
০১ জুন, ২০২৫ ২১:১৫
পটুয়াখালীর বাউফলে সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের দু’গ্রুপে হাতাহাতি প্রকাশ্যে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
স্থানীয় ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি গ্রুপ উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সড়ক অবরোধ করে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় অপর একটি গ্রুপ এসে তাদের লিখিত বক্তব্যের (প্রেসনোট) কপি ছিনিয়ে নেয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে নিয়োজিত দায়িত্বরত আনসার এবং চৌকিদাররা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
সংবাদ সম্মেলন আয়োজক দলের এক সদস্য শুভ জানান, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সংবাদ সম্মেলন করতে চাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে অপর একটি গ্রুপ এসে আমাদের প্রেসনোট ছিনিয়ে নেয় এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
প্রেস কনফারেন্স আয়োজনকারী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনের ছাত্রী বর্ষার কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে এখন কোন কথা বলবোনা। প্রেসনোট ছিনিয়ে নেওয়া বৈষম্যবিরোধী অন্দোলণে অংশগ্রণকারী শিক্ষার্থী মো. সাজিদ আলম বলেন, “সংবাদ সম্মেলন আমাদের না জানিয়ে আয়োজন করেছে, যেখানে দুইজন সমন্বয়ক ছাড়া বাকি সব বহিরাগত। বৈসম্যবিরোধী আন্দেলনে অংশগ্রহণকারী সকল বাদ দিয়ে তারা দু-একজন ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ব্যস্ত। তাই আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি।”
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বাউফল উপজেলা শাখার অন্যতম সদস্য রুহুল আমিন বলেন, প্রেস কনফারেন্সের বিষয়ে আমাকে অবহিত করা হয়নি। তবে উপজেলা গেটে ও ভিতরে হাতাহাতির ঘটনার ভিডিও দেখেছি, যেখানে বর্ষাসহ দুইজন সমন্বয়ক ও বহিরাগতরা ছিল। তাদের কাছ থেকে আমাদের কয়েকজন কাগজ ছিনিয়ে নিলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অন্য এক সমন্বয়ক বলেন, একজন সাংবাদিকের পক্ষ হয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলামের অপসারন চেয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন মোটেই কাম্য নয়। আমাদের কয়েকজন মাত্র প্রতিবাদ জানিয়েছি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তারুজ্জামান সরকার বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি জেনেছি, দু'গ্রুপে সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফলে সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়কদের দু’গ্রুপে হাতাহাতি প্রকাশ্যে আসায় এলাকায় চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১ জুন) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
স্থানীয় ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি গ্রুপ উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সড়ক অবরোধ করে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় অপর একটি গ্রুপ এসে তাদের লিখিত বক্তব্যের (প্রেসনোট) কপি ছিনিয়ে নেয়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে নিয়োজিত দায়িত্বরত আনসার এবং চৌকিদাররা মিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
সংবাদ সম্মেলন আয়োজক দলের এক সদস্য শুভ জানান, “আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সংবাদ সম্মেলন করতে চাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে অপর একটি গ্রুপ এসে আমাদের প্রেসনোট ছিনিয়ে নেয় এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
প্রেস কনফারেন্স আয়োজনকারী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনের ছাত্রী বর্ষার কাছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি জানান, এ বিষয়ে এখন কোন কথা বলবোনা। প্রেসনোট ছিনিয়ে নেওয়া বৈষম্যবিরোধী অন্দোলণে অংশগ্রণকারী শিক্ষার্থী মো. সাজিদ আলম বলেন, “সংবাদ সম্মেলন আমাদের না জানিয়ে আয়োজন করেছে, যেখানে দুইজন সমন্বয়ক ছাড়া বাকি সব বহিরাগত। বৈসম্যবিরোধী আন্দেলনে অংশগ্রহণকারী সকল বাদ দিয়ে তারা দু-একজন ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ব্যস্ত। তাই আমরা প্রতিবাদ জানিয়েছি।”
