
২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন পর জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের একটি বাস্তব সুযোগ পেতে যাচ্ছে, যা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে প্রতীক বরাদ্দ-পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, বিগত সময়ে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ভোটাধিকার হরণ, অনিরাপত্তা, অর্থ পাচার এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ব্যর্থতার কারণেই জনগণ আজ পরিবর্তন চায়। এই বাস্তবতা থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিদ্যমান বন্দোবস্ত জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসলামী শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক আইন বাস্তবায়ন করা গেলে সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রশাসনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ভোটকেন্দ্র দখল, কালো টাকার ব্যবহার কিংবা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না থাকে। প্রশাসনের ঢিলেঢালা অবস্থান জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
রাজনৈতিক হয়রানি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে মামলা বা হয়রানির শিকার করা অনুচিত। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না।
নির্বাচিত হলে নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে ফয়জুল করীম বলেন, দুর্নীতিমুক্ত বরিশাল গড়াই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। দুর্নীতির লাগাম টানতে পারলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোনো নতুন রাজনৈতিক জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়নি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও দলের নেতাকর্মীরা দেশের নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, জনগণ তাকেই ভোট দেবে, যাদের মাধ্যমে তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে পারবে। এজন্য তিনি বরিশালবাসীর কাছে একবারের জন্য আস্থা ও সমর্থন কামনা করেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন পর জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের একটি বাস্তব সুযোগ পেতে যাচ্ছে, যা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে প্রতীক বরাদ্দ-পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, বিগত সময়ে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ভোটাধিকার হরণ, অনিরাপত্তা, অর্থ পাচার এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ব্যর্থতার কারণেই জনগণ আজ পরিবর্তন চায়। এই বাস্তবতা থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিদ্যমান বন্দোবস্ত জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসলামী শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক আইন বাস্তবায়ন করা গেলে সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রশাসনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ভোটকেন্দ্র দখল, কালো টাকার ব্যবহার কিংবা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না থাকে। প্রশাসনের ঢিলেঢালা অবস্থান জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
রাজনৈতিক হয়রানি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে মামলা বা হয়রানির শিকার করা অনুচিত। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না।
নির্বাচিত হলে নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে ফয়জুল করীম বলেন, দুর্নীতিমুক্ত বরিশাল গড়াই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। দুর্নীতির লাগাম টানতে পারলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোনো নতুন রাজনৈতিক জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়নি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও দলের নেতাকর্মীরা দেশের নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, জনগণ তাকেই ভোট দেবে, যাদের মাধ্যমে তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে পারবে। এজন্য তিনি বরিশালবাসীর কাছে একবারের জন্য আস্থা ও সমর্থন কামনা করেন।
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৪
২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৯
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক কনসার্টে বুথ বসিয়ে সিগারেট বিক্রি ও ফ্রি লাইটার বিতরণের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার রাতে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মাঠে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এর আগে দুপুরে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কনসার্টস্থলের পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে ‘স্মোক জোন’ তৈরি করে পাশাপাশি বসিয়ে সিগারেটের সঙ্গে বিনা মূল্যে লাইটার বিতরণ করা হয়েছে।
কনসার্টটির আয়োজক ছিল তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী ‘রিয়াল ডায়মন্ড’ নামের একটি সিগারেট কম্পানি। আয়োজক পক্ষের ব্যানারে বসানো বুথে সিগারেট কিনলে লাইটার ফ্রি দেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
