বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার অর্থ জব্দ হিসেবে না দেখিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। গত ২০ মে বরিশাল শহরের চরমোনাই ট্রলারঘাট এলাকার একটি বাসায় হানা দিয়ে বেবি আক্তার নামের এক নারীকে আটক করাসহ নগদ ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে বিভাগীয় গোয়েন্দা অফিসের এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের নেতৃত্বধীন টিম। বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, একদিন বাদে ২১ মে ওই নারীকে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে গাঁজার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলেও নগদ ওই অর্থ জব্দ তালিকায় রাখেনি ডিএনসি কর্মকর্তারা। এর আগে একই মামলায় নারীর স্বজনদের গ্রেপ্তার দেখানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে আরও ২১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন এএসআই দিপঙ্কর মন্ডল এবং ফারুক হোসেনসহ অভিযানিক টিমের সদস্যরা। বরিশাল ডিএনসির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন একটি গুরুতর অভিযোগ এনে এর প্রতিকার মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছেন বেবি আক্তারের বোন তানিয়া বেগম।
অভিযোগে তানিয়া আক্তার উল্লেখ করেন, গত ২০ মে রাত ১১টার দিকে বরিশাল মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় অফিসের গোয়েন্দা টিমের সদস্য এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের নেতৃত্বে শহরের চরমোনাই ট্রলারঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। একপর্যায়ে তারা সেখানকার বাসিন্দা বেবি আক্তারের বাসায় হানা দিলে তাকে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেন। এবং বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে তাসহ বেবি আক্তারকে ভাটিখানাস্থ ডিএনসির কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্বজনদের পরবর্তীতে কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ডিএনসি কর্মকর্তা এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের কথা অনুযায়ী রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেবি আক্তারের মা, মামাতো বোন পপি আক্তার, ভাগনি সুমাইয়া কার্যালয়টিতে গেলে তাদের আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। নতুবা বেবি আক্তারের সাথে স্বজনদেরও এই মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখান এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলসহ টিমের অপরাপর সদস্যরা। এতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই তানিয়া আক্তার তার কানের দুল বন্ধক রেখে নগদ ২১ হাজার টাকা এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের হাতে তুলে দেন। পরে তাদের সকলকে ছেড়ে দিয়ে একদিন বাদে ২১ মে বেবি আক্তারকে এক কেজি গাঁজাসহ কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে এবং এই ঘটনায় একটি মামলা করে ডিএনসি।
তানিয়া আক্তারের অভিযোগ, ২০ মে রাতে ডিএনসি কার্যালয়ে এই দেনদরবারের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ায় বেবি আক্তারকে অন্যত্র স্থান থেকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তবে উদ্ধার অর্থ আত্মাসাৎ এবং বেবি আক্তারের স্বজনদের ফাঁসানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযানিক টিমের প্রধান এএসআই দিপঙ্কর মন্ডল। মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এ ঘটনায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি, বেবি আক্তারকে গাঁজাসহ আটক করা হয়। এবং তার বিরুদ্ধে সেই মামলা দিয়ে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়ছে। এই বিষয়ে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তানভীর হোসেন খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
তানিয়া আক্তারের অভিযোগ, ডিএনসির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন, কিন্তু প্রতিকার পাননি। শেষে বাধ্য হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করে বিচার চেয়েছেন। মহাপরিচালক এখন বিষয়টিতে কি ব্যবস্থাগ্রহণ করেন, সেটাই দেখার অপেক্ষা।’

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১১
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।
এটা কোনো খাল নয়, কোনো বন্যাকবলিত এলাকাও নয় এটা বরিশাল নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের ২৪নং ইসমাইল তালুকদার সড়ক। বছরের অধিকাংশ সময়ই এই সড়কে জলাবদ্ধতা লেগে থাকে। সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে দুর্ভোগে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর মধ্যেই নতুন করে তৈরি হয়েছে আরেক দুশ্চিন্তা। সড়কের ড্রেনের ওপর বালু ও খোয়া রেখে একটি ভবনের পাইলিংয়ের কাজ করা হচ্ছে। ফলে নির্মাণসামগ্রী ড্রেনের পানি চলাচলের পথ একেবারেই বন্ধ করে দিয়েছে যার ফলে এখন সব সময়ই রাস্তায় পানি জমে থাকে।
২৬ নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দারা বলছে, আগে বৃষ্টির পর কিছু সময় রাস্তায় পানি জমে থাকলেও নিদিষ্ট সময় পর সেটা চলে যেত। তবে এখন এই বিল্ডিং এর মালামাল রাস্তায় উপর রাখায় পানি আর আগের মতে সরে না। যার কারণে আমাদের সব সময়ই ভোগান্তিতে থাকতে হয়৷
এলাকাবাসী বলছে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পেতে একটি কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা প্রয়োজন, সেখানে ড্রেনের ওপরই যদি নির্মাণসামগ্রী রাখা হয়, তাহলে বৃষ্টির পানি যাবে কোথায়?
