Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১৩:৫২
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের কয়েক শ পরিবার অভিযোগ করেছেন, তাদের পূর্বপুরুষদের জমি দখল করেছে দেশের বড় ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড। কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে হারানো জমি জেগে উঠলেও প্রতিষ্ঠানটি সেটি কংক্রিট দিয়ে ঢেকে দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কীর্তনখোলা নদীর তীরে আগে দাঁড়ালে যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখা যেত, সেখানে এখন কংক্রিটের প্রাচীর ও শিল্প-কারখানার ভবন বসানো হয়েছে। নদীর স্রোত কংক্রিটের ব্লকে আটকে যাওয়ায় পানির শব্দও শোনা যায় না।
স্থানীয় রমজান আকন বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম আল্লাহ আমাদের হারানো জমি ফেরত দিয়েছেন। কিন্তু জমি আবারও কংক্রিটে ঢেকে গেছে।’ আরেক বাসিন্দা হাসান জানান, শুধু জমি নয়, নদীর অংশও দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবাদ করলে হামলার ভয় থাকায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া যায়নি।
প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়ার পরও জমি উদ্ধার হয়নি।
নদীর ছোট চরগুলো শিল্প প্রাঙ্গণের সঙ্গে মিলিত হয়ে গেছে। জাহাজ চলাচলের জায়গা এখন সংকুচিত হয়ে শুধু ছোট নৌকা চলাচল করতে পারে। এ কারণে কীর্তনখোলার নলছিটির অংশ এখন বৃত্তাকার নৌপথে পরিণত হয়েছে।
প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়ার পরও জমি উদ্ধার হয়নি।
নদীর ছোট চরগুলো শিল্প প্রাঙ্গণের সঙ্গে মিলিত হয়ে গেছে। জাহাজ চলাচলের জায়গা এখন সংকুচিত হয়ে শুধু ছোট নৌকা চলাচল করতে পারে। এ কারণে কীর্তনখোলার নলছিটির অংশ এখন বৃত্তাকার নৌপথে পরিণত হয়েছে।
ফেরি চলাচল বন্ধ হলেও খেয়াঘাট এখনো সচল। ট্রলারের চালকরা বলেন, মাসের পর মাস নদীতে ব্লক ফেলার কারণে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে, চর ও চাষের জমি হারিয়েছে।
প্রশাসনের পদক্ষেপ হিসেবে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন অভিযোগ প্রমাণের জন্য কোম্পানির বিরুদ্ধে শুনানির নোটিশ জারি করেছিল। ২২ জুলাই নির্ধারিত শুনানিতে অভিযোগকারীরা উপস্থিত থাকলেও অপসোনিনের কোনো প্রতিনিধি হাজির হননি। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অন্তরা হালদার পরবর্তী সময়ে কোম্পানির অনুপস্থিতির কারণ জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন।
ওয়ারিশরা জানিয়েছেন, তাদের পরিবারের ২৯ জনের নামে থাকা প্রায় ১৮ একর জমির মধ্যে ৪ একর ৭০ শতাংশ এখন কোম্পানির দখলে। প্রধান অভিযোগকারী মো. হাসান খান বলেন, কোম্পানি তাদের জমিতে জোর করে ভবন তুলেছে, বাধা দিলে হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। অপসোনিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বরিশালের সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, কীর্তনখোলা নদীর তীরের চরগুলো অপসোনিনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে এবং কোম্পানি নদীর ভেতর ব্লক ফেলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নলছিটির সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ জানিয়েছেন, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অপসোনিনের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। মাঠ পর্যায়ের জরিপের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ২২ জুলাই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে; কিন্তু সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশ করা সম্ভব নয়। জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান বিষয়টি পরবর্তী সময়ে মন্তব্য করবেন বলে জানিয়েছেন।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের কয়েক শ পরিবার অভিযোগ করেছেন, তাদের পূর্বপুরুষদের জমি দখল করেছে দেশের বড় ওষুধ কোম্পানি অপসোনিন ফার্মা লিমিটেড। কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে হারানো জমি জেগে উঠলেও প্রতিষ্ঠানটি সেটি কংক্রিট দিয়ে ঢেকে দিয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, কীর্তনখোলা নদীর তীরে আগে দাঁড়ালে যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখা যেত, সেখানে এখন কংক্রিটের প্রাচীর ও শিল্প-কারখানার ভবন বসানো হয়েছে। নদীর স্রোত কংক্রিটের ব্লকে আটকে যাওয়ায় পানির শব্দও শোনা যায় না।
