
০৩ নভেম্বর, ২০২৫ ০২:১৬
মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরকান্দি গ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধের জেরে গুলিতে তুহিন দেওয়ান (২২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার (২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তুহিন বেহেরকান্দি গ্রামের সেলিম দেওয়ানের ছেলে।
মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির বিভাজিত দুটি গ্রুপের পূর্ববিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনার পর মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরকান্দি ও মুন্সীকান্দি গ্রামের বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। এতে স্থানীয় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক
বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের চাচাতো ভাই আকাশ দেওয়ান সাংবাদিকদের বলেন, রবিবার রাতে তুহিন বাসা থেকে হাঁটার জন্য বাইরে বের হয়। এ সময় মুন্সীকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে প্রতিপক্ষ মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির নেতা উজির আলী ও আওলাদ গ্রুপের অনুসারী লিটন বেপারীর নেতৃত্বে পেছন থেকে তুহিনকে গুলি করা হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, নিহত তুহিন মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদ মোল্লা ও বিএনপি নেতা আতিক মল্লিকের অনুসারী। স্থানীয় রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে তাদের মধ্যে আগে থেকে বিরোধ ছিল।
পুলিশ ও গ্রামবাসী জানায়, আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। এর জের ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। রবিবার রাতে তুহিনকে দেখতে পেয়ে লিটন বেপারী পেছন থেকে গুলি চালায়। গুলির শব্দ ও তুহিনের চিৎকারে গ্রামবাসী গিয়ে উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক প্রান্ত সরদার বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার পিঠে ও ঘাড়ে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে।
নিহত তুহিনের মা লাকী বেগম হাসপাতালে আহাজারি করে বলেন, ‘লিটন বেপারী আমার নিষ্পাপ ছেলেকে গুলি কইরা মাইরা লাইছে। আমি তার ফাঁসি চাই।’
তুহিনের ভাই আক্কাস দেওয়ান বলেন, ‘রাতে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওত পেতে থাকা লিটন বেপারী পেছন থেকে গুলি করে আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে। লিটন বিএনপি নেতা উজির আলী গ্রুপের সন্ত্রাসী।’
এ ঘটনার পর পর অভিযুক্ত লিটন বেপারী পালিয়ে গেছে। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।
বিএনপি নেতা উজির আলী বলেন, ‘আমি ঢাকায় থাকি। গ্রামে কী হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমি এর সঙ্গে জড়িত নই।’
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। বর্তমানে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরকান্দি ও মুন্সীকান্দি গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির সাংবাদিকদের বলেন, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত করলে বিষয়টি জানা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।;
মুন্সীগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরকান্দি গ্রামে বিএনপির দুই গ্রুপের বিরোধের জেরে গুলিতে তুহিন দেওয়ান (২২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। রবিবার (২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তুহিন বেহেরকান্দি গ্রামের সেলিম দেওয়ানের ছেলে।
মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির বিভাজিত দুটি গ্রুপের পূর্ববিরোধের জের ধরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনার পর মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরকান্দি ও মুন্সীকান্দি গ্রামের বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। এতে স্থানীয় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক
বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নিহতের চাচাতো ভাই আকাশ দেওয়ান সাংবাদিকদের বলেন, রবিবার রাতে তুহিন বাসা থেকে হাঁটার জন্য বাইরে বের হয়। এ সময় মুন্সীকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে প্রতিপক্ষ মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির নেতা উজির আলী ও আওলাদ গ্রুপের অনুসারী লিটন বেপারীর নেতৃত্বে পেছন থেকে তুহিনকে গুলি করা হয়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও বলেন, নিহত তুহিন মোল্লাকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ওয়াহিদ মোল্লা ও বিএনপি নেতা আতিক মল্লিকের অনুসারী। স্থানীয় রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে তাদের মধ্যে আগে থেকে বিরোধ ছিল।
