
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২১
বাউফল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা নিয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে বাউফল পাবলিক মাঠের পশ্চিম ও উত্তর পাশে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শোকের এই দিনে শহীদ মিনারকে উৎসবের আমেজে রঙিন আলোয় সাজানো শহীদদের আত্মদানকে অবজ্ঞা করার শামিল বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে গত রাত থেকেই ফেসবুকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তবে সবার নজর কাড়ে শহীদ মিনারের চারপাশের চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা ও ঝাড়বাতি।
সাধারণত ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষাশহীদদের স্মরণে একটি শোকাবহ দিন হিসেবে পালিত হলেও বাউফল প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী সজ্জাকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।
স্থানীয় সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ১৯৫২ সালের এই দিনে মায়ের ভাষার জন্য বাংলার বীর সন্তানরা রাজপথে রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন।
জাতি যখন তাদের এই মহান আত্মত্যাগে শোকাভিভূত, তখন শহীদ মিনারকে ঝাড়বাতি দিয়ে রঙিন করে তোলা শহীদদের প্রতি এক ধরনের ব্যঙ্গ করার মতো ঘটনা। তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন, শোকের দিনে এমন আলোকসজ্জা তিনি তার জীবনে কখনো দেখেননি এবং সেখানে উপস্থিত থেকেও স্থানীয় সংসদ সদস্য এর কোনো প্রতিবাদ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।
বাউফল উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফিরোজও এই আলোকসজ্জা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজধানীর মূল বেদিতে যেখানে কোনো আলোকসজ্জা নেই এবং ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখা হয়েছে, সেখানে বাউফলে এমন রঙিন লাইটিংয়ের যৌক্তিকতা কোথায়? তার এই স্ট্যাটাসের নিচে অসংখ্য নেটিজেন মন্তব্য করে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অপরিকল্পিত ও অমর্যাদাকর হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সমালোচনার মুখে বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ তার অবস্থান পরিষ্কার করে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, আলোকসজ্জা করার উদ্দেশ্য কোনো উৎসব পালন নয়, বরং রাতের অন্ধকারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় দৃশ্যমানতা বাড়ানো বা আলোক স্বল্পতা দূর করাই ছিল মূল লক্ষ্য ছিল।
তিনি দাবি করেন, এই লাইটিংয়ে কেবল জাতীয় পতাকার লাল ও সবুজ রং ব্যবহার করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় আলপনা আঁকা হলে যদি দোষ না হয়, তবে জাতীয় পতাকার রঙে আলোকায়ন কোনোভাবেই বিতর্কিত হতে পারে না।
তবে প্রশাসনের এই ব্যাখ্যার পরও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ কাটেনি। অনেকের মতে, আলোকসজ্জার পরিবর্তে কেবল প্রয়োজনীয় আলোর ব্যবস্থা রাখা যেত, যা দিবসের মূল ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করতে সহায়ক হতো। সব মিলিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে এই আলোকসজ্জার বিষয়টি বাউফলের জনমনে এখন প্রধান আলোচনা ও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বাউফল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা নিয়ে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অমর একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে বাউফল পাবলিক মাঠের পশ্চিম ও উত্তর পাশে নির্মিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোকসজ্জা করাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন মহল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। শোকের এই দিনে শহীদ মিনারকে উৎসবের আমেজে রঙিন আলোয় সাজানো শহীদদের আত্মদানকে অবজ্ঞা করার শামিল বলে অভিযোগ তুলেছেন অনেকে।
স্থানীয় প্রশাসনের এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে গত রাত থেকেই ফেসবুকে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার ঝড় বইছে। অমর একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আসেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তবে সবার নজর কাড়ে শহীদ মিনারের চারপাশের চাকচিক্যময় আলোকসজ্জা ও ঝাড়বাতি।
সাধারণত ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষাশহীদদের স্মরণে একটি শোকাবহ দিন হিসেবে পালিত হলেও বাউফল প্রশাসনের এই ব্যতিক্রমী সজ্জাকে অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।
স্থানীয় সাংবাদিক এমরান হাসান সোহেল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেছেন, ১৯৫২ সালের এই দিনে মায়ের ভাষার জন্য বাংলার বীর সন্তানরা রাজপথে রক্ত ঢেলে দিয়েছিলেন।
জাতি যখন তাদের এই মহান আত্মত্যাগে শোকাভিভূত, তখন শহীদ মিনারকে ঝাড়বাতি দিয়ে রঙিন করে তোলা শহীদদের প্রতি এক ধরনের ব্যঙ্গ করার মতো ঘটনা। তিনি আক্ষেপ করে আরও বলেন, শোকের দিনে এমন আলোকসজ্জা তিনি তার জীবনে কখনো দেখেননি এবং সেখানে উপস্থিত থেকেও স্থানীয় সংসদ সদস্য এর কোনো প্রতিবাদ না করায় তিনি বিস্ময় প্রকাশ করেন।