স্থানীয় রমজান আকন বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম আল্লাহ আমাদের হারানো জমি ফেরত দিয়েছেন। কিন্তু জমি আবারও কংক্রিটে ঢেকে গেছে।’ আরেক বাসিন্দা হাসান জানান, শুধু জমি নয়, নদীর অংশও দখল করেছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিবাদ করলে হামলার ভয় থাকায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া যায়নি।
প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়ার পরও জমি উদ্ধার হয়নি।
নদীর ছোট চরগুলো শিল্প প্রাঙ্গণের সঙ্গে মিলিত হয়ে গেছে। জাহাজ চলাচলের জায়গা এখন সংকুচিত হয়ে শুধু ছোট নৌকা চলাচল করতে পারে। এ কারণে কীর্তনখোলার নলছিটির অংশ এখন বৃত্তাকার নৌপথে পরিণত হয়েছে।
প্রশাসনের কাছে সহায়তা চাওয়ার পরও জমি উদ্ধার হয়নি।
নদীর ছোট চরগুলো শিল্প প্রাঙ্গণের সঙ্গে মিলিত হয়ে গেছে। জাহাজ চলাচলের জায়গা এখন সংকুচিত হয়ে শুধু ছোট নৌকা চলাচল করতে পারে। এ কারণে কীর্তনখোলার নলছিটির অংশ এখন বৃত্তাকার নৌপথে পরিণত হয়েছে।
ফেরি চলাচল বন্ধ হলেও খেয়াঘাট এখনো সচল। ট্রলারের চালকরা বলেন, মাসের পর মাস নদীতে ব্লক ফেলার কারণে নদীর প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে, চর ও চাষের জমি হারিয়েছে।
প্রশাসনের পদক্ষেপ হিসেবে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসন অভিযোগ প্রমাণের জন্য কোম্পানির বিরুদ্ধে শুনানির নোটিশ জারি করেছিল। ২২ জুলাই নির্ধারিত শুনানিতে অভিযোগকারীরা উপস্থিত থাকলেও অপসোনিনের কোনো প্রতিনিধি হাজির হননি। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) অন্তরা হালদার পরবর্তী সময়ে কোম্পানির অনুপস্থিতির কারণ জানতে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেন।
ওয়ারিশরা জানিয়েছেন, তাদের পরিবারের ২৯ জনের নামে থাকা প্রায় ১৮ একর জমির মধ্যে ৪ একর ৭০ শতাংশ এখন কোম্পানির দখলে। প্রধান অভিযোগকারী মো. হাসান খান বলেন, কোম্পানি তাদের জমিতে জোর করে ভবন তুলেছে, বাধা দিলে হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। অপসোনিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) বরিশালের সমন্বয়কারী রফিকুল আলম বলেন, কীর্তনখোলা নদীর তীরের চরগুলো অপসোনিনের কাছে বিক্রি হয়ে গেছে এবং কোম্পানি নদীর ভেতর ব্লক ফেলেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নলছিটির সহকারী কমিশনার (ভূমি) রিজভী আহমেদ সবুজ জানিয়েছেন, সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অপসোনিনের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ এসেছে। মাঠ পর্যায়ের জরিপের মাধ্যমে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ২২ জুলাই শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে; কিন্তু সিদ্ধান্ত এখনো প্রকাশ করা সম্ভব নয়। জেলা প্রশাসক আশরাফুর রহমান বিষয়টি পরবর্তী সময়ে মন্তব্য করবেন বলে জানিয়েছেন।

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৪
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৩৮
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’

০২ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৭
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় গ্রেপ্তার হওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক কর্মীকে হ্যান্ডকাপসহ পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে স্থানীয়রা। পরে সমঝোতার মাধ্যমে হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা হয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের রামারপুল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে বাজার থেকে আওয়ামী লীগ কর্মী রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় স্থানীয় লোকজন পুলিশকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে হ্যান্ডকাপ পরা অবস্থায় সেতুকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। হ্যান্ডকাপ হারিয়ে পুলিশ বিপাকে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সঙ্গে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে গভীর রাতে পুলিশের দেওয়া চাবি দিয়ে হ্যান্ডকাপ খুলে তা ফেরত দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মুলাদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সরকারি কাজে বাধা ও আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মামলা করেন।
মুলাদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার সোহেল রানা আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি বরিশালটাইমসকে বলেন, ‘ঘটনার পরপরই পুলিশ হ্যান্ডকাপ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল। ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৫ নম্বর আসামি ছিলেন রাসেদুল ইসলাম সেতু ভূঁইয়া। তাকে ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন করে মামলা করা হয়েছে। সেতুসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের ছোট বাশাইল গ্রামের বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদার (৩৯) নামের এক যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত জহিরুল ওই গ্রামের আব্দুর রশিদ শিকদারের ছেলে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে আগৈলঝাড়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। মামলার এজাহারভুক্ত দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জহিরুল শিকদারের সাথে একই এলাকার আনিস শিকদারের ছেলে সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার ও জাহাঙ্গীর শিকদারের ছেলে জুয়েল শিকদার গংদের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিলো। ওই বিরোধের জেরধরে বুধবার বেলা ১১ টার দিকে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জেরধরে বুধবার দিবাগত রাতে জহিরুল শিকদারকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে সেন্টু শিকদারসহ চারজনের নামোল্লেক করে থানায় হত্যা মামলা করেছেন।
নিহতের বড় ভাই এনামুল শিকদার বলেন, আমার ভাইকে আসামিরা রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে রাস্তার ওপর ফেলে রেখে যায়।
নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বলেন, আমার স্বামীকে একই এলাকার সেন্টু শিকদার, শান্ত শিকদার, জাহাঙ্গীর শিকদার এবং জুয়েল শিকদার রাতে ডেকে নিয়ে হত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
আগৈলঝাড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বরিশালটাইমসকে বলেন, নিহত জহিরুলের স্ত্রী মনি বেগম বাদী হয়ে চারজনের নামে হত্যা মামলা করার পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ছোট বাশাইল গ্রামের আনিস শিকদারের ছেলে শান্ত শিকদার (২২) এবং মৃত চান্দু শিকদারের ছেলে জাহাঙ্গীর শিকদারকে (৫৮) গ্রেপ্তার করে। পাশাপাশি নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে, জানান ওসি।’
বরিশালে কিশোরী ভাতিজিকে ধর্ষণের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় চাচা আলমগীর সিকদারক (৫৫) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বরিশাল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক মো. আশরাফ উদ্দিন এই আদেশ দেন। আদালতের নাজির কামরুল ইসলাম মামলার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর উজিরপুরের আব্দুর রশিদ সিকদারের ছেলে। রায় ঘোষণার সময়ে আসামি তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
নাজির কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আলমগীর ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবার মামাতো ভাই এবং ভুক্তভোগী কিশোরী তৎকালীন মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। জীবিকার প্রয়োজনে কিশোরীর বাবা প্রায়ই বাড়ির বাইরে থাকতেন। কিশোরীকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন আলমগীর। এতে কিশোরী ৪ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায়ও সর্বশেষ ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বাড়ির পেছনে একটি বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করেন আলমগীর। পরে কিশোরী বিষয়টি তার মাকে অবহিত করে এবং এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় মামলা হয়। পুলিশ অভিযুক্ত আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের দেওয়া অভিযোগপত্র এবং আলামত ও সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আলমগীরকে বৃহস্পতিবার বরিশালের আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।’