
২২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৩:২০
বাংলাদেশের ক্যালেন্ডার তথ্য মতে আজ ১৪৪৭ হিজরির রজবের ১ম দিন। মুসলিম জীবনে এই রজব মাসের অনেক গুরত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। কারণ প্রতিটি কাজের যেমন একটি বিশেষ সময় বা মৌসুম থাকে; তেমনি মুমিন জীবনে ইবাদতের কিছু বিশেষ মৌসুম রয়েছে। যে মৌসুমগুলোতে একজন মুমিন অল্প আমলেও অধিক সাওয়াবের অধিকারী হতে পারেন।
তার মধ্য থেকে একটি অন্যতম মাস হলো রজব মাস। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় আসমানসমূহ ও জমিনের সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর বিধানে আল্লাহর কাছে গণনায় মাস ১২টি, তার মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস, এটাই প্রতিষ্ঠিত দ্বিন। কাজেই এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করো না।’ (সুরা : তাওবাহ, আয়াত : ৩৬)
এখানে চারটি মাসকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে। বিদায় হজের সময় মিনা প্রান্তরে প্রদত্ত খুতবায় রাসুল (সা.) সম্মানিত মাসগুলোকে চিহ্নিত করে বলেন, ‘তিনটি মাস হলো ধারাবাহিক—জিলকদ, জিলহজ ও মহররম, অন্যটি হলো রজব।’ (বুখারি, হাদিস : ৩১৯৭, মুসলিম, হাদিস : ১৬৭৯)
অন্য এক হাদিসে আবু বাকরাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সময় আবার ঘুরে তার নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ফিরে এসেছে। যে পদ্ধতিতে আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিনের মতো। মাসের সংখ্যা ১২টি। তার মধ্যে চারটি হচ্ছে—হারাম মাস। তিনটি পর পর জিলকদ, জিলহজ ও মহররম। আর হচ্ছে মুদার গোত্রের রজব মাস, যা জুমাদা আস-সানি ও শাবান মাসের মাঝখানে থাকে।’ (বুখারি, হাদিস : ৪৬৬২, মুসলিম, হাদিস : ১৬৭৯)
আয়াতে বর্ণিত ‘কাজেই এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করো না’ প্রসঙ্গে মুফাসসিররা বলেন, এই মাসগুলোতে কোনো ধরনের যুদ্ধবিগ্রহ, পারস্পরিক সংঘাত ও একে অন্যকে অবৈধ পন্থায় ঠকানো থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। এখানে রজব মাসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে এর ঠিক একটি মাস পরেই আসছে মুমিন জীবনে ইবাদতের সবচেয়ে বড় উপলক্ষ রমজান মাস।
কাজেই রমজান মাসে নিজের আত্মিক পরিশুদ্ধি আনয়ন করে যথাযথভাবে ইবাদতে নিবেদিত হওয়ার জন্য রজব মাস থেকে একটু একটু করে সব ধরনের অন্যায়, অনাচার আর নৈতিকতা বিবর্জিত বিষয়াদি পরিত্যাগ করে, বেশি বেশি নফল ইবাদত যেমন দান, সদকা, নফল নামাজ আর বেশি বেশি করে আল্লাহর স্মরণকে সঙ্গী করে রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে।
রজব মাসে উপনীত হওয়ার পর থেকেই বেশি বেশি করে রমজান প্রাপ্তি ও রজব এবং শাবান মাসে বরকত লাভের দোয়া করতে বলা হয়েছে।
হজরত আনাস (রা.) সূত্রে বর্ণিত, যখন রজব মাস শুরু হতো, রাসুল (সা.) তখন এ দোয়াটি পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শাবান, ওয়াবাল্লিগনা রমাদান।’ অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান মাস পর্যন্ত হায়াত বৃদ্ধি করে দিন।’ (আলমুজামুল আওসাত, হাদিস : ৩৯৩৯)
এ ছাড়া আমরা রজব ও শাবান মাসে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতে পারি, এর দ্বারা রাসুল (সা.)-এর একটি সুন্নত পালনের সঙ্গে সঙ্গে রমজানের দীর্ঘ একটি মাস রোজা পালনের বড় ধরনের একটি প্র্যাকটিসও হয়ে যাবে। যাতে করে রমজানের ফরজ রোজাগুলো পালন আমাদের জন্য সহজতর মনে হবে।
