
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৫
৬ ফেব্রুয়ারী; কবি এ কে সরকার শাওনের ৫৯ তম জন্মদিন । সাহিত্য চর্চায় নিবেদিত এই প্রতিভাবানের জন্ম ১৯৬৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের গোপালপুরে। পিতা মো: আবদুল গনি সরকার একজন সরকারী কর্মকর্তা এবং মাতা মিসেস সালেহা গনি সরকার একজন আদর্শ গৃহিনী ছিলেন।
ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্য ও সৃজনশীল সব ধরনের ধারার সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। তাঁর লিখা গান, কবিতা, নাটক দেশে বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়-হচ্ছে। (২০১৯) কবির প্রকাশিত গ্রন্থসমুহ কথা-কাব্য, নীরব - কথপোকথন, আপন-ছায়া ও একমাত্র উপন্যাসে অতল জলে জলাঞ্জলি। ষড়ঋতু নিয়ে লিখিত কবিতার বই "ঋতুরং" প্রকাশনার টেবিলে রয়েছে। একটি সাইন্স ফিকশনের উপন্যাস মস্তিষ্কে মহাকাশ ( ইংরেজি ভার্সন Metacosm of the Mind), একটি ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ " Songs of Insane" ও একটি গল্পগ্রন্থ সহ অপ্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ১০।
কবি ও তাঁর স্ত্রী নাজমা আশেকীন শাওনের তিন কন্যা সন্তানের সবাই সম্পূর্ণ স্কলারশিপ পেয়ে বিদেশের বনেদী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমাজ বিজ্ঞান, এরোস্পেস ইন্জিনিয়ারিং ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধয়নরত।
সরকারী ও বেসরকারী চাকুরী থেকে স্বেচ্ছায় অবসরপ্রাপ্ত কবি বর্তমানে বাস করছেন ঢাকাস্থ উত্তরখানের শাওনাজ ভবনে।
৬ ফেব্রুয়ারী; কবি এ কে সরকার শাওনের ৫৯ তম জন্মদিন । সাহিত্য চর্চায় নিবেদিত এই প্রতিভাবানের জন্ম ১৯৬৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের গোপালপুরে। পিতা মো: আবদুল গনি সরকার একজন সরকারী কর্মকর্তা এবং মাতা মিসেস সালেহা গনি সরকার একজন আদর্শ গৃহিনী ছিলেন।
ছাত্রজীবন থেকেই সাহিত্য ও সৃজনশীল সব ধরনের ধারার সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। তাঁর লিখা গান, কবিতা, নাটক দেশে বিদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়-হচ্ছে। (২০১৯) কবির প্রকাশিত গ্রন্থসমুহ কথা-কাব্য, নীরব - কথপোকথন, আপন-ছায়া ও একমাত্র উপন্যাসে অতল জলে জলাঞ্জলি। ষড়ঋতু নিয়ে লিখিত কবিতার বই "ঋতুরং" প্রকাশনার টেবিলে রয়েছে। একটি সাইন্স ফিকশনের উপন্যাস মস্তিষ্কে মহাকাশ ( ইংরেজি ভার্সন Metacosm of the Mind), একটি ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ " Songs of Insane" ও একটি গল্পগ্রন্থ সহ অপ্রকাশিত গ্রন্থ সংখ্যা ১০।
কবি ও তাঁর স্ত্রী নাজমা আশেকীন শাওনের তিন কন্যা সন্তানের সবাই সম্পূর্ণ স্কলারশিপ পেয়ে বিদেশের বনেদী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সমাজ বিজ্ঞান, এরোস্পেস ইন্জিনিয়ারিং ও চিকিৎসা বিজ্ঞানে অধয়নরত।
সরকারী ও বেসরকারী চাকুরী থেকে স্বেচ্ছায় অবসরপ্রাপ্ত কবি বর্তমানে বাস করছেন ঢাকাস্থ উত্তরখানের শাওনাজ ভবনে।
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৮
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৮
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৯

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ কপিরাইট স্ট্রাইকে সাইবার হামলার মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সাইবার হামলার মাধ্যমে ফেসবুক পেজ অপসারণ করার বিষয়ে নিশ্চিত করেন জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর শাখার আমির এনামুল হক।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, আমাদের সকল অনুসারী, শুভানুধ্যায়ী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মুফতি আমির হামজার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ গত কয়েকদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ অপশক্তির পরিকল্পিত ভুয়া কপিরাইট স্ট্রাইক ও সাইবার আক্রমণের শিকার হয়ে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা (Meta) কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে পেইজটি অপসারণ করেছে। এটি কোনো নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে নয় বরং উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা অভিযোগ ও ভুয়া রিপোর্টিংয়ের ফল।
