Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:২৬
বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার তদ্বিরে পৌর বিএনপির ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির জোমাদার ও সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
বিএনপি নেতা বিপ্লবের অব্যাহতি পত্র সোশ্যাল মিডিয়া প্রকাশ হলে বিএনপি'র নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অব্যাহতি ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লব দলের একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি বিগত ১৬-১৭ বছর যাবত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে একাধিক মামলার শিকার হয়ে কারাবরণ করেন।
এমনকি তার ছোট কন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত জুঁথি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বিরোধী এক দফার আন্দোলনে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।
বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি আর্থিক ক্ষতিসহ নানারকম হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ রকম একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে অব্যাহতি দেয়া নিয়ে নেতাকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ারসহ নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌর বিএনপির এক নেতা জানান, গত কয়েকদিন ধরে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদগার কথা লিখে পোস্ট করেন।
এ লেখার প্রতিবাদে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লব তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে প্রতিবাদ করেন। পরবর্তীতে পৌর বিএনপির একটি চক্রের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শোভন সাবেক বিএনপি'র এমপি আবুল হোসেন খানের বাসভবনে গিয়ে বিপ্লবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার তদবিরের কয়েক দিনের মাথায় শনিবার তাকে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
জামাল হোসেন বিপ্লবের অব্যাহতি দেয়ার প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেলে পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন উল্লাস প্রকাশ করে লেখেন, "স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বিএনপি থেকে জামাল হোসেন বিপ্লবকে অব্যাহতি দেয়ায় ধন্যবাদ সাবেক এমপি আবুল হোসেন কাকাকে।"
জামাল হোসেন বিপ্লবের অব্যাহতির বিষয় বাকেরগঞ্জ পৌর যুবদলের সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মনির তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে "ছাত্রলীগ নেতার সাথে অশোভন আচরণ করার জন্য কারাবরণকারী ত্যাগী নেতা বিপ্লব ভাই বহিষ্কার" শিরোনামে একটি লেখা পোস্ট করেন।
ছাত্রদল নেতা শওকত খান তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছেন পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটিতে পদ পেয়েছেন একাধিক আওয়ামী নেতা, অথচ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার অভিযোগ ও তদবিরের কারণে জুলুমের শিকার কারাবরণকারী ত্যাগী নেতা ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দল থেকে অব্যাহতি! বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
পৌরসভার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়ে জামাল হোসেন বিপ্লব বলেন, কী কারনে তাকে অব্যাহতি দেয়া আছে তিনি জানেন না। তিনি বিগত ১৬-১৭ বছর যাবত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামীকে ভূমিকা রেখেছেন এবং একাধিকবার জেল খেটেছেন। রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই। দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই তিনি পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছেন।
পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির জোমাদ্দার জানান, সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিপ্লবকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার সুপারিশেই কি বিপ্লবকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এ বিষয় প্রশ্ন করলে তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে নিশ্চুপ থাকেন। শুধু বানান ঠিক কর
বরিশালের বাকেরগঞ্জে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার তদ্বিরে পৌর বিএনপির ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল শনিবার (১১ অক্টোবর) পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির জোমাদার ও সাধারণ সম্পাদক শাহাবুদ্দিন তালুকদার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ৪নং ওয়ার্ড সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
বিএনপি নেতা বিপ্লবের অব্যাহতি পত্র সোশ্যাল মিডিয়া প্রকাশ হলে বিএনপি'র নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও হতাশা তৈরি হয়েছে। অনেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় অব্যাহতি ঘটনার তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ঘটনার সূত্রে জানা যায়, বাকেরগঞ্জ পৌরসভার সদ্য অব্যাহতিপ্রাপ্ত ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লব দলের একজন নিবেদিত প্রাণ। তিনি বিগত ১৬-১৭ বছর যাবত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করে একাধিক মামলার শিকার হয়ে কারাবরণ করেন।
এমনকি তার ছোট কন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যয়নরত জুঁথি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বিরোধী এক দফার আন্দোলনে বাকেরগঞ্জ উপজেলায় ব্যাপক ভূমিকা রেখেছেন।
বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি আর্থিক ক্ষতিসহ নানারকম হয়রানির শিকার হয়েছেন। এ রকম একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে অব্যাহতি দেয়া নিয়ে নেতাকর্মীরা সোশ্যাল মিডিয়ারসহ নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌর বিএনপির এক নেতা জানান, গত কয়েকদিন ধরে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে বিএনপির বিরুদ্ধে বিষোদগার কথা লিখে পোস্ট করেন।
এ লেখার প্রতিবাদে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লব তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে প্রতিবাদ করেন। পরবর্তীতে পৌর বিএনপির একটি চক্রের সহযোগিতায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা শোভন সাবেক বিএনপি'র এমপি আবুল হোসেন খানের বাসভবনে গিয়ে বিপ্লবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার তদবিরের কয়েক দিনের মাথায় শনিবার তাকে ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
