
১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৯:০১
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের ২০ জন আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জামায়াতে ইসলামীর ১৫ জন ও বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর দুজনকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দৌলতখান উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় দৌলতখান স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্বেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদদের পরিবার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে আলাদাভাবে সবার জন্য আসন নির্ধারিত ছিল।
অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলা শাখার আমির ও সেক্রেটারি। এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে আসনে জামায়াতের নেতাদের দেখে ‘রাজাকার বলে’ নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলার সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদেরকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছিল। দাওয়াত পেয়ে আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই। সেখানে অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বিএনপির চারজন ও জামায়াতে ইসলামীর দুজন নেতার জন্য চেয়ার সংরক্ষিত ছিল।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমরা আমাদের আসন গ্রহণ করি। এক পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে দৌলতখান পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল ও দৌলতখান উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিএনপি ও যুবদলের বেশ কয়েকজন পদধারী নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের হামলায় আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ পুরোপুরি নির্বিকার ছিল। এ ছাড়া তারা চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, তারা বাংলাদেশ চায়নি। তারা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল তাই তাদের কিছুটা সেক্রিফাইস মন-মানসিকতা থাকা দরকার ছিল। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসা নিয়ে নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কথা-কাটাকাটি ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ সময় চেয়ার ছোড়াছুড়িতে আমাদের ৫-৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার আসনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ভোলার দৌলতখান উপজেলায় মহান বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় দলের ২০ জন আহত হয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতখান উপজেলা স্টেডিয়ামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় জামায়াতে ইসলামীর ১৫ জন ও বিএনপির সাতজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে গুরুতর দুজনকে দৌলতখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দৌলতখান উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় দৌলতখান স্টেডিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে পূর্বেই বীর মুক্তিযোদ্ধা, শহীদদের পরিবার, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেখানে আলাদাভাবে সবার জন্য আসন নির্ধারিত ছিল।
অনুষ্ঠান শুরুর নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে আসন গ্রহণ করেন জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলা শাখার আমির ও সেক্রেটারি। এরপর বিএনপির নেতাকর্মীরা এসে আসনে জামায়াতের নেতাদের দেখে ‘রাজাকার বলে’ নানা ধরনের কথা বলতে থাকেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে চেয়ার ছোড়াছুড়ি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জামায়াতে ইসলামীর দৌলতখান উপজেলার সেক্রেটারি মো. আশরাফ উদ্দিন ফারুক বলেন, উপজেলা প্রশাসন আমাদেরকে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে দাওয়াত দিয়েছিল। দাওয়াত পেয়ে আমরা আমাদের নেতাকর্মীদের নিয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত হই। সেখানে অতিথিদের জন্য নির্ধারিত আসনে বিএনপির চারজন ও জামায়াতে ইসলামীর দুজন নেতার জন্য চেয়ার সংরক্ষিত ছিল।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে আমরা আমাদের আসন গ্রহণ করি। এক পর্যায়ে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সামনে দৌলতখান পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন বাবুল ও দৌলতখান উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিএনপি ও যুবদলের বেশ কয়েকজন পদধারী নেতাকর্মীরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়।