বিজ্ঞপ্তিতে এনামুল হক বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন ও ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চিহ্নিত মহল এই ন্যাক্কারজনক কাজটি করেছে। তবে আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই- ফেসবুক থেকে একটি পেইজ সরিয়ে দিলেও মানুষের হৃদয় থেকে আমির হামজাকে সরানো যাবে না
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে পেইজ পুনরুদ্ধারের জন্য মেটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সকল তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আমাদের সকল সমর্থকদের প্রতি অনুরোধ ভুয়া আইডি, গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য ও সচেতনতা বজায় রাখুন। ইনশাআল্লাহ, সত্যের বিজয় হবেই।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর আমির এনামুল হক জানান, আজ জোহরের নামাজের পর আমাদের এমপি প্রার্থী মুফতি আমির হামজা অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ অপসারণ হয়েছে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রক্রিয়া চলমান।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও আলোচিত ইসলামিক বক্তা মুফতি আমির হামজার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ কপিরাইট স্ট্রাইকে সাইবার হামলার মাধ্যমে অপসারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ সাইবার হামলার মাধ্যমে ফেসবুক পেজ অপসারণ করার বিষয়ে নিশ্চিত করেন জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর শাখার আমির এনামুল হক।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, আমাদের সকল অনুসারী, শুভানুধ্যায়ী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, মুফতি আমির হামজার অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজ গত কয়েকদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ অপশক্তির পরিকল্পিত ভুয়া কপিরাইট স্ট্রাইক ও সাইবার আক্রমণের শিকার হয়ে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় আজ ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা (Meta) কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে পেইজটি অপসারণ করেছে। এটি কোনো নীতিমালা লঙ্ঘনের কারণে নয় বরং উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা অভিযোগ ও ভুয়া রিপোর্টিংয়ের ফল।
বিজ্ঞপ্তিতে এনামুল হক বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন ও ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চিহ্নিত মহল এই ন্যাক্কারজনক কাজটি করেছে। তবে আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই- ফেসবুক থেকে একটি পেইজ সরিয়ে দিলেও মানুষের হৃদয় থেকে আমির হামজাকে সরানো যাবে না
তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে পেইজ পুনরুদ্ধারের জন্য মেটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সকল তথ্য ও প্রমাণ উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আমাদের সকল সমর্থকদের প্রতি অনুরোধ ভুয়া আইডি, গুজব ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে ধৈর্য ও সচেতনতা বজায় রাখুন। ইনশাআল্লাহ, সত্যের বিজয় হবেই।
এ বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া শহর আমির এনামুল হক জানান, আজ জোহরের নামাজের পর আমাদের এমপি প্রার্থী মুফতি আমির হামজা অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ অপসারণ হয়েছে। এ বিষয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করার প্রক্রিয়া চলমান।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৫৫
লক্ষ্মীপুরে ভোটের অবৈধ ছয়টি সিল উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রিন্টিং প্রেসের মালিক সোহেল রানা (৪০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি এক জামায়াত নেতার নির্দেশে এ কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ সময় তিনি ভোটের সিল তৈরির নির্দেশদাতার নাম প্রকাশ করেন। সোহেল রানা সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মারইয়াম প্রেসের স্বত্বাধিকারী।
এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে শহরের পুরোনো আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে ভোটে ব্যবহারের অবৈধ ছয়টি সিল, একটি কম্পিউটার, একটি মুঠোফোনসহ সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহেদ পারভেজ স্বীকারোক্তি দেওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৌরভ হোসেন ওরফে শরীফের নির্দেশে এসব সিল তৈরি করা হয়েছে বলে সোহেল রানা আদালতকে জানিয়েছেন। গত ৩০ জানুয়ারি তার হোয়াটসঅ্যাপে সিলগুলো তৈরির অর্ডার দেন শরীফ। এরপর তিনি সিলগুলো বানান।
