সাগরকন্যা কুয়াকাটা সৈকতের পেশাদার ফটোগ্রাফাররা অনিদ্রিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন কতৃক সৈকতে পর্যটকদের অটিজির মাধ্যমে ছবি ডেলিভারি ও স্টুডিও বন্ধের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে এ কর্ম বিরতি চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে ফটোগ্রাফাররা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এমন সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন সৈকতের দুই শতাধিক ফটোগ্রাফাররা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সৈকতের ফটোগ্রাফার মোকলেছুর রহমান বাবু বলেন,
গত ৩১ মে বিকেলে পর্যটন হলিডে হোমস এ ফটোগ্রাফারদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। বৈঠকে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মোঃ রবিউল ইসলাম সৈকতের ফটোগ্রাফারদের সৈকতে বসে পর্যটকদের মাঝে অটিজির মাধ্যমে সাথে সাথে ছবি ডেলিভারি দেয়া ও স্টুডিও বন্ধের জন্য আগামী ৩ জুন পর্যন্ত তিন দিনের আল্টিমেটাম দেন। উপজেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সৈকতের ফটোগ্রাফাররা উপজেলা প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আজ রবিবার সকাল থেকে কর্ম বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। যতদিন পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করবেন ততদিন এ কর্ম বিরতি চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছেন ফটোগ্রাফাররা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ফটোগ্রাফাররা জানান, তাদের নিজস্ব কোন ক্যামেরা নেই। স্টুডিও থেকে ক্যামেরা নিয়ে তারা পর্যটকদের ছবি তুলে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। প্রত্যেক ক্যামেরা ম্যানের ৪০-৫০ হাজার টাকা দাদন নেয়া আছে। তাদের নিজস্ব পুঁজি নেই। নতুন করে ডিজিটাল ক্যামেরা কেনার সামর্থ্য নেই। দাদন শোধ করার মত সামর্থ্য নেই।
তারা আরো বলেন, সৈকতে ২২১ জন পেশাদার ফটোগ্রাফার ও ২৫ টি স্টুডিও রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে সবাই বেকার হয়ে যাবে। ফটোগ্রাফারদের পরিবারের কথা চিন্তা না করে এক তরফাভাবে এমন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের এহেন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। খুব শীগ্রই যাতে উপজেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা সহ ফটোগ্রাফাররা আগের মত ছবি তুলে জীবনযাপন করতে পারে তার দাবি জানিয়েছেন। এসময তারা ছবি তুলে পর্যটকদের তাৎক্ষণিক সরবরাহ করার উপকারিতা সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের অবহিত করেন।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসময় শতাধিক ফটোগ্রাফাররা উপস্থিত ছিলেন।
এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্টুডিও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

০৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৪
০৫ আগস্ট, ২০২৬ ২০:২৪
বুধবার (৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরীক্ষক নিজে উত্তরপত্র মূল্যায়ন না করে তার এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করাচ্ছেন। পরে জানা যায়, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের বাংলা প্রভাষক মো. রিপন হোসেন।
বিষয়টি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নজরে এলে তিনি এ ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার পর পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অবহেলার অভিযোগে গত ৩ আগস্ট মো. রিপন হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
বরিশাল টাইমস

০৪ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:০৭

০১ জুন, ২০২৫ ১৬:১২
সাগরকন্যা কুয়াকাটা সৈকতের পেশাদার ফটোগ্রাফাররা অনিদ্রিষ্টকালের কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে। কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসন কতৃক সৈকতে পর্যটকদের অটিজির মাধ্যমে ছবি ডেলিভারি ও স্টুডিও বন্ধের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করলে এ কর্ম বিরতি চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছে ফটোগ্রাফাররা। রবিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এমন সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন সৈকতের দুই শতাধিক ফটোগ্রাফাররা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সৈকতের ফটোগ্রাফার মোকলেছুর রহমান বাবু বলেন,