তাদের হামলায় আমাদের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ পুরোপুরি নির্বিকার ছিল। এ ছাড়া তারা চেয়ারসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর চালিয়েছে। এ ঘটনায় দলের ঊর্ধ্বতন নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ফারুক হোসেন তালুকদার বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতার বিপক্ষে ছিল, তারা বাংলাদেশ চায়নি। তারা যেহেতু মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল তাই তাদের কিছুটা সেক্রিফাইস মন-মানসিকতা থাকা দরকার ছিল। বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসা নিয়ে নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের কথা-কাটাকাটি ও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। এ সময় চেয়ার ছোড়াছুড়িতে আমাদের ৫-৭ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।
দৌলতখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম সিকদার বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে বসার আসনকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৭
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, সারা বাংলাদেশে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাবে।
বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করবে। সুখি-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর বিএনপি। সোমবার বিকেলে ভোলার লালমোহন উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের আয়োজনে সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের বিরোধীতা করেছে। তখন তারা রাজাকার-আলবদর বাহিনী গঠন করে এ দেশের মানুষ হত্যা করেছে। এখন তারা ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি শুরু করেছে। তারা বলছে জামায়াতে ভোট দিলে বেহশতে যাওয়া যাবে। এটি জনগণের সঙ্গে তাদের প্রতারণা। কারণ কোনো মার্কায় ভোট দিয়ে বেহশতে যাওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণ করতে হবে। এ দেশ তালেবানি রাষ্ট্র হবে নাকি শহিদ জিয়াউর রহমানের কল্যাণ রাষ্ট্র হবে। ১২ তারিখে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়ী করলে সারা বিশ্বে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বাংলাদেশ। লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে এ সময় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শাহরুখ হাফিজ ডিকো, উপজেলা বিএনপি’র বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. ফরিদ উদ্দিন, সোহেল আজিজ শাহীন, শফিউল্যাহ হাওলাদার, পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারীসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মাছুম বিল্লাহ লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি ০১৭৩২৭৭৩৫৯৯ ছবির ক্যাপশন: লালমোহনে সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেজর (অব.) হাফিজ
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বীরবিক্রম) বলেছেন, সারা বাংলাদেশে বিএনপি বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় যাবে।
বিএনপি ক্ষমতায় গিয়ে একটি কল্যাণকর রাষ্ট্র গঠন করবে। সুখি-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে বদ্ধপরিকর বিএনপি। সোমবার বিকেলে ভোলার লালমোহন উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের আয়োজনে সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
মেজর হাফিজ বলেন, জামায়াতে ইসলামী স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের বিরোধীতা করেছে। তখন তারা রাজাকার-আলবদর বাহিনী গঠন করে এ দেশের মানুষ হত্যা করেছে। এখন তারা ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি শুরু করেছে। তারা বলছে জামায়াতে ভোট দিলে বেহশতে যাওয়া যাবে। এটি জনগণের সঙ্গে তাদের প্রতারণা। কারণ কোনো মার্কায় ভোট দিয়ে বেহশতে যাওয়া যায় না। তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের ভাগ্য নির্ধারণ করতে হবে। এ দেশ তালেবানি রাষ্ট্র হবে নাকি শহিদ জিয়াউর রহমানের কল্যাণ রাষ্ট্র হবে। ১২ তারিখে ভোট দিয়ে বিএনপিকে জয়ী করলে সারা বিশ্বে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে বাংলাদেশ। লালমোহন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে এ সময় উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি শাহরুখ হাফিজ ডিকো, উপজেলা বিএনপি’র বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম বাবুল, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যক্ষ মো. ফরিদ উদ্দিন, সোহেল আজিজ শাহীন, শফিউল্যাহ হাওলাদার, পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি ছাদেক মিয়া জান্টু, সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবুল পাটোয়ারীসহ বিএনপি এবং অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। মাছুম বিল্লাহ লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি ০১৭৩২৭৭৩৫৯৯ ছবির ক্যাপশন: লালমোহনে সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন মেজর (অব.) হাফিজ

