
২৭ মে, ২০২৫ ১৫:৫০
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গত আগস্টে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে নানামুখী চাপে পড়ে তার সরকার। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ চলার মধ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। অসন্তোষ বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বিক্ষোভ চলছে।
সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে দেশকে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করার চেষ্টারত অধ্যাপক ড. ইউনূসের সরকার সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, রাজনৈতিক দল ও সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে পড়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই অসদাচরণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত করার সুযোগ দিয়ে রবিবার একটি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সরকারি কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশকে ‘দমনমূলক’ আখ্যা দিয়ে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার রাজস্ব সংস্থাটি ভেঙে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ স্থাপনের আদেশ রবিবার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরপর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হয় যখন গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় এক ছাত্রনেতা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন সংস্কার ও নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে না পারলে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে অধ্যাপক ইউনূস সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না। শনিবার তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোথাও যাচ্ছি না।’
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রতিবন্ধকতাগুলো স্বীকার করেছেন, কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংস্কার শেষ করা- দুই পক্ষের এই দুই দাবির মধ্যে পড়েছে। অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত সপ্তাহে এক ভাষণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়া উচিত বললে চাপ আরও বাড়ে।
অধ্যাপক ইউনূস শনিবার তার উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত সভা করেন। ওই দিনই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে আছি।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর বিভিন্নভাবে আমাদের অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন এই মাসে স্থগিত করা হয়েছে। এতে কার্যত দলটি পরবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গত আগস্টে ১৭ কোটি ৩০ লাখ মানুষের দেশটিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী ৮৪ বছর বয়সী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে নানামুখী চাপে পড়ে তার সরকার। আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।
সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা একটি অধ্যাদেশের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারীদের বিক্ষোভ চলার মধ্যে আন্দোলন শুরু করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। অসন্তোষ বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে এই বিক্ষোভ চলছে।
সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে দেশকে একটি রূপান্তরের মধ্য দিয়ে পরিচালিত করার চেষ্টারত অধ্যাপক ড. ইউনূসের সরকার সরকারি কর্মচারী, শিক্ষক, রাজনৈতিক দল ও সামরিক বাহিনীর চাপের মুখে পড়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে দীর্ঘ প্রক্রিয়া ছাড়াই অসদাচরণের জন্য সরকারি কর্মচারীদের বরখাস্ত করার সুযোগ দিয়ে রবিবার একটি অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
সরকারি কর্মচারীরা এই অধ্যাদেশকে ‘দমনমূলক’ আখ্যা দিয়ে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ করেন। অন্যদিকে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজার হাজার শিক্ষক সোমবার থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার রাজস্ব সংস্থাটি ভেঙে দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে দুটি বিভাগ স্থাপনের আদেশ রবিবার প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়। এরপর ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।
রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা আরও তীব্র হয় যখন গত সপ্তাহে শীর্ষস্থানীয় এক ছাত্রনেতা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন সংস্কার ও নির্বাচনের সময়সূচি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একমত হতে না পারলে তিনি পদত্যাগ করতে পারেন।
