
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৫
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের খেলা উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৮টায় উপজেলার সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক বিদ্যালয় মাঠে বালক ও বালিকাদের অংশগ্রহণে এই খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সবুজ কান্তি সিকদার, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সুব্রত রায়, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ ফকির, প্রধান শিক্ষক আল মামুন খান, মোখলেছুর রহমান, শামসুন্নাহার, মোঃ মনিরুজ্জামান সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
টুর্নামেন্টে উপজেলার ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে। যা মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। উদ্বোধনী খেলায় পারসাতুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালিকা দল কচুয়াকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা দলকে ট্রাইবেকারে ৪-৩ গোলে পরাজিত করে দিনের অন্য খেলায় কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালক দল কচুয়াকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালক দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে। খেলা পরিচালনা করেন মোঃ রাজু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং শিশুদের সুস্থ বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ডের খেলা উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৮টায় উপজেলার সরকারি কেজি ইউনিয়ন বালক বিদ্যালয় মাঠে বালক ও বালিকাদের অংশগ্রহণে এই খেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কাউখালী উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সবুজ কান্তি সিকদার, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, প্রেস ক্লাবের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ সিকদার,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি সুব্রত রায়, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল্লাহ ফকির, প্রধান শিক্ষক আল মামুন খান, মোখলেছুর রহমান, শামসুন্নাহার, মোঃ মনিরুজ্জামান সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের
শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন।
টুর্নামেন্টে উপজেলার ১০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে। যা মাঠজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। উদ্বোধনী খেলায় পারসাতুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালিকা দল কচুয়াকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালিকা দলকে ট্রাইবেকারে ৪-৩ গোলে পরাজিত করে দিনের অন্য খেলায় কাউখালী মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালক দল কচুয়াকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বালক দলকে ১-০ গোলে পরাজিত করে। খেলা পরিচালনা করেন মোঃ রাজু।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ধরনের ক্রীড়া আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং শিশুদের সুস্থ বিকাশে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৫১
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৭
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৩
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০১

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চুরি করতে গিয়ে মো. রাসেল হাওলাদার (৩৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার পরে মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতুব্বর বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল হাওলাদার মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের মনসুর হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে রাসেল হাওলাদার বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চুরি করতে গেলে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে তাকে বাম হাত ও দুই পায়ের কিছু অংশ পোড়াসহ মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পোস্টমর্টেম এর জন্য তার লাশ থানায় নিয়ে যায়।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, গতকাল গভীর রাতে নিহত রাসেল ট্রান্সফরমার চুরি করতে বিদ্যুতিক খুঁটির ওপরে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে মাটিতে পড়ে মারা যান। এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানায় অপমুত্যৃর মামলা হয়েছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চুরি করতে গিয়ে মো. রাসেল হাওলাদার (৩৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার পরে মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাতুব্বর বাড়ি ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাসেল হাওলাদার মঠবাড়িয়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের মনসুর হাওলাদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাতে রাসেল হাওলাদার বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিটার চুরি করতে গেলে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বৈদ্যুতিক খুঁটির নিচে তাকে বাম হাত ও দুই পায়ের কিছু অংশ পোড়াসহ মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা পুলিশকে খবর দিলে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পোস্টমর্টেম এর জন্য তার লাশ থানায় নিয়ে যায়।
