Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ জুন, ২০২৬ ১৯:৩৩
বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার অর্থ জব্দ হিসেবে না দেখিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। গত ২০ মে বরিশাল শহরের চরমোনাই ট্রলারঘাট এলাকার একটি বাসায় হানা দিয়ে বেবি আক্তার নামের এক নারীকে আটক করাসহ নগদ ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে বিভাগীয় গোয়েন্দা অফিসের এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের নেতৃত্বধীন টিম। বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, একদিন বাদে ২১ মে ওই নারীকে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে গাঁজার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলেও নগদ ওই অর্থ জব্দ তালিকায় রাখেনি ডিএনসি কর্মকর্তারা। এর আগে একই মামলায় নারীর স্বজনদের গ্রেপ্তার দেখানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে আরও ২১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন এএসআই দিপঙ্কর মন্ডল এবং ফারুক হোসেনসহ অভিযানিক টিমের সদস্যরা। বরিশাল ডিএনসির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন একটি গুরুতর অভিযোগ এনে এর প্রতিকার মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছেন বেবি আক্তারের বোন তানিয়া বেগম।
অভিযোগে তানিয়া আক্তার উল্লেখ করেন, গত ২০ মে রাত ১১টার দিকে বরিশাল মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় অফিসের গোয়েন্দা টিমের সদস্য এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের নেতৃত্বে শহরের চরমোনাই ট্রলারঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। একপর্যায়ে তারা সেখানকার বাসিন্দা বেবি আক্তারের বাসায় হানা দিলে তাকে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেন। এবং বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে তাসহ বেবি আক্তারকে ভাটিখানাস্থ ডিএনসির কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্বজনদের পরবর্তীতে কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ডিএনসি কর্মকর্তা এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের কথা অনুযায়ী রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেবি আক্তারের মা, মামাতো বোন পপি আক্তার, ভাগনি সুমাইয়া কার্যালয়টিতে গেলে তাদের আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। নতুবা বেবি আক্তারের সাথে স্বজনদেরও এই মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখান এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলসহ টিমের অপরাপর সদস্যরা। এতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই তানিয়া আক্তার তার কানের দুল বন্ধক রেখে নগদ ২১ হাজার টাকা এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের হাতে তুলে দেন। পরে তাদের সকলকে ছেড়ে দিয়ে একদিন বাদে ২১ মে বেবি আক্তারকে এক কেজি গাঁজাসহ কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে এবং এই ঘটনায় একটি মামলা করে ডিএনসি।
তানিয়া আক্তারের অভিযোগ, ২০ মে রাতে ডিএনসি কার্যালয়ে এই দেনদরবারের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ায় বেবি আক্তারকে অন্যত্র স্থান থেকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তবে উদ্ধার অর্থ আত্মাসাৎ এবং বেবি আক্তারের স্বজনদের ফাঁসানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযানিক টিমের প্রধান এএসআই দিপঙ্কর মন্ডল। মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এ ঘটনায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি, বেবি আক্তারকে গাঁজাসহ আটক করা হয়। এবং তার বিরুদ্ধে সেই মামলা দিয়ে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়ছে। এই বিষয়ে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তানভীর হোসেন খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
তানিয়া আক্তারের অভিযোগ, ডিএনসির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন, কিন্তু প্রতিকার পাননি। শেষে বাধ্য হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করে বিচার চেয়েছেন। মহাপরিচালক এখন বিষয়টিতে কি ব্যবস্থাগ্রহণ করেন, সেটাই দেখার অপেক্ষা।’
বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার অর্থ জব্দ হিসেবে না দেখিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। গত ২০ মে বরিশাল শহরের চরমোনাই ট্রলারঘাট এলাকার একটি বাসায় হানা দিয়ে বেবি আক্তার নামের এক নারীকে আটক করাসহ নগদ ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে বিভাগীয় গোয়েন্দা অফিসের এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের নেতৃত্বধীন টিম। বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, একদিন বাদে ২১ মে ওই নারীকে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে গাঁজার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলেও নগদ ওই অর্থ জব্দ তালিকায় রাখেনি ডিএনসি কর্মকর্তারা। এর আগে একই মামলায় নারীর স্বজনদের গ্রেপ্তার দেখানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে আরও ২১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন এএসআই দিপঙ্কর মন্ডল এবং ফারুক হোসেনসহ অভিযানিক টিমের সদস্যরা। বরিশাল ডিএনসির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন একটি গুরুতর অভিযোগ এনে এর প্রতিকার মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছেন বেবি আক্তারের বোন তানিয়া বেগম।