পুলিশ ও গ্রামবাসী জানায়, আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। এর জের ধরে দুই গ্রুপের মধ্যে একাধিকবার সংঘর্ষ হয়েছে। রবিবার রাতে তুহিনকে দেখতে পেয়ে লিটন বেপারী পেছন থেকে গুলি চালায়। গুলির শব্দ ও তুহিনের চিৎকারে গ্রামবাসী গিয়ে উদ্ধার করে রাত ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত চিকিৎসক প্রান্ত সরদার বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তার পিঠে ও ঘাড়ে একাধিক গুলির চিহ্ন রয়েছে।
নিহত তুহিনের মা লাকী বেগম হাসপাতালে আহাজারি করে বলেন, ‘লিটন বেপারী আমার নিষ্পাপ ছেলেকে গুলি কইরা মাইরা লাইছে। আমি তার ফাঁসি চাই।’
তুহিনের ভাই আক্কাস দেওয়ান বলেন, ‘রাতে বাড়ি ফেরার পথে আগে থেকে ওত পেতে থাকা লিটন বেপারী পেছন থেকে গুলি করে আমার ভাইকে মেরে ফেলেছে। লিটন বিএনপি নেতা উজির আলী গ্রুপের সন্ত্রাসী।’
এ ঘটনার পর পর অভিযুক্ত লিটন বেপারী পালিয়ে গেছে। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।
বিএনপি নেতা উজির আলী বলেন, ‘আমি ঢাকায় থাকি। গ্রামে কী হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমি এর সঙ্গে জড়িত নই।’
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছে। বর্তমানে মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের বেহেরকান্দি ও মুন্সীকান্দি গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হত্যার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফিরোজ কবির সাংবাদিকদের বলেন, কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তদন্ত করলে বিষয়টি জানা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।;

০৯ জুলাই, ২০২৬ ২২:৫৭
দেশজুড়ে হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৬ জন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮১৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১২৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ১৯৮ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯২ হাজার ৩১ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮৮ হাজার ৪১৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৬৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
দেশজুড়ে হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪৬ জন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ৮১৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১২৮ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত হামরোগীর সংখ্যা ১৩ হাজার ১৯৮ জন।
গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৯২ হাজার ৩১ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮৮ হাজার ৪১৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৬৫৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৯ জুলাই, ২০২৬ ২০:১৩
দেশে প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে মুন্সীগঞ্জে ১১০ কক্ষবিশিষ্ট একটি সমন্বিত প্যালিয়েটিভ কেয়ার রেসিডেনশিয়াল ফ্যাসিলিটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে অ্যাক্রো মেডিকেল লিমিটেড। এ লক্ষে প্রকল্পটির স্থাপত্য পরিকল্পনা, প্রকৌশল নকশা ও অবকাঠামোগত পরামর্শসেবা প্রদানের জন্য বিডি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালট্যান্টের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রকল্পটির পরিকল্পনা ও নকশা প্রণয়নের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ সমন্বিত প্রবীণ নিবাস ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছে অ্যাক্রো মেডিকেল।
প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান প্রবীণ সেবাকেন্দ্র ‘অ্যাক্রো প্রবীণ নিবাস’, যা ঢাকার আফতাবনগরে পরিচালিত হচ্ছে, তার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই নতুন এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। নতুন ক্যাম্পাসে পরিকল্পিত আবাসিক পরিবেশে প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা এবং পুনর্বাসন সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নে কোম্পানির নিজস্ব প্রায় ১৫০ শতক (১ দশমিক ৫ একর) জমির ওপর প্রকল্পটি নির্মাণ করা হবে। এখানে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত ১১০টি আবাসিক কক্ষ থাকবে। পাশাপাশি সহায়ক আবাসন, প্যালিয়েটিভ কেয়ার, হসপিস সেবা, দীর্ঘমেয়াদি নার্সিং কেয়ার এবং পুনর্বাসন সুবিধা প্রদান করা হবে।