কাজেই রজব মাসের শিক্ষা হলো আমরা যেন এখন থেকেই নিজেদের লাগামকে টেনে ধরি। আমাদের ভাষা আর আমাদের আচরণ যেন আমরা ঠিক করে নিই। আমার দ্বারা যেন কেউ কোনো কষ্ট না পায়। কারণ এখন থেকেই ইবাদতের চূড়ান্ত মৌসুম রমজানের শতভাগ প্রাপ্তি অর্জনের প্রস্তুতি গ্রহণের সময়।
পাশাপাশি রজব মাসকে ঘিরে কিছু কুসংস্কারও আছে, যেমন রজব মাসে হাজারি রোজা বলতে কোনো রোজা নেই। এটি বানোয়াট। (কিতাবুল মাওদুয়াত, ইবনুল জাওজি : ২/২০৮, তালখিসুল মাওদুয়াত, পৃষ্ঠা ২০৯, তাজকিরাতুল মাওজুয়াত, পৃষ্ঠা ১১৬, আল আসারুল মারুপা, পৃষ্ঠা-৫৮)
এ ছাড়া জাহেলি যুগে এ মাসে পশু জবাই করে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হতো, যাকে ‘আতিরা’ বলা হতো। রাসুল (সা.) এ ধরনের কুসংস্কার থেকে বিরত থাকার আদেশ করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ৫৪৭৩)
তাই রজব মাস ঘিরে এ ধরনের কোনো কুসংস্কারে লিপ্ত হওয়া যাবে না। অনেকের মধ্যে আবার সন্দেহ কাজ করে এই মাসে বিয়েশাদি করা যাবে কি না? রজব মাসে বিয়েশাদি নিষিদ্ধ এমন কোনো নির্দেশনা কোরআন-হাদিসে পাওয়া যায় না। তাই এ ধরনের প্রশ্ন করাই অবান্তর।
আসুন! পবিত্র রজব মাসে আমরা রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করি। সব কুসংস্কার থেকে বিরত থাকি। যদি কোনোভাবে সম্ভব হয়, আমাদের দুনিয়াবি কাজগুলোও এই মাসে গুছিয়ে ফেলি, যাতে পবিত্র রমজানে আমরা আল্লাহর ইবাদতে বেশি সময় দিতে পারি।
বাংলাদেশের ক্যালেন্ডার তথ্য মতে আজ ১৪৪৭ হিজরির রজবের ১ম দিন। মুসলিম জীবনে এই রজব মাসের অনেক গুরত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। কারণ প্রতিটি কাজের যেমন একটি বিশেষ সময় বা মৌসুম থাকে; তেমনি মুমিন জীবনে ইবাদতের কিছু বিশেষ মৌসুম রয়েছে। যে মৌসুমগুলোতে একজন মুমিন অল্প আমলেও অধিক সাওয়াবের অধিকারী হতে পারেন।
তার মধ্য থেকে একটি অন্যতম মাস হলো রজব মাস। মহান আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয় আসমানসমূহ ও জমিনের সৃষ্টির দিন থেকেই আল্লাহর বিধানে আল্লাহর কাছে গণনায় মাস ১২টি, তার মধ্যে চারটি নিষিদ্ধ মাস, এটাই প্রতিষ্ঠিত দ্বিন। কাজেই এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করো না।’ (সুরা : তাওবাহ, আয়াত : ৩৬)
এখানে চারটি মাসকে বিশেষভাবে সম্মানিত করা হয়েছে। বিদায় হজের সময় মিনা প্রান্তরে প্রদত্ত খুতবায় রাসুল (সা.) সম্মানিত মাসগুলোকে চিহ্নিত করে বলেন, ‘তিনটি মাস হলো ধারাবাহিক—জিলকদ, জিলহজ ও মহররম, অন্যটি হলো রজব।’ (বুখারি, হাদিস : ৩১৯৭, মুসলিম, হাদিস : ১৬৭৯)
অন্য এক হাদিসে আবু বাকরাহ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই সময় আবার ঘুরে তার নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে ফিরে এসেছে। যে পদ্ধতিতে আল্লাহ আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন সেদিনের মতো। মাসের সংখ্যা ১২টি। তার মধ্যে চারটি হচ্ছে—হারাম মাস। তিনটি পর পর জিলকদ, জিলহজ ও মহররম। আর হচ্ছে মুদার গোত্রের রজব মাস, যা জুমাদা আস-সানি ও শাবান মাসের মাঝখানে থাকে।’ (বুখারি, হাদিস : ৪৬৬২, মুসলিম, হাদিস : ১৬৭৯)
