
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৮
১৪ হাজার ৩৮৫ পদে প্রার্থী পৌনে ১১ লাখের বেশি
৬১ জেলায় পাঠানো প্রশ্নপত্র ফাঁসের ‘কানাঘুষা’
ফেসবুক গ্রুপগুলোতে সক্রিয়া প্রশ্নফাঁস চক্র
গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষা ভণ্ডুলের অপচেষ্টা: অধিদপ্তর
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘হিসাব সহকারী’ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে পরীক্ষা শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে বিনা নোটিশে তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা একদিকে যেমন ক্ষোভ জানিয়েছেন, অন্যদিকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জড়িত বলেও অভিযোগ তুলেছেন তারা।
হিসাব সহকারী পদের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার সামনে এসেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। এক দফা পিছিয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে অধিদপ্তর। তবে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা।
চাকরিপ্রার্থী ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে দেশের সবচেয়ে বড় নিয়োগ হয় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে। এবারও ১৪ হাজার ৩৮৫ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিতে তৎপর হওয়ায় প্রার্থীদের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় বেড়েছে।
তাদের অভিযোগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উচ্চপদে থাকা কর্মকর্তারা নির্বাচনের পর আর নাও থাকতে পারেন। অধিকাংশ পদে পরিবর্তন আসতে পারে। এজন্য তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিয়ে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করতে চান। এ কারণে নিয়োগে প্রভাব ও অনিয়মের আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন পক্ষ।
প্রশ্নফাঁস চক্র সক্রিয়, অভিযোগ পাচ্ছেন কর্মকর্তারাও:
রংপুর বিভাগের একটি জেলার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণত প্রাথমিকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের পর এত দ্রুত সময়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায় না। কিন্তু এবার দ্রুত এ পরীক্ষা নেওয়ার তোড়জোড় করায় সবার মধ্যে সন্দেহ বেড়েছে।
চাকরিপ্রার্থীরা প্রতারকচক্রের কাছ থেকে প্রশ্ন কেনার অফার পাচ্ছেন- এমন অভিযোগও পাচ্ছেন জানিয়ে এ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, গত কয়েকদিন একাধিক প্রার্থী কল করে জানিয়েছেন যে, তাদেরকে ফেসবুকের বিভিন্ন সিক্রেট গ্রুপে যুক্ত করে সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরীক্ষার আগে কেন্দ্রের আশপাশে কোনো বাসায় রেখে তাদের হাতে প্রশ্ন ও উত্তর দিয়ে পড়ানো বা প্রস্তুতি নেওয়ানো হবে। সেখান থেকে শতভাগ প্রশ্ন কমন আসবে বলেও নিশ্চয়তা দিচ্ছে চক্রটি। এর বিনিময়ে তারা অগ্রিম কিছু টাকা দাবি করছে। পাশাপাশি প্রবেশপত্র জমা রেখে পরীক্ষায় পাস করলে বাকি টাকা দিতে হবে বলে চুক্তি করছে। এ ধরনের প্রস্তাবের বিষয়টি অভিযোগ আকারে আসছে। আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দিয়েছি।
যেভাবে প্রশ্নফাঁসের প্রলোভন
প্রশ্নফাঁস চক্রের অফার পাওয়া দুজন প্রার্থীর মোবাইল ফোন নম্বরও দেন ওই প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তাদের একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছে জাগো নিউজ। নাম প্রকাশ না করে ওই নারী চাকরিপ্রার্থী জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি নামের একটা গ্রুপে যুক্ত আছি। সেখান থেকে একজন আমাকে প্রার্থী দেখে নক দিয়েছেন। কিছু কথাবার্তার পর মেসেঞ্জারে কল দিয়ে প্রশ্ন দেওয়ার অফার করছেন। তাদের অফার অনুযায়ী- তিন লাখে চুক্তি করতে হবে। ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম দিতে হবে। তাহলে স্পেশাল গ্রুপে নেবে।’
‘এরপর পরীক্ষার আগের দিন মোবাইল ফোন রেখে তাদের নির্ধারিত বাসায় যেতে হবে। সেখানে তারা খাওয়া-থাকা ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করবেন। পরদিন তারাই কেন্দ্রে দিয়ে আসবেন। কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর তাদেরকে প্রবেশপত্র দিতে হবে। রেজাল্ট হলে লিখিত পরীক্ষায় পাস করলে বাকি আড়াই লাখ টাকা দিয়ে প্রবেশপত্র নিতে হবে। তারা মৌখিক পরীক্ষার কোনো দায়িত্ব নেবে না’ যোগ করেন ওই চাকরিপ্রার্থী।
প্রশ্নপত্র কোথায়?
গত ২ জানুয়ারি একযোগে দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও তার পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পরীক্ষা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র বলছে, সেসময় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এমনকি প্রশ্নপত্রও প্রস্তুত করে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই এক সপ্তাহের বেশি প্রশ্নপত্রগুলো রয়ে গেছে। সে কারণে প্রশ্নফাঁসের কানাঘুষাটা বেশি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করছেন অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের এক কর্মকর্তা।
তবে জেলায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হলেও তা ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেছেন পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ২ জানুয়ারি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সঙ্গতকারণে আমাদেরকে সেসময় জেলা পর্যায়ে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিতে হয়েছে। প্রশ্নপত্রগুলো স্ব স্ব জেলা প্রশাসনের (ডিসি) ট্রেজারিতে জমা থাকে। সেখানে কঠোর নিরাপত্তায় সিলগালা এসব প্রশ্ন রাখা হয়। সেখান থেকে প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগই নেই।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব অপতথ্য বা মিথ্যা-ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, এটি একটি চক্রের কাজ। একটি চক্র পরীক্ষা ভণ্ডুল করতে চায়। আবার কেউ কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করে পরীক্ষাটা পেছাতে চান। এসব অপতথ্য রুখতে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা গণামধ্যমের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের জানাতে চাই যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না। ৯ জানুয়ারি বিকেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা হবে। শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার দুই ধাপ মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে লড়াই করবেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রথম ধাপে (রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগ) ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি।
বরিশাল টাইমস
১৪ হাজার ৩৮৫ পদে প্রার্থী পৌনে ১১ লাখের বেশি
৬১ জেলায় পাঠানো প্রশ্নপত্র ফাঁসের ‘কানাঘুষা’
ফেসবুক গ্রুপগুলোতে সক্রিয়া প্রশ্নফাঁস চক্র
গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষা ভণ্ডুলের অপচেষ্টা: অধিদপ্তর
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘হিসাব সহকারী’ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে পরীক্ষা শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে বিনা নোটিশে তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা একদিকে যেমন ক্ষোভ জানিয়েছেন, অন্যদিকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জড়িত বলেও অভিযোগ তুলেছেন তারা।
হিসাব সহকারী পদের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার সামনে এসেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। এক দফা পিছিয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে অধিদপ্তর। তবে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা।
চাকরিপ্রার্থী ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে দেশের সবচেয়ে বড় নিয়োগ হয় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে। এবারও ১৪ হাজার ৩৮৫ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিতে তৎপর হওয়ায় প্রার্থীদের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় বেড়েছে।
তাদের অভিযোগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উচ্চপদে থাকা কর্মকর্তারা নির্বাচনের পর আর নাও থাকতে পারেন। অধিকাংশ পদে পরিবর্তন আসতে পারে। এজন্য তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিয়ে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করতে চান। এ কারণে নিয়োগে প্রভাব ও অনিয়মের আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন পক্ষ।
প্রশ্নফাঁস চক্র সক্রিয়, অভিযোগ পাচ্ছেন কর্মকর্তারাও:
রংপুর বিভাগের একটি জেলার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণত প্রাথমিকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের পর এত দ্রুত সময়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায় না। কিন্তু এবার দ্রুত এ পরীক্ষা নেওয়ার তোড়জোড় করায় সবার মধ্যে সন্দেহ বেড়েছে।
চাকরিপ্রার্থীরা প্রতারকচক্রের কাছ থেকে প্রশ্ন কেনার অফার পাচ্ছেন- এমন অভিযোগও পাচ্ছেন জানিয়ে এ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, গত কয়েকদিন একাধিক প্রার্থী কল করে জানিয়েছেন যে, তাদেরকে ফেসবুকের বিভিন্ন সিক্রেট গ্রুপে যুক্ত করে সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরীক্ষার আগে কেন্দ্রের আশপাশে কোনো বাসায় রেখে তাদের হাতে প্রশ্ন ও উত্তর দিয়ে পড়ানো বা প্রস্তুতি নেওয়ানো হবে। সেখান থেকে শতভাগ প্রশ্ন কমন আসবে বলেও নিশ্চয়তা দিচ্ছে চক্রটি। এর বিনিময়ে তারা অগ্রিম কিছু টাকা দাবি করছে। পাশাপাশি প্রবেশপত্র জমা রেখে পরীক্ষায় পাস করলে বাকি টাকা দিতে হবে বলে চুক্তি করছে। এ ধরনের প্রস্তাবের বিষয়টি অভিযোগ আকারে আসছে। আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দিয়েছি।
যেভাবে প্রশ্নফাঁসের প্রলোভন
প্রশ্নফাঁস চক্রের অফার পাওয়া দুজন প্রার্থীর মোবাইল ফোন নম্বরও দেন ওই প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তাদের একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছে জাগো নিউজ। নাম প্রকাশ না করে ওই নারী চাকরিপ্রার্থী জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি নামের একটা গ্রুপে যুক্ত আছি। সেখান থেকে একজন আমাকে প্রার্থী দেখে নক দিয়েছেন। কিছু কথাবার্তার পর মেসেঞ্জারে কল দিয়ে প্রশ্ন দেওয়ার অফার করছেন। তাদের অফার অনুযায়ী- তিন লাখে চুক্তি করতে হবে। ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম দিতে হবে। তাহলে স্পেশাল গ্রুপে নেবে।’
‘এরপর পরীক্ষার আগের দিন মোবাইল ফোন রেখে তাদের নির্ধারিত বাসায় যেতে হবে। সেখানে তারা খাওয়া-থাকা ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করবেন। পরদিন তারাই কেন্দ্রে দিয়ে আসবেন। কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর তাদেরকে প্রবেশপত্র দিতে হবে। রেজাল্ট হলে লিখিত পরীক্ষায় পাস করলে বাকি আড়াই লাখ টাকা দিয়ে প্রবেশপত্র নিতে হবে। তারা মৌখিক পরীক্ষার কোনো দায়িত্ব নেবে না’ যোগ করেন ওই চাকরিপ্রার্থী।
প্রশ্নপত্র কোথায়?
গত ২ জানুয়ারি একযোগে দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও তার পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পরীক্ষা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র বলছে, সেসময় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এমনকি প্রশ্নপত্রও প্রস্তুত করে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই এক সপ্তাহের বেশি প্রশ্নপত্রগুলো রয়ে গেছে। সে কারণে প্রশ্নফাঁসের কানাঘুষাটা বেশি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করছেন অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের এক কর্মকর্তা।
তবে জেলায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হলেও তা ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেছেন পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ২ জানুয়ারি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সঙ্গতকারণে আমাদেরকে সেসময় জেলা পর্যায়ে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিতে হয়েছে। প্রশ্নপত্রগুলো স্ব স্ব জেলা প্রশাসনের (ডিসি) ট্রেজারিতে জমা থাকে। সেখানে কঠোর নিরাপত্তায় সিলগালা এসব প্রশ্ন রাখা হয়। সেখান থেকে প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগই নেই।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব অপতথ্য বা মিথ্যা-ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, এটি একটি চক্রের কাজ। একটি চক্র পরীক্ষা ভণ্ডুল করতে চায়। আবার কেউ কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করে পরীক্ষাটা পেছাতে চান। এসব অপতথ্য রুখতে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা গণামধ্যমের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের জানাতে চাই যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না। ৯ জানুয়ারি বিকেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা হবে। শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার দুই ধাপ মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে লড়াই করবেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রথম ধাপে (রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগ) ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি।
বরিশাল টাইমস

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অন্তত ৩৫০ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নাজিম উদ্দিন আহমেদের ভাই রিয়াজ উদ্দিন রাজন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেন তারা। এ সময় নতুন যোগদানকারীদের ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
যোগদান অনুষ্ঠান শেষে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে একটি গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থী মাহবুব আলম, রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির নাজমুল হাসান পাটওয়ারী, রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির হাসান মাহমুদ বান্নাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অন্তত ৩৫০ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নাজিম উদ্দিন আহমেদের ভাই রিয়াজ উদ্দিন রাজন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেন তারা। এ সময় নতুন যোগদানকারীদের ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
যোগদান অনুষ্ঠান শেষে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে একটি গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থী মাহবুব আলম, রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির নাজমুল হাসান পাটওয়ারী, রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির হাসান মাহমুদ বান্নাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৬
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৩
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