কনসার্টস্থলে প্রকাশ্যে সিগারেট বিক্রি ও প্রচারের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি, এটি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আইনের ধারা ৫(খ) অনুযায়ী, তামাকজাত দ্রব্য কিনতে প্রলুব্ধ করতে বিনামূল্যে বিতরণ কিংবা স্বল্প মূল্যে বিক্রি নিষিদ্ধ। একই আইনের ধারা ৫(গ)-তে বলা হয়েছে, তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বা এর ব্যবহার উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে কোনো দান, পুরস্কার, বৃত্তি প্রদান কিংবা কোনো অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অপরাধে অনূর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন নিয়ে কাজ করা সাংস্কৃতিক সংগঠক শুভংকর চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘আইনের ৬(খ) ধারা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করলে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির সঙ্গে এমন স্পন্সরশিপ সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। তাদের ভাষায়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তামাক কম্পানিকে স্পন্সর হিসেবে গ্রহণ করা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক বার্তা দেয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম নিজে বুথে গিয়ে সিগারেট বিক্রির অনুমতির বিষয়ে জানতে চান। সেখানে থাকা দুই নারী বিক্রয় প্রতিনিধিকে বলতে শোনা যায়, প্রক্টরের অনুমতিতেই তারা বুথ স্থাপন করেছিলেন। পরে প্রশাসনের নির্দেশে বুথটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘স্পন্সর হিসেবে কাদের রাখা হয়েছে, সে বিষয়টি ওরিয়েন্টেশন কমিটি জানে। তবে ক্যাম্পাসে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন তৎপর থাকবে।’
ওরিয়েন্টেশন কমিটির সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সানজিয়া সুলতানা বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আয়োজনটির আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ উপলক্ষে আয়োজিত এক কনসার্টে বুথ বসিয়ে সিগারেট বিক্রি ও ফ্রি লাইটার বিতরণের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা করছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার রাতে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় মাঠে কনসার্টের আয়োজন করা হয়। এর আগে দুপুরে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন ও নবীনবরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কনসার্টস্থলের পাশে বিশাল এলাকাজুড়ে ‘স্মোক জোন’ তৈরি করে পাশাপাশি বসিয়ে সিগারেটের সঙ্গে বিনা মূল্যে লাইটার বিতরণ করা হয়েছে।
কনসার্টটির আয়োজক ছিল তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী ‘রিয়াল ডায়মন্ড’ নামের একটি সিগারেট কম্পানি। আয়োজক পক্ষের ব্যানারে বসানো বুথে সিগারেট কিনলে লাইটার ফ্রি দেওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
কনসার্টস্থলে প্রকাশ্যে সিগারেট বিক্রি ও প্রচারের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন শিক্ষার্থীরা।
তাদের দাবি, এটি ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫ (সংশোধিত ২০১৩)-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
আইনের ধারা ৫(খ) অনুযায়ী, তামাকজাত দ্রব্য কিনতে প্রলুব্ধ করতে বিনামূল্যে বিতরণ কিংবা স্বল্প মূল্যে বিক্রি নিষিদ্ধ। একই আইনের ধারা ৫(গ)-তে বলা হয়েছে, তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপন বা এর ব্যবহার উৎসাহিত করার উদ্দেশ্যে কোনো দান, পুরস্কার, বৃত্তি প্রদান কিংবা কোনো অনুষ্ঠানের ব্যয়ভার বহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অপরাধে অনূর্ধ্ব তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অনধিক এক লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।
মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন নিয়ে কাজ করা সাংস্কৃতিক সংগঠক শুভংকর চক্রবর্ত্তী বলেন, ‘আইনের ৬(খ) ধারা অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলার স্থান ও শিশুপার্কের সীমানার ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক ও তামাকজাত দ্রব্য বিক্রি করলে পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।’
শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’ নীতির সঙ্গে এমন স্পন্সরশিপ সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক। তাদের ভাষায়, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তামাক কম্পানিকে স্পন্সর হিসেবে গ্রহণ করা নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য এবং এটি শিক্ষার্থীদের জন্য বিপজ্জনক বার্তা দেয়।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম নিজে বুথে গিয়ে সিগারেট বিক্রির অনুমতির বিষয়ে জানতে চান। সেখানে থাকা দুই নারী বিক্রয় প্রতিনিধিকে বলতে শোনা যায়, প্রক্টরের অনুমতিতেই তারা বুথ স্থাপন করেছিলেন। পরে প্রশাসনের নির্দেশে বুথটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর ইলিয়াস হোসেন বলেন, ‘স্পন্সর হিসেবে কাদের রাখা হয়েছে, সে বিষয়টি ওরিয়েন্টেশন কমিটি জানে। তবে ক্যাম্পাসে মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসন তৎপর থাকবে।’
ওরিয়েন্টেশন কমিটির সদস্যসচিব ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার সানজিয়া সুলতানা বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। আয়োজনটির আহ্বায়কের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮
বরিশালে প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে শারমিন আক্তার মিম (২১) নামে এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে বরিশাল নগরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড এলাকার নাহার ম্যানশন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মিম বরিশাল নগরীর পুলিশ লাইন্স রোড এলাকার একটি কাপড়ের শো-রুমে কর্মরত ছিলেন। তিনি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুশঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা মো. লাল মিয়ার মেয়ে।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানায়, প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখেই ওই নারী গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে রাত আড়াইটার দিকে ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের খলিফা বাড়ির নাহার ম্যানশনের সুলতানের সাবলেট বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখে শারমিন আক্তার মিম (২১) নামে এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন। রবিবার (২৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে বরিশাল নগরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোড এলাকার নাহার ম্যানশন থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মিম বরিশাল নগরীর পুলিশ লাইন্স রোড এলাকার একটি কাপড়ের শো-রুমে কর্মরত ছিলেন। তিনি ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুশঙ্গল গ্রামের বাসিন্দা মো. লাল মিয়ার মেয়ে।
কোতয়ালী থানা পুলিশ জানায়, প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখেই ওই নারী গলায় ফাঁস দেন। খবর পেয়ে রাত আড়াইটার দিকে ব্যাপ্টিস্ট মিশন রোডের খলিফা বাড়ির নাহার ম্যানশনের সুলতানের সাবলেট বাসা থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কোতয়ালী মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১১
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান। আজ সোমবার বেলা ১১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
মো. কামরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, বাকেরগঞ্জের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রুমানা আফরোজ গত দেড় বছর ধরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে আসছেন। এতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় পক্ষপাতিত্বের ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে তার প্রত্যাহার জরুরি।
প্রার্থী এএসপি (সার্কেল) মাসুম বিল্লাহর ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, তার বাড়ি নির্বাচনী এলাকার মধ্যেই অবস্থিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই কর্মকর্তা আগে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিষয়টি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
কামরুল ইসলাম খান রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে জড়িত থাকা এবং ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের অভিযোগ করে সব পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জদের (ফাড়ি ইনচার্জ) প্রত্যাহারেরও দাবি জানান। তিনি বলেন, ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
'নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা উচিত।'
স্বতন্ত্র এই প্রার্থী জানিয়েছেন, তিনি এরইমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ডাকযোগে অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
বাকেরগঞ্জের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা নেই এবং তিনি এই ধরনের দাবি তুলতেই পারেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন বরিশাল-৬ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান। আজ সোমবার বেলা ১১টায় বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান।
মো. কামরুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন, বাকেরগঞ্জের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার রুমানা আফরোজ গত দেড় বছর ধরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে আসছেন। এতে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের সময় পক্ষপাতিত্বের ব্যাপক শঙ্কা রয়েছে। নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে তার প্রত্যাহার জরুরি।
প্রার্থী এএসপি (সার্কেল) মাসুম বিল্লাহর ভূমিকা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, তার বাড়ি নির্বাচনী এলাকার মধ্যেই অবস্থিত। তিনি আরও অভিযোগ করেন, ওই কর্মকর্তা আগে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিষয়টি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।
কামরুল ইসলাম খান রাজনৈতিক কর্মীদের সঙ্গে জড়িত থাকা এবং ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের অভিযোগ করে সব পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জদের (ফাড়ি ইনচার্জ) প্রত্যাহারেরও দাবি জানান। তিনি বলেন, ভোটাররা স্বাধীনভাবে তাদের ভোট দিতে পারবেন কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
'নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনের স্বার্থে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকা সব কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করা উচিত।'
স্বতন্ত্র এই প্রার্থী জানিয়েছেন, তিনি এরইমধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং প্রশাসনের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ডাকযোগে অভিযোগ পাঠিয়েছেন।
বাকেরগঞ্জের সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও রুমানা আফরোজ বলেন, তার সঙ্গে আমার কোনো ব্যক্তিগত সমস্যা নেই এবং তিনি এই ধরনের দাবি তুলতেই পারেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.