
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫১
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে জনগণের মন ভোলানোর চেষ্টা করছে।
তিনি বলেছেন, এ কার্ড দিতে গিয়ে বিএনপির তেল ফুরিয়ে গেছে, জ্বালানি ফুরিয়ে গেছে। অথচ মন্ত্রীরা সংসদে বলছেন, জ্বালানির সংকট নেই। তারা বাস্তব সমস্যাকে অস্বীকার করছে, অর্থনৈতিক সমস্যাকে অস্বীকার করছে। দেশের আইনশৃঙ্খলার যে ক্রমান্বয়ে অবনতি হচ্ছে, সেটাকেও অস্বীকার করছে বর্তমান সরকার।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেশের ও জনগণের স্বার্থে এই সরকারকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু বিএনপি সরকার সহযোগিতার সব দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে। আমার জানা নেই, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে, মাত্র দুই মাসে, এত অজনপ্রিয় কোনো সরকার হয়েছিল কি না। এই সরকার গত দুই মাসে যে পরিমাণ অজনপ্রিয় হয়েছে, আমরা জানি না আগামী ছয় মাস পর এই সরকারের কী হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা দেশে কোনো অস্থিতিশীলতা চাই না। আমাদের দাবি একটাই, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে প্রকৃত সম্মান দেওয়া। এ দাবি আদায়ের জন্য আমরা সংসদে যেমন থাকব, রাজপথেও থাকব, ইনশাআল্লাহ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছে। বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনগণ প্রতিজ্ঞা নিয়েছিল, দেশে আর নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্র ফিরে আসতে দেওয়া হবে না। সেই প্রতিজ্ঞা থেকেই দেশে সংস্কারের কার্যক্রম শুরু হয়।
বিরোধীদলীয় হুইপ বলেন, কিন্তু বিএনপি প্রতি পদে পদে সংস্কার কার্যক্রমে বাধা দিয়ে আসছিল। একপর্যায়ে তারা বাধ্য হয়ে ঐকমত্য কমিশনে আসে এবং সেখানে এসেও প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রমে নোট অব ডিসেন্ট দিতে থাকে। সবশেষে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জনগণের চাপে তারা গণভোটে রাজি হলেও নির্বাচনের পরপরই গণভোটকে অস্বীকার করা শুরু করেছে। যে বিএনপির জন্ম হয়েছিল গণভোটের মাধ্যমে, সেই বিএনপি আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের গণভোটকে অস্বীকার করছে। কার্যত বিএনপি তার অস্তিত্বকেই অস্বীকার করতে শুরু করেছে।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে বিএনপি যেভাবে আওয়ামী লীগের মতো দলীয়করণ শুরু করেছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে তারা একই পথে এগোচ্ছে। বিএনপি যদি আওয়ামী লীগের মতো দেশকে পুরোনো স্বৈরাচারের পথে নিয়ে যেতে চায়, তাহলে আবারও দেশের জনগণ তাদের প্রতিহত করবে। বাংলাদেশের তরুণ সমাজ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি কৃষক কার্ড ও ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে জনগণের মন ভোলানোর চেষ্টা করছে।
তিনি বলেছেন, এ কার্ড দিতে গিয়ে বিএনপির তেল ফুরিয়ে গেছে, জ্বালানি ফুরিয়ে গেছে। অথচ মন্ত্রীরা সংসদে বলছেন, জ্বালানির সংকট নেই। তারা বাস্তব সমস্যাকে অস্বীকার করছে, অর্থনৈতিক সমস্যাকে অস্বীকার করছে। দেশের আইনশৃঙ্খলার যে ক্রমান্বয়ে অবনতি হচ্ছে, সেটাকেও অস্বীকার করছে বর্তমান সরকার।
তিনি আরও বলেন, আমরা দেশের ও জনগণের স্বার্থে এই সরকারকে সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত ছিলাম। কিন্তু বিএনপি সরকার সহযোগিতার সব দরজা বন্ধ করে দিচ্ছে। আমার জানা নেই, বাংলাদেশের ইতিহাসে এত কম সময়ে, মাত্র দুই মাসে, এত অজনপ্রিয় কোনো সরকার হয়েছিল কি না। এই সরকার গত দুই মাসে যে পরিমাণ অজনপ্রিয় হয়েছে, আমরা জানি না আগামী ছয় মাস পর এই সরকারের কী হবে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা দেশে কোনো অস্থিতিশীলতা চাই না। আমাদের দাবি একটাই, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে প্রকৃত সম্মান দেওয়া। এ দাবি আদায়ের জন্য আমরা সংসদে যেমন থাকব, রাজপথেও থাকব, ইনশাআল্লাহ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি পরিবর্তনের স্বপ্ন দেখেছে। বাংলাদেশের মুক্তিকামী জনগণ প্রতিজ্ঞা নিয়েছিল, দেশে আর নতুন কোনো স্বৈরতন্ত্র ফিরে আসতে দেওয়া হবে না। সেই প্রতিজ্ঞা থেকেই দেশে সংস্কারের কার্যক্রম শুরু হয়।