গত ৩১ মে বিকেলে পর্যটন হলিডে হোমস এ ফটোগ্রাফারদের নিয়ে একটি বৈঠক করেন। বৈঠকে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মোঃ রবিউল ইসলাম সৈকতের ফটোগ্রাফারদের সৈকতে বসে পর্যটকদের মাঝে অটিজির মাধ্যমে সাথে সাথে ছবি ডেলিভারি দেয়া ও স্টুডিও বন্ধের জন্য আগামী ৩ জুন পর্যন্ত তিন দিনের আল্টিমেটাম দেন। উপজেলা প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সৈকতের ফটোগ্রাফাররা উপজেলা প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আজ রবিবার সকাল থেকে কর্ম বিরতির ঘোষণা দিয়েছেন। যতদিন পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না করবেন ততদিন এ কর্ম বিরতি চালিয়ে যাবার ঘোষণা দিয়েছেন ফটোগ্রাফাররা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ফটোগ্রাফাররা জানান, তাদের নিজস্ব কোন ক্যামেরা নেই। স্টুডিও থেকে ক্যামেরা নিয়ে তারা পর্যটকদের ছবি তুলে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। প্রত্যেক ক্যামেরা ম্যানের ৪০-৫০ হাজার টাকা দাদন নেয়া আছে। তাদের নিজস্ব পুঁজি নেই। নতুন করে ডিজিটাল ক্যামেরা কেনার সামর্থ্য নেই। দাদন শোধ করার মত সামর্থ্য নেই।
তারা আরো বলেন, সৈকতে ২২১ জন পেশাদার ফটোগ্রাফার ও ২৫ টি স্টুডিও রয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হলে সবাই বেকার হয়ে যাবে। ফটোগ্রাফারদের পরিবারের কথা চিন্তা না করে এক তরফাভাবে এমন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা উপজেলা প্রশাসনের এহেন সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। খুব শীগ্রই যাতে উপজেলা প্রশাসন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা সহ ফটোগ্রাফাররা আগের মত ছবি তুলে জীবনযাপন করতে পারে তার দাবি জানিয়েছেন। এসময তারা ছবি তুলে পর্যটকদের তাৎক্ষণিক সরবরাহ করার উপকারিতা সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের অবহিত করেন।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসময় শতাধিক ফটোগ্রাফাররা উপস্থিত ছিলেন।
এবিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্টুডিও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে হলুদ সোনালি বাটা (Yellow Goatfish) নামে একটি সামুদ্রিক মাছ। মঙ্গলবার গভীর রাতে এফবি জারিফ-৪ ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এটি আলিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। মাছটি স্থানীয়দেয় কাছে সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
জানা যায়, আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের মায়ের দোয়া ফিস গদিতে নিয়ে আসা হলে এর উজ্জ্বল হলুদ-সোনালি রঙ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
এর আগেও কুয়াকাটা উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে বিভিন্ন সময়ে বিরল ও ভিন্ন প্রজাতির একাধিক সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের সমৃদ্ধিরই ইঙ্গিত বহন করে।
ট্রলার মাঝি আসাদ বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এটি আমাদের জালে উঠে আসে। মাছটির রং ও গঠন অন্য মাছের চেয়ে আলাদা হওয়ায় বন্দরে আনার পর অনেক মানুষ দেখতে আসে।
মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, এত সুন্দর রঙের মাছ আগে কাছ থেকে দেখিনি। তাই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি, তবে মাছটি অনেক ছোট।
আরেক দর্শনার্থী মো. সোহেল মিয়া বলেন, কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে মাঝেমধ্যেই নতুন নতুন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। এগুলো সংরক্ষণ ও গবেষণা করা প্রয়োজন।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, হলুদ সোনালি বাটা (Upeneus sulphureus) বা গোটফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ, যা সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
তিনি বলেন, থুতনির নিচে থাকা দুটি শুঁড় (barbels) ব্যবহার করে এটি সমুদ্রের তলদেশে বালি ও কাদা খুঁড়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। এ প্রক্রিয়ায় তলদেশের পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাছটি স্থানীয় বাজার ও শুঁটকি শিল্পে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর প্রোটিনেরও একটি ভালো উৎস।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, হলুদ সোনালি বাটা আমাদের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের প্রজাতির সংরক্ষণ এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ধরা পড়েছে হলুদ সোনালি বাটা (Yellow Goatfish) নামে একটি সামুদ্রিক মাছ। মঙ্গলবার গভীর রাতে এফবি জারিফ-৪ ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এটি আলিপুর মৎস্য বন্দরে আনা হলে কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমে যায়। মাছটি স্থানীয়দেয় কাছে সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