তাদের দাবি, নির্মাণকাজের জন্য ড্রেনের পানি চলাচলের পথ যেন বন্ধ না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিক। অন্যথায় সামনের দিনগুলোতে সামান্য বৃষ্টিতেই এই সড়কের জলাবদ্ধতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সাথে যোগাযোগ করলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বললেও তিনদিন পরও মেলেনি কোন সমাধান।

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:৩৯
বরিশালের বানারীপাড়ায় সাইবার মামলায় উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহমদাবাদ (বেতাল) হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা'র সদ্য সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের, দিকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার লুৎফুর রহমান সড়কের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে র্যাব-৮ তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করেন। মামলা দায়েরের বিষয়ে বাদী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা জুবায়ের বলেন, ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষক তার মরহুম পিতা আব্দুল জব্বার ফকিরের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় এক সাংবাদিককে দেওয়া ভিডিও বার্তায় অসত্য, আপত্তিজনক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। তার এ ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়।
এতে তার মরহুম পিতা ও তার পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে। ফলে তিনি বাদী হয়ে মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ভিডিও বক্তব্যধারণ ও প্রচারকারী ওই সাংবাদিককে আসামী করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মাওলানা আব্দুল হালিমকে শনিবার বরিশাল নগরী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান,সাইবার মামলার আসামী মাওলনা আব্দুল হালিমকে র্যাব গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করার পরে এদিন (শনিবার) বিকালে তাকে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিজ হাতে ঘষামাজা সার্টিফিকেট, আর্থিক অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর অসাদাচারণসহ নানা অভিযোগে তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত ১৪ জুলাই সকালে রুহুল আমিন জসিমের সভাপতিত্বে মাদরাসার গর্ভনিংবডির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ মো. অলিউল্লাহ্কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
বরিশালের বানারীপাড়ায় সাইবার মামলায় উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের আহমদাবাদ (বেতাল) হোসাইনিয়া আলিম মাদ্রাসা'র সদ্য সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিমকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৮।
শনিবার (২৯ আগস্ট) দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের, দিকে বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ এলাকার লুৎফুর রহমান সড়কের ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে র্যাব-৮ তাকে বানারীপাড়া থানায় হস্তান্তর করেন। মামলা দায়েরের বিষয়ে বাদী অ্যাডভোকেট গোলাম মাওলা জুবায়ের বলেন, ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষক তার মরহুম পিতা আব্দুল জব্বার ফকিরের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তকৃত অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হালিম কিছুদিন পূর্বে স্থানীয় এক সাংবাদিককে দেওয়া ভিডিও বার্তায় অসত্য, আপত্তিজনক ও মানহানিকর বক্তব্য প্রদান করেন। তার এ ভিডিও বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হয়।
এতে তার মরহুম পিতা ও তার পরিবারের সম্মানহানি হয়েছে। ফলে তিনি বাদী হয়ে মাওলানা আব্দুল হালিম এবং ভিডিও বক্তব্যধারণ ও প্রচারকারী ওই সাংবাদিককে আসামী করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় মাওলানা আব্দুল হালিমকে শনিবার বরিশাল নগরী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান,সাইবার মামলার আসামী মাওলনা আব্দুল হালিমকে র্যাব গ্রেপ্তার করে থানায় সোপর্দ করার পরে এদিন (শনিবার) বিকালে তাকে বরিশাল আদালতে পাঠানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত প্রশাসনিক অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার, নিজ হাতে ঘষামাজা সার্টিফিকেট, আর্থিক অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে গুরুতর অসাদাচারণসহ নানা অভিযোগে তাকে অধ্যক্ষের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। গত ১৪ জুলাই সকালে রুহুল আমিন জসিমের সভাপতিত্বে মাদরাসার গর্ভনিংবডির সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে উপাধ্যক্ষ মো. অলিউল্লাহ্কে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব অর্পণ করা হয় এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

২৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৪৯
