Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন পর জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের একটি বাস্তব সুযোগ পেতে যাচ্ছে, যা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে প্রতীক বরাদ্দ-পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, বিগত সময়ে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ভোটাধিকার হরণ, অনিরাপত্তা, অর্থ পাচার এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ব্যর্থতার কারণেই জনগণ আজ পরিবর্তন চায়। এই বাস্তবতা থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিদ্যমান বন্দোবস্ত জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসলামী শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক আইন বাস্তবায়ন করা গেলে সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রশাসনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ভোটকেন্দ্র দখল, কালো টাকার ব্যবহার কিংবা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না থাকে। প্রশাসনের ঢিলেঢালা অবস্থান জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
রাজনৈতিক হয়রানি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে মামলা বা হয়রানির শিকার করা অনুচিত। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না।
নির্বাচিত হলে নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে ফয়জুল করীম বলেন, দুর্নীতিমুক্ত বরিশাল গড়াই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। দুর্নীতির লাগাম টানতে পারলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোনো নতুন রাজনৈতিক জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়নি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও দলের নেতাকর্মীরা দেশের নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, জনগণ তাকেই ভোট দেবে, যাদের মাধ্যমে তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে পারবে। এজন্য তিনি বরিশালবাসীর কাছে একবারের জন্য আস্থা ও সমর্থন কামনা করেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন পর জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের একটি বাস্তব সুযোগ পেতে যাচ্ছে, যা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে প্রতীক বরাদ্দ-পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, বিগত সময়ে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ভোটাধিকার হরণ, অনিরাপত্তা, অর্থ পাচার এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ব্যর্থতার কারণেই জনগণ আজ পরিবর্তন চায়। এই বাস্তবতা থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিদ্যমান বন্দোবস্ত জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসলামী শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক আইন বাস্তবায়ন করা গেলে সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রশাসনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ভোটকেন্দ্র দখল, কালো টাকার ব্যবহার কিংবা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না থাকে। প্রশাসনের ঢিলেঢালা অবস্থান জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
রাজনৈতিক হয়রানি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে মামলা বা হয়রানির শিকার করা অনুচিত। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না।
নির্বাচিত হলে নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে ফয়জুল করীম বলেন, দুর্নীতিমুক্ত বরিশাল গড়াই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। দুর্নীতির লাগাম টানতে পারলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোনো নতুন রাজনৈতিক জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়নি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও দলের নেতাকর্মীরা দেশের নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, জনগণ তাকেই ভোট দেবে, যাদের মাধ্যমে তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে পারবে। এজন্য তিনি বরিশালবাসীর কাছে একবারের জন্য আস্থা ও সমর্থন কামনা করেন।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৩:১৫
বরিশালের বাবুগঞ্জে এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান তারা।সোমবার (১৫ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বালু ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মো. জহিরুল ইসলামের কাছে বালু ব্যবসা পরিচালনার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছিল বলে জানা গেছে।
সোমবার রাত ৮টার দিকে জহিরুল ইসলাম টাকা দেওয়ার কথা বলে জাকির মোল্লাকে চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় যেতে বলেন। নির্ধারিত সময়ে জাকির মোল্লা তার সহযোগী চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক মোল্লাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া স্থানীয় জনতা তাদের ঘিরে ধরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় উত্তেজিত জনতা জাকির মোল্লা ও তার সহযোগীকে গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেওয়ার পর বিএনপির ওই দুই নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, খালের মাটি বিক্রি, সালিশ-বৈঠকের নামে অর্থ আদায় এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।
তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে জাকির মোল্লা বলেন, আমি কোনো চাঁদা দাবি করিনি। বালু ব্যবসা নিয়ে একসঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এ বিষয়ে চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো চাঁদাবাজি কিংবা চাঁদাবাজকে প্রশ্রয় দেয় না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান বলেন, আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি, তাই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা নেই। তবে চাঁদাবাজির বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ জুন, ২০২৬ ১৯:২৯