বিরোধীদলীয় হুইপ বলেন, কিন্তু বিএনপি প্রতি পদে পদে সংস্কার কার্যক্রমে বাধা দিয়ে আসছিল। একপর্যায়ে তারা বাধ্য হয়ে ঐকমত্য কমিশনে আসে এবং সেখানে এসেও প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রমে নোট অব ডিসেন্ট দিতে থাকে। সবশেষে রাজনৈতিক বাস্তবতা ও জনগণের চাপে তারা গণভোটে রাজি হলেও নির্বাচনের পরপরই গণভোটকে অস্বীকার করা শুরু করেছে। যে বিএনপির জন্ম হয়েছিল গণভোটের মাধ্যমে, সেই বিএনপি আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ের গণভোটকে অস্বীকার করছে। কার্যত বিএনপি তার অস্তিত্বকেই অস্বীকার করতে শুরু করেছে।
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে বিএনপি যেভাবে আওয়ামী লীগের মতো দলীয়করণ শুরু করেছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে তারা একই পথে এগোচ্ছে। বিএনপি যদি আওয়ামী লীগের মতো দেশকে পুরোনো স্বৈরাচারের পথে নিয়ে যেতে চায়, তাহলে আবারও দেশের জনগণ তাদের প্রতিহত করবে। বাংলাদেশের তরুণ সমাজ এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।
বরিশাল টাইমস

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩০
সরকারের নির্ধারিত ভাড়ার তোয়াক্কা না করে রাজধানীর গণপরিবহনগুলোতে শুরু হয়েছে চরম ভাড়া নৈরাজ্য। সরকারের পক্ষ থেকে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা এলেও রাস্তায় তার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কিলোমিটার প্রতি পয়সার হিসাব ছাপিয়ে চালক ও সহকারীরা যাত্রীদের কাছ থেকে সরাসরি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণার পর শুক্রবার থেকেই বাড়তি ভাড়া দাবি করছেন চালক ও হেলপাররা।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর গণপরিবহনের নতুন ভাড়া ঘোষণা করেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
জানা যায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর, আন্তঃজেলা এবং ডিটিসিএ এলাকাসহ সব ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এতে মহানগর ও আন্তঃজেলা বাসের ভাড়া ৪ দশমিক ৪৫ থেকে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেল। ভাড়া সমন্বয় করে বিআরটিএ ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে।
তবে মাঠপর্যায়ে চিত্র ভিন্ন। খিলক্ষেত থেকে বনানী আসা এক যাত্রী জানান, আগে এই পথের ভাড়া ছিল ১০ টাকা, আজ নেওয়া হচ্ছে ১৫-২০ টাকা। মালিবাগ থেকে মহাখালী আসা এক যাত্রী জানান, তার কাছেও হুট করে ৫ টাকা বাড়তি দাবি করা হচ্ছে।
গাজীপুর থেকে বিশ্বরোড আসা মোহাম্মদ রবিউল নামে এক যাত্রী জানান, সরকারি ঘোষণার আগে যে ভাড়া নিত এই রুটে তার চেয়েও আজ ১৫ টাকা ভাড়া বেশি নিয়েছে।
আরেক যাত্রী জানান, আমতলী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা থাকলেও শনিবার ভোর থেকে তা ৩০ টাকা করে নিচ্ছে। যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, সরকার প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বাড়িয়েছে মাত্র ১১ পয়সা, কিন্তু চালক ও সহকারীরা তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন।
বনানীর প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আবিদ বলেন, কাকলী মোড় থেকে বিমানবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৮-১৯ কিলোমিটার। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ভাড়া বাড়ার কথা মাত্র ২ টাকা, কিন্তু শুক্রবার থেকে চালকরা ১০ টাকা বেশি দাবি করছেন। তারা এই সুযোগে যাত্রীদের পকেট কাটছেন।
বাসের হেল্পার ও চালকদের এমন কাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে আরেক যাত্রী যাত্রী বলেন, সরকার ১১ পয়সা বাড়িয়েছে, কিন্তু তারা মুখস্থ ৫-১০ টাকা বেশি দাবি করছে। দেখা যাবে মোট ভাড়ায় ১ টাকাও বাড়েনি, কিন্তু তারা ৫ টাকাই আদায় করবে। এটা নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলেই ঝগড়া শুরু হয়। এসব দেখার কেউ নেই।
বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে সায়েদাবাদ-গাজীপুর রুটে চলাচলকারী ‘বলাকা’ বাসের এক হেল্পার জানান, তারা দূরত্বের সঙ্গে মিল রেখেই ভাড়া নিচ্ছেন। তেলের দাম বাড়ায় সরকার ভাড়া বাড়িয়েছে বলেই তারা বেশি নিচ্ছেন।