জানা যায়, আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে মাছটি আলিপুর মৎস্য বন্দরের মায়ের দোয়া ফিস গদিতে নিয়ে আসা হলে এর উজ্জ্বল হলুদ-সোনালি রঙ ও আকর্ষণীয় গঠনের কারণে স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী, জেলে ও সাধারণ মানুষ মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন।
এর আগেও কুয়াকাটা উপকূলের গভীর সমুদ্র থেকে বিভিন্ন সময়ে বিরল ও ভিন্ন প্রজাতির একাধিক সামুদ্রিক মাছ ধরা পড়েছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের সমৃদ্ধিরই ইঙ্গিত বহন করে।
ট্রলার মাঝি আসাদ বলেন, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার সময় এটি আমাদের জালে উঠে আসে। মাছটির রং ও গঠন অন্য মাছের চেয়ে আলাদা হওয়ায় বন্দরে আনার পর অনেক মানুষ দেখতে আসে।
মাছটি দেখতে আসা স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী মো. রুবেল হাওলাদার বলেন, এত সুন্দর রঙের মাছ আগে কাছ থেকে দেখিনি। তাই খবর পেয়ে দেখতে এসেছি, তবে মাছটি অনেক ছোট।
আরেক দর্শনার্থী মো. সোহেল মিয়া বলেন, কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে মাঝেমধ্যেই নতুন নতুন প্রজাতির মাছ ধরা পড়ে। এগুলো সংরক্ষণ ও গবেষণা করা প্রয়োজন।
ব্লু অ্যাকশন ফান্ডের অর্থায়নে পরিচালিত ডাব্লিউসিএস (WCS) ও ওয়ার্ল্ডফিশের সমন্বয়ে বাস্তবায়িত ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমান বলেন, হলুদ সোনালি বাটা (Upeneus sulphureus) বা গোটফিশ বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল ও বঙ্গোপসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক মাছ, যা সোনালি বাটা বা তোতা বাটা নামেও পরিচিত।
তিনি বলেন, থুতনির নিচে থাকা দুটি শুঁড় (barbels) ব্যবহার করে এটি সমুদ্রের তলদেশে বালি ও কাদা খুঁড়ে খাদ্য সংগ্রহ করে। এ প্রক্রিয়ায় তলদেশের পুষ্টি উপাদানের পুনঃচক্রায়ন এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মাছটি স্থানীয় বাজার ও শুঁটকি শিল্পে অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং সাধারণ মানুষের জন্য পুষ্টিকর প্রোটিনেরও একটি ভালো উৎস।
কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, হলুদ সোনালি বাটা আমাদের উপকূলীয় ও সামুদ্রিক অঞ্চলে পাওয়া যায়। এটি পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক, উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাছ। সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এ ধরনের প্রজাতির সংরক্ষণ এবং টেকসই আহরণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
বুধবার (৫ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, পরীক্ষক নিজে উত্তরপত্র মূল্যায়ন না করে তার এক শিক্ষার্থীকে দিয়ে খাতা মূল্যায়ন করাচ্ছেন। পরে জানা যায়, ভিডিওতে থাকা ব্যক্তি ছোটবাইশদিয়া বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের বাংলা প্রভাষক মো. রিপন হোসেন।
বিষয়টি শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নজরে এলে তিনি এ ঘটনায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার পর পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নে অবহেলার অভিযোগে গত ৩ আগস্ট মো. রিপন হোসেনকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ইউনিয়ন গণঅধিকার পরিষদের নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্র করে বর্তমান এবং সাবেক নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নে গণঅধিকার পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, সোমবার বিকেলে নবগঠিত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে গেলে সাবেক ইউনিয়ন আহ্বায়ক ও বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মুছা মাঝির নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী তাদের প্রবেশে বাধা দেন। এ নিয়ে প্রথমে বাকবিতণ্ডা, পরে হাতাহাতি এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতদের প্রথমে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বাকি আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে গত ৩১ জুলাই উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত রণগোপালদী ইউনিয়নের এক বছরের জন্য আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই নতুন কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়।
