
১৭ জুন, ২০২৫ ২২:৫১
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে অবসরকালীন ভাতার কাগজে স্বাক্ষর না দেওয়ায় উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই কর্মকর্তাকে রক্ষা করতে গিয়ে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোষাধাক্ষ্য রাজা মিয়া আহত হন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
হিসাবরক্ষণ অফিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স উপজেলার কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা আতুয়ারা খাতুনের স্বামী কাদের মোল্লা উপজেলা জামায়াতের নেতা। মঙ্গলবার দুপুরে নমিনী-আমিরসহ কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে তার স্ত্রীর অবসরভাতার কাগজপত্র দেখান। কাগজপত্র যাচাই করে দেখেন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা। কাগজে ভুল থাকায় স্বাক্ষর করেননি তিনি। স্বাক্ষর না করার কারণে রৌমারী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামায়াত আমির আনোয়ার হোসেন উত্তেজিত হয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে মারধর করেন। এ সময় তাকে রক্ষা করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্যাশিয়ার রাজা মিয়া এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। তিনি এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হায়দার আলী, সাবেক আমির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
আহত রাজা মিয়া বলেন, কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার শার্ট ধরে ফেলেন জামায়াত নেতাকর্মীরা। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকেও মারধর করেন তারা।
উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সিনিয়র স্টাফ নার্স আতুয়ারা খাতুন অবসরের ইনক্রিমেন্ট বিলের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তবে তার কিছু কাগজ ভুল থাকায় বিলে স্বাক্ষর করা হয়নি। মঙ্গলবার তারা (জামায়াত) বিলে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য চাপ দিলে আমি অস্বীকৃতি জানাই। এ সময় তারা আমাকে মারধর করেন।
অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ঘুস না পাওয়ায় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা দীর্ঘদিন থেকে আমাদের এক কর্মীর স্ত্রীর বিলে স্বাক্ষর করছিলেন না। তাই আমরা কয়েকজন নেতাকর্মী উনার কাছে যাই। অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেও তা মীমাংসা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রৌমারী উপজেলা জামায়াতের আমির হায়দার আলী বলেন, ওই নার্সের স্বামী আমাদের দলের একজন কর্মী। তার স্ত্রীকে বিল প্রদান না করে ওই কর্মকর্তা হয়রানি করছিলেন। এজন্য আমাদের দলের কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে যান। এতে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে আমি বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল কুমার হালদার mvsevK‡i বলেন, আমি ছুটিতে আছি। তাই বিষয়টি অবগত নই। তবে বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখছি।'
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে অবসরকালীন ভাতার কাগজে স্বাক্ষর না দেওয়ায় উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১৭ জুন) দুপুরে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় ওই কর্মকর্তাকে রক্ষা করতে গিয়ে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কোষাধাক্ষ্য রাজা মিয়া আহত হন। বিষয়টি নিয়ে উপজেলাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
হিসাবরক্ষণ অফিস ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, রৌমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র স্টাফ নার্স উপজেলার কলেজপাড়া এলাকার বাসিন্দা আতুয়ারা খাতুনের স্বামী কাদের মোল্লা উপজেলা জামায়াতের নেতা। মঙ্গলবার দুপুরে নমিনী-আমিরসহ কয়েকজন নেতাকর্মীকে নিয়ে উপজেলার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে তার স্ত্রীর অবসরভাতার কাগজপত্র দেখান। কাগজপত্র যাচাই করে দেখেন হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা। কাগজে ভুল থাকায় স্বাক্ষর করেননি তিনি। স্বাক্ষর না করার কারণে রৌমারী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের জামায়াত আমির আনোয়ার হোসেন উত্তেজিত হয়ে উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তাকে মারধর করেন। এ সময় তাকে রক্ষা করার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্যাশিয়ার রাজা মিয়া এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করা হয়। তিনি এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হায়দার আলী, সাবেক আমির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাকসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।