অভিযোগে তানিয়া আক্তার উল্লেখ করেন, গত ২০ মে রাত ১১টার দিকে বরিশাল মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় অফিসের গোয়েন্দা টিমের সদস্য এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের নেতৃত্বে শহরের চরমোনাই ট্রলারঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। একপর্যায়ে তারা সেখানকার বাসিন্দা বেবি আক্তারের বাসায় হানা দিলে তাকে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেন। এবং বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে তাসহ বেবি আক্তারকে ভাটিখানাস্থ ডিএনসির কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্বজনদের পরবর্তীতে কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ডিএনসি কর্মকর্তা এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের কথা অনুযায়ী রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেবি আক্তারের মা, মামাতো বোন পপি আক্তার, ভাগনি সুমাইয়া কার্যালয়টিতে গেলে তাদের আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। নতুবা বেবি আক্তারের সাথে স্বজনদেরও এই মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখান এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলসহ টিমের অপরাপর সদস্যরা। এতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই তানিয়া আক্তার তার কানের দুল বন্ধক রেখে নগদ ২১ হাজার টাকা এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের হাতে তুলে দেন। পরে তাদের সকলকে ছেড়ে দিয়ে একদিন বাদে ২১ মে বেবি আক্তারকে এক কেজি গাঁজাসহ কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে এবং এই ঘটনায় একটি মামলা করে ডিএনসি।
তানিয়া আক্তারের অভিযোগ, ২০ মে রাতে ডিএনসি কার্যালয়ে এই দেনদরবারের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ায় বেবি আক্তারকে অন্যত্র স্থান থেকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তবে উদ্ধার অর্থ আত্মাসাৎ এবং বেবি আক্তারের স্বজনদের ফাঁসানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযানিক টিমের প্রধান এএসআই দিপঙ্কর মন্ডল। মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এ ঘটনায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি, বেবি আক্তারকে গাঁজাসহ আটক করা হয়। এবং তার বিরুদ্ধে সেই মামলা দিয়ে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়ছে। এই বিষয়ে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তানভীর হোসেন খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
তানিয়া আক্তারের অভিযোগ, ডিএনসির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন, কিন্তু প্রতিকার পাননি। শেষে বাধ্য হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করে বিচার চেয়েছেন। মহাপরিচালক এখন বিষয়টিতে কি ব্যবস্থাগ্রহণ করেন, সেটাই দেখার অপেক্ষা।’

০৪ জুন, ২০২৬ ২০:১৪

০৪ জুন, ২০২৬ ১২:২২
বরিশাল শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জক স্মৃতি কলোনি (কেডিসি) এলকা থেকে ইয়াবা ও গাঁজাসহ তনহাদ আহমেদ নীরব (২৫) নামের একজন পুলিশ কনস্টেবল আটক হয়েছেন। মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডল থানা পুলিশের আওতাধীন এলাকা থেকে তাকে বৃহস্পতিবার স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের একটি টিম আটক করে।
তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনসের রেশন স্টোরে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাদা পোশাকধারী কনস্টেবল নীরব মাদকদ্রব্য সাথে নিয়ে কেডিসি কলোনি থেকে বের হচ্ছিলেন, তখন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের এএসআই মেহেদী হাসান তাকে আটক করেন। এবং পরবর্তীতে তার শরীরে তল্লাশি করলে ৫ পিস ইয়াবা এবং ২ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

০৪ জুন, ২০২৬ ১১:৫০
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় ট্রলার থেকে পা পিছলে কালাবদর নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া কিশোর রানা হাওলাদারের (১৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর গতকাল বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি নদী থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় জেলেরা।
নিহত রানা হাওলাদার বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি গ্রামের বাবুল হাওলাদারের ছেলে।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সোয়া ৭টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জে একটি বিয়ের দাওয়াত খাওয়া শেষে বাবা-মায়ের সঙ্গে ট্রলারে করে বাড়ি ফিরছিল রানা। ট্রলারটি মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের চরপশ্চিম এলাকা অতিক্রম করার সময় অসাবধানতাবশত রানা পা পিছলে কালাবদর নদীতে পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে নদীর তীব্র স্রোতে সে তলিয়ে যায়।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযানে নামে কালীগঞ্জ নৌ পুলিশ, বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের একদল ডুবুরি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে নদীর প্রবল স্রোতের কারণে প্রথম দিন দিনভর চেষ্টা করেও রানার কোনো সন্ধান মেলাতে পারেনি উদ্ধারকারী দল।