বাউফল উপজেলা জিয়া মঞ্চের আহ্বায়ক মোহাম্মদ ফিরোজও এই আলোকসজ্জা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজধানীর মূল বেদিতে যেখানে কোনো আলোকসজ্জা নেই এবং ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখা হয়েছে, সেখানে বাউফলে এমন রঙিন লাইটিংয়ের যৌক্তিকতা কোথায়? তার এই স্ট্যাটাসের নিচে অসংখ্য নেটিজেন মন্তব্য করে প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে অপরিকল্পিত ও অমর্যাদাকর হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সমালোচনার মুখে বাউফলের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ তার অবস্থান পরিষ্কার করে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, আলোকসজ্জা করার উদ্দেশ্য কোনো উৎসব পালন নয়, বরং রাতের অন্ধকারে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় দৃশ্যমানতা বাড়ানো বা আলোক স্বল্পতা দূর করাই ছিল মূল লক্ষ্য ছিল।
তিনি দাবি করেন, এই লাইটিংয়ে কেবল জাতীয় পতাকার লাল ও সবুজ রং ব্যবহার করা হয়েছে এবং অনেক জায়গায় আলপনা আঁকা হলে যদি দোষ না হয়, তবে জাতীয় পতাকার রঙে আলোকায়ন কোনোভাবেই বিতর্কিত হতে পারে না।
তবে প্রশাসনের এই ব্যাখ্যার পরও স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ কাটেনি। অনেকের মতে, আলোকসজ্জার পরিবর্তে কেবল প্রয়োজনীয় আলোর ব্যবস্থা রাখা যেত, যা দিবসের মূল ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করতে সহায়ক হতো। সব মিলিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে এই আলোকসজ্জার বিষয়টি বাউফলের জনমনে এখন প্রধান আলোচনা ও সমালোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।ক্লিন বাউফল-গ্রিন বাউফল স্লোগানে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরের বর্জ্য অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার মধ্য দিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কার্যক্রম শুরু হয়।
এ সময় এমপি মাসুদ ঝাড়ু হাতে নিয়ে নিজেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ করেন। তার সঙ্গে যুক্ত হন জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাকর্মী।
পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বলেন, তিনি শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, তিনি জনগণের সেবক।
জনগণের সেবক হয়ে বাউফলকে একটি আধুনিক ও আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যত্যয় করে তিনি বলেন, ‘ক্লিন বাউফল-গ্রিন বাউফল’ তার নির্বাচনী ইশতেহারের একটি অংশ।
পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ এবং সুস্থ থাকার পূর্বশর্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরো উপজেলাকে ক্লিন এবং গ্রিন উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাউফল গড়ে তুলতে যা যা করণীয় তাই করা হবে।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের নেতৃত্বে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে।ক্লিন বাউফল-গ্রিন বাউফল স্লোগানে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরের বর্জ্য অপসারণ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার মধ্য দিয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান কার্যক্রম শুরু হয়।
এ সময় এমপি মাসুদ ঝাড়ু হাতে নিয়ে নিজেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ করেন। তার সঙ্গে যুক্ত হন জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় নেতাকর্মী।
পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বলেন, তিনি শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, তিনি জনগণের সেবক।
জনগণের সেবক হয়ে বাউফলকে একটি আধুনিক ও আদর্শ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যত্যয় করে তিনি বলেন, ‘ক্লিন বাউফল-গ্রিন বাউফল’ তার নির্বাচনী ইশতেহারের একটি অংশ।
পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ এবং সুস্থ থাকার পূর্বশর্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরো উপজেলাকে ক্লিন এবং গ্রিন উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাউফল গড়ে তুলতে যা যা করণীয় তাই করা হবে।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫৭
পটুয়াখালীর দুমকিতে মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজারের খালপাড় এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বিধবার বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত শেফালী বেগম জানান, আগুন লাগার সময় তিনি ঘরের বাইরে ছিলেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও দাহ্য উপকরণ থাকায় আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স পটুয়াখালী ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে টিনশেড ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে।
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার সুবোধ মণ্ডল বলেন, আমরা রাত সাড়ে ৮টায় ফোন পেয়ে এখানে চলে আসি এবং এই ঘরটিতে আগুন দেখতে পায়ে নেচাতে কাজ শুরু করি। আশেপাশে অন্য কিছুর সাথে এর সংযোগ না থাকায় আগুন নেভাতে আমাদের সুবিধা হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।
উল্লেখ্য, স্বামী নুরু মিয়ার মৃত্যুর পর শেফালী বেগম একাই ওই ঘরে বসবাস করছিলেন। হঠাৎ এই অগ্নিকাণ্ডে তিনি সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
পটুয়াখালীর দুমকিতে মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজারের খালপাড় এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে এক বিধবার বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