আহত রাজা মিয়া বলেন, কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার শার্ট ধরে ফেলেন জামায়াত নেতাকর্মীরা। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকেও মারধর করেন তারা।
উপজেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, সিনিয়র স্টাফ নার্স আতুয়ারা খাতুন অবসরের ইনক্রিমেন্ট বিলের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তবে তার কিছু কাগজ ভুল থাকায় বিলে স্বাক্ষর করা হয়নি। মঙ্গলবার তারা (জামায়াত) বিলে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য চাপ দিলে আমি অস্বীকৃতি জানাই। এ সময় তারা আমাকে মারধর করেন।
অভিযুক্ত জামায়াত নেতা আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ঘুস না পাওয়ায় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা দীর্ঘদিন থেকে আমাদের এক কর্মীর স্ত্রীর বিলে স্বাক্ষর করছিলেন না। তাই আমরা কয়েকজন নেতাকর্মী উনার কাছে যাই। অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলেও তা মীমাংসা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
রৌমারী উপজেলা জামায়াতের আমির হায়দার আলী বলেন, ওই নার্সের স্বামী আমাদের দলের একজন কর্মী। তার স্ত্রীকে বিল প্রদান না করে ওই কর্মকর্তা হয়রানি করছিলেন। এজন্য আমাদের দলের কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে যান। এতে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয়। পরে আমি বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্জ্বল কুমার হালদার mvsevK‡i বলেন, আমি ছুটিতে আছি। তাই বিষয়টি অবগত নই। তবে বিষয়টা খোঁজ নিয়ে দেখছি।'

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২০:১২
বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যেখানে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের অপচয় ও মজুত রোধে সরকার সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জ্বালানি বিভাগ ইতোমধ্যে এই বিশেষ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও গ্রাহক সুবিধাসমূহ
ডিজিটাল পেমেন্ট- নগদ টাকার ঝামেলা ছাড়াই কিউআর কোড দিয়ে দ্রুত বিল পরিশোধ;
খরচ নিয়ন্ত্রণ- জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে অপচয় কমানোর সুবিধা;
জ্বালানি ট্র্যাকিং- প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড এবং ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান;
নিরাপত্তা- নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহার রোধ;
মজুতদারি রোধ- তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং কালোবাজারি বা অবৈধ মজুত বন্ধ করা;
সময়ের সাশ্রয়- কাগজের রসিদের প্রয়োজন নেই এবং দ্রুত তেল সংগ্রহের নিশ্চয়তা;
কেন এই ফুয়েল কার্ড?
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর ফলে তেলের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং কালোবাজারি রুখতে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিট কার্ড চালুর বিকল্প নেই।
ফুয়েল কার্ড হলো একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অনেকটা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মতো কাজ করবে। তবে এর বিশেষত্ব হলো, এতে একটি কিউআর কোড (QR Code) থাকবে। গ্রাহকরা তাদের মোটরসাইকেল, কার, ট্রাক বা বাসের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পাম্প থেকে এই কোড স্ক্যান করে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সহজ পেমেন্ট ও ট্র্যাকিং: এই কার্ডের মাধ্যমে নগদ টাকা ছাড়াই তেল কেনা যাবে এবং প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড থাকবে।
খরচ নিয়ন্ত্রণ: সরকার বা কোম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবে, যা তেলের অপচয় কমাবে।
ডিজিটাল রিপোর্টিং: কতটুকু জ্বালানি ব্যবহৃত হলো তার বিস্তারিত রিপোর্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
নিরাপত্তা: কার্ডটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহারের ঝুঁকি কমবে।