তবে ১০ কিলোমিটারে কেন ৫ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, কিলোমিটারের হিসাব তার জানা নেই, এভাবেই ভাড়া নিচ্ছে সবাই। সরেজমিনে বলাকা, আজমেরী গ্লোরি, গাজীপুর পরিবহন, ভিক্টর ক্লাসিক ও রাইদা পরিবহনের বাসগুলো ঘুরে দেখা যায় নেই কোনো ভাড়ার চার্ট, নেই কোনো ই-টিকিটিং ব্যবস্থা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর পরিবহনের এক চালক বলেন, চার্ট আমাদের লাগে না, আমরা মিল করেই ভাড়া নিচ্ছি। উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েক দফায় জ্বালানির দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বাসভাড়া কমানোর ঘোষণা দিলেও পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা তা কার্যকর করেননি। ২০১৬ ও ২০১১ সালেও ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল।
সরকারের নির্ধারিত ভাড়ার তোয়াক্কা না করে রাজধানীর গণপরিবহনগুলোতে শুরু হয়েছে চরম ভাড়া নৈরাজ্য। সরকারের পক্ষ থেকে কিলোমিটার প্রতি ভাড়া ১১ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা এলেও রাস্তায় তার চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কিলোমিটার প্রতি পয়সার হিসাব ছাপিয়ে চালক ও সহকারীরা যাত্রীদের কাছ থেকে সরাসরি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
আজ শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাস টার্মিনাল ঘুরে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণার পর শুক্রবার থেকেই বাড়তি ভাড়া দাবি করছেন চালক ও হেলপাররা।
গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে মালিক সমিতির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর গণপরিবহনের নতুন ভাড়া ঘোষণা করেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
জানা যায়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগর, আন্তঃজেলা এবং ডিটিসিএ এলাকাসহ সব ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা করে ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। এতে মহানগর ও আন্তঃজেলা বাসের ভাড়া ৪ দশমিক ৪৫ থেকে ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেল। ভাড়া সমন্বয় করে বিআরটিএ ইতোমধ্যে প্রজ্ঞাপনও জারি করেছে।
তবে মাঠপর্যায়ে চিত্র ভিন্ন। খিলক্ষেত থেকে বনানী আসা এক যাত্রী জানান, আগে এই পথের ভাড়া ছিল ১০ টাকা, আজ নেওয়া হচ্ছে ১৫-২০ টাকা। মালিবাগ থেকে মহাখালী আসা এক যাত্রী জানান, তার কাছেও হুট করে ৫ টাকা বাড়তি দাবি করা হচ্ছে।
গাজীপুর থেকে বিশ্বরোড আসা মোহাম্মদ রবিউল নামে এক যাত্রী জানান, সরকারি ঘোষণার আগে যে ভাড়া নিত এই রুটে তার চেয়েও আজ ১৫ টাকা ভাড়া বেশি নিয়েছে।
আরেক যাত্রী জানান, আমতলী থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ভাড়া ২০ টাকা থাকলেও শনিবার ভোর থেকে তা ৩০ টাকা করে নিচ্ছে। যাত্রীরা অভিযোগ করে জানান, সরকার প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া বাড়িয়েছে মাত্র ১১ পয়সা, কিন্তু চালক ও সহকারীরা তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছেন।
বনানীর প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আবিদ বলেন, কাকলী মোড় থেকে বিমানবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৮-১৯ কিলোমিটার। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ভাড়া বাড়ার কথা মাত্র ২ টাকা, কিন্তু শুক্রবার থেকে চালকরা ১০ টাকা বেশি দাবি করছেন। তারা এই সুযোগে যাত্রীদের পকেট কাটছেন।
বাসের হেল্পার ও চালকদের এমন কাণ্ডে ক্ষুব্ধ হয়ে আরেক যাত্রী যাত্রী বলেন, সরকার ১১ পয়সা বাড়িয়েছে, কিন্তু তারা মুখস্থ ৫-১০ টাকা বেশি দাবি করছে। দেখা যাবে মোট ভাড়ায় ১ টাকাও বাড়েনি, কিন্তু তারা ৫ টাকাই আদায় করবে। এটা নিয়ে প্রতিবাদ করতে গেলেই ঝগড়া শুরু হয়। এসব দেখার কেউ নেই।
বাড়তি ভাড়ার বিষয়ে সায়েদাবাদ-গাজীপুর রুটে চলাচলকারী ‘বলাকা’ বাসের এক হেল্পার জানান, তারা দূরত্বের সঙ্গে মিল রেখেই ভাড়া নিচ্ছেন। তেলের দাম বাড়ায় সরকার ভাড়া বাড়িয়েছে বলেই তারা বেশি নিচ্ছেন।
