
১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০৩
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ধানের শীষের প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগে কৃষকদলের সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল বাশার আকন্দের গাড়ি ভাঙচুর করেছেন দলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফুলপুর পৌর শহরের বালিয়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে বালিয়া রোডে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাধীন মিয়ার তুলার গুদাম পরিদর্শনে যান আবুল বাশার আকন্দ। সেখানে উপস্থিত বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা তার গাড়িতে হামলা চালান এবং তাকে একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে আবুল বাশার আকন্দের সমর্থকরা ময়মনসিংহ–শেরপুর সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা অবরোধকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে দ্বিতীয় দফায় তার গাড়ি ভাঙচুর করেন। এতে গাড়িচালক আরমানসহ দুজন আহত হন। হামলাকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ভাঙচুর করা গাড়িটি থানায় নিয়ে যায়।
ধানের শীষের প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদারের বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগ এনে আবুল বাশার আকন্দসহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জোবায়েদ হোসেন শাকিলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। অনেকেই বিএনপি প্রার্থীর পরাজয়ের জন্য দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, আবুল বাশার কোন দল করেন, তা আমার জানা নেই। তিনি যদি বিএনপি নেতা হতেন, তাহলে অবশ্যই পাশে থাকতেন। তবে তার গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে আমার জানা নেই।
হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আবুল বাশার আকন্দ বলেন, আমি একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। যুবদল নেতা মিঠুনের নেতৃত্বে এরশাদুলসহ কয়েকজন আমার গাড়ি ভাঙচুর করেন। আমার ওপর অন্যায়ভাবে হামলা হয়েছে।
ফুলপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার আকন্দ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদসহ দল থেকে বহিষ্কৃত হন।
পরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হলে তিনি কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতিসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছেন। গত সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন, তবে মনোনয়ন পাননি।
ময়মনসিংহের ফুলপুরে ধানের শীষের প্রার্থীর বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগে কৃষকদলের সহসভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য আবুল বাশার আকন্দের গাড়ি ভাঙচুর করেছেন দলের বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ফুলপুর পৌর শহরের বালিয়া মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, বিকেলে বালিয়া রোডে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাধীন মিয়ার তুলার গুদাম পরিদর্শনে যান আবুল বাশার আকন্দ। সেখানে উপস্থিত বিএনপির বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা তার গাড়িতে হামলা চালান এবং তাকে একটি ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে আবুল বাশার আকন্দের সমর্থকরা ময়মনসিংহ–শেরপুর সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা অবরোধকারীদের ওপর হামলা চালিয়ে দ্বিতীয় দফায় তার গাড়ি ভাঙচুর করেন। এতে গাড়িচালক আরমানসহ দুজন আহত হন। হামলাকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ভাঙচুর করা গাড়িটি থানায় নিয়ে যায়।
ধানের শীষের প্রার্থী মোতাহার হোসেন তালুকদারের বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগ এনে আবুল বাশার আকন্দসহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জোবায়েদ হোসেন শাকিলের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে। অনেকেই বিএনপি প্রার্থীর পরাজয়ের জন্য দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে দায়ী করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোতাহার হোসেন তালুকদার বলেন, আবুল বাশার কোন দল করেন, তা আমার জানা নেই। তিনি যদি বিএনপি নেতা হতেন, তাহলে অবশ্যই পাশে থাকতেন। তবে তার গাড়ি ভাঙচুরের বিষয়ে আমার জানা নেই।
হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে আবুল বাশার আকন্দ বলেন, আমি একটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। যুবদল নেতা মিঠুনের নেতৃত্বে এরশাদুলসহ কয়েকজন আমার গাড়ি ভাঙচুর করেন। আমার ওপর অন্যায়ভাবে হামলা হয়েছে।
ফুলপুর থানার ওসি (তদন্ত) মো. রাশেদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার আকন্দ ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলের বিপক্ষে কাজ করার অভিযোগে তিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদসহ দল থেকে বহিষ্কৃত হন।
পরে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হলে তিনি কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসভাপতিসহ বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করছেন। গত সংসদ নির্বাচনে তিনি বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন, তবে মনোনয়ন পাননি।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩২
টিকটক থেকে পরিচয় হয় ভৈরবের মেয়ে নদী (১৮) ও ফেনীর মেয়ে ফারহানা (২৩) নামের দুই নারীর। দিনভর মোবাইলে কথোপকথন থেকে সম্পর্ক গভীর হয় তাদের।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থেকে স্বামীর সংসার ও ১৫ মাসের বাচ্চা রেখে পালিয়ে যায় নদী। এ বিষয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে থানা সামনে কথাগুলো বলছিলেন স্বামী কাউসার মিয়া।
স্বামী কাউসার মিয়ার নিজ বাড়ি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ছনছাড়া গ্রামে। তিনি একজন পাদুকা শ্রমিক। ভাড়া থাকেন উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পাদুকা মার্কেট এলাকায়। তার স্ত্রী নদী বেগমের বাড়ি একই ইউনিয়নের টানকৃষ্ণনগর গ্রামে। অপর দিকে অভিযুক্ত নারী ফারহানা বেগমের শ্বশুর বাড়ি নোয়াখালী জেলা সেনবাগ থানার রাজারামপুর এলাকায়।
কাউসার মিয়া বলেন, ‘আমি গত প্রায় ২ বছর আগে নদীকে বিবাহ করি। আমাদের বিবাহের পর আমাদের সংসার খুবই ভালো চলছিল এবং আমার স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক ছিল। আমাদের ১৫ মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আমার স্ত্রী টিকটকে আসক্ত ছিল। সেই সুবাদে নোয়াখালীর ফারহানা নামের এক নারীর সাথে পরিচয় হয়। তারা প্রতিনিয়ত ফোনে কথা বলত। এমনকি আমিও মাঝে মধ্যে নোয়াখালীর মেয়ের সাথে কথা বলতাম। হঠাৎ আমার স্ত্রী গত ১ সপ্তাহ আগে আমার দুধের বাচ্চাকে আমার মায়ের কাছে রেখে আমার আলমারিতে রাখা ৭ হাজার টাকা এবং আমার মোবাইল ফোন নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আমি নোয়াখালী যোগাযোগ করলে জানতে পারি সেই মেয়েটিও বাড়িতে নাই। আমরা উভয় পরিবারই থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমার জন্য না হোক আমার দুধের বাচ্চার জন্য আমার স্ত্রীকে ফিরে পেতে চাই।’
ফারহানা বেগমের ভাই ফায়েজ মিয়া বলেন, ১ সপ্তাহ আগে আমার বোন তার ৪ বছরের মেয়েকে আমাদের বাড়িতে রেখে নিখোঁজ হয়েছে। ভৈরব থেকে কাউসার জানিয়েছে তার বউ বাড়িতে নাই। যদিও নদী ও ফারহানার মাঝে সুসম্পর্ক ছিল। আমার বোনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলছে কোনো এক ছেলের সাথে সম্পর্কের কারণে আমার বোন পালিয়েছে। বিদেশে আমার বোন জামাই কান্নাকাটি করছে। আমরা জানি না কীভাবে কী হয়েছে। আমরা চাই আমার বোন ও ভৈরবের মেয়েকে উদ্ধার করা হোক।’
ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, এক নারীর সাথে আরেক নারী কোথাও যাওয়া ভিন্ন ব্যাপার; কিন্তু তাদের সম্পর্কের বিষয়টাও ভিত্তি নেই। তবে নোয়াখালী এলাকার নারীর স্বামী যেহেতু বিদেশে থাকে সেটা সন্দেহজনক। এক মেয়ের প্ররোচনায় আরেক মেয়ে বিদেশ যাচ্ছে এমনও অনেক বিষয় থাকে। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত উদ্ধার করা চেষ্টা চলছে।
