
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৯
বরিশালের হিজলা উপজেলায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় হিজলা সেনাবাহিনী ক্যাম্প হলরুমে এ মতবিনিময় করা হয়।
সভায় হিজলা সেনাবাহিনী ক্যাম্পে ৪১ বীর অধিনায়ক মেজর কাজী জাহিদুল ইসলাম হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে আগামী ১৩ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন এ নির্বাচনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে।কোনো সমস্যা হলে সেনাবাহিনীর সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তখন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান পূজা ফন্টের সদস্য সচিব বাপ্পী দে বলেন এই উপজেলা দীর্ঘ দিন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে। আশা করি জাতীয় নির্বাচনে কোনো সমস্যা নেই।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের হিজলা উপজেলায় সেনাবাহিনীর ক্যাম্পে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় হিজলা সেনাবাহিনী ক্যাম্প হলরুমে এ মতবিনিময় করা হয়।
সভায় হিজলা সেনাবাহিনী ক্যাম্পে ৪১ বীর অধিনায়ক মেজর কাজী জাহিদুল ইসলাম হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে আগামী ১৩ তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
তিনি বলেন এ নির্বাচনে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যাতে নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে।কোনো সমস্যা হলে সেনাবাহিনীর সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
তখন হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান পূজা ফন্টের সদস্য সচিব বাপ্পী দে বলেন এই উপজেলা দীর্ঘ দিন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় থাকে। আশা করি জাতীয় নির্বাচনে কোনো সমস্যা নেই।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:১০
কর্মজীবী নারীদের বিরুদ্ধে কটুক্তি করায় বরিশালে মুখে কালো কাপড় বেধে মৌন মিছিল করছে মহিলা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা মহিলা পরিষদের উদ্যোগে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে সদর রোড থেকে এ মৌন মিছিল বের করা হয়। এর আগে মানববন্ধন করেন তারা।
এ সময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, কোনো রাজনৈতিক নেতাদের কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অশ্লীল বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দাজনক। তার এর তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে যারা এই বক্তব্য দিয়েছে তাদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। পরে মিছিলটি নগরীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
মহিলা পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি শাহ সাজেদার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক পুষ্প চক্রবর্তীসহ অন্যান্যরা।
কর্মজীবী নারীদের বিরুদ্ধে কটুক্তি করায় বরিশালে মুখে কালো কাপড় বেধে মৌন মিছিল করছে মহিলা পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা মহিলা পরিষদের উদ্যোগে নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে সদর রোড থেকে এ মৌন মিছিল বের করা হয়। এর আগে মানববন্ধন করেন তারা।
এ সময় মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, কোনো রাজনৈতিক নেতাদের কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অশ্লীল বক্তব্য অত্যন্ত নিন্দাজনক। তার এর তীব্র নিন্দা জানান। একই সঙ্গে যারা এই বক্তব্য দিয়েছে তাদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। পরে মিছিলটি নগরীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়।
মহিলা পরিষদ জেলা শাখার সভাপতি শাহ সাজেদার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক পুষ্প চক্রবর্তীসহ অন্যান্যরা।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৮
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, নষ্ট ও অবহেলার রাজনীতিতে আর থাকতে চাই না।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর, ইদেলকাঠি ও রাকুদিয়া নতুনহাট এলাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণসংযোগ ও পথসভায় এসব কথা বলেন ফুয়াদ।
তিনি আরও জানান, পরিবর্তনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ঈগল প্রতীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এতে জনগণের সরকার গঠিত হবে এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। অন্যথায় দেশে আবারও ফ্যাসিস্ট সরকারের উত্থান ঘটবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
পথসভায় তিনি বলেন, দীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে বরিশাল-৩ আসনটি অবহেলিত। সব সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে বাবুগঞ্জসহ এই এলাকার মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়েছে। পুরনো ধারার রাজনীতি আর চলতে দেওয়া যায় না।
ফুয়াদ আরও জানান, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের এবি পার্টির প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন।
এ সময় জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান অলিদ, উপজেলা জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাঝি, রুহুল আমিন খায়ের, জেলা এবি পার্টির সদস্যসচিব জিএম রাব্বি এবং সাইফুল ইসলামসহ অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেছেন, নষ্ট ও অবহেলার রাজনীতিতে আর থাকতে চাই না।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার দেহেরগতি ইউনিয়নের বাহেরচর, ইদেলকাঠি ও রাকুদিয়া নতুনহাট এলাকায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণসংযোগ ও পথসভায় এসব কথা বলেন ফুয়াদ।
তিনি আরও জানান, পরিবর্তনের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য ঈগল প্রতীকে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এতে জনগণের সরকার গঠিত হবে এবং উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। অন্যথায় দেশে আবারও ফ্যাসিস্ট সরকারের উত্থান ঘটবে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
পথসভায় তিনি বলেন, দীর্ঘ ৫৫ বছর ধরে বরিশাল-৩ আসনটি অবহেলিত। সব সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও সৎ ও যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে বাবুগঞ্জসহ এই এলাকার মানুষ বৈষম্যের শিকার হয়েছে। পুরনো ধারার রাজনীতি আর চলতে দেওয়া যায় না।
ফুয়াদ আরও জানান, ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের এবি পার্টির প্রার্থী হিসেবে ঈগল প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন।