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোলা-০৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, স্ব-ঘোষিত জান্নাতী দলের কেউ যদি জালভোট দেয়ার চেষ্টা করে তাহলে আপনারা তাদেরকে প্রতিহত করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেবেন।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজীর হাট সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্বৃত্ত, মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আমরা পুরোপুরি নির্মুল করবো। এবং কোন অপরাধীর জন্য আমি কখনো প্রশাসনের কাছে শুপারিশ করিনি। এবং ভবিষ্যতেও করবো না।
তিনি আরও বলেন, একটি বিশেষ দল টাকার বিনিময়ে মা বোনদের ভোট কিনতে বিকাশ নাম্বার নিচ্ছে। আসলে দুই-তিন হাজার টাকার বিনিময়ে মা বোনদের মূল্য নির্ধারন করতে চায় তারা। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মা বোনদের যথার্থ ইজ্জত সম্মান বৃদ্ধি পাবে। এবং ফ্যামিকার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চাহিদা মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে এবং পাহাড় থেকে সমতল, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, সকল ধর্মের মানুষ সমানভাবে নিরাপদে থাকবে।
মনপুরা উপজেলায় সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সামস্ উদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সিনিয়র সহসভাপতি ডাঃ কামাল হোসেন।
এসময় অরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি'র সহসভাপতি আব্দুল খালেক সেলিম মোল্লা, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুর রহিম মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম শাহীন, উপজেলা বিএনপি'র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, সাবেক যুবদল সভাপতি জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী, ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কবির, বিএনপি নেতা মোঃ হুমায়ুর কবির, শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ তুহিন, ওলামাদল নেতা মাওলানা মাকসুদুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক মোঃ ইকরামুল কবির প্রমূখ।
উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামছুদ্দিন আহমেদ মোল্লার সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব হাফেজ আব্দুর রহিম, স্বেচ্ছাসেবকদল আহবায়ক মিজানুর রহমান পলাশ, সদস্য সচিব মোঃ হোসেন হাওলাদার, ছাত্রদল সদস্য সচিব মোঃ শাহিন সহ বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্নপর্যায়ের নেতাকর্মিবৃন্দ।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট সামনে রেখে ভোলা-০৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, স্ব-ঘোষিত জান্নাতী দলের কেউ যদি জালভোট দেয়ার চেষ্টা করে তাহলে আপনারা তাদেরকে প্রতিহত করে প্রশাসনের হাতে তুলে দেবেন।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ভোলার মনপুরা উপজেলার হাজীর হাট সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, দখলবাজ, দুর্বৃত্ত, মাদক ব্যবসায়ীদেরকে আমরা পুরোপুরি নির্মুল করবো। এবং কোন অপরাধীর জন্য আমি কখনো প্রশাসনের কাছে শুপারিশ করিনি। এবং ভবিষ্যতেও করবো না।
তিনি আরও বলেন, একটি বিশেষ দল টাকার বিনিময়ে মা বোনদের ভোট কিনতে বিকাশ নাম্বার নিচ্ছে। আসলে দুই-তিন হাজার টাকার বিনিময়ে মা বোনদের মূল্য নির্ধারন করতে চায় তারা। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে মা বোনদের যথার্থ ইজ্জত সম্মান বৃদ্ধি পাবে। এবং ফ্যামিকার্ডের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চাহিদা মোতাবেক পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে একটি মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করবে এবং পাহাড় থেকে সমতল, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান, সকল ধর্মের মানুষ সমানভাবে নিরাপদে থাকবে।
মনপুরা উপজেলায় সর্বশেষ নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব সামস্ উদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, উপজেলা বিএনপি'র সিনিয়র সহসভাপতি ডাঃ কামাল হোসেন।
এসময় অরও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা বিএনপি'র সহসভাপতি আব্দুল খালেক সেলিম মোল্লা, যুগ্ন সম্পাদক আব্দুর রহিম মেম্বার, সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুল আলম শাহীন, উপজেলা বিএনপি'র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট ছালাউদ্দিন আহমেদ প্রিন্স, সাবেক যুবদল সভাপতি জোবায়ের হাসান রাজিব চৌধুরী, ছাত্রদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক মিজানুর রহমান কবির, বিএনপি নেতা মোঃ হুমায়ুর কবির, শ্রমিকদল সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবকদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ তুহিন, ওলামাদল নেতা মাওলানা মাকসুদুর রহমান, উপজেলা ছাত্রদল আহবায়ক মোঃ ইকরামুল কবির প্রমূখ।
