
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪১
বরিশালের মুলাদীতে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দড়িচর লক্ষ্মীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মুলাদী সদর ইউনিয়নের সদস্য সাকায়েত মল্লিকের ছেলের জন্মদিন উপলক্ষে রোববার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে একই বাড়ির বাসিন্দা ও সাকায়েত মল্লিকের চাচা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কবির মল্লিককে দাওয়াত করা হয়নি। তবে তার প্রতিপক্ষ জাহাঙ্গীর মোল্লাকে দাওয়াত করা হয়।
এতে কবির মল্লিক ক্ষুব্ধ হয়ে অনুষ্ঠানের জন্য টানানো শামিয়ানাসহ মালামাল বাড়ির উঠান থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর মনির মল্লিক, মিজান মল্লিক, মেজবাহ মল্লিকসহ চারজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কবির মল্লিক হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নব্য বিএনপির লোকজন আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিয়ে আমার লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছে।
মুলাদী থানার ওসি আরাফাত জাহান চৌধুরী বলেন, জন্মদিনের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে একই বাড়ির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৭
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে বাকেরগঞ্জের লক্ষীপাশা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লাবিবা পরিবহন নামের একটি ঢাকা গামী যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় পরিবহনে থাকা হেল্পার জিহাদ বাস গাড়িটির নিচে চাপা পড়ে নিহত হন। এই দুর্ঘটনায় পরিবহনে থাকা অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) দুপুরের দিকে পটুয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা গামী লাবিবা পরিবহন বাকেরগঞ্জের মহাসড়কের লক্ষীপাশা নামক স্থানে পৌঁছলে অতিরিক্ত গতির কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে খাদে পড়ে যায়। পরিবহনটি দুমড়ে মুচরে গিয়ে কিছু অংশ পানির নিচে ডুবে থাকে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠান।
বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সাইদুর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আমরা পরিবহনটি সড়কের পাশে খাদে মধ্যে দেখতে পাই। দুর্ঘটনার দুই ঘন্টা পরে পরিবহনটি খাত থেকে উঠানো হলে পরিবহনের নিচ থেকে হেল্পার জিহাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি ও অসাবধানতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০৭
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে অন্য দলের প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীকে সহযোগিতা করায় বরিশালের উজিরপুরে বিএনপির তিন নেতাকে দলের সকল পদ-পদবিসহ আজীবনের জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (উজিরপুর ও বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী সরদার সরফুুুদ্দিন আহমেদ সান্টুর পক্ষে কোন রকম নির্বাচনী কাজ না করায় এবং প্রতিদ্বন্ধি অন্য দলকে সহযোগিতা করায় বিএনপির সকল পদ ও পদবিসহ আজীবনের জন্য তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হল।
নির্বাচনের পরেরদিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) বহিষ্কার করা ওই নেতা হলেন, উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জামাল মোল্লা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সহিদ বেপারী।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেন জানিয়েছেন, বহিষ্কারের কাগজ স্ব স্ব ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বহিষ্কৃত ওই তিন নেতা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাষ্টার আব্দুল মান্নানের পক্ষে কাজ করেছেন। বরিশাল-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বিজয়ী হয়েছেন।
বরিশালের মুলাদীতে জন্মদিনের অনুষ্ঠানে দাওয়াত না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার দড়িচর লক্ষ্মীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মুলাদী সদর ইউনিয়নের সদস্য সাকায়েত মল্লিকের ছেলের জন্মদিন উপলক্ষে রোববার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে একই বাড়ির বাসিন্দা ও সাকায়েত মল্লিকের চাচা, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কবির মল্লিককে দাওয়াত করা হয়নি। তবে তার প্রতিপক্ষ জাহাঙ্গীর মোল্লাকে দাওয়াত করা হয়।
এতে কবির মল্লিক ক্ষুব্ধ হয়ে অনুষ্ঠানের জন্য টানানো শামিয়ানাসহ মালামাল বাড়ির উঠান থেকে সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর মনির মল্লিক, মিজান মল্লিক, মেজবাহ মল্লিকসহ চারজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কবির মল্লিক হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নব্য বিএনপির লোকজন আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নিয়ে আমার লোকজনের ওপর হামলা চালিয়েছে।
মুলাদী থানার ওসি আরাফাত জাহান চৌধুরী বলেন, জন্মদিনের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে একই বাড়ির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে বাকেরগঞ্জের লক্ষীপাশা এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লাবিবা পরিবহন নামের একটি ঢাকা গামী যাত্রীবাহী বাস সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়। এ সময় পরিবহনে থাকা হেল্পার জিহাদ বাস গাড়িটির নিচে চাপা পড়ে নিহত হন। এই দুর্ঘটনায় পরিবহনে থাকা অন্তত ১০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।
১৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) দুপুরের দিকে পটুয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা গামী লাবিবা পরিবহন বাকেরগঞ্জের মহাসড়কের লক্ষীপাশা নামক স্থানে পৌঁছলে অতিরিক্ত গতির কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে খাদে পড়ে যায়। পরিবহনটি দুমড়ে মুচরে গিয়ে কিছু অংশ পানির নিচে ডুবে থাকে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠান।
বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সাইদুর জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে আমরা পরিবহনটি সড়কের পাশে খাদে মধ্যে দেখতে পাই। দুর্ঘটনার দুই ঘন্টা পরে পরিবহনটি খাত থেকে উঠানো হলে পরিবহনের নিচ থেকে হেল্পার জিহাদের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি উদ্ধার করে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি ও অসাবধানতার কারণেই এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে অন্য দলের প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীকে সহযোগিতা করায় বরিশালের উজিরপুরে বিএনপির তিন নেতাকে দলের সকল পদ-পদবিসহ আজীবনের জন্য স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে। বরিশালের উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শাহিন হাওলাদার ও সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেনের স্বাক্ষরিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (উজিরপুর ও বানারীপাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী সরদার সরফুুুদ্দিন আহমেদ সান্টুর পক্ষে কোন রকম নির্বাচনী কাজ না করায় এবং প্রতিদ্বন্ধি অন্য দলকে সহযোগিতা করায় বিএনপির সকল পদ ও পদবিসহ আজীবনের জন্য তিন বিএনপি নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হল।
নির্বাচনের পরেরদিন (১৩ ফেব্রুয়ারি) বহিষ্কার করা ওই নেতা হলেন, উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন দফাদার, ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি মো. জামাল মোল্লা এবং ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সহিদ বেপারী।
তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে উজিরপুর উপজেলার গুঠিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লাভলু হোসেন জানিয়েছেন, বহিষ্কারের কাগজ স্ব স্ব ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি দলীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বহিষ্কৃত ওই তিন নেতা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে একই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাষ্টার আব্দুল মান্নানের পক্ষে কাজ করেছেন। বরিশাল-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু বিজয়ী হয়েছেন।