স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করা সৌরভ হোসেন ওরফে শরীফ (৩৪) পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ওই ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন।
এদিকে এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ এনে সৌরভ হোসেনকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী।
জানতে চাইলে জেলা জামায়াতের আমির এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা সৌরভকে দল থেকে বহিষ্কার করেছি।
তিনি ভোটারদের ‘ভোট দেওয়া’ শেখানোর জন্য নাকি সিলগুলো তৈরি করেছেন। তবে এটা দায়িত্বহীন কাজ। এ ছাড়া যার দোকান থেকে সিল উদ্ধার হয়েছে, তিনি আমাদের দলের কেউ নন।
এদিকে ভোটের সিলসহ সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের পর ওই দিনই উদ্বেগ প্রকাশ করে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সংবাদ সম্মেলন করেন।
নিজের প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সিলসহ সোহেল রানা নামে যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তিনি জামায়াতের কর্মী বলে জানতে পেরেছি।
হয়ত তার পদ-পদবিও আছে। একটি কম্পিউটারসহ ছয়টি সিল জব্দ করা হয়েছে। সিলগুলো যিনি বা যারা বানিয়েছেন, নিশ্চয়ই এর পেছনে অনেক কলকবজা আছে, একটা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের হিসাব-নিকাশ আছে।
বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের পর একই দিন রাত ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রেজাউল করিম বলেন, ভোটের সিলসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির সঙ্গে জামায়াতকে জড়িয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি ওয়াহেদ পারভেজ বলেন, স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর সিল তৈরির পেছনের উদ্দেশ্য এবং আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে জব্দ করা আলামত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
লক্ষ্মীপুরে ভোটের অবৈধ ছয়টি সিল উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রিন্টিং প্রেসের মালিক সোহেল রানা (৪০) আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দিতে তিনি এক জামায়াত নেতার নির্দেশে এ কাজ করেছেন বলে জানিয়েছেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এ সময় তিনি ভোটের সিল তৈরির নির্দেশদাতার নাম প্রকাশ করেন। সোহেল রানা সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের বাসিন্দা এবং মারইয়াম প্রেসের স্বত্বাধিকারী।
এর আগে গত মঙ্গলবার বিকেলে শহরের পুরোনো আদালত রোডের মারইয়াম প্রেস থেকে ভোটে ব্যবহারের অবৈধ ছয়টি সিল, একটি কম্পিউটার, একটি মুঠোফোনসহ সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহেদ পারভেজ স্বীকারোক্তি দেওয়ার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে বলেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতা সৌরভ হোসেন ওরফে শরীফের নির্দেশে এসব সিল তৈরি করা হয়েছে বলে সোহেল রানা আদালতকে জানিয়েছেন। গত ৩০ জানুয়ারি তার হোয়াটসঅ্যাপে সিলগুলো তৈরির অর্ডার দেন শরীফ। এরপর তিনি সিলগুলো বানান।
স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করা সৌরভ হোসেন ওরফে শরীফ (৩৪) পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ওই ওয়ার্ডের জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি। এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে তিনি আত্মগোপনে আছেন।
এদিকে এ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ এনে সৌরভ হোসেনকে বহিষ্কার করেছে জামায়াতে ইসলামী।
জানতে চাইলে জেলা জামায়াতের আমির এস ইউ এম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা সৌরভকে দল থেকে বহিষ্কার করেছি।
তিনি ভোটারদের ‘ভোট দেওয়া’ শেখানোর জন্য নাকি সিলগুলো তৈরি করেছেন। তবে এটা দায়িত্বহীন কাজ। এ ছাড়া যার দোকান থেকে সিল উদ্ধার হয়েছে, তিনি আমাদের দলের কেউ নন।
এদিকে ভোটের সিলসহ সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারের পর ওই দিনই উদ্বেগ প্রকাশ করে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি সংবাদ সম্মেলন করেন।
নিজের প্রধান নির্বাচনি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সিলসহ সোহেল রানা নামে যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তিনি জামায়াতের কর্মী বলে জানতে পেরেছি।