মঠবাড়িয়া থানার ওসি মো. রবিউল ইসলাম জানান, গতকাল গভীর রাতে নিহত রাসেল ট্রান্সফরমার চুরি করতে বিদ্যুতিক খুঁটির ওপরে ওঠেন। একপর্যায়ে তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে মাটিতে পড়ে মারা যান। এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানায় অপমুত্যৃর মামলা হয়েছে।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৯
পিরোজপুরের কাউখালীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চিড়াপাড়া পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের চিড়াপাড়া গ্রামের বটতলা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই রাশেদুল ইসলাম ও এসআই দীপক বালার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় সন্দেহভাজন উপজেলার উজিয়ালখান গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে শহীদুল ইসলাম (৪৮) ও কাউখালী কলেজ মোড়ের অস্থায়ী বাসিন্দা আব্দুস সালাম হাওলাদারের ছেলে বেল্লাল হোসেন (৩৪)কে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে অবৈধ (২০ গ্রাম গাঁজা) মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়।
কাউখালী থানার ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং দুইজনকে মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। আসামিদের দুপুরে পিরোজপুর কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।
পিরোজপুরের কাউখালীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। শনিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার চিড়াপাড়া পারসাতুরিয়া ইউনিয়নের চিড়াপাড়া গ্রামের বটতলা এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কাউখালী থানার এসআই রাশেদুল ইসলাম ও এসআই দীপক বালার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় সন্দেহভাজন উপজেলার উজিয়ালখান গ্রামের আতিয়ার রহমানের ছেলে শহীদুল ইসলাম (৪৮) ও কাউখালী কলেজ মোড়ের অস্থায়ী বাসিন্দা আব্দুস সালাম হাওলাদারের ছেলে বেল্লাল হোসেন (৩৪)কে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তাদের কাছ থেকে অবৈধ (২০ গ্রাম গাঁজা) মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে থানায় নিয়ে আসা হয়।
কাউখালী থানার ওসি মোঃ ইয়াকুব হোসাইন বলেন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং দুইজনকে মাদকসহ গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। আসামিদের দুপুরে পিরোজপুর কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:১২
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধুই ধানক্ষেত, সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির এই অপূর্ব সৌন্দর্য আর কৃষকের স্বপ্ন মিলেমিশে কৈবর্তখালি গ্রামটি এখন যেন এক জীবন্ত উৎসবের আঙিনা।
এ দৃশ্য পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রামের। হলুদের সমারোহে সাজানো এই মাঠ যেন প্রকৃতির এক অনন্য ক্যানভাস। সূর্যমুখী চাষে কৃষকের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় এবং জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন সূর্যমুখীর এই মাঠে।
সূর্যমুখীর এমন বিস্তীর্ণ চাষ শুধু সদর উপজেলায় নয়, বরং জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও করা হয়েছে। একসময় যেখানে ধান কিংবা অন্যান্য ফসল ছিল প্রধান, সেখানে এখন জায়গা করে নিচ্ছে সূর্যমুখী চাষ। কম খরচ, কম শ্রম এবং লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে এই চাষে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭টি উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এবারে বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ২ থেকে আড়াই টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা, কার্যকর সহায়তা এবং বিনা সুদে ঋণ পেলে এই সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এছাড়া কৃষি কার্ড পেলে চাষাবাদে আগ্রহ আরও বাড়বে বলে তারা মনে করেন।
এদিকে বিকেল হলেই কৈবর্তখালি গ্রামের এই সূর্যমুখী ক্ষেত পরিণত হয় দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে আসেন, ছবি তোলেন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। স্থানীয়দের মতে, এই ক্ষেতটি এখন এলাকার একটি ছোট পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, আমরা প্রতিবছর শুধু ধান উৎপাদন করতাম। এ বছর প্রথমবার সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। সরকার যদি সহজ শর্তে ঋণ দিত, তাহলে আরও ভালো হতো।
স্থানীয় আরেক চাষি মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছি। আগে কখনো এই চাষ করিনি। এটি অনেক লাভজনক। সরকার যদি আমাদের এলাকায় কৃষি কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করত, তাহলে আরও উৎসাহ পেতাম। নিজের পরিবারের জন্য তেল রেখে বাকিটা বিক্রি করব।
