
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১২
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধুই ধানক্ষেত, সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির এই অপূর্ব সৌন্দর্য আর কৃষকের স্বপ্ন মিলেমিশে কৈবর্তখালি গ্রামটি এখন যেন এক জীবন্ত উৎসবের আঙিনা।
এ দৃশ্য পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রামের। হলুদের সমারোহে সাজানো এই মাঠ যেন প্রকৃতির এক অনন্য ক্যানভাস। সূর্যমুখী চাষে কৃষকের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় এবং জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন সূর্যমুখীর এই মাঠে।
সূর্যমুখীর এমন বিস্তীর্ণ চাষ শুধু সদর উপজেলায় নয়, বরং জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও করা হয়েছে। একসময় যেখানে ধান কিংবা অন্যান্য ফসল ছিল প্রধান, সেখানে এখন জায়গা করে নিচ্ছে সূর্যমুখী চাষ। কম খরচ, কম শ্রম এবং লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে এই চাষে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭টি উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এবারে বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ২ থেকে আড়াই টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা, কার্যকর সহায়তা এবং বিনা সুদে ঋণ পেলে এই সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এছাড়া কৃষি কার্ড পেলে চাষাবাদে আগ্রহ আরও বাড়বে বলে তারা মনে করেন।
এদিকে বিকেল হলেই কৈবর্তখালি গ্রামের এই সূর্যমুখী ক্ষেত পরিণত হয় দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে আসেন, ছবি তোলেন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। স্থানীয়দের মতে, এই ক্ষেতটি এখন এলাকার একটি ছোট পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, আমরা প্রতিবছর শুধু ধান উৎপাদন করতাম। এ বছর প্রথমবার সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। সরকার যদি সহজ শর্তে ঋণ দিত, তাহলে আরও ভালো হতো।
স্থানীয় আরেক চাষি মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছি। আগে কখনো এই চাষ করিনি। এটি অনেক লাভজনক। সরকার যদি আমাদের এলাকায় কৃষি কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করত, তাহলে আরও উৎসাহ পেতাম। নিজের পরিবারের জন্য তেল রেখে বাকিটা বিক্রি করব।
অন্য চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী চাষে ভালো ফলন হয়েছে। আর কিছুদিন পর তেল উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হবে। ফুল ফোটার পর অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসে, ছবি তোলে এটা দেখতে ভালো লাগে।
জেলার নেছারাবাদ উপজেলা থেকে ঘুরতে আসা সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সূর্যমুখীর মাঠ খুব সুন্দর লাগছে। অনেক ছবি তুলেছি।
পিরোজপুর শহর থেকে আসা সাব্বির হোসেন বলেন, শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও ফুল ভালোবাসে। আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে এসেছি। সূর্যমুখী ফুলগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, কৃষকদের বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সার্বিক সহায়তা করা হচ্ছে।
জেলায় সূর্যমুখী আবাদ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। আগামী বছর এ আবাদ আরও বাড়বে। কৈবর্তখালি এখন শুধু ফসলের মাঠ নয় প্রতিটি সূর্যমুখী ফুল যেন কৃষকের সমৃদ্ধি আর আগামীর নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধুই ধানক্ষেত, সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির এই অপূর্ব সৌন্দর্য আর কৃষকের স্বপ্ন মিলেমিশে কৈবর্তখালি গ্রামটি এখন যেন এক জীবন্ত উৎসবের আঙিনা।
এ দৃশ্য পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রামের। হলুদের সমারোহে সাজানো এই মাঠ যেন প্রকৃতির এক অনন্য ক্যানভাস। সূর্যমুখী চাষে কৃষকের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় এবং জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন সূর্যমুখীর এই মাঠে।
সূর্যমুখীর এমন বিস্তীর্ণ চাষ শুধু সদর উপজেলায় নয়, বরং জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও করা হয়েছে। একসময় যেখানে ধান কিংবা অন্যান্য ফসল ছিল প্রধান, সেখানে এখন জায়গা করে নিচ্ছে সূর্যমুখী চাষ। কম খরচ, কম শ্রম এবং লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে এই চাষে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭টি উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এবারে বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ২ থেকে আড়াই টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা, কার্যকর সহায়তা এবং বিনা সুদে ঋণ পেলে এই সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এছাড়া কৃষি কার্ড পেলে চাষাবাদে আগ্রহ আরও বাড়বে বলে তারা মনে করেন।
