
৩১ অক্টোবর, ২০২৫ ২০:৫৯
বহুল আলোচিত ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ সম্পর্কিত রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৬১ আসামিকে পলাতক ঘোষণা করেছেন আদালত। তাদের নাম উল্লেখ করে জাতীয় দৈনিক ডেইলি স্টার ও আমার দেশ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১৭ নম্বর আদালতের বিচারক আরিফুল ইসলাম গত ৩০ অক্টোবর এ বিষয়ে আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সিআইডি।
সিআরপিসি ১৯৬ ধারার অধীনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে সিআইডি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি দায়েরের ক্ষমতা পায়। সেই অনুযায়ী সিআইডি বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে। মামলায় দণ্ডবিধির ১২১, ১২১(ক) ও ১২৪(ক) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
সিআইডির তদন্তে উঠে আসে, জয় বাংলা ব্রিগেড নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে দেশ ও বিদেশে বসে বৈধ সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছিল। তদন্তে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সার্ভার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহ ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হয়।
দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষে সিআইডি শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। তাদের মধ্যে ২৬১ জন পলাতক থাকায় আদালত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান আরও বলেন, মামলাটি এখন আদালতে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ‘বিচার’ এজেন্ডা বাস্তবায়নে সিআইডি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’
বহুল আলোচিত ‘জয় বাংলা ব্রিগেড’ সম্পর্কিত রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৬১ আসামিকে পলাতক ঘোষণা করেছেন আদালত। তাদের নাম উল্লেখ করে জাতীয় দৈনিক ডেইলি স্টার ও আমার দেশ পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।
আজ শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানিয়ে বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১৭ নম্বর আদালতের বিচারক আরিফুল ইসলাম গত ৩০ অক্টোবর এ বিষয়ে আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে সিআইডি।
সিআরপিসি ১৯৬ ধারার অধীনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে সিআইডি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাটি দায়েরের ক্ষমতা পায়। সেই অনুযায়ী সিআইডি বাদী হয়ে রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করে। মামলায় দণ্ডবিধির ১২১, ১২১(ক) ও ১২৪(ক) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
সিআইডির তদন্তে উঠে আসে, জয় বাংলা ব্রিগেড নামের একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে দেশ ও বিদেশে বসে বৈধ সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র চালানো হচ্ছিল। তদন্তে বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, সার্ভার এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য সংগ্রহ ও ফরেনসিক বিশ্লেষণ করা হয়।
দ্রুততম সময়ে তদন্ত শেষে সিআইডি শেখ হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। তাদের মধ্যে ২৬১ জন পলাতক থাকায় আদালত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেন।
বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান আরও বলেন, মামলাটি এখন আদালতে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ‘বিচার’ এজেন্ডা বাস্তবায়নে সিআইডি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।’

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৯:০৪
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। পরে জামিনের আবেদন করবেন। ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) স্বাভাবিক যে আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, সেটিই অনুসরণ করবেন।’
বিরোধী দলের ঘোষিত ছায়া মন্ত্রিসভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীদলের ছায়া মন্ত্রিসভাকেও আমি ওয়েলকাম জানাই।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফিরতে আইনগত কোনো বাধা নেই।
সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলা পরিষদে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবসের অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। পরে জামিনের আবেদন করবেন। ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) স্বাভাবিক যে আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, সেটিই অনুসরণ করবেন।’
বিরোধী দলের ঘোষিত ছায়া মন্ত্রিসভা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীদলের ছায়া মন্ত্রিসভাকেও আমি ওয়েলকাম জানাই।
সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