টিকটক থেকে পরিচয় হয় ভৈরবের মেয়ে নদী (১৮) ও ফেনীর মেয়ে ফারহানা (২৩) নামের দুই নারীর। দিনভর মোবাইলে কথোপকথন থেকে সম্পর্ক গভীর হয় তাদের।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থেকে স্বামীর সংসার ও ১৫ মাসের বাচ্চা রেখে পালিয়ে যায় নদী। এ বিষয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি ভৈরব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে থানা সামনে কথাগুলো বলছিলেন স্বামী কাউসার মিয়া।
স্বামী কাউসার মিয়ার নিজ বাড়ি উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ছনছাড়া গ্রামে। তিনি একজন পাদুকা শ্রমিক। ভাড়া থাকেন উপজেলা পরিষদসংলগ্ন পাদুকা মার্কেট এলাকায়। তার স্ত্রী নদী বেগমের বাড়ি একই ইউনিয়নের টানকৃষ্ণনগর গ্রামে। অপর দিকে অভিযুক্ত নারী ফারহানা বেগমের শ্বশুর বাড়ি নোয়াখালী জেলা সেনবাগ থানার রাজারামপুর এলাকায়।
কাউসার মিয়া বলেন, ‘আমি গত প্রায় ২ বছর আগে নদীকে বিবাহ করি। আমাদের বিবাহের পর আমাদের সংসার খুবই ভালো চলছিল এবং আমার স্ত্রীর সাথে সুসম্পর্ক ছিল। আমাদের ১৫ মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। আমার স্ত্রী টিকটকে আসক্ত ছিল। সেই সুবাদে নোয়াখালীর ফারহানা নামের এক নারীর সাথে পরিচয় হয়। তারা প্রতিনিয়ত ফোনে কথা বলত। এমনকি আমিও মাঝে মধ্যে নোয়াখালীর মেয়ের সাথে কথা বলতাম। হঠাৎ আমার স্ত্রী গত ১ সপ্তাহ আগে আমার দুধের বাচ্চাকে আমার মায়ের কাছে রেখে আমার আলমারিতে রাখা ৭ হাজার টাকা এবং আমার মোবাইল ফোন নিয়ে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। আমি নোয়াখালী যোগাযোগ করলে জানতে পারি সেই মেয়েটিও বাড়িতে নাই। আমরা উভয় পরিবারই থানায় অভিযোগ দিয়েছি। আমার জন্য না হোক আমার দুধের বাচ্চার জন্য আমার স্ত্রীকে ফিরে পেতে চাই।’
ফারহানা বেগমের ভাই ফায়েজ মিয়া বলেন, ১ সপ্তাহ আগে আমার বোন তার ৪ বছরের মেয়েকে আমাদের বাড়িতে রেখে নিখোঁজ হয়েছে। ভৈরব থেকে কাউসার জানিয়েছে তার বউ বাড়িতে নাই। যদিও নদী ও ফারহানার মাঝে সুসম্পর্ক ছিল। আমার বোনের শ্বশুর বাড়ির লোকজন বলছে কোনো এক ছেলের সাথে সম্পর্কের কারণে আমার বোন পালিয়েছে। বিদেশে আমার বোন জামাই কান্নাকাটি করছে। আমরা জানি না কীভাবে কী হয়েছে। আমরা চাই আমার বোন ও ভৈরবের মেয়েকে উদ্ধার করা হোক।’
ভৈরব থানার ওসি আতাউর রহমান আকন্দ বলেন, এক নারীর সাথে আরেক নারী কোথাও যাওয়া ভিন্ন ব্যাপার; কিন্তু তাদের সম্পর্কের বিষয়টাও ভিত্তি নেই। তবে নোয়াখালী এলাকার নারীর স্বামী যেহেতু বিদেশে থাকে সেটা সন্দেহজনক। এক মেয়ের প্ররোচনায় আরেক মেয়ে বিদেশ যাচ্ছে এমনও অনেক বিষয় থাকে। অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। দ্রুত উদ্ধার করা চেষ্টা চলছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৩৯
ময়মনসিংহের ভালুকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়েছেন পুলিশ সদস্য। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গ্রামবাসী তাকে আটক করার পর খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করেন।
আটক পুলিশ সদস্যের নাম এএসআই আজহার উদ্দীন রাকিব (৩২)। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর থানায় কর্মরত বলে জানা গেছে। তার বাড়ি ভালুকা উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের মধ্য রাজৈ এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে এবং প্রবাসীর চাচাত ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার রাতে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তারা প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করে রাকিবকে হাতেনাতে আটক করে।
খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ভালুকা থানা পুলিশ বিষয়টি ভালুকা আর্মি ক্যাম্পকে জানায়। পরে সকাল ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে। পরে তাকে ভালুকা মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক পুলিশ সদস্যকে প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়েছেন পুলিশ সদস্য। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গ্রামবাসী তাকে আটক করার পর খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর টহল দল ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করেন।