এদিকে বিকেল হলেই কৈবর্তখালি গ্রামের এই সূর্যমুখী ক্ষেত পরিণত হয় দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে আসেন, ছবি তোলেন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। স্থানীয়দের মতে, এই ক্ষেতটি এখন এলাকার একটি ছোট পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, আমরা প্রতিবছর শুধু ধান উৎপাদন করতাম। এ বছর প্রথমবার সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। সরকার যদি সহজ শর্তে ঋণ দিত, তাহলে আরও ভালো হতো।
স্থানীয় আরেক চাষি মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছি। আগে কখনো এই চাষ করিনি। এটি অনেক লাভজনক। সরকার যদি আমাদের এলাকায় কৃষি কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করত, তাহলে আরও উৎসাহ পেতাম। নিজের পরিবারের জন্য তেল রেখে বাকিটা বিক্রি করব।
অন্য চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী চাষে ভালো ফলন হয়েছে। আর কিছুদিন পর তেল উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হবে। ফুল ফোটার পর অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসে, ছবি তোলে এটা দেখতে ভালো লাগে।
জেলার নেছারাবাদ উপজেলা থেকে ঘুরতে আসা সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সূর্যমুখীর মাঠ খুব সুন্দর লাগছে। অনেক ছবি তুলেছি।
পিরোজপুর শহর থেকে আসা সাব্বির হোসেন বলেন, শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও ফুল ভালোবাসে। আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে এসেছি। সূর্যমুখী ফুলগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, কৃষকদের বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সার্বিক সহায়তা করা হচ্ছে।
জেলায় সূর্যমুখী আবাদ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। আগামী বছর এ আবাদ আরও বাড়বে। কৈবর্তখালি এখন শুধু ফসলের মাঠ নয় প্রতিটি সূর্যমুখী ফুল যেন কৃষকের সমৃদ্ধি আর আগামীর নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৮
পিরোজপুরে একাধিক মাদক মামলায় ১২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি বিপ্লব শেখকে (৪২) খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮।
বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব-৬ এর সহযোগিতায় খুলনা মহানগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে খুলনা মহানগরের সোনাডাঙ্গা থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তার বিপ্লব শেখ পিরোজপুর সদর উপজেলার চালিতাখালী গ্রামের মৃত খবির উদ্দিন শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে পিরোজপুর সদর থানায় পৃথক তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা রয়েছে।
র্যাব-৮ সূত্রে জানা যায়, বিপ্লব শেখ দীর্ঘদিন ধরে একটি মাদক চক্রের মূল হোতা হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।
তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার মধ্যে পিরোজপুর সদর থানার পৃথক তিনটি মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১৮ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাস ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশাল র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক মো. কামরুজ্জামান শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১২টিরও বেশি মামলার এ আসামিকে খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরে একাধিক মাদক মামলায় ১২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি বিপ্লব শেখকে (৪২) খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮।
বৃহস্পতিবার রাতে র্যাব-৬ এর সহযোগিতায় খুলনা মহানগর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে খুলনা মহানগরের সোনাডাঙ্গা থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
গ্রেপ্তার বিপ্লব শেখ পিরোজপুর সদর উপজেলার চালিতাখালী গ্রামের মৃত খবির উদ্দিন শেখের ছেলে। তার বিরুদ্ধে পিরোজপুর সদর থানায় পৃথক তিনটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ছিল। এছাড়া দেশের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে ডজনখানেক মামলা রয়েছে।
র্যাব-৮ সূত্রে জানা যায়, বিপ্লব শেখ দীর্ঘদিন ধরে একটি মাদক চক্রের মূল হোতা হিসেবে বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল।
তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার মধ্যে পিরোজপুর সদর থানার পৃথক তিনটি মামলায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ১৮ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাস ২০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।
সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।