তবে অধ্যাপক ইউনূস সরকারের পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ জানান, প্রধান উপদেষ্টা পদত্যাগ করছেন না। শনিবার তিনি বলেন, ‘আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা কোথাও যাচ্ছি না।’
পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাপক ইউনূস প্রতিবন্ধকতাগুলো স্বীকার করেছেন, কিন্তু সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংস্কার শেষ করা- দুই পক্ষের এই দুই দাবির মধ্যে পড়েছে। অধ্যাপক ইউনূস বলেছেন, ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। অন্যদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের জন্য চাপ দিচ্ছে।
বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান গত সপ্তাহে এক ভাষণে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে ডিসেম্বরে নির্বাচন হওয়া উচিত বললে চাপ আরও বাড়ে।
অধ্যাপক ইউনূস শনিবার তার উপদেষ্টা পরিষদের অনির্ধারিত সভা করেন। ওই দিনই বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং ছাত্র নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারাও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম রবিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা যুদ্ধের মতো পরিস্থিতিতে আছি।’ তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পর বিভিন্নভাবে আমাদের অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চলছে। আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের নিবন্ধন এই মাসে স্থগিত করা হয়েছে। এতে কার্যত দলটি পরবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে না।

০১ মে, ২০২৬ ১৪:৪৫
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষে এক্সিট পোল প্রকাশ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইভিএম স্ট্রং রুমে কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ইভিএম নিয়ে অনিয়ম হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘স্ট্রং রুমে ইভিএম রাখা হয়েছে। আমরা সিসিটিভিতে নজর রেখে দেখেছি, অনেক জায়গায় কারচুপি হচ্ছে। তাই আমারও সেখানে যাওয়া উচিত মনে হয়েছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে স্ট্রং রুমে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। তবে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী প্রার্থী ও এজেন্টদের সেখানে যাওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মমতার অভিযোগ, ‘আমাদের এজেন্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একপেশে আচরণ চলছে। তারপরও যদি কেউ ইভিএম মেশিন বা ভোট গণনায় কারচুপির চেষ্টা করে, তাহলে আমরা প্রাণ দিয়ে লড়াই করব।’
এদিকে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এই অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছেন, স্ট্রং রুমে কোনও কারচুপি হয়নি। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের প্রার্থী হিসেবে দক্ষিণ কলকাতার স্ট্রং রুমে যেতে পারেন, তবে উত্তর কলকাতার ক্ষেত্রে সেই অধিকার প্রযোজ্য নয়।
উল্লেখ্য, কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ভোট গণনার প্রস্তুতি চলছে এবং আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা করা হবে। এর মধ্যেই স্ট্রং রুম পরিদর্শন ও অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
স্টেডিয়ামের সামনে তৃণমূল নেতাদের সমাগম এবং ধারাবাহিক অভিযোগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।
অন্যদিকে দলীয় কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ভোট চুরি করার চেষ্টা হলে আমরা কোনোভাবেই চুপ করে থাকব না।’
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ শেষে এক্সিট পোল প্রকাশ ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গন উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইভিএম স্ট্রং রুমে কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ইভিএম নিয়ে অনিয়ম হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘স্ট্রং রুমে ইভিএম রাখা হয়েছে। আমরা সিসিটিভিতে নজর রেখে দেখেছি, অনেক জায়গায় কারচুপি হচ্ছে। তাই আমারও সেখানে যাওয়া উচিত মনে হয়েছে।’
তিনি আরও দাবি করেন, প্রথমে কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে স্ট্রং রুমে প্রবেশ করতে বাধা দেয়। তবে নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী প্রার্থী ও এজেন্টদের সেখানে যাওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মমতার অভিযোগ, ‘আমাদের এজেন্টদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একপেশে আচরণ চলছে। তারপরও যদি কেউ ইভিএম মেশিন বা ভোট গণনায় কারচুপির চেষ্টা করে, তাহলে আমরা প্রাণ দিয়ে লড়াই করব।’