আটক পুলিশ সদস্যের নাম এএসআই আজহার উদ্দীন রাকিব (৩২)। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর থানায় কর্মরত বলে জানা গেছে। তার বাড়ি ভালুকা উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের মধ্য রাজৈ এলাকায়। তিনি ওই এলাকার আবুল কাসেমের ছেলে এবং প্রবাসীর চাচাত ভাই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার রাতে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তারা প্রবাসীর বাড়িতে প্রবেশ করে রাকিবকে হাতেনাতে আটক করে।
খবর পেয়ে পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ভালুকা থানা পুলিশ বিষয়টি ভালুকা আর্মি ক্যাম্পকে জানায়। পরে সকাল ৭টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে। পরে তাকে ভালুকা মডেল থানার এসআই রফিকুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জাহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আটক পুলিশ সদস্যকে প্রসিকিউশন দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
নওগাঁর ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে খাসির মাংস বলে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার মঙ্গলবাড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তোপের মুখে দ্রুত দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাটের নেংড়াপীর-ইসবপুর সড়কের তেতুলতলী মোড়ে খাসির মাংস বিক্রি করতেন স্থানীয় কসাই এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মৌলভি। তারা নিয়মিত বাড়ি থেকে মাংস এনে বাজারে বিক্রি করতেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এনতাজুলের বাড়িতে কুকুর ধরে জবাই করার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে বাজারে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্তরা দ্রুত মাংস ফেলে দোকান থেকে পালিয়ে যায়। অল্প সময়েই শতশত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।
জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২৫ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত এনতাজুল ও দুলু মৌলভি পলাতক রয়েছেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরই তাৎক্ষণিক ঘটিনাস্থলে একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। এরপর সেখান থেকে জবাইকৃত কুকুরের মাথা, চামড়া ও মাংস জব্দ করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
নওগাঁর ধামইরহাটে কুকুর জবাই করে খাসির মাংস বলে বিক্রির চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক কসাইয়ের বিরুদ্ধে। রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার মঙ্গলবাড়ী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের মাঝে জানাজানি হলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে তোপের মুখে দ্রুত দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান অভিযুক্তরা।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ধামইরহাটের নেংড়াপীর-ইসবপুর সড়কের তেতুলতলী মোড়ে খাসির মাংস বিক্রি করতেন স্থানীয় কসাই এনতাজুল ও তার সহযোগী দুলু মৌলভি। তারা নিয়মিত বাড়ি থেকে মাংস এনে বাজারে বিক্রি করতেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে এনতাজুলের বাড়িতে কুকুর ধরে জবাই করার বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে বাজারে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে অভিযুক্তরা দ্রুত মাংস ফেলে দোকান থেকে পালিয়ে যায়। অল্প সময়েই শতশত নারী-পুরুষ ঘটনাস্থলে ভিড় জমান।
জাহানপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া বলেন, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ২৫ কেজি কুকুরের মাংস উদ্ধার করা হয়েছে এবং সেগুলো অপসারণের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অভিযুক্ত এনতাজুল ও দুলু মৌলভি পলাতক রয়েছেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, সংবাদ পাওয়ার পরই তাৎক্ষণিক ঘটিনাস্থলে একটি টিম পাঠানো হয়েছিল। এরপর সেখান থেকে জবাইকৃত কুকুরের মাথা, চামড়া ও মাংস জব্দ করা হয়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.