
১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৬
বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটকের পর জেলার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে সেনানিবাসে প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে আইএসপিআর।
জেলা বিএনপি এই ঘটনার পর অভিযোগ করেছিল যে, আটকের পর অতিরিক্ত নির্যাতনে ওই বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে সেনাবাহিনীর একটি দল জীবননগরে অভিযান চালায় এবং এ সময় ওই বিএনপি নেতাকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক করা হয়।
পরে রাতেই তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করলে বিএনপি নেতাকর্মীরা তখনই রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ করে।
পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা তাদের জানিয়েছে যে জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন ওই বিএনপি নেতা।
আইএসপিআর আজ জানিয়েছে, ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জীবননগরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনী কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি দোকান থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মোঃ শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০)'কে আটক করা হয়”।
এতে আরও বলা হয়, আটক হওয়া ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে ওই ফার্মেসি থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
“অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে, আনুমানিক রাত ১২টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন,” বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছেন যে, শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কতিপয় সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে চালায়, এতে তার মৃত্যু হয়।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “অস্ত্র উদ্ধারের নামে তাকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা কখনোই দেশের মানুষের নিকট সমর্থনযোগ্য নয়। আমি ধরনের লোমহর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি”।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর ঘনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
“নিহতের পরিবার দাবি করছে যে, সেনাবাহিনী সদস্যরা শামসুজ্জামান ডাবলুকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। অন্যদিকে সেনাবাহিনী জানিয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ভয়ে স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে। এক্ষেত্রে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু যে ভাবেই হোক না কেনো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠূ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি,” এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে বেসরকারি এই সংস্থাটি।
বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটকের পর জেলার জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনায় ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশ নেওয়া সব সেনা সদস্যকে সেনানিবাসে প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছে আইএসপিআর।
জেলা বিএনপি এই ঘটনার পর অভিযোগ করেছিল যে, আটকের পর অতিরিক্ত নির্যাতনে ওই বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোমবার রাতে সেনাবাহিনীর একটি দল জীবননগরে অভিযান চালায় এবং এ সময় ওই বিএনপি নেতাকে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক করা হয়।
পরে রাতেই তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করলে বিএনপি নেতাকর্মীরা তখনই রাস্তায় নেমে এসে বিক্ষোভ করে।
পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা তাদের জানিয়েছে যে জিজ্ঞাসাবাদের সময় অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন ওই বিএনপি নেতা।
আইএসপিআর আজ জানিয়েছে, ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনের উদ্দেশ্যে একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং তদন্তে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনা আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জীবননগরে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে যৌথ বাহিনী কর্তৃক একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে, জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি দোকান থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মোঃ শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০)'কে আটক করা হয়”।
এতে আরও বলা হয়, আটক হওয়া ব্যক্তির তথ্যের ভিত্তিতে ওই ফার্মেসি থেকে পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।
“অভিযান শেষে আটককৃত ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে অচেতন হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে, আনুমানিক রাত ১২টা ২৫ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন,” বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছেন যে, শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কতিপয় সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে চালায়, এতে তার মৃত্যু হয়।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “অস্ত্র উদ্ধারের নামে তাকে ধরে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করা কখনোই দেশের মানুষের নিকট সমর্থনযোগ্য নয়। আমি ধরনের লোমহর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি”।
মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর ঘনার নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে।
“নিহতের পরিবার দাবি করছে যে, সেনাবাহিনী সদস্যরা শামসুজ্জামান ডাবলুকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। অন্যদিকে সেনাবাহিনী জানিয়েছে জিজ্ঞাসাবাদের সময় ভয়ে স্ট্রোকে তার মৃত্যু হয়েছে। এক্ষেত্রে শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু যে ভাবেই হোক না কেনো সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠূ তদন্ত নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি,” এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে বেসরকারি এই সংস্থাটি।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০২
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৮

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৬
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৩
ভোট কেনাবেচার অভিযোগ তুলে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের নির্বাচনী অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবু পাড়া এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। এতে ৯ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাঙ্গল প্রতীকের অফিস থেকে ভোটারদের মাঝে টাকা বিলি করা হচ্ছে— এমন একটি গুজব ছড়িয়ে গভীর রাতে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে চড়াও হয়।
একপর্যায়ে তারা ‘মব’ সৃষ্টি করে অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান বুলেট বাবু (৪৫) ও কর্মী শাকিল আহমেদসহ (৩৮) ৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম অভিযোগ করে বলেন, আমার নিশ্চিত বিজয় দেখে একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ছক কষেছে। তারা অবৈধ অর্থ রাখার মিথ্যা অজুহাতে গভীর রাতে তাণ্ডব চালিয়েছে এবং আমার অফিস লুট করেছে।
অথচ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তল্লাশি চালিয়ে সেখানে অবৈধ কিছুর অস্তিত্ব পাননি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
হামলার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সৈয়দপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী ইমাম জানান, টাকা বিলি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
ভোট কেনাবেচার অভিযোগ তুলে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সিদ্দিকুল আলমের নির্বাচনী অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১২টার দিকে সৈয়দপুর শহরের নতুন বাবু পাড়া এলাকায় এ হামলা চালানো হয়। এতে ৯ কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন এবং একটি গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লাঙ্গল প্রতীকের অফিস থেকে ভোটারদের মাঝে টাকা বিলি করা হচ্ছে— এমন একটি গুজব ছড়িয়ে গভীর রাতে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে সেখানে চড়াও হয়।
একপর্যায়ে তারা ‘মব’ সৃষ্টি করে অফিসে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলায় কিশোরগঞ্জ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান বুলেট বাবু (৪৫) ও কর্মী শাকিল আহমেদসহ (৩৮) ৯ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জাতীয় পার্টির প্রার্থী সিদ্দিকুল আলম অভিযোগ করে বলেন, আমার নিশ্চিত বিজয় দেখে একটি উগ্রবাদী গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ছক কষেছে। তারা অবৈধ অর্থ রাখার মিথ্যা অজুহাতে গভীর রাতে তাণ্ডব চালিয়েছে এবং আমার অফিস লুট করেছে।
অথচ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তল্লাশি চালিয়ে সেখানে অবৈধ কিছুর অস্তিত্ব পাননি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।
হামলার খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে অবরুদ্ধদের উদ্ধার করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সৈয়দপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী ইমাম জানান, টাকা বিলি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা মেলেনি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনী পরিবেশে বিঘ্ন সৃষ্টিকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.