
১৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৪:১৯
চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত চোলাই মদ পান করে ৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে সদর থানা পুলিশ। তবে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।পুলিশ প্রাথমিক তথ্যে ৫ ব্যক্তির নাম পরিচয় শনাক্ত করতে পেরেছে। অন্যান্য ব্যক্তিদের পরিচয় ও আরও কেউ মারা গেছে কি না তার অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে পুলিশ।
যাদের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র গ্রামের মৃত সামনের ছেলে লাল্টু (৪৫), শংকর চন্দ্র মাঝের পাড়া নবীছদ্দিনের ছেলে শহীদ মোল্লা (৫০), শঙ্করচন্দ্র টাওয়ার পাড়ার ছমির উদ্দীন (৫৫), খাজুরা গ্রামের সেলিম (৩৮), পিরোজখালী পূর্ব পাড়ার নবীসদ্দী ওরফে কাশেমের ছেলে লালটু (৩৮) এবং নফরকান্দী গ্রামের খেদের আলী (৫৫)। মৃত ব্যক্তিরা সবাই পেশায় দিনমজুর ও শ্রমিকের কাজ করতেন।
গত শনি ও রোববার (১১ ও ১২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যু ঘটনা ঘটেছে পুলিশ জানিয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, গত ১০ অক্টোবর তারা ১০-১২ জন ডিঙ্গেদহ এলাকার গোপন স্থানে বিষাক্ত মদ পান করেন। এতে করে ১১ অক্টোবর ৩ জনের মৃত্যু খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে রোববার রাতে ৩ জন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতলে চিকিৎসা নিতে এলে সেখানে ২ জনের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে ১ জন সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনার সূত্র ধরে পুলিশ মাঠ কাজ করছে, তবে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৪ জনের দাফন হয়েছে। দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাজারে অবৈধভাবে দেশি চোলাই মদ বিক্রি চলছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন তারা।
ডিঙ্গেদহ বাজারের ব্যবসায়ী রানা বলেন, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আসলেই দুঃখজনক। মাদকের বিষয়ে প্রশাসনের গাফিলতির কারণে হয়তো এমন ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসন তৎপর থাকলে মাদকের ছোঁয়া আসবে না।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ডিঙ্গেদহ হানুরবারাদীর বাসিন্দা মৃত কতব আলীর ছেলে আলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, আমরা ভুট্টার গাড়ির লোডের কাজ করি। গত দু-তিন দিন আগে আমাদের সর্দার স্পিরিট পান করান। আমি অল্প পরিমাণ পান করি।
তার স্ত্রী জানিয়েছেন, সেবনের কয়েকদিন পর তিনি হঠাৎ অসুস্থ হন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখন মোটামুটি স্থিতিশীল।চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল আল নাসের বলেন, অ্যালকোহলিক পয়জনিংয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশি তদন্ত চলছে। বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন অসুস্থ রয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত চোলাই মদ পান করে ৬ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে সদর থানা পুলিশ। তবে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।পুলিশ প্রাথমিক তথ্যে ৫ ব্যক্তির নাম পরিচয় শনাক্ত করতে পেরেছে। অন্যান্য ব্যক্তিদের পরিচয় ও আরও কেউ মারা গেছে কি না তার অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে পুলিশ।
যাদের নাম পরিচয় পাওয়া গেছে তারা হলেন, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার শঙ্করচন্দ্র গ্রামের মৃত সামনের ছেলে লাল্টু (৪৫), শংকর চন্দ্র মাঝের পাড়া নবীছদ্দিনের ছেলে শহীদ মোল্লা (৫০), শঙ্করচন্দ্র টাওয়ার পাড়ার ছমির উদ্দীন (৫৫), খাজুরা গ্রামের সেলিম (৩৮), পিরোজখালী পূর্ব পাড়ার নবীসদ্দী ওরফে কাশেমের ছেলে লালটু (৩৮) এবং নফরকান্দী গ্রামের খেদের আলী (৫৫)। মৃত ব্যক্তিরা সবাই পেশায় দিনমজুর ও শ্রমিকের কাজ করতেন।
গত শনি ও রোববার (১১ ও ১২ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত এসব মৃত্যু ঘটনা ঘটেছে পুলিশ জানিয়েছে। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালেদুর রহমান জানান, গত ১০ অক্টোবর তারা ১০-১২ জন ডিঙ্গেদহ এলাকার গোপন স্থানে বিষাক্ত মদ পান করেন। এতে করে ১১ অক্টোবর ৩ জনের মৃত্যু খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
এদিকে রোববার রাতে ৩ জন ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতলে চিকিৎসা নিতে এলে সেখানে ২ জনের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে ১ জন সদর হাসপাতালে ভর্তি আছে। তিনি আরও জানান, এ ঘটনার সূত্র ধরে পুলিশ মাঠ কাজ করছে, তবে মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
এদিকে এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৪ জনের দাফন হয়েছে। দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাজারে অবৈধভাবে দেশি চোলাই মদ বিক্রি চলছে। প্রশাসনের নজরদারির অভাবেই এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন তারা।
ডিঙ্গেদহ বাজারের ব্যবসায়ী রানা বলেন, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আসলেই দুঃখজনক। মাদকের বিষয়ে প্রশাসনের গাফিলতির কারণে হয়তো এমন ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসন তৎপর থাকলে মাদকের ছোঁয়া আসবে না।
