আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন পর জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের একটি বাস্তব সুযোগ পেতে যাচ্ছে, যা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে প্রতীক বরাদ্দ-পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, বিগত সময়ে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ভোটাধিকার হরণ, অনিরাপত্তা, অর্থ পাচার এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ব্যর্থতার কারণেই জনগণ আজ পরিবর্তন চায়। এই বাস্তবতা থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিদ্যমান বন্দোবস্ত জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসলামী শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক আইন বাস্তবায়ন করা গেলে সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রশাসনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ভোটকেন্দ্র দখল, কালো টাকার ব্যবহার কিংবা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না থাকে। প্রশাসনের ঢিলেঢালা অবস্থান জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
রাজনৈতিক হয়রানি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে মামলা বা হয়রানির শিকার করা অনুচিত। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না।
নির্বাচিত হলে নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে ফয়জুল করীম বলেন, দুর্নীতিমুক্ত বরিশাল গড়াই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। দুর্নীতির লাগাম টানতে পারলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোনো নতুন রাজনৈতিক জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়নি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও দলের নেতাকর্মীরা দেশের নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, জনগণ তাকেই ভোট দেবে, যাদের মাধ্যমে তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে পারবে। এজন্য তিনি বরিশালবাসীর কাছে একবারের জন্য আস্থা ও সমর্থন কামনা করেন।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:১৬
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বরিশাল-৫ ও ৬ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেছেন, দীর্ঘদিন পর জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের একটি বাস্তব সুযোগ পেতে যাচ্ছে, যা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে প্রতীক বরাদ্দ-পরবর্তী সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, বিগত সময়ে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ভোটাধিকার হরণ, অনিরাপত্তা, অর্থ পাচার এবং কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ব্যর্থতার কারণেই জনগণ আজ পরিবর্তন চায়। এই বাস্তবতা থেকেই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় বিদ্যমান বন্দোবস্ত জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসলামী শাসনব্যবস্থার মাধ্যমে কোরআন ও সুন্নাহভিত্তিক আইন বাস্তবায়ন করা গেলে সমাজে সাম্য ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য প্রশাসনকে অবশ্যই নিরপেক্ষ থাকতে হবে। কোনো অবস্থাতেই যেন ভোটকেন্দ্র দখল, কালো টাকার ব্যবহার কিংবা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না থাকে। প্রশাসনের ঢিলেঢালা অবস্থান জনগণের আস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে।
রাজনৈতিক হয়রানি প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে মামলা বা হয়রানির শিকার করা অনুচিত। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত না হলে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না।
নির্বাচিত হলে নিজের কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে ফয়জুল করীম বলেন, দুর্নীতিমুক্ত বরিশাল গড়াই হবে তার প্রধান অগ্রাধিকার। দুর্নীতিই দেশের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় অন্তরায়। দুর্নীতির লাগাম টানতে পারলে প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কোনো নতুন রাজনৈতিক জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়নি। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থগিত থাকলেও দলের নেতাকর্মীরা দেশের নাগরিক হিসেবে নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার রাখে। যাদের বিরুদ্ধে মামলা নেই, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, জনগণ তাকেই ভোট দেবে, যাদের মাধ্যমে তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতে পারবে। এজন্য তিনি বরিশালবাসীর কাছে একবারের জন্য আস্থা ও সমর্থন কামনা করেন।
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৩৬
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১