নবগঠিত কমিটির সভাপতি মাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, উপজেলা কমিটি তাকে সভাপতি করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করার পর থেকেই বিরোধ শুরু হয়। তিনি বলেন, আমরা অফিসে গেলে মুছা মাঝি ও তার সমর্থকরা আমাদের প্রবেশে বাধা দেয়। পরে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আমি মাথায় গুরুতর আঘাত পাই।
বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক মামুন তালুকদার বলেন, মুছা মাঝি নতুন কমিটি মেনে নিতে না পেরে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সোমবার পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক ইউনিয়ন আহ্বায়ক ও বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মুছা মাঝি দাবি করেন, আমরা কার্যালয়ে বসে আলোচনা করছিলাম। এ সময় মাইদুল ইসলাম ও মামুন তালুকদারের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন লোক এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের পক্ষেরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আলতাফ আকন ও সাধারণ সম্পাদক লিয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণার পর এ ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে। সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান,, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় ইউনিয়ন গণঅধিকার পরিষদের নবগঠিত কমিটিকে কেন্দ্র করে বর্তমান এবং সাবেক নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার রণগোপালদী ইউনিয়নে গণঅধিকার পরিষদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ রয়েছে, সোমবার বিকেলে নবগঠিত কমিটির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে গেলে সাবেক ইউনিয়ন আহ্বায়ক ও বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মুছা মাঝির নেতৃত্বে একদল নেতাকর্মী তাদের প্রবেশে বাধা দেন। এ নিয়ে প্রথমে বাকবিতণ্ডা, পরে হাতাহাতি এবং একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন।
আহতদের প্রথমে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। বাকি আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এর আগে গত ৩১ জুলাই উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত রণগোপালদী ইউনিয়নের এক বছরের জন্য আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই নতুন কমিটি নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়।
নবগঠিত কমিটির সভাপতি মাইদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, উপজেলা কমিটি তাকে সভাপতি করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করার পর থেকেই বিরোধ শুরু হয়। তিনি বলেন, আমরা অফিসে গেলে মুছা মাঝি ও তার সমর্থকরা আমাদের প্রবেশে বাধা দেয়। পরে তারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এতে আমি মাথায় গুরুতর আঘাত পাই।
বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক মামুন তালুকদার বলেন, মুছা মাঝি নতুন কমিটি মেনে নিতে না পেরে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। সোমবার পরিকল্পিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সাবেক ইউনিয়ন আহ্বায়ক ও বর্তমান কমিটির সহসভাপতি মুছা মাঝি দাবি করেন, আমরা কার্যালয়ে বসে আলোচনা করছিলাম। এ সময় মাইদুল ইসলাম ও মামুন তালুকদারের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন লোক এসে আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের পক্ষেরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি আলতাফ আকন ও সাধারণ সম্পাদক লিয়ার হোসেন হাওলাদার জানান, নতুন আংশিক কমিটি ঘোষণার পর এ ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হবে। সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানান,, ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত রয়েছি। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮
১১ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৬