হয়ত তার পদ-পদবিও আছে। একটি কম্পিউটারসহ ছয়টি সিল জব্দ করা হয়েছে। সিলগুলো যিনি বা যারা বানিয়েছেন, নিশ্চয়ই এর পেছনে অনেক কলকবজা আছে, একটা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের হিসাব-নিকাশ আছে।
বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের পর একই দিন রাত ১০টার দিকে লক্ষ্মীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রেজাউল করিম বলেন, ভোটের সিলসহ গ্রেপ্তার ব্যক্তির সঙ্গে জামায়াতকে জড়িয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ওসি ওয়াহেদ পারভেজ বলেন, স্বীকারোক্তি দেওয়ার পর সিল তৈরির পেছনের উদ্দেশ্য এবং আরও কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে জব্দ করা আলামত পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৫
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে ট্রেন পরিচালনা নিশ্চিত করতে মেট্রোরেলের সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সরকারি এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের দিন মেট্রোরেল চলবে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রেন চলাচল নির্বিঘ্ন ও স্বাভাবিক রাখতে আওতাধীন ট্রেন অপারেশন এবং অত্যাবশ্যকীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
ডিএমটিসিএলের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ডিএমটিসিএলের অধীন ট্রেন অপারেশন, লাইন অপারেশন, রক্ষণাবেক্ষণ, আবশ্যকীয় নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্থাপনায় নিয়োজিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সব ধরনের ছুটি বাতিল থাকবে। তবে বিশেষ বা জরুরি প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছুটি বিবেচনা করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটপ্রধানদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম বলেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি বড় বিষয়।
স্টেশনগুলোর নিচে প্রায়ই সভা-সমাবেশ ও মিছিল হয়, সেগুলোকেও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। ভোটের অজুহাতে যদি কর্মচারীরা ছুটিতে চলে যান, তাহলে ট্রেন চালানো সম্ভব হবে না। ভোটের সময় ট্রেন পরিচালনা নিশ্চিত করতেই ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ভোটের দিন মেট্রোরেল চলবে। তবে সরকার যদি মনে করে ভোট উপলক্ষে এক বা দুই দিন মেট্রোরেল বন্ধ থাকবে, সেটি ভিন্ন বিষয়। এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে ভোটের দিন ট্রেন চালানোর জন্য ডিএমটিসিএলের প্রস্তুতি রয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে ট্রেন পরিচালনা নিশ্চিত করতে মেট্রোরেলের সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। সরকারি এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটের দিন মেট্রোরেল চলবে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্রেন চলাচল নির্বিঘ্ন ও স্বাভাবিক রাখতে আওতাধীন ট্রেন অপারেশন এবং অত্যাবশ্যকীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
ডিএমটিসিএলের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ডিএমটিসিএলের অধীন ট্রেন অপারেশন, লাইন অপারেশন, রক্ষণাবেক্ষণ, আবশ্যকীয় নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য স্থাপনায় নিয়োজিত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সব ধরনের ছুটি বাতিল থাকবে। তবে বিশেষ বা জরুরি প্রয়োজনের ক্ষেত্রে ছুটি বিবেচনা করা হবে।
এতে আরও বলা হয়, এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটপ্রধানদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমটিসিএলের পরিচালক (প্রশাসন) এ কে এম খায়রুল আলম বলেন, সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একটি বড় বিষয়।
স্টেশনগুলোর নিচে প্রায়ই সভা-সমাবেশ ও মিছিল হয়, সেগুলোকেও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে। ভোটের অজুহাতে যদি কর্মচারীরা ছুটিতে চলে যান, তাহলে ট্রেন চালানো সম্ভব হবে না। ভোটের সময় ট্রেন পরিচালনা নিশ্চিত করতেই ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখন পর্যন্ত ভোটের দিন মেট্রোরেল চলবে। তবে সরকার যদি মনে করে ভোট উপলক্ষে এক বা দুই দিন মেট্রোরেল বন্ধ থাকবে, সেটি ভিন্ন বিষয়। এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে ভোটের দিন ট্রেন চালানোর জন্য ডিএমটিসিএলের প্রস্তুতি রয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.