০৪ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৫৩
ওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দলটির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং আইন অনুযায়ী তাদের বিচারের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থান, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আ. লীগের ভূমিকা নিয়েও কড়া বক্তব্য দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন, নিপাত ও নির্মূল হয়েছে, আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। সেই আওয়ামী লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের বিচার দাবি করা হয়েছে, তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। খুব শিগগিরই তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোর পরও গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। তাদের মধ্যে দোষ স্বীকারের কোনো চিন্তা নেই। এমনকি তারা জুলাই যোদ্ধাদের অপরাধী এবং অভ্যুত্থানকে জঙ্গি হিসেবে তকমা দিচ্ছে।
তাদের ভাষ্য মতে, দেশে নাকি জঙ্গি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু নেই। অনুশোচনা ও দোষ স্বীকারের ইতিহাস তাদের নেই। উল্টো তারা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
জুলাই চেতনা নিয়ে কোনো ধরনের ফায়দা না তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আগে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলত, তারা এখন দিল্লিতে চলে গেছে। সুতরাং যারা চেতনা বিক্রি করবে, তাদের পরিণতিও ভালো হবে না।
জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তখন তারেক রহমান ও আমি নির্বাসিত ছিলাম। আল্লাহর কী মহিমা! যদি আমরা নির্বাসিত না থাকতাম, তাহলে হয়তো জুলাইয়ের মতো অভ্যুত্থান সফলভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হতো না। এটাই হচ্ছে পর্দার অন্তরালের কথা।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে আমরা কোনো দিন ঘুমাইনি। ২৪ ঘণ্টা সমন্বয় করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে সংগঠিত করে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মুখে রেখে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনকে একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলাম।’
ওয়ামী লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, দলটির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং আইন অনুযায়ী তাদের বিচারের প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে জুলাই অভ্যুত্থান, ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আ. লীগের ভূমিকা নিয়েও কড়া বক্তব্য দেন তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পতন, নিপাত ও নির্মূল হয়েছে, আর দাফন হয়েছে দিল্লিতে। সেই আওয়ামী লীগ আর কোনোদিন বাংলাদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের বিচার দাবি করা হয়েছে, তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে। খুব শিগগিরই তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। আইন অনুযায়ী বিচার নিশ্চিত করা হবে।
শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোর পরও গণহত্যাকারী শেখ হাসিনার কোনো অনুশোচনা নেই। তাদের মধ্যে দোষ স্বীকারের কোনো চিন্তা নেই। এমনকি তারা জুলাই যোদ্ধাদের অপরাধী এবং অভ্যুত্থানকে জঙ্গি হিসেবে তকমা দিচ্ছে।
তাদের ভাষ্য মতে, দেশে নাকি জঙ্গি অভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর চেয়ে লজ্জার আর কিছু নেই। অনুশোচনা ও দোষ স্বীকারের ইতিহাস তাদের নেই। উল্টো তারা বিদেশে বসে গণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।
জুলাই চেতনা নিয়ে কোনো ধরনের ফায়দা না তোলার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আগে যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলত, তারা এখন দিল্লিতে চলে গেছে। সুতরাং যারা চেতনা বিক্রি করবে, তাদের পরিণতিও ভালো হবে না।
জুলাই আন্দোলন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তখন তারেক রহমান ও আমি নির্বাসিত ছিলাম। আল্লাহর কী মহিমা! যদি আমরা নির্বাসিত না থাকতাম, তাহলে হয়তো জুলাইয়ের মতো অভ্যুত্থান সফলভাবে সমাপ্ত করা সম্ভব হতো না। এটাই হচ্ছে পর্দার অন্তরালের কথা।
তিনি আরও বলেন, ওই সময়ে আমরা কোনো দিন ঘুমাইনি। ২৪ ঘণ্টা সমন্বয় করে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিভিন্নভাবে সংগঠিত করে জুলাই যোদ্ধাদের সম্মুখে রেখে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনকে একটি পর্যায়ে নিয়ে এসেছিলাম।’

২৪ জুন, ২০২৬ ০০:২১
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সন্ত্রাস, নাশকতা, নৈরাজ্য কিংবা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক পাহারা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। একইসাথে সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচিও পালন করেছে তারা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে সোমবার বিকাল থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে পাহারা বসায় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে যুবদলের ওই বিক্ষোভ মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে রহমতপুর ব্রিজ ও বাজার প্রদক্ষিণ করে বিমানবন্দর মোড়ে এসে শেষ হয়। এসময় সেখানে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে যুবদল আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব এবায়দুল হক, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ ভিপি জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার প্রমুখ। বক্তারা, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে সকল ধরনের অপপ্রচার, গুজব এবং শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি বন্ধের আহবান জানান।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বদা রাজপথে থেকে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে যুবদল। গতকাল বিকাল থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আমরা মাঠে রয়েছি। ভবিষ্যতেও যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করে জনগণের পাশে থাকবে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল।'
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সন্ত্রাস, নাশকতা, নৈরাজ্য কিংবা যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন সড়ক-মহাসড়ক পাহারা দিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। একইসাথে সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত প্রতিবাদ মিছিল-সমাবেশ কর্মসূচিও পালন করেছে তারা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে সোমবার বিকাল থেকে মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়কে পাহারা বসায় যুবদলের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাংগঠনিক সপ্তাহ উপলক্ষ্যে কেন্দ্র ঘোষিত অপপ্রচার ও শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে যুবদলের ওই বিক্ষোভ মিছিল দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে রহমতপুর ব্রিজ ও বাজার প্রদক্ষিণ করে বিমানবন্দর মোড়ে এসে শেষ হয়। এসময় সেখানে অনুষ্ঠিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে যুবদল আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিবের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক রফিকুল ইসলাম রাফিল, সদস্য সচিব এবায়দুল হক, যুগ্ম-আহবায়ক মাহমুদুল হাসান লিমন সিকদার, এইচ.এম রিয়াজ মাহমুদ, ইশতিয়াক আহমেদ ভিপি জুয়েল, উজ্জ্বল হাওলাদার প্রমুখ। বক্তারা, আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য, বিশৃঙ্খলা প্রতিহত করতে রাজপথে থাকার ঘোষণা দিয়ে সকল ধরনের অপপ্রচার, গুজব এবং শিষ্টাচার বহির্ভূত রাজনীতি বন্ধের আহবান জানান।
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রকিবুল হাসান খান রাকিব বলেন, 'জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় সর্বদা রাজপথে থেকে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করবে যুবদল। গতকাল বিকাল থেকে এখন পর্যন্ত নিষিদ্ধ সংগঠনের যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, নাশকতা এবং বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে আমরা মাঠে রয়েছি। ভবিষ্যতেও যেকোনো নৈরাজ্য প্রতিহত করে জনগণের পাশে থাকবে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল।'