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বাউফল উপজেলা শাখার অন্যতম সদস্য রুহুল আমিন বলেন, প্রেস কনফারেন্সের বিষয়ে আমাকে অবহিত করা হয়নি। তবে উপজেলা গেটে ও ভিতরে হাতাহাতির ঘটনার ভিডিও দেখেছি, যেখানে বর্ষাসহ দুইজন সমন্বয়ক ও বহিরাগতরা ছিল। তাদের কাছ থেকে আমাদের কয়েকজন কাগজ ছিনিয়ে নিলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অন্য এক সমন্বয়ক বলেন, একজন সাংবাদিকের পক্ষ হয়ে বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলামের অপসারন চেয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দলনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন মোটেই কাম্য নয়। আমাদের কয়েকজন মাত্র প্রতিবাদ জানিয়েছি।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তারুজ্জামান সরকার বরিশালটাইমসকে বলেন, বিষয়টি জেনেছি, দু'গ্রুপে সাথে কথা বলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
পটুয়াখালী -২ বাউফলে বিএনপি মনোনীত (ধানের শীষ) মার্কার প্রার্থী সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদারর বহনকারী গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখে জামায়াতের নেতা কর্মী ও সমর্থকরা।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টার দিকে বাউফল থানার সামনে তার গাড়িটি অবরুদ্ধ করা হয়। পরে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেয়া হয়।
সূত্রে জানাগেছে, বাউফলের চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজারে দাঁড়িপাল্লার একটি মিছিলে ধানের শীষের কর্মী সমর্থকরা হামলা করে। এঘটনার প্রতিবাদে শহরে জামায়াতের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
তখন বিএনপির কর্মী সমর্থকদের সাথে তাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। তখন পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনকে নিরব থাকতে দেখা যায়। সূত্র জানায়, বাউফল থানার ওসি মোহাম্মাদ সিদ্দিকু রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অপসারণের দাবিতে কয়েকশ নেতা-কর্মী ও সমর্থক থানার সামনে জড়ো হয়।
এসময় বিএনপির সাবেক এমপি ও ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী সহিদুল আলম একটি নির্বাচনী সভায় যোগ দিতে তার ব্যক্তিগত গাড়ি যোগে থানার সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন কমীসমর্থকরা তার গাড়িটি অবরুদ্ধ করে ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দেয়।
একপর্যায়ে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক নেতার হস্তক্ষেপে বিএনপি প্রার্থীর গাড়িটি ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় পৌর শহরে উভয় গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতী নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চলছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৯
পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মুলভূখন্ড বিচ্ছিন্ন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বৌবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- জামাল মৃধা (২২), আমিনুল ইসলাম (৩৭), জুয়েল (৩৩), নয়ন (১৭), লিমা জাহান (২৫), শাহজালাল (২০), সুজন (২৬), শহিদুল বেপারী (২৭), হাফেজ আনিসুর রহমান (৫৫), আমিনুল মাতব্বর (৩০), সোহাগ (৩০), সাইফুল (৪০), জিসান (২৫), সজিব (১৭), রোজিনা বেগম (৩০), দেলোয়ার গাজীসহ (৫৮) অন্তত ২৫ জন।
এদের মধ্যে জামাল মৃধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, জামায়াতের কয়েজন কর্মী ওই এলাকায় নির্বাচনী প্রচারের কাজে গেলে বিএনপির কয়েকজন সমর্থক টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ তুলে তাদেরকে হেনস্থা করে। এ সময় খবর পেয়ে প্রচারের অদূরে থাকা জামায়াতের লোকজন সেখানে গেলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটার আঘাতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়। ঘটনার পর দুপুরে পৌর সদরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াতের লোকজন। উভয় পক্ষের মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায়, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০১
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ মো. জাকির ফরাজী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ৩টা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ উত্তর সুবিদখালী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মৃত মোতালেব ফরাজীর ছেলে মো. জাকির ফরাজীকে তাঁর বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীর ছোট ভাই। এর আগে, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীকেও একটি অত্যাধুনিক বিদেশি পিস্তলসহ তাঁর বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছিল যৌথবাহিনী।
পুলিশ জানায়,তল্লাশিকালে গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজীর লুঙ্গির কোচর হতে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার শয়নকক্ষের বিছানার তোশকের নিচ থেকে ইয়াবা সেবনের পাইপ এবং কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে যৌথবাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালী -২ বাউফলে বিএনপি মনোনীত (ধানের শীষ) মার্কার প্রার্থী সাবেক এমপি শহিদুল আলম তালুকদারর বহনকারী গাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখে জামায়াতের নেতা কর্মী ও সমর্থকরা।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টার দিকে বাউফল থানার সামনে তার গাড়িটি অবরুদ্ধ করা হয়। পরে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে গাড়িটি ছেড়ে দেয়া হয়।