অবশেষে বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় জেলেরা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও স্বজনরা নদী থেকে রানা হাওলাদারের মরদেহ উদ্ধার ও শনাক্ত করেন। ছেলের মরদেহ পাওয়ার পর বাবা-মায়ের আহাজারিতে নদীর পাড়ে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ নৌ পুলিশের পরিদর্শক মো. এনামুল সংবাদমাধ্যমকে জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কালাবদর নদী থেকে কিশোর রানা হাওলাদারের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এটি একটি দুর্ঘটনা এবং এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা আপত্তি না থাকায়, প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একটানা ৩৬ ঘণ্টার উৎকণ্ঠার পর জীবিত না হলেও অন্তত ছেলের মরদেহটি শেষবারের মতো ফিরে পাওয়ায় বাকেরগঞ্জের কলসকাঠি গ্রামে এখন গভীর শোকের ছায়া বিরাজ করছে।
বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা ও একজনকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্নের ঘটনাসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী হামলা, মাদকের আখড়া ও কিশোর গ্যাং দৌরাত্মের প্রতিবাদ ও নির্মূলের দাবীতে মহাসড়ক আটকে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে চৌমাথা এলাকাবাসী।
সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর চৌমাথা এলাকার মানববন্ধন করে এবং মহাসড়ক অবরোধ করে প্রায় ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। এসময় কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুনুল ইসলাম বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামীদের গ্রেপ্তার করা হবে।
সমাবেশে বক্তারা নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু রাখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দ্বীন ইসলাম খান ওরফে মুন্না (২১)কে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্নসহ নৃশংসতা তুলে ধরে বলেন, সামান্য তর্কাতর্কি থেকে যদি এতো বড় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা হয় তাহলে বরিশালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কি অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়।
ইতিপূর্বে নগরীর পলাশপুর, রূপাতলী, কাউনিয়া এলাকায় একাধিক নৃশংসতার ঘটনা ঘটেছে। এরা সবাই মাদকাসক্ত ও কিশোর গ্যাং সদস্য। এমন পরিস্থিতিতে মাদকের আখড়া ও বাণিজ্য আগে বন্ধ করতে হবে। নগরী থেকে কিশোর গ্যাং সম্পূর্ণ নির্মূল করার জোর দাবী জানান বক্তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌমাথা এলাকার বাসিন্দা মহসিন খান বাশার, ফারুক খান, হুমায়ুন খান, রাসেল, কবির খান, সবুজ খান, সুরুজ খান, রকি খান, রাকিব, রফিক খান, জসিম খান, সজিব হাওলাদার, নজরুল ইসলাম, রুবেল মৃধা, আলিফ খান, আজিম খান, হামিম, সোহেল খান, মুন্নার সহপাঠী ও নারী-পুরুষ সহ প্রায় তিন শতাধিক এলাকাবাসী এই মানববন্ধন ও সমাবেশে অংশগ্রহন করেন।
এর আগে গত ৩ জুন বরিশাল মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকেও এ ঘটনার প্রতিবাদে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তারা বলছেন, এর সাথে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, গত রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু রাখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দ্বীন ইসলাম খান ওরফে মুন্না (২১) নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মুন্না নগরীর নবগ্রাম রোড এলাকার বাসিন্দা লিটন খানের ছেলে।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুন্না নামে একজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ রেফার করেছেন।
এবিষয়ে আহতের বাবা লিটন খান বলেছেন, গত শুক্রবার ২৯ মে রাতে তাদের নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু সুপারি গাছের নিচে রাখাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে তারা মনে করেছিলেন। কিন্তু রোববার সকালে কাজের উদ্দেশ্যে বের হলে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ মিলন ও রানাসহ তাদের লোকজন মুন্নার ওপর হামলা চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মুন্নাকে গুরুতর আহত করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল তাকে হত্যা করা।
এসময় আহতের মা কুলসুম বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। এই মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, হামলার ঘটনায় একই এলাকার মিলন খান (৩০), রানা খান (২৮), হিমেল (২২), কালাম খান (৫৫) ও নার্গিস বেগম (৫০)-কে আসামি করা হয়েছে।
মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার সকাল আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে নলিনী দাস পোল এলাকার সড়কে মুন্নার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয় এবং তিনি গুরুতর জখম হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহতের মা কুলসুম বেগম বলেন, “আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।”
