বাউফল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা নিয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে বাউফল পাবলিক মাঠের পশ্চিম ও উত্তর পাশে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শোকের এই দিনে শহীদ মিনারকে উৎসবের আমেজে রঙিন আলোয় সাজানো শহীদদের আত্মদানকে অবজ্ঞা করার শামিল বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে গত রাত থেকেই ফেসবুকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তবে সবার নজর কাড়ে শহীদ মিনারের চারপাশের চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা ও ঝাড়বাতি।
সাধারণত ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষাশহীদদের স্মরণে একটি শোকাবহ দিন হিসেবে পালিত হলেও বাউফল প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী সজ্জাকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।
স্থানীয় সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ১৯৫২ সালের এই দিনে মায়ের ভাষার জন্য বাংলার বীর সন্তানরা রাজপথে রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন।
জাতি যখন তাদের এই মহান আত্মত্যাগে শোকাভিভূত, তখন শহীদ মিনারকে ঝাড়বাতি দিয়ে রঙিন করে তোলা শহীদদের প্রতি এক ধরনের ব্যঙ্গ করার মতো ঘটনা। তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন, শোকের দিনে এমন আলোকসজ্জা তিনি তার জীবনে কখনো দেখেননি এবং সেখানে উপস্থিত থেকেও স্থানীয় সংসদ সদস্য এর কোনো প্রতিবাদ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।
বাউফল উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফিরোজও এই আলোকসজ্জা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজধানীর মূল বেদিতে যেখানে কোনো আলোকসজ্জা নেই এবং ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখা হয়েছে, সেখানে বাউফলে এমন রঙিন লাইটিংয়ের যৌক্তিকতা কোথায়? তার এই স্ট্যাটাসের নিচে অসংখ্য নেটিজেন মন্তব্য করে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অপরিকল্পিত ও অমর্যাদাকর হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সমালোচনার মুখে বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ তার অবস্থান পরিষ্কার করে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, আলোকসজ্জা করার উদ্দেশ্য কোনো উৎসব পালন নয়, বরং রাতের অন্ধকারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় দৃশ্যমানতা বাড়ানো বা আলোক স্বল্পতা দূর করাই ছিল মূল লক্ষ্য ছিল।
তিনি দাবি করেন, এই লাইটিংয়ে কেবল জাতীয় পতাকার লাল ও সবুজ রং ব্যবহার করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় আলপনা আঁকা হলে যদি দোষ না হয়, তবে জাতীয় পতাকার রঙে আলোকায়ন কোনোভাবেই বিতর্কিত হতে পারে না।
তবে প্রশাসনের এই ব্যাখ্যার পরও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ কাটেনি। অনেকের মতে, আলোকসজ্জার পরিবর্তে কেবল প্রয়োজনীয় আলোর ব্যবস্থা রাখা যেত, যা দিবসের মূল ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করতে সহায়ক হতো। সব মিলিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে এই আলোকসজ্জার বিষয়টি বাউফলের জনমনে এখন প্রধান আলোচনা ও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:০৫
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ভাঙন কবলিত তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙনরোধে টেকসই বেড়িবাঁধ ও দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করতে সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে সব শ্রেণিপেশার হাজারো মানুষ।
ভোলা (ভেলুমিয়া)- পটুয়াখালী (ধুলিয়া) সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর তীরের পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার মঠবাড়িয়া-ধুলিয়া লঞ্চঘাট ও বাকেরগঞ্জের দুর্গাপাশা এলাকার প্রায় পাঁচ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন কর্মসূচি শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সেতু বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মো. মোফাজ্জেল হোসেন মফু। তিনি লিখিত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, দেশের সড়ক পথের সঙ্গে দ্বীপ জেলা ভোলাকে যুক্ত করতে সবচেয়ে সহজ পথ তেঁতুলিয়া নদীর ভোলার ভেলুমিয়া থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া পয়েন্টে সেতু নির্মাণ। যার দুরত্বমাত্র সাড়ে তিন কিলোমিটার। এতে দক্ষিণ পূর্ব অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক উন্নতি ঘটবে। যা দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলবে।
ভোলা থেকে পটুয়াখালীর ধুলিয়া হয়ে বরিশালের বারেকগঞ্জ হয়ে মাত্র ৪৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বরিশাল শহরে পৌঁছানো যাবে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও ভোলার সাথে সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা, পায়রা বন্দর, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে, মংলা বন্দর সহ দক্ষিণের ৬টি জেলার ২৫টি উপজেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন হবে।
ওই সংবাদ সম্মেল ও মানববন্ধনে তেঁতুলিয়া নদী বেষ্টিত চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নসহ ধুলিয়া, নাজিরপুর ও কাছিপাড়া ইউনিয়ন রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণেরও জোরালো দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ভার্চুয়াল বক্তব্য দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি দলীয় সাবেক সংসদ সদস্য সহিদুল আলম তালুকদার, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক(ভারপ্রাপ্ত) তসলিম তালুকদার, উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাও. রফিকুল ইসলাম, বাউফল উপজেলা জনকল্যাণ সমিতির সভাপতি আ. রব খান, সাবেক জেলা পরিষদ সদস্য মো. বাবুল মিয়া, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সদস্য সচিব মো. নাইম সিকদার তারেক, ধুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. জহিরুল ইসলাম, সৈয়দ মো. রিপন, মো. তৌসিফুর রহমান রাফা প্রমূখ।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:২৮