এদিকে, চুয়াডাঙ্গা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ডিঙ্গেদহ হানুরবারাদীর বাসিন্দা মৃত কতব আলীর ছেলে আলিম উদ্দিন। তিনি বলেন, আমরা ভুট্টার গাড়ির লোডের কাজ করি। গত দু-তিন দিন আগে আমাদের সর্দার স্পিরিট পান করান। আমি অল্প পরিমাণ পান করি।
তার স্ত্রী জানিয়েছেন, সেবনের কয়েকদিন পর তিনি হঠাৎ অসুস্থ হন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখন মোটামুটি স্থিতিশীল।চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল আল নাসের বলেন, অ্যালকোহলিক পয়জনিংয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশি তদন্ত চলছে। বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন অসুস্থ রয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করা হবে এবং আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৬:২২
০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৫:৫৩
০৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:১৭
০৮ জুলাই, ২০২৬ ২২:৩৬

০৯ জুলাই, ২০২৬ ১৬:২২
চাপাতি-সামুরাই আর দেশীয় ধারালো অস্ত্র হাতে গভীর রাতে অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতি। টার্গেট ছিল ডাকাতি, আর পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ ছিনতাই চক্রটির সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৮ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদাবর থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মধ্যরাতে একটি মুরগির ফার্মে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়েছিল ফারুক নেতৃত্বাধীন চক্রটি।
এছাড়া, কিছুদিন আগে আদাবর এলাকার ‘কিশোর গ্যাং নেতা’ বিল্লাল হোসেন ওরফে ভাইস্তা বিল্লাল ও মউরা সোহেলকে গ্রেপ্তারের প্রতিশোধ নিতে পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার জন্য স্থানীয় সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি শরীয়তপুর ও মাদারীপুর থেকেও ভারাটে সন্ত্রাসী এনেছিল তারা।
এসময় ছিনতাই চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে চাপাতি, সামুরাইসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। ছিনতাই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের খবরে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা।
এ সময় নিজেদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বর্ণনা দেন তারা। তবে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হলেও আসামিরা কিছুদিন পরই জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে বলে আক্ষেপ স্থানীয়দের।
চাপাতি-সামুরাই আর দেশীয় ধারালো অস্ত্র হাতে গভীর রাতে অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতি। টার্গেট ছিল ডাকাতি, আর পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার। তবে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ ছিনতাই চক্রটির সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৮ জুলাই) মধ্যরাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে আদাবর থানা পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মধ্যরাতে একটি মুরগির ফার্মে ডাকাতির প্রস্তুতি নিয়েছিল ফারুক নেতৃত্বাধীন চক্রটি।
এছাড়া, কিছুদিন আগে আদাবর এলাকার ‘কিশোর গ্যাং নেতা’ বিল্লাল হোসেন ওরফে ভাইস্তা বিল্লাল ও মউরা সোহেলকে গ্রেপ্তারের প্রতিশোধ নিতে পুলিশের সোর্সের ওপর হামলার জন্য স্থানীয় সন্ত্রাসীদের পাশাপাশি শরীয়তপুর ও মাদারীপুর থেকেও ভারাটে সন্ত্রাসী এনেছিল তারা।
এসময় ছিনতাই চক্রের সদস্যদের কাছ থেকে চাপাতি, সামুরাইসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। পরে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। ছিনতাই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারের খবরে ঘটনাস্থলে ভিড় করেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা।
এ সময় নিজেদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া নানা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বর্ণনা দেন তারা। তবে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হলেও আসামিরা কিছুদিন পরই জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়ে বলে আক্ষেপ স্থানীয়দের।

০৮ জুলাই, ২০২৬ ১৮:৫০
সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আজকের নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় ৮টি সাধারণ বোর্ডের কেন্দ্রগুলোতে ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আরও ১৫ জন পরীক্ষার্থীকেও অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে। অর্থাৎ সবমিলিয়ে আজ দশটি বোর্ডে মোট বহিষ্কার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫ জনে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ৯ লাখ ৬ হাজার ৯২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ২৩ হাজার ৭৩৫ জন পরীক্ষার্থী। সাধারণ বোর্ডগুলোতে অনুপস্থিতির গড় হার ২.৬২ শতাংশ।
এদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিতির হার ৬.৬৩ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৩.৪৭ শতাংশ।