এ সময় জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান অলিদ, উপজেলা জামায়াতের আমির রফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম মাঝি, রুহুল আমিন খায়ের, জেলা এবি পার্টির সদস্যসচিব জিএম রাব্বি এবং সাইফুল ইসলামসহ অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৩
বরিশালের মুলাদীতে জয়ন্তী নদী দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। মুলাদী বন্দরের কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলের জয়ন্তী নদীর অংশ দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করছেন তাঁরা। জমির মালিকানা দাবি করে বাঁশ দিয়ে দখলকারীরা নদীতে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।
এ ঘটনায় গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ীরা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান হাওলাদার জানান, বন্দরের ব্যবসায়ীরা ঢাকা-বরিশাল থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য নয়াভাঙনী ও জয়ন্তী নদী ব্যবহার করে থাকেন।
নদীতে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচলে কিছুটা ব্যাহত হলেও জোয়ার-ভাটা হিসাব করে ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহন করেন। কয়েক দিন ধরে চরডিক্রী এলাকার হারুন হাওলাদার, রাজ্জাক সিকদার, মোবারক খান ও তাঁদের লোকজন কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী নদীতে বাঁশ দিয়ে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে ব্যবসায়ীরা ট্রলার নিয়ে জয়ন্তী নদীতে প্রবেশ করতে পারছেন না। এতে পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সড়কপথে পরিবহন করতে হবে।
মুলাদী বন্দর ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, মুলাদী বন্দরের শতাধিক ব্যবসায়ী ও কাঠবাজারের লোকজন ট্রলারে পণ্য পরিবহন করে থাকেন।
প্রভাবশালীরা নদী দখল করে দোকান নির্মাণ করেছেন। বর্তমানে বাঁশ দিয়ে বাঁধ দিয়ে পুরো নদী দখল করছেন। এ ছাড়া নদীর পশ্চিম পাশের অংশ দখল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ বিপন্ন হবে। তাই নদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
মুলাদী বন্দর বণিক সমিতির সভাপতি এফ এম মাইনুল ইসলাম বলেন, নৌপথে পণ্য পরিবহন খরচ তুলনামূলক কম। নদীতে নৌযান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়বেন। সরকারি জমি ও নদী রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক সিকদার নদী দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের রেকর্ডীয় জমিতে পাইলিং করে ভবন নির্মাণ করছি। এতে নদীতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণ নেই। এ ছাড়া জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলে চর জেগে ওঠায় বর্ষা মৌসুম ছাড়া নৌযান চলাচল করতে পারে না।’
মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহা বলেন, সরকারি ও নদী দখলের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে নদী দখলের সত্যতা পাওয়া গেছে। সার্ভেয়ার দিয়ে জরিপ শেষে প্রয়োজনে স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি ও নদী রক্ষা করা হবে।
মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের মুলাদীতে জয়ন্তী নদী দখল করে দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে। মুলাদী বন্দরের কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলের জয়ন্তী নদীর অংশ দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করছেন তাঁরা। জমির মালিকানা দাবি করে বাঁশ দিয়ে দখলকারীরা নদীতে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা।
এ ঘটনায় গত সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ীরা পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মুলাদী বন্দরের ব্যবসায়ী মো. শাহজাহান হাওলাদার জানান, বন্দরের ব্যবসায়ীরা ঢাকা-বরিশাল থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য নয়াভাঙনী ও জয়ন্তী নদী ব্যবহার করে থাকেন।
নদীতে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচলে কিছুটা ব্যাহত হলেও জোয়ার-ভাটা হিসাব করে ব্যবসায়ীরা পণ্য পরিবহন করেন। কয়েক দিন ধরে চরডিক্রী এলাকার হারুন হাওলাদার, রাজ্জাক সিকদার, মোবারক খান ও তাঁদের লোকজন কাঠবাজার এলাকায় জয়ন্তী নদীতে বাঁশ দিয়ে নৌযান চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়েছেন। ফলে ব্যবসায়ীরা ট্রলার নিয়ে জয়ন্তী নদীতে প্রবেশ করতে পারছেন না। এতে পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং সড়কপথে পরিবহন করতে হবে।
মুলাদী বন্দর ব্যবসায়ী পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, মুলাদী বন্দরের শতাধিক ব্যবসায়ী ও কাঠবাজারের লোকজন ট্রলারে পণ্য পরিবহন করে থাকেন।
প্রভাবশালীরা নদী দখল করে দোকান নির্মাণ করেছেন। বর্তমানে বাঁশ দিয়ে বাঁধ দিয়ে পুরো নদী দখল করছেন। এ ছাড়া নদীর পশ্চিম পাশের অংশ দখল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ বিপন্ন হবে। তাই নদী রক্ষায় পরিবেশ অধিদপ্তর ও প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
মুলাদী বন্দর বণিক সমিতির সভাপতি এফ এম মাইনুল ইসলাম বলেন, নৌপথে পণ্য পরিবহন খরচ তুলনামূলক কম। নদীতে নৌযান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সাধারণ ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়বেন। সরকারি জমি ও নদী রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আব্দুর রাজ্জাক সিকদার নদী দখলের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘আমাদের রেকর্ডীয় জমিতে পাইলিং করে ভবন নির্মাণ করছি। এতে নদীতে নৌযান চলাচলে বাধা সৃষ্টি হওয়ার কারণ নেই। এ ছাড়া জয়ন্তী ও নয়াভাঙনী নদীর সংযোগস্থলে চর জেগে ওঠায় বর্ষা মৌসুম ছাড়া নৌযান চলাচল করতে পারে না।’
মুলাদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পরাগ সাহা বলেন, সরকারি ও নদী দখলের বিষয়ে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিকভাবে নদী দখলের সত্যতা পাওয়া গেছে। সার্ভেয়ার দিয়ে জরিপ শেষে প্রয়োজনে স্থাপনা উচ্ছেদ করে সরকারি জমি ও নদী রক্ষা করা হবে।
মুলাদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. গোলাম সরওয়ার বলেন, ব্যবসায়ীদের লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে নদী রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৮
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৮
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪
০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৯