এদিকে, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এই অভিযোগ খারিজ করে জানিয়েছেন, স্ট্রং রুমে কোনও কারচুপি হয়নি। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুরের প্রার্থী হিসেবে দক্ষিণ কলকাতার স্ট্রং রুমে যেতে পারেন, তবে উত্তর কলকাতার ক্ষেত্রে সেই অধিকার প্রযোজ্য নয়।
উল্লেখ্য, কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ভোট গণনার প্রস্তুতি চলছে এবং আগামী ৪ মে ফল ঘোষণা করা হবে। এর মধ্যেই স্ট্রং রুম পরিদর্শন ও অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে।
স্টেডিয়ামের সামনে তৃণমূল নেতাদের সমাগম এবং ধারাবাহিক অভিযোগে পরিস্থিতি উত্তপ্ত রয়েছে।
অন্যদিকে দলীয় কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘ভোট চুরি করার চেষ্টা হলে আমরা কোনোভাবেই চুপ করে থাকব না।’

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৪৫
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ট্যাম্পা বে এলাকার জলপথে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহের খণ্ডিত অংশ পাওয়া গেছে। কয়েকদিন ধরে সেখানে নিখোঁজ ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার এই ডক্টরাল শিক্ষার্থীর মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছিল কর্তৃপক্ষ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) স্থানীয় সময় গভীর রাতে ফ্লোরিডার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।
উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ পিনেলাস কাউন্টিতে পাওয়া গেছে। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের তথ্যমতে, দেহাবশেষটি ‘ইন্টারস্টেট ২৭৫ এবং ফোর্থ স্ট্রিট নর্থ এলাকার কাছাকাছি’ উদ্ধার করা হয়েছে, যা হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের সেন্ট পিটার্সবার্গ অংশের নিকটে অবস্থিত।
গত সপ্তাহে জামিল লিমন নামের অপর এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে নিখোঁজ হন বৃষ্টি। লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ফ্লোরিডার ট্যাম্পার কাছে একটি সেতুর ওপর থেকে উদ্ধার করা হয়।
এরপর লিমনের ২৬ বছর বয়সী রুমমেট হিশাম আবুঘরবেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ পরিকল্পিত ফার্স্ট-ডিগ্রি হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালত নথিতে বলা হয়েছে, ট্যাম্পা বে’র হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজে লিমনের মরদেহ ‘একাধিক কালো ইউটিলিটি ট্র্যাশ ব্যাগের মধ্যে পচন ধরা অবস্থায়’ পাওয়া যায়। প্রসিকিউটরদের ধারণা, বৃষ্টির মরদেহও ‘একই কায়দায় সরিয়ে ফেলা হয়’।
তবে এই শিক্ষার্থীকে হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও সুনির্দিষ্টভাবে কোনও তথ্য দিতে পারেনি পুলিশ।
বরিশাল টাইমস
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার ট্যাম্পা বে এলাকার জলপথে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির মরদেহের খণ্ডিত অংশ পাওয়া গেছে। কয়েকদিন ধরে সেখানে নিখোঁজ ইউনিভার্সিটি অব ফ্লোরিডার এই ডক্টরাল শিক্ষার্থীর মরদেহের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছিল কর্তৃপক্ষ।
রোববার (২৬ এপ্রিল) স্থানীয় সময় গভীর রাতে ফ্লোরিডার পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।
উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষ পিনেলাস কাউন্টিতে পাওয়া গেছে। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়ের তথ্যমতে, দেহাবশেষটি ‘ইন্টারস্টেট ২৭৫ এবং ফোর্থ স্ট্রিট নর্থ এলাকার কাছাকাছি’ উদ্ধার করা হয়েছে, যা হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজের সেন্ট পিটার্সবার্গ অংশের নিকটে অবস্থিত।
গত সপ্তাহে জামিল লিমন নামের অপর এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে নিখোঁজ হন বৃষ্টি। লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ফ্লোরিডার ট্যাম্পার কাছে একটি সেতুর ওপর থেকে উদ্ধার করা হয়।
এরপর লিমনের ২৬ বছর বয়সী রুমমেট হিশাম আবুঘরবেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্রসহ পরিকল্পিত ফার্স্ট-ডিগ্রি হত্যার দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
আদালত নথিতে বলা হয়েছে, ট্যাম্পা বে’র হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজে লিমনের মরদেহ ‘একাধিক কালো ইউটিলিটি ট্র্যাশ ব্যাগের মধ্যে পচন ধরা অবস্থায়’ পাওয়া যায়। প্রসিকিউটরদের ধারণা, বৃষ্টির মরদেহও ‘একই কায়দায় সরিয়ে ফেলা হয়’।
তবে এই শিক্ষার্থীকে হত্যার কারণ সম্পর্কে এখনও সুনির্দিষ্টভাবে কোনও তথ্য দিতে পারেনি পুলিশ।
বরিশাল টাইমস

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৪