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে এক বালু ব্যবসায়ীর কাছে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে বিএনপির দুই নেতাকে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পান তারা।সোমবার (১৫ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান জাকির মোল্লা একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বালু ব্যবসায়ী ও ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য মো. জহিরুল ইসলামের কাছে বালু ব্যবসা পরিচালনার জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে উভয়ের মধ্যে কয়েকদিন ধরে আলোচনা চলছিল বলে জানা গেছে।
সোমবার রাত ৮টার দিকে জহিরুল ইসলাম টাকা দেওয়ার কথা বলে জাকির মোল্লাকে চাঁদপাশা ইউনিয়নের রেইনট্রিতলা এলাকায় যেতে বলেন। নির্ধারিত সময়ে জাকির মোল্লা তার সহযোগী চাঁদপাশা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক মোল্লাকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া স্থানীয় জনতা তাদের ঘিরে ধরে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় উত্তেজিত জনতা জাকির মোল্লা ও তার সহযোগীকে গণপিটুনি দিয়ে আটকে রাখে। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একপর্যায়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়াবেন না মর্মে লিখিত মুচলেকা দেওয়ার পর বিএনপির ওই দুই নেতাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবি, খালের মাটি বিক্রি, সালিশ-বৈঠকের নামে অর্থ আদায় এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ রয়েছে।
তবে চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে জাকির মোল্লা বলেন, আমি কোনো চাঁদা দাবি করিনি। বালু ব্যবসা নিয়ে একসঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলাম। বিষয়টি ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।
এ বিষয়ে চাঁদপাশা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলমগীর হোসেন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কখনো চাঁদাবাজি কিংবা চাঁদাবাজকে প্রশ্রয় দেয় না। দলের নাম ভাঙিয়ে কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাবুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ খান বলেন, আমি বর্তমানে ঢাকায় আছি, তাই ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা নেই। তবে চাঁদাবাজির বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ডাবেরকুল বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানে মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য ও ওষুধ এবং নকল প্রসাধনী বিক্রির অভিযোগে তিনটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সময় প্রতিষ্ঠানগুলোকে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সুমী রাণী মিত্র-এর নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে বাজারের বিভিন্ন দোকান তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে খান সুপার শপ-এ মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির প্রমাণ পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই অপরাধে আঃ রব মেডিসিন কর্নার-কে ৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণার উদ্দেশ্যে নকল প্রসাধনী বিক্রির দায়ে তন্নি কসমেটিকস-কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযানে প্রসিকিউটিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উজিরপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক এস এম ইলিয়াস উদ্দিন। সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে উজিরপুর থানা পুলিশের একটি দল।
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে বাজার তদারকি জোরদার করা হবে এবং মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্য, ওষুধ, নকল পণ্য বা ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণামূলক যেকোনো কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের আইন মেনে নিরাপদ ও মানসম্মত পণ্য বিক্রির আহ্বান জানানো হয়েছে।
বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা বাজারে গ্রামবাসী গাঁজাসহ ২ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায় রবিবার (১৪ জুন) রাত ১০টার দিকে সাতলা বাজারে মতিয়ার বিশ্বাসের দোকানের সামনে গাঁজা ক্রয়-বিক্রয় করার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে দুই যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।
আটককৃতরা হলেন বানারীপাড়া উপজেলার বিশারকান্দী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বড়বাড়ি গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মোটরসাইকেল চালক ইব্রাহীম হাওলাদার ও তার সহযোগী কোটালিপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি গ্রামের রমেশ বল্লবের ছেলে আকাশ বল্লব। বর্তমানে আকাশ বল্লব বিশারকান্দী বাজারে একটি সেলুনে কর্মরত রয়েছে।
গ্রামবাসী মাদক কারবারি দুজনকে প্রায় ২৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক করে। তবে অভিযানের সময় মূল মাদক বিক্রেতা সাতলা গ্রামের মোঃ পারভেজ বালীর ছেলে মোঃ হৃদয় বালী এবং তার দুই সহযোগী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সাতলায় গ্রামবাসীর মাদক বিরোধী অভিযানে অংশগ্রহণ করেন সাতলা ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ আতিকুল ইসলাম নান্নু বালী,যুবদল নেতা আশিকুল ইসলাম মধু, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোঃ মোনাফছের বিশ্বাস,মোঃ সোনা মিয়া বিশ্বাস, আকবার বিশ্বাসসহ অনেকে।
এ বিষয়ে উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রকিবুল ইসলাম জানান,মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা নেয়া হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃত দুই যুবককে বরিশাল জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।