সময়ের সাশ্রয় : কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা থাকবে না এবং দ্রুত পেমেন্ট সম্পন্ন করা যাবে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এই পদ্ধতিটি পুরোপুরি চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে এটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এবং জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্ভাব্য কাগজপত্র
১. গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সনদ: গাড়ির বৈধ মালিকানা প্রমাণের জন্য;
২. জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে;
৩. ড্রাইভিং লাইসেন্স: চালকের বৈধতা যাচাইয়ে;
৪. সচল মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল: ওটিপি ও লেনদেনের মেসেজ পেতে;
৫. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: মালিক বা চালকের প্রোফাইলের জন্য;
বেশিরভাগ পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। যেখানে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের অপচয় ও মজুত রোধে সরকার সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জ্বালানি বিভাগ ইতোমধ্যে এই বিশেষ কার্ড নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
ফুয়েল কার্ডের মূল বৈশিষ্ট্য ও গ্রাহক সুবিধাসমূহ
ডিজিটাল পেমেন্ট- নগদ টাকার ঝামেলা ছাড়াই কিউআর কোড দিয়ে দ্রুত বিল পরিশোধ;
খরচ নিয়ন্ত্রণ- জ্বালানি ক্রয়ের সীমা নির্ধারণ করে অপচয় কমানোর সুবিধা;
জ্বালানি ট্র্যাকিং- প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড এবং ব্যবহারের বিস্তারিত রিপোর্ট প্রদান;
নিরাপত্তা- নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহার রোধ;
মজুতদারি রোধ- তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করা এবং কালোবাজারি বা অবৈধ মজুত বন্ধ করা;
সময়ের সাশ্রয়- কাগজের রসিদের প্রয়োজন নেই এবং দ্রুত তেল সংগ্রহের নিশ্চয়তা;
কেন এই ফুয়েল কার্ড?
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার শঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এর ফলে তেলের উচ্চমূল্য ও সরবরাহ সংকট দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় তেলের সঠিক বণ্টন নিশ্চিত করতে এবং কালোবাজারি রুখতে ডিজিটাল ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিট কার্ড চালুর বিকল্প নেই।
ফুয়েল কার্ড হলো একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা সাধারণত পেট্রোল, ডিজেল বা অন্যান্য জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অনেকটা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মতো কাজ করবে। তবে এর বিশেষত্ব হলো, এতে একটি কিউআর কোড (QR Code) থাকবে। গ্রাহকরা তাদের মোটরসাইকেল, কার, ট্রাক বা বাসের চাহিদা অনুযায়ী নির্দিষ্ট পাম্প থেকে এই কোড স্ক্যান করে তেল সংগ্রহ করতে পারবেন।
সহজ পেমেন্ট ও ট্র্যাকিং: এই কার্ডের মাধ্যমে নগদ টাকা ছাড়াই তেল কেনা যাবে এবং প্রতিটি লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড থাকবে।
খরচ নিয়ন্ত্রণ: সরকার বা কোম্পানিগুলো এই কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি ক্রয়ের একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দিতে পারবে, যা তেলের অপচয় কমাবে।
ডিজিটাল রিপোর্টিং: কতটুকু জ্বালানি ব্যবহৃত হলো তার বিস্তারিত রিপোর্ট অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
নিরাপত্তা: কার্ডটি নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের তথ্যের সাথে যুক্ত থাকায় চুরি বা অপব্যবহারের ঝুঁকি কমবে।
সময়ের সাশ্রয় : কাগজের রসিদ জমানোর ঝামেলা থাকবে না এবং দ্রুত পেমেন্ট সম্পন্ন করা যাবে।
জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, এই পদ্ধতিটি পুরোপুরি চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে। তবে এটি বাস্তবায়িত হলে সাধারণ মানুষ লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবে এবং জ্বালানি খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সম্ভাব্য কাগজপত্র
১. গাড়ির রেজিস্ট্রেশন সনদ: গাড়ির বৈধ মালিকানা প্রমাণের জন্য;
২. জাতীয় পরিচয়পত্র: আবেদনকারীর পরিচয় নিশ্চিত করতে;
৩. ড্রাইভিং লাইসেন্স: চালকের বৈধতা যাচাইয়ে;
৪. সচল মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল: ওটিপি ও লেনদেনের মেসেজ পেতে;
৫. পাসপোর্ট সাইজ ছবি: মালিক বা চালকের প্রোফাইলের জন্য;

২৭ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫০