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের অভিযানে বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ মনু ইসলাম ওরফে মনির (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে থানাধীন কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জামালপুরের শ্রীচন্দ্রবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা যুবক মনু ইসলাম ওরফে মনির চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে থাকেন। শনিবার সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৪০০ পিস ইয়াবার একটি চালান বরিশালে নিয়ে আসেন এবং গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে টুপি-পাঞ্জাবী পরিহিত এই ব্যক্তিকে কাশিপুরের কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এসআই মো. জাহিদ হাসান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, মাদকের চালানটি বরিশাল শহরের এক ব্যবসায়ীকে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশে নিয়ে আসেন মনু ইসলাম ওরফে মনির। কিন্তু এর আগেই তাকে পাকড়াও করা হয়।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশের অভিযানে বিপুলসংখ্যক ইয়াবাসহ মনু ইসলাম ওরফে মনির (৩৮) নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। শনিবার বেলা দেড়টার দিকে তাকে থানাধীন কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, জামালপুরের শ্রীচন্দ্রবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা যুবক মনু ইসলাম ওরফে মনির চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে থাকেন। শনিবার সেই ধারাবাহিকতায় তিনি ১৪০০ পিস ইয়াবার একটি চালান বরিশালে নিয়ে আসেন এবং গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। কিন্তু এর আগে টুপি-পাঞ্জাবী পরিহিত এই ব্যক্তিকে কাশিপুরের কলসগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় বিমানবন্দর থানা পুলিশের একটি টিম।
এই অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন এসআই মো. জাহিদ হাসান। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, মাদকের চালানটি বরিশাল শহরের এক ব্যবসায়ীকে পৌছে দেওয়ার উদ্দেশে নিয়ে আসেন মনু ইসলাম ওরফে মনির। কিন্তু এর আগেই তাকে পাকড়াও করা হয়।
এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ।’

০৪ জুন, ২০২৬ ১৯:৩৩
বরিশালে মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার অর্থ জব্দ হিসেবে না দেখিয়ে আত্মসাৎ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কতিপয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। গত ২০ মে বরিশাল শহরের চরমোনাই ট্রলারঘাট এলাকার একটি বাসায় হানা দিয়ে বেবি আক্তার নামের এক নারীকে আটক করাসহ নগদ ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে বিভাগীয় গোয়েন্দা অফিসের এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের নেতৃত্বধীন টিম। বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, একদিন বাদে ২১ মে ওই নারীকে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে গাঁজার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলেও নগদ ওই অর্থ জব্দ তালিকায় রাখেনি ডিএনসি কর্মকর্তারা। এর আগে একই মামলায় নারীর স্বজনদের গ্রেপ্তার দেখানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে আরও ২১ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন এএসআই দিপঙ্কর মন্ডল এবং ফারুক হোসেনসহ অভিযানিক টিমের সদস্যরা। বরিশাল ডিএনসির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে এমন একটি গুরুতর অভিযোগ এনে এর প্রতিকার মহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছেন বেবি আক্তারের বোন তানিয়া বেগম।
অভিযোগে তানিয়া আক্তার উল্লেখ করেন, গত ২০ মে রাত ১১টার দিকে বরিশাল মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বিভাগীয় অফিসের গোয়েন্দা টিমের সদস্য এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের নেতৃত্বে শহরের চরমোনাই ট্রলারঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। একপর্যায়ে তারা সেখানকার বাসিন্দা বেবি আক্তারের বাসায় হানা দিলে তাকে ইয়াবা সেবনরত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করেন। এবং বাসাটিতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ ২৭ হাজার টাকা উদ্ধার করে তাসহ বেবি আক্তারকে ভাটিখানাস্থ ডিএনসির কার্যালয়ে নিয়ে যায়। পাশাপাশি স্বজনদের পরবর্তীতে কার্যালয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ডিএনসি কর্মকর্তা এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের কথা অনুযায়ী রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেবি আক্তারের মা, মামাতো বোন পপি আক্তার, ভাগনি সুমাইয়া কার্যালয়টিতে গেলে তাদের আটকে রেখে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। নতুবা বেবি আক্তারের সাথে স্বজনদেরও এই মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখান এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলসহ টিমের অপরাপর সদস্যরা। এতে ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে কিছুক্ষণের মধ্যেই তানিয়া আক্তার তার কানের দুল বন্ধক রেখে নগদ ২১ হাজার টাকা এএসআই দিপঙ্কর মন্ডলের হাতে তুলে দেন। পরে তাদের সকলকে ছেড়ে দিয়ে একদিন বাদে ২১ মে বেবি আক্তারকে এক কেজি গাঁজাসহ কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করে এবং এই ঘটনায় একটি মামলা করে ডিএনসি।
তানিয়া আক্তারের অভিযোগ, ২০ মে রাতে ডিএনসি কার্যালয়ে এই দেনদরবারের ঘটনাটি জানাজানি হওয়ায় বেবি আক্তারকে অন্যত্র স্থান থেকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
তবে উদ্ধার অর্থ আত্মাসাৎ এবং বেবি আক্তারের স্বজনদের ফাঁসানোর ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন অভিযানিক টিমের প্রধান এএসআই দিপঙ্কর মন্ডল। মাঠপর্যায়ের এই কর্মকর্তা দাবি করেছেন, এ ঘটনায় কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি, বেবি আক্তারকে গাঁজাসহ আটক করা হয়। এবং তার বিরুদ্ধে সেই মামলা দিয়ে কোতয়ালি পুলিশে সোপর্দ করা হয়ছে। এই বিষয়ে বরিশাল মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তানভীর হোসেন খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
তানিয়া আক্তারের অভিযোগ, ডিএনসির শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের কাছে অভিযোগ করেছেন, কিন্তু প্রতিকার পাননি। শেষে বাধ্য হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর অভিযোগ করে বিচার চেয়েছেন। মহাপরিচালক এখন বিষয়টিতে কি ব্যবস্থাগ্রহণ করেন, সেটাই দেখার অপেক্ষা।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