জামাল হোসেন বিপ্লবের অব্যাহতি দেয়ার প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেলে পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি শোভন উল্লাস প্রকাশ করে লেখেন, "স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি বিএনপি থেকে জামাল হোসেন বিপ্লবকে অব্যাহতি দেয়ায় ধন্যবাদ সাবেক এমপি আবুল হোসেন কাকাকে।"
জামাল হোসেন বিপ্লবের অব্যাহতির বিষয় বাকেরগঞ্জ পৌর যুবদলের সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মনির তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে "ছাত্রলীগ নেতার সাথে অশোভন আচরণ করার জন্য কারাবরণকারী ত্যাগী নেতা বিপ্লব ভাই বহিষ্কার" শিরোনামে একটি লেখা পোস্ট করেন।
ছাত্রদল নেতা শওকত খান তার নিজস্ব ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেছেন পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটিতে পদ পেয়েছেন একাধিক আওয়ামী নেতা, অথচ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার অভিযোগ ও তদবিরের কারণে জুলুমের শিকার কারাবরণকারী ত্যাগী নেতা ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জামাল হোসেন বিপ্লবকে দল থেকে অব্যাহতি! বিষয়টি খুবই দুঃখজনক।
পৌরসভার ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়ার বিষয়ে জামাল হোসেন বিপ্লব বলেন, কী কারনে তাকে অব্যাহতি দেয়া আছে তিনি জানেন না। তিনি বিগত ১৬-১৭ বছর যাবত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামীকে ভূমিকা রেখেছেন এবং একাধিকবার জেল খেটেছেন। রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই। দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই তিনি পরবর্তী সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছেন।
পৌর বিএনপির সভাপতি নাসির জোমাদ্দার জানান, সংগঠন বিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে বিপ্লবকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার সুপারিশেই কি বিপ্লবকে ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতির পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে এ বিষয় প্রশ্ন করলে তিনি কোন সদুত্তর না দিয়ে নিশ্চুপ থাকেন। শুধু বানান ঠিক কর

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫৫

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৭

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৯
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।
বরিশালের বাবুগঞ্জে ঘরের দোতলায় বসে রশির টানিয়ে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বিএনপি নেতা মো. এনামুল হাওলাদার (৪৫) কে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এবং দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।
বিএনপি নেতা মো. এনামুল হাওলাদার (৪৫) বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানাধীন রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে। তিনি রহমতপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আ. করিম হাং ও সাধারণ সম্পাদক রাজন সিকদারের সিদ্ধান্তে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. নিজাম হাওলাদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ এবং দলের নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলার পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে রহমতপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. এনামুল হাওলাদারকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের তাকে কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) বরিশাল জেলা কার্যালয়ের একটি দল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানাধীন রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামে এনামুল হাওলাদারের নিজ বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে তার কাছ থেকে ৩২৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ৬ লাখ ৫৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ বাড়ির দোতলায় বসে রশির মাধ্যমে ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করতেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা তার বাড়িতে এসে ইয়াবা কিনতেন। বাড়ির লোকজন একাধিকবার তাকে বাধা দিলেও তিনি এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরে ডিএনসির সদস্যরা ছদ্মবেশে ওই বাড়িতে ইয়াবা কিনতে যান। এ সময় এনামুল দোতলায় বসে রশির মাধ্যমে তাদের কাছে ইয়াবা সরবরাহ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরপরই ডিএনসির আরেকটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক হাওলাদার মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এনামুল হাওলাদারের ঘরের দোতলা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জে ঘরের দোতলায় বসে রশির টানিয়ে ইয়াবা বিক্রির অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া বিএনপি নেতা মো. এনামুল হাওলাদার (৪৫) কে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এবং দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা।
বিএনপি নেতা মো. এনামুল হাওলাদার (৪৫) বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানাধীন রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে। তিনি রহমতপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আ. করিম হাং ও সাধারণ সম্পাদক রাজন সিকদারের সিদ্ধান্তে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক মো. নিজাম হাওলাদার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগ এবং দলের নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলার পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে রহমতপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. এনামুল হাওলাদারকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলীয় নেতাকর্মীদের তাকে কোনো ধরনের সাংগঠনিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে বুধবার (১১ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) বরিশাল জেলা কার্যালয়ের একটি দল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানাধীন রহমতপুর ইউনিয়নের ক্ষুদ্রকাঠী গ্রামে এনামুল হাওলাদারের নিজ বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানে তার কাছ থেকে ৩২৬ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং মাদক বিক্রির ৬ লাখ ৫৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিএনসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ বাড়ির দোতলায় বসে রশির মাধ্যমে ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি করতেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা তার বাড়িতে এসে ইয়াবা কিনতেন। বাড়ির লোকজন একাধিকবার তাকে বাধা দিলেও তিনি এই অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