অন্যদিকে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে আজ বহিষ্কারের হার ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা বোর্ডে সর্বোচ্চ ২০ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। এছাড়া দিনাজপুরে ১৪ জন, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বোর্ডে ১০ জন করে, ঢাকা বোর্ডে ৯ জন, যশোরে ৮ জন, রাজশাহীতে ৭ জন এবং সিলেট বোর্ডে ২ জন পরীক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১২ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আজকের নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এ পরীক্ষায় ৮টি সাধারণ বোর্ডের কেন্দ্রগুলোতে ইংরেজি (আবশ্যিক) দ্বিতীয় পত্রের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সময় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ৮০ জন শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের আরও ১৫ জন পরীক্ষার্থীকেও অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে। অর্থাৎ সবমিলিয়ে আজ দশটি বোর্ডে মোট বহিষ্কার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫ জনে।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশের ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ৯ লাখ ৬ হাজার ৯২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশগ্রহণ করেছে ৮ লাখ ৮৩ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে অনুপস্থিত ছিল ২৩ হাজার ৭৩৫ জন পরীক্ষার্থী। সাধারণ বোর্ডগুলোতে অনুপস্থিতির গড় হার ২.৬২ শতাংশ।
এদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে অনুপস্থিতির হার ৬.৬৩ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৩.৪৭ শতাংশ।
অন্যদিকে, সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে আজ বহিষ্কারের হার ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। তথ্য অনুযায়ী, কুমিল্লা বোর্ডে সর্বোচ্চ ২০ জন পরীক্ষার্থী বহিষ্কার হয়েছে। এছাড়া দিনাজপুরে ১৪ জন, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বোর্ডে ১০ জন করে, ঢাকা বোর্ডে ৯ জন, যশোরে ৮ জন, রাজশাহীতে ৭ জন এবং সিলেট বোর্ডে ২ জন পরীক্ষার্থী অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
এছাড়া, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৩ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ১২ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

০৭ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৪৭
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে দলটি। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দলটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত নোটিশে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে একটি গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, দলীয় গঠনতন্ত্র ও প্রযোজ্য সাংগঠনিক বিধান অনুযায়ী তাকে এনসিপির গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সকল পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ হতে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।
এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, ‘এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিগত ৩-৪ মাস ধরে সে গাজীপুরের বাইরে ছিলো বলে জানতে পেরেছি। এসময় দলে সে সক্রিয় ছিল না, দলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না।’
এর আগে, গতকাল রোববার (৫ জুলাই) যাত্রাবাড়ি কোনাপাড়া বালুর মাঠ এলাকা থেকে মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে তরুণদের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে আতাউল্লাহ শাহসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিএমপি জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।'
রাজধানীর যাত্রাবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার হওয়া জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গাজীপুর মহানগর কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব আতাউল্লাহ শাহকে স্থায়ী বহিষ্কার করেছে দলটি। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দলটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনা স্বাক্ষরিত নোটিশে সংগঠনের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে একটি গুরুতর অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ায় তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
এতে আরও বলা হয়, দলীয় গঠনতন্ত্র ও প্রযোজ্য সাংগঠনিক বিধান অনুযায়ী তাকে এনসিপির গাজীপুর মহানগর আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম সদস্যসচিব পদসহ দলের সকল পর্যায়ের সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ হতে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হলো।
এবিষয়ে জানতে চাওয়া হলে, ‘এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মিডিয়া সেক্রেটারি ইয়াসির আরাফাত দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, বিগত ৩-৪ মাস ধরে সে গাজীপুরের বাইরে ছিলো বলে জানতে পেরেছি। এসময় দলে সে সক্রিয় ছিল না, দলের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না।’
এর আগে, গতকাল রোববার (৫ জুলাই) যাত্রাবাড়ি কোনাপাড়া বালুর মাঠ এলাকা থেকে মার্শাল আর্ট শেখানোর আড়ালে তরুণদের উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে উদ্বুদ্ধ করার অভিযোগে আতাউল্লাহ শাহসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিএমপি জানিয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণের আড়ালে উগ্রবাদী কার্যক্রম পরিচালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছিলেন বলে পুলিশের দাবি।'