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াখালীর দশমিনায় এক গ্রাম্য কবিরাজের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আরিফুর রহমান (৪২) নামের এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের মোল্লা বাড়ির কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়ির পুকুরপাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত আরিফুর রহমান ওই এলাকার নূর আলম মাতব্বরের ছেলে এবং পেশায় একজন শ্রমিক ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিন ধরে শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আরিফুর রহমান। গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় চিকিৎসার জন্য তাকে স্থানীয় কবিরাজ নূরজাহান বেগমের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। রাতের দিকে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে ভেবে তার স্ত্রী বাড়ি ফিরে গেলেও মা ও আরিফুর কবিরাজের কাছে থেকে যান।
পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে মা ঘুম থেকে জেগে ছেলেকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে কবিরাজের ঘরের সামনের পুকুরপাড়ের লোটানো অবস্থায় ছেলেকে দেখতে পান তিনি। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে আরিফুরকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে দশমিনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
কবিরাজ নূরজাহান বেগম দাবি করেন, রাতে স্থানীয় ইউপি সদস্যদের উপস্থিতিতে আরিফুরকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে তিনি আবোল-তাবোল বলতে বলতে পুকুরে পড়ে গেলে তাকে উদ্ধার করে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর পরিবারের সদস্যরা চলে গেলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে হাঁস-মুরগি ছাড়তে গিয়ে আরিফুরকে rtsপুকুরপাড় মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
দশমিনা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান, পুকুরপাড় থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:২১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আইকনিক পরিবহনের একটি ডাবল ডেকার স্লিপার বাস পুকুরে পড়ে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়েছে। শুক্রবার সকাল সাড়ে সাতটার দিকে কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের খলিলপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে বাসটি (ঢাকা মেট্রো-ব ১২৪৫৫৫) ঢাকা থেকে ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক নিয়ে কুয়াকাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। পরে সকাল সাড়ে সাতটার দিকে খলিলপুর এলাকায় পৌঁছলে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি অগভীর পুকুরে পড়ে যায়। এতে অন্তত ১৫ জন পর্যটক আহত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করেন এবং গুরুতর ৬ জনকে কলাপাড়া হাসপাতালে পাঠান। বাসটিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০১ ও ২০২৩ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থীরা ছিলেন। কুয়াকাটা ভ্রমণের জন্য তারা বাসটি রিজার্ভ নিয়েছিলেন।
কলাপাড়া থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। তবে চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২১
বাউফল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা নিয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে বাউফল পাবলিক মাঠের পশ্চিম ও উত্তর পাশে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শোকের এই দিনে শহীদ মিনারকে উৎসবের আমেজে রঙিন আলোয় সাজানো শহীদদের আত্মদানকে অবজ্ঞা করার শামিল বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে গত রাত থেকেই ফেসবুকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তবে সবার নজর কাড়ে শহীদ মিনারের চারপাশের চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা ও ঝাড়বাতি।
সাধারণত ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষাশহীদদের স্মরণে একটি শোকাবহ দিন হিসেবে পালিত হলেও বাউফল প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী সজ্জাকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।
স্থানীয় সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ১৯৫২ সালের এই দিনে মায়ের ভাষার জন্য বাংলার বীর সন্তানরা রাজপথে রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন।
জাতি যখন তাদের এই মহান আত্মত্যাগে শোকাভিভূত, তখন শহীদ মিনারকে ঝাড়বাতি দিয়ে রঙিন করে তোলা শহীদদের প্রতি এক ধরনের ব্যঙ্গ করার মতো ঘটনা। তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন, শোকের দিনে এমন আলোকসজ্জা তিনি তার জীবনে কখনো দেখেননি এবং সেখানে উপস্থিত থেকেও স্থানীয় সংসদ সদস্য এর কোনো প্রতিবাদ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।
বাউফল উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফিরোজও এই আলোকসজ্জা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজধানীর মূল বেদিতে যেখানে কোনো আলোকসজ্জা নেই এবং ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখা হয়েছে, সেখানে বাউফলে এমন রঙিন লাইটিংয়ের যৌক্তিকতা কোথায়? তার এই স্ট্যাটাসের নিচে অসংখ্য নেটিজেন মন্তব্য করে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অপরিকল্পিত ও অমর্যাদাকর হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সমালোচনার মুখে বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ তার অবস্থান পরিষ্কার করে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, আলোকসজ্জা করার উদ্দেশ্য কোনো উৎসব পালন নয়, বরং রাতের অন্ধকারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় দৃশ্যমানতা বাড়ানো বা আলোক স্বল্পতা দূর করাই ছিল মূল লক্ষ্য ছিল।
তিনি দাবি করেন, এই লাইটিংয়ে কেবল জাতীয় পতাকার লাল ও সবুজ রং ব্যবহার করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় আলপনা আঁকা হলে যদি দোষ না হয়, তবে জাতীয় পতাকার রঙে আলোকায়ন কোনোভাবেই বিতর্কিত হতে পারে না।
তবে প্রশাসনের এই ব্যাখ্যার পরও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ কাটেনি। অনেকের মতে, আলোকসজ্জার পরিবর্তে কেবল প্রয়োজনীয় আলোর ব্যবস্থা রাখা যেত, যা দিবসের মূল ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করতে সহায়ক হতো। সব মিলিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে এই আলোকসজ্জার বিষয়টি বাউফলের জনমনে এখন প্রধান আলোচনা ও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:১২
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০৩
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০০
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:১৯