
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৩০
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।
ত্রয়োদশ সংসদ শেষ হয়ে গেলো। নির্বাচিত সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণও হয়ে গেলো। এরই মধ্যে জাতীয় সংসদে সংরতি নারী সদস্য হিসেবে বরগুনা থেকে লবিং করছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। বিগত সরকারের দুইবারে বরগুনা থেকে নারী সংরতি এমপি ছিলেন দুই নারী। দুজনের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। সে হিসেবে এবারেও বরগুনার জনগণ নিরাশ হচ্ছেন না সংরতি এমপি থেকে। এরই মধ্যে সংরতি নারী এমপি হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা। স্থানীয় পর্যায়ে সাম্প্রতিক সময়ে এ বিষয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও আলোচনাও ল্য করা যাচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা ঢাকায় আইন পেশায় নিয়োজিত। তিনি পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদিকা, বিএনপির বরগুনা জেলার সাবেক সহসভাপতি, ঢাকা বার ইউনিটের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ নাট্য বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তার স¦ামী সফিকুল ইসলাম সজিব পাথরঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। রাজনৈতিকভাবে রাজপথে থেকে আন্দোলন করায় একাধিক হামলা এবং মামলার শিকার হয়েছেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বরগুনা জেলার পাথরঘাটার কৃতি সন্তান, রাজপথের সাহসী সাবধান আন্দোলন সংগ্রামের আইনজীবীদের প্রথম সারির নারী নেত্রী, একাধিক হামলা মামলা শিকারও হয়েছেন। ইতোমধ্যেই তিনি আইনপেশায় সফল অর্জন করায় ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইন পেশায় থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনাণ্ড২ আসনে ধানের শীষের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের সমন¦য়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরা বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকার রাজপথে বিএনপির পক্ষে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। মামলা হামলার শিকার হয়েছি। মানুষের কাছে গিয়ে তাদের দুঃখ দুর্দশার কথা শুনেছি। আইন পেশায় নিয়োজিত থাকলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকান্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। সবশেষ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে সর্বোচ্চ শ্রম দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, দল আমাকে মুল্যায়ন করবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেহেতু তরুণদের অংশগ্রহণ বেশি এবং বেশ কয়েকজন তরুণ সংসদ সদস্যও হয়েছেন। আশা করছি তারেক রহমান সংরক্ষিত আসনেও আমাকে মুল্যায়ন করবেন।
তিনি আরও বলেন, বরগুনার উপকূলীয় অঞ্চল অবহেলিত। দল আমাকে সংরক্ষিত এমপি হিসেবে মনোনীত করলে আমি উপকূল রক্ষায় কাজ করবো।
তবে সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, জনমত ও স্থানীয় পর্যায়ের দলীয় প্রতিক্রিয়া এবং দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ওপরই তার সম্ভাবনা নির্ভর করবে।
অ্যাডভোকেট মারজিয়া হীরার স্বামী সফিকুল ইসলাম সজিব বলেন, ছাত্র রাজনীতি করে আওয়ামী লীগ আমলে অনেক হামলা মামলার শিকার হয়েছি। অনেক বার কারাবরণ করতে হয়েছে। দলের দুঃসময়ে দলকে আগলে রেখেছি। এখন দলের সুসময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি তারেক রহমান আমাদের মুল্যায়ন করবেন।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরতি থাকে, যা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটে আনুপাতিক হারে বণ্টন করা হয়। এই সংরতি এমপিগণ সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতো আইন প্রণয়ন, ভোটাধিকার এবং রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারণে অংশ নেন, তবে তাদের নির্বাচন প্রক্রিয়া পরো।
সংরতি নারী সংসদ সদস্যের সম্পর্কে সংবিধানের মূল বিধানে বলা হয়েছে, ৩০০টি আসনের বাইরে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরতি। নির্বাচিত ৩০০ জন সংসদ সদস্যের ভোটে, দলভিত্তিক আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই ৫০ জন নির্বাচিত হন। সাধারণ সংসদ সদস্যদের মতোই তাদের মেয়াদ ৫ বছর এবং তারা সংসদে সমান অধিকার ও মতা ভোগ করেন। নির্বাচনের পর দলগুলো তাদের আসন সংখ্যার অনুপাতে এই সংরতি আসনগুলো পায়।
১০ জুন, ২০২৬ ১৯:৫২
১০ জুন, ২০২৬ ১৭:২৪
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:৩৭
১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮

১০ জুন, ২০২৬ ১৬:২৮
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস
বরগুনার আমতলী উপজেলায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলার অন্যতম শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজীসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০০ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬০ হাজার টাকা জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আমতলী পৌর এলাকার বটতলা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন আমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কমল চন্দ্র। এ সময় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. হাবিবুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মাদারীপুর জেলার লক্ষীগঞ্জ এলাকার মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে সুজন হাওলাদার এবং আমতলী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বাজার এলাকার মৃত জলিল গাজীর ছেলে আবদুল্লাহ আল নোমান ওরফে জনি গাজী। পুলিশ বলছে, জনি গাজী দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং স্থানীয়ভাবে শীর্ষ মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত।
আমতলী থানার ওসি আবু শাহাদাৎ হাসনাইন পারভেজ জানান, অভিযানে উদ্ধার হওয়া ইয়াবা ও নগদ অর্থের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা। আটক দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করা হবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১০
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'
বরগুনার আমতলীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সজীব এবং সাইফুল ইসলাম নামে দুইজনর নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আসাদুল ইসলাম নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শুক্রবার (৫ জুন) রাত ৯টার দিকে আমতলী উপজেলার বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা সম্পর্কে শ্যালক এবং ভগ্নিপতি। হতাহতরা মোটরসাইকেলআরোহী ছিলেন।
পুলিশ জানায়, নিহত সজিব তার দুই শ্যালকসহ মোটরসাইকেল নিয়ে পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়া যাচ্ছিলেন। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের শাখারিয়া নামক এলাকায় পৌঁছালে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা সম্রাট পরিবহন নামে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। পরে ফায়ারসার্ভিস সজিবকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এছাড়া অপর দুজনকে গুরুতর অবস্থায় পটুয়াখালী হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুল ইসলামের মৃত্যু হয়।
আমতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মো. হানিফ জাগো নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সজীব নামের একজনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া মোটরসাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহীকে গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাসনাইন পারভেজ বরিশালটাইমসকে বলেন, ঘটনার পর ঘাতক বাসের চালক এবং হেলপার পালিয়ে গেছে। তবে বাসটি আটক রাখা হয়েছে।'

০৫ জুন, ২০২৬ ১৩:২১
বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত মহিউদ্দিন (৪০) উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া গ্রামের সিকান্দার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে মহিউদ্দিন বাড়ির কাছের একটি ধান ক্ষেতে কাজ করছিলেন।
সকাল পৌনে দশটার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় একটি বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে কাজ না করা এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য সকলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
বরগুনা সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত মহিউদ্দিন (৪০) উপজেলার দক্ষিণ ইটবাড়িয়া গ্রামের সিকান্দার আলীর ছেলে। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো সকালে মহিউদ্দিন বাড়ির কাছের একটি ধান ক্ষেতে কাজ করছিলেন।
সকাল পৌনে দশটার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বজ্রপাত শুরু হয়। এসময় একটি বজ্রপাত সরাসরি তার ওপর পড়লে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে বরগুনা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ বর্ষাকালে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে কাজ না করা এবং নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার জন্য সকলের প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.