সূত্রে জানাগেছে, বাউফলের চন্দ্রদ্বিপ ইউনিয়নের ভান্ডারিয়া বাজারে দাঁড়িপাল্লার একটি মিছিলে ধানের শীষের কর্মী সমর্থকরা হামলা করে। এঘটনার প্রতিবাদে শহরে জামায়াতের উদ্যোগে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
তখন বিএনপির কর্মী সমর্থকদের সাথে তাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। তখন পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকজনকে নিরব থাকতে দেখা যায়। সূত্র জানায়, বাউফল থানার ওসি মোহাম্মাদ সিদ্দিকু রহমানের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অপসারণের দাবিতে কয়েকশ নেতা-কর্মী ও সমর্থক থানার সামনে জড়ো হয়।
এসময় বিএনপির সাবেক এমপি ও ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী সহিদুল আলম একটি নির্বাচনী সভায় যোগ দিতে তার ব্যক্তিগত গাড়ি যোগে থানার সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন কমীসমর্থকরা তার গাড়িটি অবরুদ্ধ করে ভুয়া ভুয়া শ্লোগান দেয়।
একপর্যায়ে জামায়াতের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েক নেতার হস্তক্ষেপে বিএনপি প্রার্থীর গাড়িটি ছেড়ে দেয়া হয়। এ ঘটনায় পৌর শহরে উভয় গ্রুপের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হতে পারে। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান বলেন, পরিস্থিতী নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চলছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার মুলভূখন্ড বিচ্ছিন্ন চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের বৌবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- জামাল মৃধা (২২), আমিনুল ইসলাম (৩৭), জুয়েল (৩৩), নয়ন (১৭), লিমা জাহান (২৫), শাহজালাল (২০), সুজন (২৬), শহিদুল বেপারী (২৭), হাফেজ আনিসুর রহমান (৫৫), আমিনুল মাতব্বর (৩০), সোহাগ (৩০), সাইফুল (৪০), জিসান (২৫), সজিব (১৭), রোজিনা বেগম (৩০), দেলোয়ার গাজীসহ (৫৮) অন্তত ২৫ জন।
এদের মধ্যে জামাল মৃধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, জামায়াতের কয়েজন কর্মী ওই এলাকায় নির্বাচনী প্রচারের কাজে গেলে বিএনপির কয়েকজন সমর্থক টাকা দিয়ে ভোট কেনার অভিযোগ তুলে তাদেরকে হেনস্থা করে। এ সময় খবর পেয়ে প্রচারের অদূরে থাকা জামায়াতের লোকজন সেখানে গেলে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এ সময় দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটার আঘাতে উভয়পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়। ঘটনার পর দুপুরে পৌর সদরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে জামায়াতের লোকজন। উভয় পক্ষের মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) মো. আতিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানায়, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে যৌথবাহিনীর অভিযানে মাদকসহ মো. জাকির ফরাজী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাত ৩টা পঁয়তাল্লিশ মিনিটে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনাবাহিনী ও মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ উত্তর সুবিদখালী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে মৃত মোতালেব ফরাজীর ছেলে মো. জাকির ফরাজীকে তাঁর বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
উল্লেখ্য, গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজী মির্জাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীর ছোট ভাই। এর আগে, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর জাহাঙ্গীর হোসেন ফরাজীকেও একটি অত্যাধুনিক বিদেশি পিস্তলসহ তাঁর বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছিল যৌথবাহিনী।
পুলিশ জানায়,তল্লাশিকালে গ্রেপ্তারকৃত জাকির ফরাজীর লুঙ্গির কোচর হতে ২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া তার শয়নকক্ষের বিছানার তোশকের নিচ থেকে ইয়াবা সেবনের পাইপ এবং কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র জব্দ করে যৌথবাহিনী। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মির্জাগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছালাম জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরণের অভিযান ভবিষ্যতে আরও জোরদার করা হবে।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২