এ ছাড়া ক্যাম্পাসে ২৪ ঘণ্টা নার্সিং ও কেয়ারগিভিং সেবা, অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধান, ফিজিওথেরাপি, ডিমেনশিয়া ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন ওয়েলনেস কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যানে সুসজ্জিত বাগান, হাঁটার পথ, বিনোদন কেন্দ্র, কমিউনিটি কার্যক্রমের স্থান, ডাইনিং সুবিধা, ক্যাফে এবং প্রবীণবান্ধব অবকাঠামোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে বাসিন্দারা সক্রিয়, স্বাস্থ্যকর ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে গড় আয়ু বৃদ্ধি, দ্রুত নগরায়ণ, কর্মসংস্থানের জন্য দেশ-বিদেশে স্থানান্তর এবং একক পরিবারের সংখ্যা বাড়ার ফলে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী বিডি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালট্যান্ট প্রকল্পটির পূর্ণাঙ্গ স্থাপত্য ও প্রকৌশল পরামর্শসেবা প্রদান করবে। আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো, টেকসই নির্মাণনীতি এবং আন্তর্জাতিক প্রবীণবান্ধব নকশা মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।
২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত অ্যাক্রো মেডিকেল লিমিটেড দেশে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম (MCPA-Australia) বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি আবাসিক ভবন নির্মাণ নয়; আমরা এমন একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা কমিউনিটি গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রবীণরা মর্যাদা, সহানুভূতিশীল সেবা, মানসিক সমর্থন এবং নিরাপদ পরিবেশে জীবনযাপন করতে পারবেন। আমরা বিশ্বাস করি, এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সমন্বিত প্যালিয়েটিভ কেয়ার, সহায়ক আবাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবীণ পরিচর্যা সেবায় এটি দেশের স্বাস্থ্যখাতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।’
দেশে প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়াতে মুন্সীগঞ্জে ১১০ কক্ষবিশিষ্ট একটি সমন্বিত প্যালিয়েটিভ কেয়ার রেসিডেনশিয়াল ফ্যাসিলিটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে অ্যাক্রো মেডিকেল লিমিটেড। এ লক্ষে প্রকল্পটির স্থাপত্য পরিকল্পনা, প্রকৌশল নকশা ও অবকাঠামোগত পরামর্শসেবা প্রদানের জন্য বিডি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালট্যান্টের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রকল্পটির পরিকল্পনা ও নকশা প্রণয়নের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি দেশের অন্যতম বৃহৎ সমন্বিত প্রবীণ নিবাস ও প্যালিয়েটিভ কেয়ার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে বলে জানিয়েছে অ্যাক্রো মেডিকেল।
প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান প্রবীণ সেবাকেন্দ্র ‘অ্যাক্রো প্রবীণ নিবাস’, যা ঢাকার আফতাবনগরে পরিচালিত হচ্ছে, তার অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই নতুন এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। নতুন ক্যাম্পাসে পরিকল্পিত আবাসিক পরিবেশে প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যা এবং পুনর্বাসন সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নে কোম্পানির নিজস্ব প্রায় ১৫০ শতক (১ দশমিক ৫ একর) জমির ওপর প্রকল্পটি নির্মাণ করা হবে। এখানে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য বিশেষভাবে পরিকল্পিত ১১০টি আবাসিক কক্ষ থাকবে। পাশাপাশি সহায়ক আবাসন, প্যালিয়েটিভ কেয়ার, হসপিস সেবা, দীর্ঘমেয়াদি নার্সিং কেয়ার এবং পুনর্বাসন সুবিধা প্রদান করা হবে।
এ ছাড়া ক্যাম্পাসে ২৪ ঘণ্টা নার্সিং ও কেয়ারগিভিং সেবা, অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধান, ফিজিওথেরাপি, ডিমেনশিয়া ও দীর্ঘমেয়াদি রোগ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন ওয়েলনেস কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রকল্পের মাস্টারপ্ল্যানে সুসজ্জিত বাগান, হাঁটার পথ, বিনোদন কেন্দ্র, কমিউনিটি কার্যক্রমের স্থান, ডাইনিং সুবিধা, ক্যাফে এবং প্রবীণবান্ধব অবকাঠামোও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যাতে বাসিন্দারা সক্রিয়, স্বাস্থ্যকর ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশে গড় আয়ু বৃদ্ধি, দ্রুত নগরায়ণ, কর্মসংস্থানের জন্য দেশ-বিদেশে স্থানান্তর এবং একক পরিবারের সংখ্যা বাড়ার ফলে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক স্বাস্থ্যসেবা ও দীর্ঘমেয়াদি পরিচর্যার প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে।