উপজেলা যুবদল আহবায়ক মোঃ সামছুদ্দিন আহমেদ মোল্লার সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুবদল যুগ্ন আহবায়ক মোঃ কামাল উদ্দিন, সদস্য সচিব হাফেজ আব্দুর রহিম, স্বেচ্ছাসেবকদল আহবায়ক মিজানুর রহমান পলাশ, সদস্য সচিব মোঃ হোসেন হাওলাদার, ছাত্রদল সদস্য সচিব মোঃ শাহিন সহ বিএনপি ও অংগ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্নপর্যায়ের নেতাকর্মিবৃন্দ।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫৭
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোলার সাত উপজেলায় পাঠানো হচ্ছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালেট পেপার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর মডেল থানা সংলগ্ন ট্রেজারি থেকে নির্বাচনে ব্যবহৃত ভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, জেলার সাত উপজেলার চারটি আসনে নারী, পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের মোট ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৮ জন ভোটার রয়েছে।
এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৪ লাখ ২ হাজার ৮৬৬, দৌলতখান ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭২, বোরহানউদ্দিন ২ লাখ ২৬ হাজার ৯১১, লালমেহন ২ লাখ ৭২ হাজার ৭২২, তজুমদ্দিন ১ লাখ ৭ হাজার ৮৪৭, চরফ্যাশন ৪ লাখ ৩০ হাজার ৪৫৭, মনপুরা ৬৭ হাজার ৭৮২ জন ভোটার রয়েছে। এ সকল ভোটারদের জন্য জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট দুটোতে ব্যালেট পেপার পাঠানো হয়েছে ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৬ টি।
এদিকে, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম। জেলার নির্বাচন অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নৌবাহিনী ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপারসহ নির্বাচনি বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিটি উপজেলায় কভারভ্যান এর মাধ্যমে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঠানো হয় এ ব্যালট পেপার।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুল হাই আল হাদী জানান, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপার ও নির্বাচনি বিভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছি।
পুলিশ ও নৌ বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কভারভ্যান এর মাধ্যমে এগুলো যাবে প্রতিটি উপজেলায়। এরপর নির্বাচনের আগের এখান থেকে তা প্রতিটি কেন্দ্রে যাবে।
কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ভোলার সাত উপজেলায় পাঠানো হচ্ছে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালেট পেপার। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সদর মডেল থানা সংলগ্ন ট্রেজারি থেকে নির্বাচনে ব্যবহৃত ভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানো হয়।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, জেলার সাত উপজেলার চারটি আসনে নারী, পুরুষ ও তৃতীয় লিঙ্গের মোট ১৬ লাখ ৭২ হাজার ৯৫৮ জন ভোটার রয়েছে।
এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় ৪ লাখ ২ হাজার ৮৬৬, দৌলতখান ১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭২, বোরহানউদ্দিন ২ লাখ ২৬ হাজার ৯১১, লালমেহন ২ লাখ ৭২ হাজার ৭২২, তজুমদ্দিন ১ লাখ ৭ হাজার ৮৪৭, চরফ্যাশন ৪ লাখ ৩০ হাজার ৪৫৭, মনপুরা ৬৭ হাজার ৭৮২ জন ভোটার রয়েছে। এ সকল ভোটারদের জন্য জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট দুটোতে ব্যালেট পেপার পাঠানো হয়েছে ৩৩ লাখ ৪৫ হাজার ৯১৬ টি।
এদিকে, বেলা সাড়ে ১১টা থেকে শুরু হয় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার পাঠানোর কার্যক্রম। জেলার নির্বাচন অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে নৌবাহিনী ও পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপারসহ নির্বাচনি বিভিন্ন ধরনের সরঞ্জামাদি কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিটি উপজেলায় কভারভ্যান এর মাধ্যমে প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে পাঠানো হয় এ ব্যালট পেপার।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আব্দুল হাই আল হাদী জানান, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ব্যালেট পেপার ও নির্বাচনি বিভিন্ন সরঞ্জামাদি পাঠানোর কার্যক্রম শুরু করেছি।
পুলিশ ও নৌ বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে কভারভ্যান এর মাধ্যমে এগুলো যাবে প্রতিটি উপজেলায়। এরপর নির্বাচনের আগের এখান থেকে তা প্রতিটি কেন্দ্রে যাবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.