরিচালক সাহাব উদ্দিন পান্না, জ্ঞানপাড়া খলিফারহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মো.বেলায়েত হোসেন, উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন, পাথরঘাটা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক নজমুল হক সেলিম প্রমুখ।
গণশুনানীতে পাথরঘাটায় সুপেয় পানির সংকট এবং বাস্তবতার উপর ভিত্তি করে পিএসএফ অচল থাকা, লবণাক্ততা, টাংকির অভাবে বৃষ্টির পানি সংরণে সীমাবদ্ধতা, নিরাপদ পানি উৎস্য স্থাপন ও রনাবেণ,মনিটরিং ও তদারকি, জরুরী ব্যবস্থা ও প্রতিকার, সুবিধাজনক পানির ব্যবস্থা তৈরী সচেতনতা বৃদ্ধি ও শিা, শিা প্রতিষ্ঠান এবং সাইকোন শেল্টার কাম স্কুল দুর্যোগকালীন পানি নিশ্চিত করণ, নারীদের নিরাপত্তাসহ নীতিমালা ও পরিকল্পনা প্রণয়নে প্রশ্ন করেন স্থানীয়রা।
সভায় উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও অতিথিদের নিকট নিরাপদ পানি, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ ও শিশু সুরার বিষয়ে সাধারণ জনগণ কিংবা সেবাগ্রহীতাদের প থেকে নানামুখী প্রশ্ন করা হয়।
এসময় প্রশ্নের উওর সহ এবং ফলাফলে জনগণের সমস্যা সমাধানে সেবাদাতা হিসেবে একাধিক অতিথি উত্তর দেন এবং এলাকাবাসির দাবিগুলো প্রতিবেদন আকারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপ এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপরে কাছে পাঠানোর জন্য সুপারিশ করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.