চুক্তি অনুযায়ী বিডি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসালট্যান্ট প্রকল্পটির পূর্ণাঙ্গ স্থাপত্য ও প্রকৌশল পরামর্শসেবা প্রদান করবে। আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামো, টেকসই নির্মাণনীতি এবং আন্তর্জাতিক প্রবীণবান্ধব নকশা মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।
২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত অ্যাক্রো মেডিকেল লিমিটেড দেশে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করতে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম (MCPA-Australia) বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধু একটি আবাসিক ভবন নির্মাণ নয়; আমরা এমন একটি সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা কমিউনিটি গড়ে তুলতে চাই, যেখানে প্রবীণরা মর্যাদা, সহানুভূতিশীল সেবা, মানসিক সমর্থন এবং নিরাপদ পরিবেশে জীবনযাপন করতে পারবেন। আমরা বিশ্বাস করি, এই প্রকল্পটি বাংলাদেশের প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবার ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সমন্বিত প্যালিয়েটিভ কেয়ার, সহায়ক আবাসন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রবীণ পরিচর্যা সেবায় এটি দেশের স্বাস্থ্যখাতে নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে বলে আশা করছে প্রতিষ্ঠানটি।’

০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৬:২২
চাপাতি-সামুরাই আর দেশীয় ধারালো অস্ত্র হাতে গভীর রাতে অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতি। টার্গেট ছিল ডাকাতি, আর পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ ছিনতাই চক্রটির সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৮ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদাবর থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মধ্যরাতে একটি মুরগির ফার্মে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়েছিল ফারুক নেতৃত্বাধীন চক্রটি।
এছাড়া, কিছুদিন আগে আদাবর এলাকার ‘কিশোর গ্যাং নেতা’ বিল্লাল হোসেন ওরফে ভাইস্তা বিল্লাল ও মউরা সোহেলকে গ্রেপ্তারের প্রতিশোধ নিতে পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার জন্য স্থানীয় সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি শরীয়তপুর ও মাদারীপুর থেকেও ভারাটে সন্ত্রাসী এনেছিল তারা।
এসময় ছিনতাই চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে চাপাতি, সামুরাইসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। ছিনতাই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের খবরে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা।
এ সময় নিজেদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বর্ণনা দেন তারা। তবে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হলেও আসামিরা কিছুদিন পরই জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে বলে আক্ষেপ স্থানীয়দের।
চাপাতি-সামুরাই আর দেশীয় ধারালো অস্ত্র হাতে গভীর রাতে অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতি। টার্গেট ছিল ডাকাতি, আর পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ ছিনতাই চক্রটির সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৮ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদাবর থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মধ্যরাতে একটি মুরগির ফার্মে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়েছিল ফারুক নেতৃত্বাধীন চক্রটি।
এছাড়া, কিছুদিন আগে আদাবর এলাকার ‘কিশোর গ্যাং নেতা’ বিল্লাল হোসেন ওরফে ভাইস্তা বিল্লাল ও মউরা সোহেলকে গ্রেপ্তারের প্রতিশোধ নিতে পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার জন্য স্থানীয় সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি শরীয়তপুর ও মাদারীপুর থেকেও ভারাটে সন্ত্রাসী এনেছিল তারা।
এসময় ছিনতাই চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে চাপাতি, সামুরাইসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। ছিনতাই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের খবরে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা।
এ সময় নিজেদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বর্ণনা দেন তারা। তবে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হলেও আসামিরা কিছুদিন পরই জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে বলে আক্ষেপ স্থানীয়দের।