এদিকে মামলা করার পর থেকে অভিযুক্তরা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ও বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। মিলন ও রানা স্থানীয় বিএনপির ছত্রছায়ায় এলাকায় রীতিমতো তাণ্ডব চালাতো বলেও একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিএনপির নাম এই সন্ত্রাসীদের সাথে যুক্ত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, এসব সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্তদের পক্ষে কোনো বিএনপি নেতা বা কর্মী কথা বললে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মীর জাহিদের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকও। তিনি বলেছেন, মাদকাসক্ত ও সন্ত্রাসীরা কখনো কোনো দলের হতে পারেনা। এরা শুধু টাকার দলে। যে টাকা দেবে তার দলের। এদের বিপক্ষেই আমাদের অবস্থান সবসময়। সমাজ থেকে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দৌরাত্ম দূর করতে হলে এদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় সন্ত্রাসী হামলা ও একজনকে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্নের ঘটনাসহ নগরীর বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী হামলা, মাদকের আখড়া ও কিশোর গ্যাং দৌরাত্মের প্রতিবাদ ও নির্মূলের দাবীতে মহাসড়ক আটকে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে চৌমাথা এলাকাবাসী।
সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর চৌমাথা এলাকার মানববন্ধন করে এবং মহাসড়ক অবরোধ করে প্রায় ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। পরে পুলিশের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন বিক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী। এসময় কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুনুল ইসলাম বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামীদের গ্রেপ্তার করা হবে।
সমাবেশে বক্তারা নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু রাখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দ্বীন ইসলাম খান ওরফে মুন্না (২১)কে কুপিয়ে হাত বিচ্ছিন্নসহ নৃশংসতা তুলে ধরে বলেন, সামান্য তর্কাতর্কি থেকে যদি এতো বড় নৃশংস হত্যাকাণ্ডের চেষ্টা হয় তাহলে বরিশালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কি অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়।
ইতিপূর্বে নগরীর পলাশপুর, রূপাতলী, কাউনিয়া এলাকায় একাধিক নৃশংসতার ঘটনা ঘটেছে। এরা সবাই মাদকাসক্ত ও কিশোর গ্যাং সদস্য। এমন পরিস্থিতিতে মাদকের আখড়া ও বাণিজ্য আগে বন্ধ করতে হবে। নগরী থেকে কিশোর গ্যাং সম্পূর্ণ নির্মূল করার জোর দাবী জানান বক্তারা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চৌমাথা এলাকার বাসিন্দা মহসিন খান বাশার, ফারুক খান, হুমায়ুন খান, রাসেল, কবির খান, সবুজ খান, সুরুজ খান, রকি খান, রাকিব, রফিক খান, জসিম খান, সজিব হাওলাদার, নজরুল ইসলাম, রুবেল মৃধা, আলিফ খান, আজিম খান, হামিম, সোহেল খান, মুন্নার সহপাঠী ও নারী-পুরুষ সহ প্রায় তিন শতাধিক এলাকাবাসী এই মানববন্ধন ও সমাবেশে অংশগ্রহন করেন।
এর আগে গত ৩ জুন বরিশাল মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকেও এ ঘটনার প্রতিবাদে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তারা বলছেন, এর সাথে বিএনপির কোনো নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জানা গেছে, গত রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরিশাল নগরীর নবগ্রাম রোডের ললিত দাস পোল এলাকায় নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু রাখাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দ্বীন ইসলাম খান ওরফে মুন্না (২১) নামে এক যুবককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহত মুন্না নগরীর নবগ্রাম রোড এলাকার বাসিন্দা লিটন খানের ছেলে।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুন্না নামে একজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল)-এ রেফার করেছেন।
এবিষয়ে আহতের বাবা লিটন খান বলেছেন, গত শুক্রবার ২৯ মে রাতে তাদের নির্মাণাধীন ঘরের জন্য আনা বালু সুপারি গাছের নিচে রাখাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি ও ঝগড়ার ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে তারা মনে করেছিলেন। কিন্তু রোববার সকালে কাজের উদ্দেশ্যে বের হলে পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রতিপক্ষ মিলন ও রানাসহ তাদের লোকজন মুন্নার ওপর হামলা চালায়।
তিনি অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে মুন্নাকে গুরুতর আহত করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়। তাদের উদ্দেশ্য ছিল তাকে হত্যা করা।
এসময় আহতের মা কুলসুম বেগম বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। এই মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, হামলার ঘটনায় একই এলাকার মিলন খান (৩০), রানা খান (২৮), হিমেল (২২), কালাম খান (৫৫) ও নার্গিস বেগম (৫০)-কে আসামি করা হয়েছে।
মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে, রোববার সকাল আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে নলিনী দাস পোল এলাকার সড়কে মুন্নার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয় এবং তিনি গুরুতর জখম হন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহতের মা কুলসুম বেগম বলেন, “আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার বিচার ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।”
এদিকে মামলা করার পর থেকে অভিযুক্তরা এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছে ও বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের। মিলন ও রানা স্থানীয় বিএনপির ছত্রছায়ায় এলাকায় রীতিমতো তাণ্ডব চালাতো বলেও একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে।
বিএনপির নাম এই সন্ত্রাসীদের সাথে যুক্ত হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মহানগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মীর জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, এসব সন্ত্রাসী ও মাদকাসক্তদের পক্ষে কোনো বিএনপি নেতা বা কর্মী কথা বললে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মীর জাহিদের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে বিবৃতি দিয়েছেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুকও। তিনি বলেছেন, মাদকাসক্ত ও সন্ত্রাসীরা কখনো কোনো দলের হতে পারেনা। এরা শুধু টাকার দলে। যে টাকা দেবে তার দলের। এদের বিপক্ষেই আমাদের অবস্থান সবসময়। সমাজ থেকে মাদক, ইভটিজিং ও কিশোর গ্যাং দৌরাত্ম দূর করতে হলে এদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
বরিশাল শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জক স্মৃতি কলোনি (কেডিসি) এলকা থেকে ইয়াবা ও গাঁজাসহ তনহাদ আহমেদ নীরব (২৫) নামের একজন পুলিশ কনস্টেবল আটক হয়েছেন। মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডল থানা পুলিশের আওতাধীন এলাকা থেকে তাকে বৃহস্পতিবার স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের একটি টিম আটক করে।
তিনি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইনসের রেশন স্টোরে কর্মরত আছেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সাদা পোশাকধারী কনস্টেবল নীরব মাদকদ্রব্য সাথে নিয়ে কেডিসি কলোনি থেকে বের হচ্ছিলেন, তখন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের এএসআই মেহেদী হাসান তাকে আটক করেন। এবং পরবর্তীতে তার শরীরে তল্লাশি করলে ৫ পিস ইয়াবা এবং ২ পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় ট্রলার থেকে পা পিছলে কালাবদর নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া কিশোর রানা হাওলাদারের (১৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার দীর্ঘ প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পর গতকাল বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলের কাছাকাছি নদী থেকে তাঁর ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করেন স্থানীয় জেলেরা।
নিহত রানা হাওলাদার বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার কলসকাঠি গ্রামের বাবুল হাওলাদারের ছেলে।
পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সোয়া ৭টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জে একটি বিয়ের দাওয়াত খাওয়া শেষে বাবা-মায়ের সঙ্গে ট্রলারে করে বাড়ি ফিরছিল রানা। ট্রলারটি মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের চরপশ্চিম এলাকা অতিক্রম করার সময় অসাবধানতাবশত রানা পা পিছলে কালাবদর নদীতে পড়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে নদীর তীব্র স্রোতে সে তলিয়ে যায়।
খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার অভিযানে নামে কালীগঞ্জ নৌ পুলিশ, বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের একদল ডুবুরি এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে নদীর প্রবল স্রোতের কারণে প্রথম দিন দিনভর চেষ্টা করেও রানার কোনো সন্ধান মেলাতে পারেনি উদ্ধারকারী দল।
অবশেষে বুধবার সন্ধ্যায় স্থানীয় জেলেরা নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ও স্বজনরা নদী থেকে রানা হাওলাদারের মরদেহ উদ্ধার ও শনাক্ত করেন। ছেলের মরদেহ পাওয়ার পর বাবা-মায়ের আহাজারিতে নদীর পাড়ে এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কালীগঞ্জ নৌ পুলিশের পরিদর্শক মো. এনামুল সংবাদমাধ্যমকে জানান, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কালাবদর নদী থেকে কিশোর রানা হাওলাদারের ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এটি একটি দুর্ঘটনা এবং এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ বা আপত্তি না থাকায়, প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একটানা ৩৬ ঘণ্টার উৎকণ্ঠার পর জীবিত না হলেও অন্তত ছেলের মরদেহটি শেষবারের মতো ফিরে পাওয়ায় বাকেরগঞ্জের কলসকাঠি গ্রামে এখন গভীর শোকের ছায়া বিরাজ করছে।
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:২৭
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:১৪
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:০৬
০৪ জুন, ২০২৬ ২০:০৪