
১২ জুন, ২০২৫ ০১:২৩
ভোলা সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে পড়শির হামলা যুবক নিহতসহ একই পরিবারের অন্তত ৯জন আহত হয়েছেন। পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশি বজলু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে তার ছেলে-সন্তানেরা ১০ জুন বিকেল তিনটার দিকে অস্ত্রসমেত হামলা চালিয়ে ইসমাইল হাওলাদারসহ (২৬) পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করে। তাদের মধ্যে ৮ জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একদিন বাদে ইসমাইলসহ তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিয়ে আসা হয়। শেবাচিমে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাদের মধ্যে ইসমাইলের মৃত্যু হয়।
নিহত ইসমাইলের দুলাভাই মো. মাইদুল দেওয়ান (৩৫) বরিশালটাইমসকে জানান, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত বজলু জোমাদ্দারের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে। ১০ জুন বিকেলে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের সাথে কথার কাটাকাটি হলে বজলু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে তার ছেলে মফিজ জোমাদ্দার (৩৫), সবুজ জোমাদ্দার (৪০), মিজান জোমাদ্দার (৩০), শ্যালক কামাল বেপারীসহ অন্তত ১০/১২ জন লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এসময় তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে ধারালো চাইনিজ কুঠাল দিয়ে ইসমাইলের মাথায় কোপ দেয়, এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এই চিত্র দেখে স্বজনেরা এগিয়ে গেলে একে একে সকলকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রাখে। তাৎক্ষণিকভাবে ইসমাইলসহ ৮জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একদিন বাদে বুধবার (১১ জুন) তাদের মধ্যে ইসমাইল, বিউটি বেগম এবং খাদিজাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
মি. মাইদুল জানান, সকালে শেবাচিমে ভর্তি করা হলে রাতে ইসমাইল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে বুধবার সকালে হামলাকারী বজলু জোমাদ্দারসহ তার ছেলে-সন্তানদের বিরুদ্ধে ভোলা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) সাইফুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, এই ঘটনায় জড়িত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযান চলছে। কিন্তু ঘটনার পরে সকলে মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে আত্মগোপন করায় গ্রেপ্তার করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।’
ভোলা সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে পড়শির হামলা যুবক নিহতসহ একই পরিবারের অন্তত ৯জন আহত হয়েছেন। পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশি বজলু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে তার ছেলে-সন্তানেরা ১০ জুন বিকেল তিনটার দিকে অস্ত্রসমেত হামলা চালিয়ে ইসমাইল হাওলাদারসহ (২৬) পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করে। তাদের মধ্যে ৮ জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একদিন বাদে ইসমাইলসহ তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিয়ে আসা হয়। শেবাচিমে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাদের মধ্যে ইসমাইলের মৃত্যু হয়।
নিহত ইসমাইলের দুলাভাই মো. মাইদুল দেওয়ান (৩৫) বরিশালটাইমসকে জানান, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত বজলু জোমাদ্দারের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে। ১০ জুন বিকেলে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের সাথে কথার কাটাকাটি হলে বজলু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে তার ছেলে মফিজ জোমাদ্দার (৩৫), সবুজ জোমাদ্দার (৪০), মিজান জোমাদ্দার (৩০), শ্যালক কামাল বেপারীসহ অন্তত ১০/১২ জন লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এসময় তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে ধারালো চাইনিজ কুঠাল দিয়ে ইসমাইলের মাথায় কোপ দেয়, এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এই চিত্র দেখে স্বজনেরা এগিয়ে গেলে একে একে সকলকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রাখে। তাৎক্ষণিকভাবে ইসমাইলসহ ৮জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একদিন বাদে বুধবার (১১ জুন) তাদের মধ্যে ইসমাইল, বিউটি বেগম এবং খাদিজাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
মি. মাইদুল জানান, সকালে শেবাচিমে ভর্তি করা হলে রাতে ইসমাইল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে বুধবার সকালে হামলাকারী বজলু জোমাদ্দারসহ তার ছেলে-সন্তানদের বিরুদ্ধে ভোলা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) সাইফুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, এই ঘটনায় জড়িত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযান চলছে। কিন্তু ঘটনার পরে সকলে মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে আত্মগোপন করায় গ্রেপ্তার করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৯:০০
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ঝালকাঠির রাজাপুরে বহুল আলোচিত মিলন হাওলাদার হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৩)। রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর ও রামপুরা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার (২৭ জুন) তাদের রাজাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা এলাকার মো. বেল্লাল হাওলাদারের ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে সাইফুল হাওলাদার (২৫) এবং একই এলাকার মো. বাদল হাওলাদারের ছেলে মো. আলিম হাওলাদার (২৩)।
পুলিশ ও র্যাব সূত্র জানায়, রাজাপুর থানার বাসিন্দা মিলন হাওলাদার (২৫) হত্যা মামলার পর থেকেই ওই দুই আসামি দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালানো হয়।