আয়াতে বর্ণিত ‘কাজেই এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করো না’ প্রসঙ্গে মুফাসসিররা বলেন, এই মাসগুলোতে কোনো ধরনের যুদ্ধবিগ্রহ, পারস্পরিক সংঘাত ও একে অন্যকে অবৈধ পন্থায় ঠকানো থেকে বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। এখানে রজব মাসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে এর ঠিক একটি মাস পরেই আসছে মুমিন জীবনে ইবাদতের সবচেয়ে বড় উপলক্ষ রমজান মাস।
কাজেই রমজান মাসে নিজের আত্মিক পরিশুদ্ধি আনয়ন করে যথাযথভাবে ইবাদতে নিবেদিত হওয়ার জন্য রজব মাস থেকে একটু একটু করে সব ধরনের অন্যায়, অনাচার আর নৈতিকতা বিবর্জিত বিষয়াদি পরিত্যাগ করে, বেশি বেশি নফল ইবাদত যেমন দান, সদকা, নফল নামাজ আর বেশি বেশি করে আল্লাহর স্মরণকে সঙ্গী করে রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে।
রজব মাসে উপনীত হওয়ার পর থেকেই বেশি বেশি করে রমজান প্রাপ্তি ও রজব এবং শাবান মাসে বরকত লাভের দোয়া করতে বলা হয়েছে।
হজরত আনাস (রা.) সূত্রে বর্ণিত, যখন রজব মাস শুরু হতো, রাসুল (সা.) তখন এ দোয়াটি পড়তেন, ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শাবান, ওয়াবাল্লিগনা রমাদান।’ অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসকে বরকতময় করুন এবং আমাদের রমজান মাস পর্যন্ত হায়াত বৃদ্ধি করে দিন।’ (আলমুজামুল আওসাত, হাদিস : ৩৯৩৯)
এ ছাড়া আমরা রজব ও শাবান মাসে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতে পারি, এর দ্বারা রাসুল (সা.)-এর একটি সুন্নত পালনের সঙ্গে সঙ্গে রমজানের দীর্ঘ একটি মাস রোজা পালনের বড় ধরনের একটি প্র্যাকটিসও হয়ে যাবে। যাতে করে রমজানের ফরজ রোজাগুলো পালন আমাদের জন্য সহজতর মনে হবে।
কাজেই রজব মাসের শিক্ষা হলো আমরা যেন এখন থেকেই নিজেদের লাগামকে টেনে ধরি। আমাদের ভাষা আর আমাদের আচরণ যেন আমরা ঠিক করে নিই। আমার দ্বারা যেন কেউ কোনো কষ্ট না পায়। কারণ এখন থেকেই ইবাদতের চূড়ান্ত মৌসুম রমজানের শতভাগ প্রাপ্তি অর্জনের প্রস্তুতি গ্রহণের সময়।
পাশাপাশি রজব মাসকে ঘিরে কিছু কুসংস্কারও আছে, যেমন রজব মাসে হাজারি রোজা বলতে কোনো রোজা নেই। এটি বানোয়াট। (কিতাবুল মাওদুয়াত, ইবনুল জাওজি : ২/২০৮, তালখিসুল মাওদুয়াত, পৃষ্ঠা ২০৯, তাজকিরাতুল মাওজুয়াত, পৃষ্ঠা ১১৬, আল আসারুল মারুপা, পৃষ্ঠা-৫৮)
এ ছাড়া জাহেলি যুগে এ মাসে পশু জবাই করে বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হতো, যাকে ‘আতিরা’ বলা হতো। রাসুল (সা.) এ ধরনের কুসংস্কার থেকে বিরত থাকার আদেশ করেছেন। (বুখারি, হাদিস : ৫৪৭৩)
তাই রজব মাস ঘিরে এ ধরনের কোনো কুসংস্কারে লিপ্ত হওয়া যাবে না। অনেকের মধ্যে আবার সন্দেহ কাজ করে এই মাসে বিয়েশাদি করা যাবে কি না? রজব মাসে বিয়েশাদি নিষিদ্ধ এমন কোনো নির্দেশনা কোরআন-হাদিসে পাওয়া যায় না। তাই এ ধরনের প্রশ্ন করাই অবান্তর।
আসুন! পবিত্র রজব মাসে আমরা রমজানের প্রস্তুতি গ্রহণ করি। সব কুসংস্কার থেকে বিরত থাকি। যদি কোনোভাবে সম্ভব হয়, আমাদের দুনিয়াবি কাজগুলোও এই মাসে গুছিয়ে ফেলি, যাতে পবিত্র রমজানে আমরা আল্লাহর ইবাদতে বেশি সময় দিতে পারি।

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২১

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪২
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৫
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪৪