
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২২
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে রুবেল মিয়া (২৭) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ভূরুঙ্গামারী থানায় এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত রুবেল মিয়া ওই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলের ছেলে। স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু
রুবেল মিয়ার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রুবেল মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রী জেসমিন বেগমের কলহ চলে আসছিলো। গত বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রুবেল মিয়া তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে যান।
সেখানে যাওয়ার পর স্ত্রী জেসমিন বেগম, তার বড় ভাই মিজানুর রহমানসহ আরও কয়েকজন মিলে রুবেল মিয়াকে বেধড়ক মারধর করেন। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রুবেলের পরিবারের সদস্যরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্ত্রী জেসমিন ও তার বড় ভাই মিজানুর রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা পলাতক রয়েছে। পরে শনিবার ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা চলমান রয়েছে।
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনের শিকার হয়ে রুবেল মিয়া (২৭) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) ভূরুঙ্গামারী থানায় এ বিষয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
মৃত রুবেল মিয়া ওই ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল জলিলের ছেলে। স্ত্রীকে আনতে গিয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনে যুবকের মৃত্যু
রুবেল মিয়ার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রুবেল মিয়ার সঙ্গে তার স্ত্রী জেসমিন বেগমের কলহ চলে আসছিলো। গত বুধবার (২২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রুবেল মিয়া তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে বঙ্গ সোনাহাট ইউনিয়নের মাহিগঞ্জ এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে যান।
সেখানে যাওয়ার পর স্ত্রী জেসমিন বেগম, তার বড় ভাই মিজানুর রহমানসহ আরও কয়েকজন মিলে রুবেল মিয়াকে বেধড়ক মারধর করেন। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর রুবেলের পরিবারের সদস্যরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভূরুঙ্গামারী সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। রংপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার রাতেই তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত স্ত্রী জেসমিন ও তার বড় ভাই মিজানুর রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা পলাতক রয়েছে। পরে শনিবার ভূরুঙ্গামারী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। আসামি গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা চলমান রয়েছে।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩৮
দীর্ঘদিনের চর্চা ও প্রথা ভেঙে এবার জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য বিদ্যমান শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির বিশেষ সুবিধা বাতিল করে জাতীয় সংসদে বিল পাস করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘দি মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অলাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
বিলটি পাস হওয়ার ফলে ১৯৭৩ সালের সংশ্লিষ্ট আদেশের আর্টিকেল থ্রি-সি বিলুপ্ত হলো। যা সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির আইনি অধিকার দিয়ে থাকত।
বিলটি উত্থাপনের সময় আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা গ্রহণ করা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে যেমন অসামঞ্জস্যপূর্ণ, তেমনি এটি সাধারণ করদাতা নাগরিকদের সঙ্গে একটি দৃশ্যমান বৈষম্য তৈরি করে। রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচন, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের সঙ্গে সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই মাননীয় সংসদ নেতার দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে এই সংশোধনী আনা হয়েছে।’
বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এই বিশেষ সুবিধাটি পুনর্বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি ছিল বলেও জানান তিনি। বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বিলটি উত্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘শুল্কমুক্ত গাড়ি নেওয়ার প্রথাটি সম্ভবত বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বের আর কোথাও নেই।’
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তাদের দল আগেই ঘোষণা দিয়েছিল তারা শুল্কমুক্ত গাড়ি বা প্লট সুবিধা গ্রহণ করবে না।’ এই প্রেক্ষাপটে বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ভূমিকার উল্লেখ থাকা প্রয়োজন ছিল বলে দাবি জানান তিনি।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরের বক্তব্য রাজনীতির অংশ হলেও সরকারি বিল হিসেবে এটি সংসদ নেতার দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে সংসদ নেতার সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধীদলীয় নেতার নাম বা ভূমিকার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে সরকারের কোনো আপত্তি নেই।’
বিলটি পাস হওয়ার মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের দীর্ঘ কয়েক দশক ভোগ করা একটি বড় আর্থিক সুবিধা আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হলো। বিলটির ওপর কোনো সংশোধনী না থাকায় এটি দ্রুততার সঙ্গে দফা অনুযায়ী কণ্ঠভোটে দেওয়া হয় এবং উপস্থিত সদস্যদের বিপুল সমর্থনে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বিলটি পাস হয়।
দীর্ঘদিনের চর্চা ও প্রথা ভেঙে এবার জাতীয় সংসদ সদস্যদের জন্য বিদ্যমান শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির বিশেষ সুবিধা বাতিল করে জাতীয় সংসদে বিল পাস করা হয়েছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ‘দি মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অলাউন্সেস অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৬’ উত্থাপন করেন। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।
বিলটি পাস হওয়ার ফলে ১৯৭৩ সালের সংশ্লিষ্ট আদেশের আর্টিকেল থ্রি-সি বিলুপ্ত হলো। যা সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির আইনি অধিকার দিয়ে থাকত।
বিলটি উত্থাপনের সময় আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা গ্রহণ করা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে যেমন অসামঞ্জস্যপূর্ণ, তেমনি এটি সাধারণ করদাতা নাগরিকদের সঙ্গে একটি দৃশ্যমান বৈষম্য তৈরি করে। রাষ্ট্রীয় ব্যয় সংকোচন, স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং নাগরিকদের সঙ্গে সাম্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই মাননীয় সংসদ নেতার দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে এই সংশোধনী আনা হয়েছে।’
বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় এই বিশেষ সুবিধাটি পুনর্বিবেচনা করা অত্যন্ত জরুরি ছিল বলেও জানান তিনি। বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান বিলটি উত্থাপনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘শুল্কমুক্ত গাড়ি নেওয়ার প্রথাটি সম্ভবত বাংলাদেশ ছাড়া বিশ্বের আর কোথাও নেই।’
জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘তাদের দল আগেই ঘোষণা দিয়েছিল তারা শুল্কমুক্ত গাড়ি বা প্লট সুবিধা গ্রহণ করবে না।’ এই প্রেক্ষাপটে বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতার ভূমিকার উল্লেখ থাকা প্রয়োজন ছিল বলে দাবি জানান তিনি।
জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলোর বাইরের বক্তব্য রাজনীতির অংশ হলেও সরকারি বিল হিসেবে এটি সংসদ নেতার দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে সংসদ নেতার সম্মতির ভিত্তিতে বিরোধীদলীয় নেতার নাম বা ভূমিকার প্রতি সম্মান প্রদর্শনে সরকারের কোনো আপত্তি নেই।’
বিলটি পাস হওয়ার মাধ্যমে সংসদ সদস্যদের দীর্ঘ কয়েক দশক ভোগ করা একটি বড় আর্থিক সুবিধা আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হলো। বিলটির ওপর কোনো সংশোধনী না থাকায় এটি দ্রুততার সঙ্গে দফা অনুযায়ী কণ্ঠভোটে দেওয়া হয় এবং উপস্থিত সদস্যদের বিপুল সমর্থনে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বিলটি পাস হয়।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:৩২
কুষ্টিয়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ৯ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার (২৬ এপ্রিল) আনুমানিক দুপুর ১২ টা ১৫ মিনিটে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল মিরপুর বাস স্ট্যান্ডে মেহেরপুর হতে কুষ্টিয়াগামী আলহাজ্ব এন্টারপ্রাইজ বাসে তল্লাশি করে। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
কুষ্টিয়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে ৯ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে বডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের (৪৭ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রাশেদ কামাল রনি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রোববার (২৬ এপ্রিল) আনুমানিক দুপুর ১২ টা ১৫ মিনিটে কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়ন সদরের বিশেষ টহল দল মিরপুর বাস স্ট্যান্ডে মেহেরপুর হতে কুষ্টিয়াগামী আলহাজ্ব এন্টারপ্রাইজ বাসে তল্লাশি করে। এ সময় মালিকবিহীন অবস্থায় ৯ হাজার ৯৭০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪২
নাটোরের গুরুদাসপুরে মো. হুসেন নামে সাত বছরের এক শিশুকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় শিশুটি আদালত থেকে জামিন নিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার কাগজপত্রে দেখা গেছে, দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিশুর নাম অভিযুক্তদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে আদালতে জামিন আবেদন করা হলে নারী ও শিশু আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম জামিন মঞ্জুর করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. শামীম হোসেন মামলার বরাত দিয়ে জানান, গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা এলাকায় গত ৯ এপ্রিল পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, হামলা ও আহত করার অভিযোগ উঠে। পরে ১০ এপ্রিল এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানায় একটি মামলা হয়।
তিনি আরও জানান, মামলায় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে ওই এলাকার শাজাহান আলীর ছেলে মো. হুসেন নামে ৭ বছর বয়সি শিশুটির নামও আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। শিশুটির জন্মসনদে দেখা যায়, তার জন্ম ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে। সে অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স সাত বছর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলায় শিশুর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এমন বয়সের একটি শিশুকে কীভাবে হামলা বা সংঘর্ষের মামলায় আসামি করা হলো।
আইনজীবীরা বলছেন, ফৌজদারি মামলায় অভিযোগকারী পক্ষ অনেক সময় বিরোধের জেরে পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে আসামি করে থাকে। তবে কোনো শিশুর নাম যুক্ত হলে তদন্তে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।
নাটোরের গুরুদাসপুরে মো. হুসেন নামে সাত বছরের এক শিশুকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ওই মামলায় শিশুটি আদালত থেকে জামিন নিয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার কাগজপত্রে দেখা গেছে, দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিশুর নাম অভিযুক্তদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে আদালতে জামিন আবেদন করা হলে নারী ও শিশু আদালতের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম জামিন মঞ্জুর করেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী মো. শামীম হোসেন মামলার বরাত দিয়ে জানান, গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবারিষা এলাকায় গত ৯ এপ্রিল পূর্ব বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, হামলা ও আহত করার অভিযোগ উঠে। পরে ১০ এপ্রিল এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানায় একটি মামলা হয়।
তিনি আরও জানান, মামলায় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে ওই এলাকার শাজাহান আলীর ছেলে মো. হুসেন নামে ৭ বছর বয়সি শিশুটির নামও আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। শিশুটির জন্মসনদে দেখা যায়, তার জন্ম ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে। সে অনুযায়ী বর্তমানে তার বয়স সাত বছর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মামলায় শিশুর নাম অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় সমালোচনার ঝড় ওঠে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, এমন বয়সের একটি শিশুকে কীভাবে হামলা বা সংঘর্ষের মামলায় আসামি করা হলো।
আইনজীবীরা বলছেন, ফৌজদারি মামলায় অভিযোগকারী পক্ষ অনেক সময় বিরোধের জেরে পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে আসামি করে থাকে। তবে কোনো শিশুর নাম যুক্ত হলে তদন্তে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.