র্যাব জানায়, গত ২৫ জুন রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থানার চন্দ্রিমা মডেল টাউন এলাকা থেকে সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন ২৬ জুন রাতে রামপুরা থানার মালিবাগ বাজার রোড এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে আলিম হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।
রাজাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আব্দুল মালেক হাওলাদার বলেন, মিলন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত দুই পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার সকালে তাদের ঝালকাঠি আদালতে পাঠানো হয়েছে।
দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর মামলার দুই গুরুত্বপূর্ণ আসামি গ্রেফতার হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৮:৪১
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলা উপজেলার বাউশিয়া গ্রামসংলগ্ন মেঘনা নদীর থেকে এক অজ্ঞাত যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ। শনিবার সকালে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীতে স্থানীয় জেলেরা লাশটি ভাসতে দেখে থানায় খবর দেয়। সংবাদ পেয়ে হিজলা নৌপুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। পরে অজ্ঞাত যুবকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
হিজলা নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গৌতম চন্দ্র মন্ডল জানান, উদ্ধার হওয়া যুবকের বয়স আনুমানিক ৪০/৪৫ বছর হবে। তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন রয়েছে কি না, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ যুবকের পরিচয় শনাক্ত এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। এবং নদীতে ভাসমান উদ্ধার যুবকের পোশাক নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে নানা কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে।’

২৭ জুন, ২০২৬ ১৭:৪৫
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দোয়ারিকা সেতুসংলগ্ন সুগন্ধা নদীতীরে নির্মিত সেই টায়ার ও প্লাস্টিক পাইরোলাইসিস কারখানা ‘পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট’ এক সপ্তাহের মধ্যে বন্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। উল্লেখিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিটসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে সংস্থাটি। ২৫ জুন বেলার পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এস হাসানুল বান্না পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, বরিশালের জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট ১০ জন কর্মকর্তার কাছে ‘নোটিস অব ডিমান্ড ফর জাস্টিস’ প্রেরণ করা হয়।
নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে, সুগন্ধা নদীতীরবর্তী ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পায়রা রিসাইক্লিং প্ল্যান্ট পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-এর বিভিন্ন শর্ত লঙ্ঘন করে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কারখানাটির নির্গত কালো ধোঁয়া, বিষাক্ত গ্যাস ও শিল্পবর্জ্য স্থানীয় পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য ও নদীর প্রতিবেশের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করেছে। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জীবন-জীবিকা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
পরিবেশ দূষণকারী এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিপদে থাকার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় অন্তত ১০ জনের বেশি মানুষ। তাদের মধ্যেকার একজন মনিরুজ্জামান খোকন বলেন, ৪ বছর আগে স্থানীয় কিছু কৃষকের জমি ভাড়া নিয়ে এই কারখানাটি স্থাপন করেন মিজানুর রহমান নামের বাকেরগঞ্জের জনৈক এক ব্যক্তি। এলাকার লোকজন প্রথমে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুধাবন করতে পারেনি। কিন্তু যখন বিষাক্ত কালো ধোঁয়ায় এলাকার পরিবেশ বিষিয়ে তুলেছে, ঠিক তখন এলাকার লোকজন কারখানাটি অন্যত্র সরিয়ে নিতে মালিকপক্ষকে অনুরোধ করে। কিন্তু এলাকাবাসীর আপত্তির কোনো কর্ণপাত করেননি কারখানা মালিক। এতে সংক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দিয়ে কারাখানাটি সরিয়ে নেওয়ার দাবি রাখেন। কিন্তু তাতেও কোনো সুফল আসেনি। কারখানা মালিক নিজের ইচ্ছেখুশি মতো টায়ার জ¦ালিয়ে পরিবেশ দূষণ করে চলছেন, যা উপজেলা প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।
তবে কারখানার মালিক মো. মিজানুর রহমান দাবি করছেন, কারখানাটি পরিবেশ অধিদপ্তর, ফায়ার সার্ভিস, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার অনুমোদন ও লাইসেন্স নিয়েই পরিচালিত হচ্ছে। তারপরেও এই প্রতিষ্ঠানকে স্থানীয় একটি মহল দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
মিজানুর রহমান জানান, এখানে তিনি ৫০ জন লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এছাড়া টায়ার সংগ্রহসহ নানা কাজে আরও অন্তত ১০০টি পরিবার এই কারখানায় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
তবে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বলছে, শান্ত-স্নিগ্ধ সুগন্ধা নদীতীরে এ ধরনের দূষণকারী শিল্পকারখানা দীর্ঘ মেয়াদে নদীর জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য সম্পদ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর গুরুতর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই পরিবেশগত ক্ষতি আরও বাড়ার আগেই কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ জন্য বেলার পক্ষ থেকে আইনগত নোটিস পাঠানো হয়েছে।
নোটিসের বিষয়টি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়ক লিঙ্কন বায়েন বলেন, আগামী ৭ দিনের মধ্যে কারখানাটি বন্ধ করতে বলা হয়। নতুবা বেলার পক্ষ থেকে উচ্চআদালতে রিট আবেদন করার সিদ্ধান্ত গৃহিত করা হয়েছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.