তবে ১০ কিলোমিটারে কেন ৫ টাকা বাড়তি নেওয়া হচ্ছে—এমন প্রশ্নে তিনি জানান, কিলোমিটারের হিসাব তার জানা নেই, এভাবেই ভাড়া নিচ্ছে সবাই। সরেজমিনে বলাকা, আজমেরী গ্লোরি, গাজীপুর পরিবহন, ভিক্টর ক্লাসিক ও রাইদা পরিবহনের বাসগুলো ঘুরে দেখা যায় নেই কোনো ভাড়ার চার্ট, নেই কোনো ই-টিকিটিং ব্যবস্থা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাজীপুর পরিবহনের এক চালক বলেন, চার্ট আমাদের লাগে না, আমরা মিল করেই ভাড়া নিচ্ছি। উল্লেখ্য, এর আগেও কয়েক দফায় জ্বালানির দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার বাসভাড়া কমানোর ঘোষণা দিলেও পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা তা কার্যকর করেননি। ২০১৬ ও ২০১১ সালেও ভাড়া কমানোর সিদ্ধান্ত কাগজ-কলমেই সীমাবদ্ধ ছিল।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১০
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে মেধাভিত্তিক দক্ষ ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশনের তৃতীয় ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, র্তমান সরকার মেধানির্ভর, আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও দায়িত্ববান মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
বিয়াম ফাউন্ডেশনের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এর অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে যে বিএনপি সরকার বরাবরই দেশ ও জনগণের স্বার্থে একটি সুদক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনপ্রশাসন দেখতে চেয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে আমলাতন্ত্রকে আরও জনমুখী হতে হবে। জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি বিয়াম ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়তে সব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে মেধাভিত্তিক দক্ষ ও জনবান্ধব জনপ্রশাসন গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে বিয়াম ফাউন্ডেশনের তৃতীয় ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, র্তমান সরকার মেধানির্ভর, আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও দায়িত্ববান মানবসম্পদ গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর।
বিয়াম ফাউন্ডেশনের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এর অগ্রযাত্রা প্রমাণ করে যে বিএনপি সরকার বরাবরই দেশ ও জনগণের স্বার্থে একটি সুদক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনপ্রশাসন দেখতে চেয়েছে।
তারেক রহমান বলেন, একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে আমলাতন্ত্রকে আরও জনমুখী হতে হবে। জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে তিনি বিয়াম ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

২১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:২২
রাজধানীর তেজগাঁও থানার বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তার দেড় মাস বয়সী কাইফা ইসলাম সিমরান নামের পুত্রসন্তান রয়েছে। আজ ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
এদিন দুপুর ২টার দিকে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শেখ নজরুল ইসলাম আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছেন।
ওই আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আসামি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলে তদন্তে জানা যাচ্ছে। মামলাটির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা বিশেষ প্রয়োজন।
এ সময় তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি উল্লেখ করেন, তার ১ মাস ১৬ দিনের পুত্রসন্তান রয়েছে।
তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। যেকোনো শর্তে তার জামিন প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে আদালত থেকে বের করা হয়। এ সময় আদালতের চতুর্থ তলায় কাঁদতে থাকেন তিনি। পরে তার কোলে তুলে দেওয়া হয় দেড় মাস বয়সী একটা বাচ্চা। এ সময় আদালতের বারান্দায় রাখা বেঞ্চে বসসে সেই বাচ্চাকে দুধ খাওয়ান ওই মা।
পরে ওই বাচ্চাকে কোলে নিয়ে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় তিনি কাঁদতে থাকেন। যুবলীগ নেত্রী আক্ষেপ করে বলেন, ‘রাজনৈতিক কারণে বাচ্চাসহ কারাগারে যেতে হচ্ছে।’
মামলার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মো. তাহমিদ মুবিন রাতুল। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত অবস্থায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।
ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী তাদের আক্রমণ করেন। পরবর্তীতে আসামি শিল্পীর নির্দেশে ২৩ জুলাই সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় মামলার এজাহারনামীয় আসামিরাসহ আরো অজ্ঞাতপরিচয় ১২০-১৩০ জন আসামি দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং পিস্তল, বোমা নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাসায় হামলা চালান। এতে আসবাব ও ইলেকট্রনিকস জিনিসপত্র ভাঙচুর করে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন।
তিন লাখ টাকা মূল্যের বাসার বিভিন্ন মালামাল লুটপাট ও চুরি করে নিয়ে যান। ভুক্তভোগীর বাসার সামনে রাস্তার ওপর বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আসামি শিল্পী ও অন্য আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে ওই শিক্ষার্থীর পিতা মো. সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়।
রাজধানীর তেজগাঁও থানার বিস্ফোরক আইনের মামলায় গ্রেপ্তার যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগমকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তার দেড় মাস বয়সী কাইফা ইসলাম সিমরান নামের পুত্রসন্তান রয়েছে। আজ ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।
এদিন দুপুর ২টার দিকে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শেখ নজরুল ইসলাম আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছেন।
ওই আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণাদি পাওয়া গেছে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে তেজগাঁও থানার রেলওয়ে কলোনি স্টেশন রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তাকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। আসামি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমন করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন বলে তদন্তে জানা যাচ্ছে। মামলাটির তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা বিশেষ প্রয়োজন।
এ সময় তার আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানিতে তিনি উল্লেখ করেন, তার ১ মাস ১৬ দিনের পুত্রসন্তান রয়েছে।
তার সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। যেকোনো শর্তে তার জামিন প্রার্থনা করছি। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
বিকেল ৩টা ১২ মিনিটে আদালত থেকে বের করা হয়। এ সময় আদালতের চতুর্থ তলায় কাঁদতে থাকেন তিনি। পরে তার কোলে তুলে দেওয়া হয় দেড় মাস বয়সী একটা বাচ্চা। এ সময় আদালতের বারান্দায় রাখা বেঞ্চে বসসে সেই বাচ্চাকে দুধ খাওয়ান ওই মা।
পরে ওই বাচ্চাকে কোলে নিয়ে তাকে আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। এ সময় তিনি কাঁদতে থাকেন। যুবলীগ নেত্রী আক্ষেপ করে বলেন, ‘রাজনৈতিক কারণে বাচ্চাসহ কারাগারে যেতে হচ্ছে।’
মামলার সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী মো. তাহমিদ মুবিন রাতুল। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত অবস্থায় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তার সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।
ঢাকা মেডিক্যাল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে ছাত্রলীগের অসংখ্য নেতাকর্মী তাদের আক্রমণ করেন। পরবর্তীতে আসামি শিল্পীর নির্দেশে ২৩ জুলাই সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় মামলার এজাহারনামীয় আসামিরাসহ আরো অজ্ঞাতপরিচয় ১২০-১৩০ জন আসামি দেশীয় ধারালো অস্ত্র এবং পিস্তল, বোমা নিয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাসায় হামলা চালান। এতে আসবাব ও ইলেকট্রনিকস জিনিসপত্র ভাঙচুর করে পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন।
তিন লাখ টাকা মূল্যের বাসার বিভিন্ন মালামাল লুটপাট ও চুরি করে নিয়ে যান। ভুক্তভোগীর বাসার সামনে রাস্তার ওপর বোমা বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। আসামি শিল্পী ও অন্য আসামিরা হত্যার উদ্দেশ্যে ওই শিক্ষার্থীর পিতা মো. সোহেল রানাকে এলোপাতাড়ি মারধর করেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২৫ জানুয়ারি তেজগাঁও থানায় মামলা করা হয়।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৫১
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:৩২
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০০