অভিযানের অংশ হিসেবে বুধবার দুপুরে ডিএনসির সদস্যরা ছদ্মবেশে ওই বাড়িতে ইয়াবা কিনতে যান। এ সময় এনামুল দোতলায় বসে রশির মাধ্যমে তাদের কাছে ইয়াবা সরবরাহ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পরপরই ডিএনসির আরেকটি দল সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ অর্থ জব্দ করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বরিশাল জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক হাওলাদার মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এনামুল হাওলাদারের ঘরের দোতলা থেকে ইয়াবা ট্যাবলেট ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের এয়ারপোর্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
মাঠ কাঁপানো খ্যাতনামা ফুটবলার, সেনা কর্মকর্তা, ৭১'র রণাঙ্গনের খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীর পর এবার স্পিকারের পদ অলঙ্কৃত করলেন বৃহত্তর বরিশালের কৃতি সন্তান (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য এবং ভোলা–৩ আসনের সাতবারের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টায় অধিবেশন শুরু হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে স্পিকার হিসেবে শপথ করান। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠান জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দুপুর ১২টার পর সম্পন্ন হয়।
মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বর্তমানে নতুন সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
ব্যক্তিগত জীবন ও শিক্ষা:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের জন্ম ১৯৪৪ সালের ২৯ অক্টোবর ভোলার লালমোহনে। তার পিতা মরহুম ডা. আজহার উদ্দিন আহমদ ছিলেন পাকিস্তান জাতীয় সংসদের সাবেক সদস্য, এবং মা মরহুমা করিমুন নেছা বেগম গৃহিণী ছিলেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৫ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন এবং ১৯৭৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অবসর গ্রহণ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ ও সামরিক জীবন
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য তিনি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বীর বিক্রম পান। ৩১ জুলাই ১৯৭১, তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গলের কামালপুর বিওপি আক্রমণে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে আহত হন।
৩০ মার্চ ১৯৭১, যশোর ক্যান্টনমেন্টে তিনি তরুণ অফিসার হিসেবে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন এবং আট ঘণ্টাব্যাপী সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। পরে যশোর-খুলনা অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধকে সংগঠিত করেন এবং বেনাপোল অঞ্চলে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে একাধিক যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিনি ১ম ইস্ট বেঙ্গল ব্যাটালিয়নের একমাত্র কমান্ডিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১, মেজর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে সিলেট দখলের সময়ে তাঁর নেতৃত্বে ‘বি’ কোম্পানি পাকিস্তানি বাহিনীকে পরাজিত করে।
রাজনৈতিক জীবন;
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম ভোলা-৩ (লালমোহন ও তজমুদ্দিন) আসন থেকে সাতবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন (৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম ও ১৩তম সংসদ)। ১৯৯১ সালে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংসদে জয়ী হন এবং ১৯৯২ সালে বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৯৬ সালে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধিন দ্বিতীয় সরকারের তিনি বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী এবং ২০০১-০৬ সালে তৃতীয় সরকারের পানিসম্পদ, বাণিজ্য ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন সরকারের তিনি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালণ করছেন।
ক্রীড়াজীবন;
তিনি ছিলেন খ্যাতনামা ফুটবলার। ১৯৬৭-১৯৭১ সালে পাকিস্তান জাতীয় দলের সদস্য হিসেবে ইরান, তুরস্ক ও বার্মা (বর্তমান মিয়ানমার) সফর করেন। ১৯৭০ সালে তেহরানে অনুষ্ঠিত আরসিডি প্রতিযোগিতায় তিনি জাতীয় দলের অধিনায়ক ছিলেন। ২০০৫ সালে ফিফা তাকে বিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশের সেরা ফুটবলার হিসেবে সেন্টেনারি অর্ডার অব মেরিট সম্মাননা প্রদান করে। তিনি ঢাকা মোহামেডান স্পোর্টিং দলের সদস্য হিসেবে ১২ বছর খেলেছেন এবং ১৯৭৬ সালে দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেন। এছাড়া ১৯৬৪-৬৬ সালে প্রাদেশিক প্রতিযোগিতায় ১০০ ও ২০০ মিটার দৌড়ে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানবের খেতাব লাভ করেন।
পারিবারিক জীবন:
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের স্ত্রী দিলারা হাফিজ ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় নিযুক্ত এবং ইডেন মহিলা কলেজ ও সোহরাওয়ার্দী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে অবসর নেন। তাদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে—শাহরুখ হাফিজ, শামামা শাহরীন হাফিজ এবং তাহারাত হাফিজ।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অটোরিকশায় থাকা আরও ১ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বরিশাল পটুয়াখালী মহাসড়কের গোলদার বাড়ি নামক স্থানে সকাল ৯ টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা বাকেরগঞ্জ থেকে দাদুরহাট যাওয়ার পথে বিপরীত দিক পটুয়াখালী থেকে আসা একটি দ্রুতগামী তরমুজবাহী ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অটোরিকশাচালক হিরণ গাজী ও অটোরিক্সার যাত্রী দুইজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অটোচালক হিরণ গাজী নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘাতক ট্রাকটি জব্দ করেন।