অন্য চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী চাষে ভালো ফলন হয়েছে। আর কিছুদিন পর তেল উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হবে। ফুল ফোটার পর অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসে, ছবি তোলে এটা দেখতে ভালো লাগে।
জেলার নেছারাবাদ উপজেলা থেকে ঘুরতে আসা সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সূর্যমুখীর মাঠ খুব সুন্দর লাগছে। অনেক ছবি তুলেছি।
পিরোজপুর শহর থেকে আসা সাব্বির হোসেন বলেন, শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও ফুল ভালোবাসে। আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে এসেছি। সূর্যমুখী ফুলগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, কৃষকদের বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সার্বিক সহায়তা করা হচ্ছে।
জেলায় সূর্যমুখী আবাদ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। আগামী বছর এ আবাদ আরও বাড়বে। কৈবর্তখালি এখন শুধু ফসলের মাঠ নয় প্রতিটি সূর্যমুখী ফুল যেন কৃষকের সমৃদ্ধি আর আগামীর নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।
পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রাম এখন সূর্যমুখীর হাসিতে ভরপুর। যেখানে একসময় ছিল শুধুই ধানক্ষেত, সেখানে আজ জন্ম নিয়েছে কৃষকের নতুন সম্ভাবনা। প্রকৃতির এই অপূর্ব সৌন্দর্য আর কৃষকের স্বপ্ন মিলেমিশে কৈবর্তখালি গ্রামটি এখন যেন এক জীবন্ত উৎসবের আঙিনা।
এ দৃশ্য পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালি ইউনিয়নের কৈবর্তখালি গ্রামের। হলুদের সমারোহে সাজানো এই মাঠ যেন প্রকৃতির এক অনন্য ক্যানভাস। সূর্যমুখী চাষে কৃষকের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে যাওয়ার পাশাপাশি গ্রামটির সৌন্দর্যও বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় এবং জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত দর্শনার্থী ভিড় করছেন সূর্যমুখীর এই মাঠে।
সূর্যমুখীর এমন বিস্তীর্ণ চাষ শুধু সদর উপজেলায় নয়, বরং জেলার বিভিন্ন উপজেলাতেও করা হয়েছে। একসময় যেখানে ধান কিংবা অন্যান্য ফসল ছিল প্রধান, সেখানে এখন জায়গা করে নিচ্ছে সূর্যমুখী চাষ। কম খরচ, কম শ্রম এবং লাভজনক ফসল হওয়ায় কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে এই চাষে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলার ৭টি উপজেলায় প্রায় ৯৮৪ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ হয়েছে। এবারে বীজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে প্রতি হেক্টরে ২ থেকে আড়াই টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।
কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত সরকারি প্রণোদনা, কার্যকর সহায়তা এবং বিনা সুদে ঋণ পেলে এই সম্ভাবনাময় চাষে স্থানীয় কৃষকেরা আরও বেশি উদ্বুদ্ধ হবেন। এছাড়া কৃষি কার্ড পেলে চাষাবাদে আগ্রহ আরও বাড়বে বলে তারা মনে করেন।
এদিকে বিকেল হলেই কৈবর্তখালি গ্রামের এই সূর্যমুখী ক্ষেত পরিণত হয় দর্শনার্থীদের মিলনমেলায়। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকে ঘুরতে আসেন, ছবি তোলেন এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করেন। স্থানীয়দের মতে, এই ক্ষেতটি এখন এলাকার একটি ছোট পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।
সূর্যমুখী চাষি খোকন হোসেন বলেন, আমরা প্রতিবছর শুধু ধান উৎপাদন করতাম। এ বছর প্রথমবার সূর্যমুখী চাষ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে বীজ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছে। সরকার যদি সহজ শর্তে ঋণ দিত, তাহলে আরও ভালো হতো।
স্থানীয় আরেক চাষি মোস্তফা হাওলাদার বলেন, আমি এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী আবাদ করেছি। আগে কখনো এই চাষ করিনি। এটি অনেক লাভজনক। সরকার যদি আমাদের এলাকায় কৃষি কার্ড দেওয়ার ব্যবস্থা করত, তাহলে আরও উৎসাহ পেতাম। নিজের পরিবারের জন্য তেল রেখে বাকিটা বিক্রি করব।
অন্য চাষি রফিক উদ্দিন বলেন, সূর্যমুখী চাষে ভালো ফলন হয়েছে। আর কিছুদিন পর তেল উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত হবে। ফুল ফোটার পর অনেক মানুষ এখানে ঘুরতে আসে, ছবি তোলে এটা দেখতে ভালো লাগে।
জেলার নেছারাবাদ উপজেলা থেকে ঘুরতে আসা সুমাইয়া আক্তার বলেন, পরিবার নিয়ে এখানে এসেছি। সূর্যমুখীর মাঠ খুব সুন্দর লাগছে। অনেক ছবি তুলেছি।
পিরোজপুর শহর থেকে আসা সাব্বির হোসেন বলেন, শুধু মেয়েরা নয়, ছেলেরাও ফুল ভালোবাসে। আমরা বন্ধুরা মিলে এখানে এসেছি। সূর্যমুখী ফুলগুলো দেখতে খুবই ভালো লাগছে।
পিরোজপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (খামারবাড়ি) উপপরিচালক সৌমিত্র সরকার বলেন, কৃষকদের বীজ সরবরাহ, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত মাঠ পরিদর্শনের মাধ্যমে সার্বিক সহায়তা করা হচ্ছে।
জেলায় সূর্যমুখী আবাদ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকার উৎপাদন আশা করা হচ্ছে। আগামী বছর এ আবাদ আরও বাড়বে। কৈবর্তখালি এখন শুধু ফসলের মাঠ নয় প্রতিটি সূর্যমুখী ফুল যেন কৃষকের সমৃদ্ধি আর আগামীর নতুন সম্ভাবনার বার্তা দিচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.