
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৭:৫৮
বিনোদন জগতে খ্যাতির ক্ষণস্থায়িত্ব নতুন কিছু নয়। আর এই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে হলিউড। এক সময়ের জনপ্রিয় শিশু অভিনেতা টাইলার চেজকে গৃহহীন অবস্থায় দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার রাস্তায়। নিকেলোডিয়নের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ নেড’স ডিক্লাসিফায়েড স্কুল সারভাইভাল গাইড-এ অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেতার বর্তমান জীবন ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী টাইলার চেজকে চিনে তাকে জড়িয়ে ধরছেন। ওই নারী জানতে চাইলে চেজ নিশ্চিত করেন, তিনিই একসময় নিকেলোডিয়নের সেই জনপ্রিয় শিশু চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ভিডিওটি ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন মারিও নাউফেল নামের এক ব্যবহারকারী। তিনি লেখেন, ‘এই ভিডিও মনে করিয়ে দেয়, খ্যাতি কত দ্রুত ম্লান হয়ে যেতে পারে।’
তার মতে, ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেলে অনেক শিশু তারকাই এমন সব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন, যা দীর্ঘদিন ধরে তাদের তাড়া করে বেড়ায়। এর মধ্যে আর্থিক সংকট অন্যতম।
নাউফেল আরো বলেন, ‘শৈশবে শিশু অভিনেতারা ব্যাপক পরিচিতি পায়। কিন্তু বড় হওয়ার পর বাস্তবতা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে ওঠে। টাইলারের ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, খুব অল্প বয়সে পাওয়া খ্যাতির পর হলিউডের সহায়তা সবার জন্য সমানভাবে থাকে না।’
টাইলার চেজের ঘটনা আবারও বিনোদন শিল্পে শিশু শিল্পীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যদিও কিছু শিশু অভিনেতা পরবর্তী সময়ে সফলভাবে প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন, তবে অনেকেই নিয়মিত কাজ না পেয়ে আর্থিক ও সামাজিকভাবে সংকটে পড়েন। ফলে সমাজের মূল স্রোত থেকে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঘটনাও বিরল নয়।
এই ঘটনার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—শিশু শিল্পীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা এবং ক্যারিয়ার-পরবর্তী জীবনের প্রস্তুতিতে বিনোদন শিল্প কতটা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ভক্তই টাইলার চেজের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন এবং একই পরিস্থিতিতে পড়া অন্য শিশু শিল্পীদের সহায়তার দাবিও তুলছেন।
এর মধ্যেই তার সাবেক সহ-অভিনেতা ড্যানিয়েল কার্টিস লি এগিয়ে এসেছেন তাকে সহায়তা করতে। তার নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন এই অভিনেতা। এসময় চেজ জানান বন্ধুকে দেখে খুব খুশি হয়েছেন তিনি।
এদিকে চেজের পরিবার জানিয়েছে, বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভোগা এই তারকার আর্থিক অনুদানের কোন প্রয়োজন নেই। তার দরকার চিকিৎসা ও নিয়মিত সহায়তা।
বিনোদন জগতে খ্যাতির ক্ষণস্থায়িত্ব নতুন কিছু নয়। আর এই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে হলিউড। এক সময়ের জনপ্রিয় শিশু অভিনেতা টাইলার চেজকে গৃহহীন অবস্থায় দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার রাস্তায়। নিকেলোডিয়নের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ নেড’স ডিক্লাসিফায়েড স্কুল সারভাইভাল গাইড-এ অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেতার বর্তমান জীবন ঘিরে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়, এক নারী টাইলার চেজকে চিনে তাকে জড়িয়ে ধরছেন। ওই নারী জানতে চাইলে চেজ নিশ্চিত করেন, তিনিই একসময় নিকেলোডিয়নের সেই জনপ্রিয় শিশু চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পরই বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
ভিডিওটি ‘এক্স’ প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করেন মারিও নাউফেল নামের এক ব্যবহারকারী। তিনি লেখেন, ‘এই ভিডিও মনে করিয়ে দেয়, খ্যাতি কত দ্রুত ম্লান হয়ে যেতে পারে।’
তার মতে, ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেলে অনেক শিশু তারকাই এমন সব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েন, যা দীর্ঘদিন ধরে তাদের তাড়া করে বেড়ায়। এর মধ্যে আর্থিক সংকট অন্যতম।
নাউফেল আরো বলেন, ‘শৈশবে শিশু অভিনেতারা ব্যাপক পরিচিতি পায়। কিন্তু বড় হওয়ার পর বাস্তবতা অনেক সময়ই কঠিন হয়ে ওঠে। টাইলারের ঘটনা আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, খুব অল্প বয়সে পাওয়া খ্যাতির পর হলিউডের সহায়তা সবার জন্য সমানভাবে থাকে না।’
টাইলার চেজের ঘটনা আবারও বিনোদন শিল্পে শিশু শিল্পীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। যদিও কিছু শিশু অভিনেতা পরবর্তী সময়ে সফলভাবে প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন, তবে অনেকেই নিয়মিত কাজ না পেয়ে আর্থিক ও সামাজিকভাবে সংকটে পড়েন। ফলে সমাজের মূল স্রোত থেকে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঘটনাও বিরল নয়।
এই ঘটনার পর নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—শিশু শিল্পীদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা, দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা এবং ক্যারিয়ার-পরবর্তী জীবনের প্রস্তুতিতে বিনোদন শিল্প কতটা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ভক্তই টাইলার চেজের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাচ্ছেন এবং একই পরিস্থিতিতে পড়া অন্য শিশু শিল্পীদের সহায়তার দাবিও তুলছেন।
এর মধ্যেই তার সাবেক সহ-অভিনেতা ড্যানিয়েল কার্টিস লি এগিয়ে এসেছেন তাকে সহায়তা করতে। তার নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন এই অভিনেতা। এসময় চেজ জানান বন্ধুকে দেখে খুব খুশি হয়েছেন তিনি।
এদিকে চেজের পরিবার জানিয়েছে, বাইপোলার ডিসঅর্ডারে ভোগা এই তারকার আর্থিক অনুদানের কোন প্রয়োজন নেই। তার দরকার চিকিৎসা ও নিয়মিত সহায়তা।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১০
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৩
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১