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌন সুবিধার বিনিময়ে কয়েকজন নারীকে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ভারতের বিজেপি নেতা সুব্রামানিয়ান স্বামী। এমনকি তাদের মধ্যে কাউকে কাউকে মন্ত্রিসভায়ও অন্তর্ভুক্ত করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
‘এপস্টেইন ফাইলস’ নিয়ে একটি পডকাস্ট আলোচনার সময় স্বামী এই বিস্ফোরক দাবি করেন, যা দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। একইসঙ্গে, এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন ডানপন্থী লেখক মধু পূর্ণিমা কিশ্বর, যিনি এর আগে মোদির প্রশংসা করেন এবং তাকে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে তুলনা করে বই লেখেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক দীর্ঘ পোস্টে কিশ্বর দাবি করেন, তিনি তার বই প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়ার জন্য সাক্ষাৎ এড়িয়ে গিয়েছিলেন, কারণ তিনি আগে থেকেই নারীদের প্রতি মোদির আচরণ সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
কিশ্বর আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় মোদির “বিলাসবহুল” জীবনযাপনের কথাও তিনি শুনেছেন।
এর পাশাপাশি, তিনি কিছু উচ্চপর্যায়ের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি স্মৃতি ইরানির কথা উল্লেখ করেন, যিনি কলেজে না পড়েও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
এ ছাড়া রাজনৈতিক বিশ্লেষক তরুণ গৌতমসহ আরও কয়েকজন এই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন।
তবে টাইমস অব বাংলাদেশ জানিয়েছে, তারা এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
লেখক কিশ্বরের পোস্টটি ভাইরাল হয়। যা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ দেখেছেন, আর তারুণ গৌতমের পোস্ট দেখেছেন প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ।
উল্লেখ্য, সুব্রামানিয়ান স্বামী একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ ও আইনজ্ঞ, যিনি তার স্পষ্টভাষী ও প্রায়শই বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য পরিচিত। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। স্বামী বিজেপির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা—উভয় কক্ষেই দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে তিনি তামিলনাড়ু ও মহারাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌন সুবিধার বিনিময়ে কয়েকজন নারীকে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ভারতের বিজেপি নেতা সুব্রামানিয়ান স্বামী। এমনকি তাদের মধ্যে কাউকে কাউকে মন্ত্রিসভায়ও অন্তর্ভুক্ত করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
‘এপস্টেইন ফাইলস’ নিয়ে একটি পডকাস্ট আলোচনার সময় স্বামী এই বিস্ফোরক দাবি করেন, যা দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। একইসঙ্গে, এই অভিযোগকে সমর্থন করেছেন ডানপন্থী লেখক মধু পূর্ণিমা কিশ্বর, যিনি এর আগে মোদির প্রশংসা করেন এবং তাকে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে তুলনা করে বই লেখেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক দীর্ঘ পোস্টে কিশ্বর দাবি করেন, তিনি তার বই প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়ার জন্য সাক্ষাৎ এড়িয়ে গিয়েছিলেন, কারণ তিনি আগে থেকেই নারীদের প্রতি মোদির আচরণ সম্পর্কে অবগত ছিলেন।
কিশ্বর আরও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় মোদির “বিলাসবহুল” জীবনযাপনের কথাও তিনি শুনেছেন।
এর পাশাপাশি, তিনি কিছু উচ্চপর্যায়ের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি স্মৃতি ইরানির কথা উল্লেখ করেন, যিনি কলেজে না পড়েও শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন।
এ ছাড়া রাজনৈতিক বিশ্লেষক তরুণ গৌতমসহ আরও কয়েকজন এই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন।
তবে টাইমস অব বাংলাদেশ জানিয়েছে, তারা এই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।
লেখক কিশ্বরের পোস্টটি ভাইরাল হয়। যা প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ দেখেছেন, আর তারুণ গৌতমের পোস্ট দেখেছেন প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ।
উল্লেখ্য, সুব্রামানিয়ান স্বামী একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ, অর্থনীতিবিদ ও আইনজ্ঞ, যিনি তার স্পষ্টভাষী ও প্রায়শই বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য পরিচিত। তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। স্বামী বিজেপির একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা—উভয় কক্ষেই দায়িত্ব পালন করেছেন, যেখানে তিনি তামিলনাড়ু ও মহারাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.