সারাদেশে জ্বালানি তেলের সংকট মুহূর্তে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে এসে পৌঁছেছে ৫ হাজার টন ডিজেল।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে পাইপলাইনের মাধ্যমে এ তেল আনার কার্যক্রম শেষ হয়। সে সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ছুটির দিন শুক্রবারেও ডিপো খোলা রাখা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আসবে বলেও জানা গেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দপুর ১২টার দিকে ভারতের আসামে অবস্থিত নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত রেলহেড অয়েল ডিপোতে ৫৭ লাখ লিটার বা ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এর প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর আজ শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে পার্বতীপুরে অবস্থিত ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ পাইপলাইন প্রকল্পের রিসিপ্ট টার্মিনালে সম্পূর্ণ ডিজেল এসে পৌঁছে। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রিসিপ্ট টার্মিনাল থেকে জ্বালানি রেলহেড অয়েল ডিপোর পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তিন কোম্পানিতে পাম্পগুলোতে সরবরাহের লক্ষ্যে সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো ইনচার্জ মো. আহসান হাবিব জানান, শুক্রবার ৫ হাজার টন ডিজেল আসার মাধ্যমে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে আসা জ্বালানির তৃতীয় চালান সম্পন্ন হয়েছে। ভারত থেকে তেল আনার ক্ষেত্রে ৪৮ থেকে প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। তিন ধাপে ডিপোতে এ বছর এখন পর্যন্ত আনা হয়েছে ১৫ হাজার টন ডিজেল। সেই সঙ্গে আগামীকাল শনিবার (২৮ মার্চ) আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কৃষিনির্ভর উত্তরাঞ্চলের আট জেলার চাষাবাদের কাজে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি ডিজেল চালিত যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা নেয় সরকার। পরে ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি সম্পন্ন হয়।
সারাদেশে জ্বালানি তেলের সংকট মুহূর্তে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে এসে পৌঁছেছে ৫ হাজার টন ডিজেল।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে পাইপলাইনের মাধ্যমে এ তেল আনার কার্যক্রম শেষ হয়। সে সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহের জন্য ছুটির দিন শুক্রবারেও ডিপো খোলা রাখা হয়েছে। আগামীকাল শনিবার আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আসবে বলেও জানা গেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দপুর ১২টার দিকে ভারতের আসামে অবস্থিত নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত রেলহেড অয়েল ডিপোতে ৫৭ লাখ লিটার বা ৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ কার্যক্রম শুরু করা হয়। এর প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর আজ শুক্রবার সকাল ৬টার দিকে পার্বতীপুরে অবস্থিত ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ পাইপলাইন প্রকল্পের রিসিপ্ট টার্মিনালে সম্পূর্ণ ডিজেল এসে পৌঁছে। পরে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে রিসিপ্ট টার্মিনাল থেকে জ্বালানি রেলহেড অয়েল ডিপোর পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা তিন কোম্পানিতে পাম্পগুলোতে সরবরাহের লক্ষ্যে সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপো ইনচার্জ মো. আহসান হাবিব জানান, শুক্রবার ৫ হাজার টন ডিজেল আসার মাধ্যমে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে আসা জ্বালানির তৃতীয় চালান সম্পন্ন হয়েছে। ভারত থেকে তেল আনার ক্ষেত্রে ৪৮ থেকে প্রায় ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত সময় লাগে। তিন ধাপে ডিপোতে এ বছর এখন পর্যন্ত আনা হয়েছে ১৫ হাজার টন ডিজেল। সেই সঙ্গে আগামীকাল শনিবার (২৮ মার্চ) আরও ৭ হাজার টন ডিজেল আসবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কৃষিনির্ভর উত্তরাঞ্চলের আট জেলার চাষাবাদের কাজে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি ডিজেল চালিত যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা নেয় সরকার। পরে ২০১৭ সালের ২২ অক্টোবর ভারতের সঙ্গে ১৫ বছর মেয়াদি চুক্তি সম্পন্ন হয়।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.