ক্ষতিগ্রস্ত শেফালী বেগম জানান, আগুন লাগার সময় তিনি ঘরের বাইরে ছিলেন। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালালেও দাহ্য উপকরণ থাকায় আগুন দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
খবর পেয়ে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স পটুয়াখালী ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে টিনশেড ঘরটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। আগুনে ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড় ও প্রয়োজনীয় মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে।
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার সুবোধ মণ্ডল বলেন, আমরা রাত সাড়ে ৮টায় ফোন পেয়ে এখানে চলে আসি এবং এই ঘরটিতে আগুন দেখতে পায়ে নেচাতে কাজ শুরু করি। আশেপাশে অন্য কিছুর সাথে এর সংযোগ না থাকায় আগুন নেভাতে আমাদের সুবিধা হয়।
স্থানীয়দের ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্টরা কাজ করছেন।
উল্লেখ্য, স্বামী নুরু মিয়ার মৃত্যুর পর শেফালী বেগম একাই ওই ঘরে বসবাস করছিলেন। হঠাৎ এই অগ্নিকাণ্ডে তিনি সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামি গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা পুলিশের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) ঘিরে রাখেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে দশমিনা সদর বাজারের মানিক মিয়া চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পরে দশমিনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশারসহ কয়েকজন নেতা-কর্মী বাধা দেন।
এ সময় তাঁরা ওয়ারেন্টের কাগজ দেখতে চান। তাৎক্ষণিকভাবে কাগজ দেখাতে না পারায় উত্তেজনা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে এসআইকে ঘিরে রাখা হয়। পরে ওয়ারেন্টের কাগজ দেখানো হলে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং রাকিবকে থানায় নেওয়া হয়।
এই ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশার বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ট্রাক প্রতীক বিজয়ের জন্য কাজ করেছি।
দশমিনা উপজেলায় কয়জন গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মী আছে। আজ গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক বিএনপির ছাত্রদলের চরবোরহান ইউনিয়নের সভাপতি রাকিবকে মারধর করে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়। এটা মানা যায় না।’
তবে গণঅধিকার পরিষদের দশমিনা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিলন মিয়া বলেন, আসামি গ্রেপ্তারে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি দেখেছেন মাত্র। উল্টো তাঁকেই ছাত্রদলের কর্মীরা মারধর করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
দশমিনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, ওয়ারেন্টের ভিত্তিতেই রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রথমে কাগজ দেখাতে না পারলেও পরে তা দেখানো হলে ছাত্রদলের নেতারা সহযোগিতা করেন।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামি গ্রেপ্তারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এ সময় ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা পুলিশের এক উপপরিদর্শককে (এসআই) ঘিরে রাখেন। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে দশমিনা সদর বাজারের মানিক মিয়া চত্বরে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পরে দশমিনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশারসহ কয়েকজন নেতা-কর্মী বাধা দেন।
এ সময় তাঁরা ওয়ারেন্টের কাগজ দেখতে চান। তাৎক্ষণিকভাবে কাগজ দেখাতে না পারায় উত্তেজনা তৈরি হয় এবং একপর্যায়ে এসআইকে ঘিরে রাখা হয়। পরে ওয়ারেন্টের কাগজ দেখানো হলে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং রাকিবকে থানায় নেওয়া হয়।
এই ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবুল বশার বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ট্রাক প্রতীক বিজয়ের জন্য কাজ করেছি।
দশমিনা উপজেলায় কয়জন গণঅধিকার পরিষদের নেতা-কর্মী আছে। আজ গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ছাত্র অধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক বিএনপির ছাত্রদলের চরবোরহান ইউনিয়নের সভাপতি রাকিবকে মারধর করে পুলিশের হাতে ধরিয়ে দেয়। এটা মানা যায় না।’
তবে গণঅধিকার পরিষদের দশমিনা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মিলন মিয়া বলেন, আসামি গ্রেপ্তারে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি দেখেছেন মাত্র। উল্টো তাঁকেই ছাত্রদলের কর্মীরা মারধর করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
দশমিনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বলেন, ওয়ারেন্টের ভিত্তিতেই রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রথমে কাগজ দেখাতে না পারলেও পরে তা দেখানো হলে ছাত্রদলের নেতারা সহযোগিতা করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৪০
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:০১
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৪০
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:২৫