বরিশাল র্যাব-৮-এর কোম্পানি অধিনায়ক মো. কামরুজ্জামান শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে সাংবাদিকদের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১২টিরও বেশি মামলার এ আসামিকে খুলনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাঁধন মীরা (২০) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল চারটার দিকে উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের তেওরীপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মো. বাঁধন মীরা (২০) তেওরীপুর ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা মো. বাদশা মীরার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেওরীপুর গ্রামের মো. লিটন হাওলাদারের নির্মাণাধীন ভবনে রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করছিলেন বাঁধন মীরা। কাজের একপর্যায়ে তিনি ভবনের একটি কক্ষের বাইরে থাকা বৈদ্যুতিক তার গুছিয়ে ভেতরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তারটি বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে সহকর্মী রাজমিস্ত্রি মো. বশির হাওলাদারসহ স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স–এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় নির্মাণাধীন একটি ভবনে কাজ করার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাঁধন মীরা (২০) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেল চারটার দিকে উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের তেওরীপুর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মো. বাঁধন মীরা (২০) তেওরীপুর ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকার বাসিন্দা মো. বাদশা মীরার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেওরীপুর গ্রামের মো. লিটন হাওলাদারের নির্মাণাধীন ভবনে রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করছিলেন বাঁধন মীরা। কাজের একপর্যায়ে তিনি ভবনের একটি কক্ষের বাইরে থাকা বৈদ্যুতিক তার গুছিয়ে ভেতরে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তারটি বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে এলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন।
পরে সহকর্মী রাজমিস্ত্রি মো. বশির হাওলাদারসহ স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স–এ নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেওয়ান জগলুল হাসান জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৩৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় চাচার হাতুড়ির আঘাতে হাত ভেঙে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী বিথী আক্তার (১৫) শেষ পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার জানান, আহত পরীক্ষার্থীর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিথীর জন্য একজন শ্রুতলেখক (রাইটার) নিয়োগ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বোর্ডে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের শাঁখারিকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিথী আক্তার ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. বাদল হাওলাদারের মেয়ে এবং তুষখালী তোফেল আকন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তুচ্ছ পারিবারিক বিরোধের জেরে বিথীর বাবা বাদল হাওলাদারের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম (৩৩) ও মো. রাহাতের (১৮) মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। বিষয়টি জানতে চাইলে বিথীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বিথীর ডান হাত ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগে বিথীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তার পরিবার ও স্থানীয়রা। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় চাচার হাতুড়ির আঘাতে হাত ভেঙে যাওয়া এসএসসি পরীক্ষার্থী বিথী আক্তার (১৫) শেষ পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আকলিমা আক্তার জানান, আহত পরীক্ষার্থীর বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বিথীর জন্য একজন শ্রুতলেখক (রাইটার) নিয়োগ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে বোর্ডে চিঠি পাঠানো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে সে নির্ধারিত সময়েই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে।
এর আগে মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের শাঁখারিকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিথী আক্তার ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. বাদল হাওলাদারের মেয়ে এবং তুষখালী তোফেল আকন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তুচ্ছ পারিবারিক বিরোধের জেরে বিথীর বাবা বাদল হাওলাদারের সঙ্গে তার চাচাতো ভাই নজরুল ইসলাম (৩৩) ও মো. রাহাতের (১৮) মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। বিষয়টি জানতে চাইলে বিথীর ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অভিযুক্তরা। একপর্যায়ে নজরুল ইসলাম হাতুড়ি দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বিথীর ডান হাত ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগে বিথীর পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন তার পরিবার ও স্থানীয়রা। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৬
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪২
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৫
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৯