
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৮
১৪ হাজার ৩৮৫ পদে প্রার্থী পৌনে ১১ লাখের বেশি
৬১ জেলায় পাঠানো প্রশ্নপত্র ফাঁসের ‘কানাঘুষা’
ফেসবুক গ্রুপগুলোতে সক্রিয়া প্রশ্নফাঁস চক্র
গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষা ভণ্ডুলের অপচেষ্টা: অধিদপ্তর
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘হিসাব সহকারী’ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে পরীক্ষা শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে বিনা নোটিশে তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা একদিকে যেমন ক্ষোভ জানিয়েছেন, অন্যদিকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জড়িত বলেও অভিযোগ তুলেছেন তারা।
হিসাব সহকারী পদের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার সামনে এসেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। এক দফা পিছিয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে অধিদপ্তর। তবে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা।
চাকরিপ্রার্থী ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে দেশের সবচেয়ে বড় নিয়োগ হয় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে। এবারও ১৪ হাজার ৩৮৫ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিতে তৎপর হওয়ায় প্রার্থীদের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় বেড়েছে।
তাদের অভিযোগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উচ্চপদে থাকা কর্মকর্তারা নির্বাচনের পর আর নাও থাকতে পারেন। অধিকাংশ পদে পরিবর্তন আসতে পারে। এজন্য তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিয়ে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করতে চান। এ কারণে নিয়োগে প্রভাব ও অনিয়মের আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন পক্ষ।
প্রশ্নফাঁস চক্র সক্রিয়, অভিযোগ পাচ্ছেন কর্মকর্তারাও:
রংপুর বিভাগের একটি জেলার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণত প্রাথমিকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের পর এত দ্রুত সময়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায় না। কিন্তু এবার দ্রুত এ পরীক্ষা নেওয়ার তোড়জোড় করায় সবার মধ্যে সন্দেহ বেড়েছে।
চাকরিপ্রার্থীরা প্রতারকচক্রের কাছ থেকে প্রশ্ন কেনার অফার পাচ্ছেন- এমন অভিযোগও পাচ্ছেন জানিয়ে এ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, গত কয়েকদিন একাধিক প্রার্থী কল করে জানিয়েছেন যে, তাদেরকে ফেসবুকের বিভিন্ন সিক্রেট গ্রুপে যুক্ত করে সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরীক্ষার আগে কেন্দ্রের আশপাশে কোনো বাসায় রেখে তাদের হাতে প্রশ্ন ও উত্তর দিয়ে পড়ানো বা প্রস্তুতি নেওয়ানো হবে। সেখান থেকে শতভাগ প্রশ্ন কমন আসবে বলেও নিশ্চয়তা দিচ্ছে চক্রটি। এর বিনিময়ে তারা অগ্রিম কিছু টাকা দাবি করছে। পাশাপাশি প্রবেশপত্র জমা রেখে পরীক্ষায় পাস করলে বাকি টাকা দিতে হবে বলে চুক্তি করছে। এ ধরনের প্রস্তাবের বিষয়টি অভিযোগ আকারে আসছে। আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দিয়েছি।
যেভাবে প্রশ্নফাঁসের প্রলোভন
প্রশ্নফাঁস চক্রের অফার পাওয়া দুজন প্রার্থীর মোবাইল ফোন নম্বরও দেন ওই প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তাদের একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছে জাগো নিউজ। নাম প্রকাশ না করে ওই নারী চাকরিপ্রার্থী জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি নামের একটা গ্রুপে যুক্ত আছি। সেখান থেকে একজন আমাকে প্রার্থী দেখে নক দিয়েছেন। কিছু কথাবার্তার পর মেসেঞ্জারে কল দিয়ে প্রশ্ন দেওয়ার অফার করছেন। তাদের অফার অনুযায়ী- তিন লাখে চুক্তি করতে হবে। ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম দিতে হবে। তাহলে স্পেশাল গ্রুপে নেবে।’
‘এরপর পরীক্ষার আগের দিন মোবাইল ফোন রেখে তাদের নির্ধারিত বাসায় যেতে হবে। সেখানে তারা খাওয়া-থাকা ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করবেন। পরদিন তারাই কেন্দ্রে দিয়ে আসবেন। কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর তাদেরকে প্রবেশপত্র দিতে হবে। রেজাল্ট হলে লিখিত পরীক্ষায় পাস করলে বাকি আড়াই লাখ টাকা দিয়ে প্রবেশপত্র নিতে হবে। তারা মৌখিক পরীক্ষার কোনো দায়িত্ব নেবে না’ যোগ করেন ওই চাকরিপ্রার্থী।
প্রশ্নপত্র কোথায়?
গত ২ জানুয়ারি একযোগে দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও তার পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পরীক্ষা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র বলছে, সেসময় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এমনকি প্রশ্নপত্রও প্রস্তুত করে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই এক সপ্তাহের বেশি প্রশ্নপত্রগুলো রয়ে গেছে। সে কারণে প্রশ্নফাঁসের কানাঘুষাটা বেশি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করছেন অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের এক কর্মকর্তা।
তবে জেলায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হলেও তা ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেছেন পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ২ জানুয়ারি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সঙ্গতকারণে আমাদেরকে সেসময় জেলা পর্যায়ে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিতে হয়েছে। প্রশ্নপত্রগুলো স্ব স্ব জেলা প্রশাসনের (ডিসি) ট্রেজারিতে জমা থাকে। সেখানে কঠোর নিরাপত্তায় সিলগালা এসব প্রশ্ন রাখা হয়। সেখান থেকে প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগই নেই।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব অপতথ্য বা মিথ্যা-ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, এটি একটি চক্রের কাজ। একটি চক্র পরীক্ষা ভণ্ডুল করতে চায়। আবার কেউ কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করে পরীক্ষাটা পেছাতে চান। এসব অপতথ্য রুখতে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা গণামধ্যমের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের জানাতে চাই যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না। ৯ জানুয়ারি বিকেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা হবে। শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার দুই ধাপ মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে লড়াই করবেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রথম ধাপে (রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগ) ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি।
বরিশাল টাইমস
১৪ হাজার ৩৮৫ পদে প্রার্থী পৌনে ১১ লাখের বেশি
৬১ জেলায় পাঠানো প্রশ্নপত্র ফাঁসের ‘কানাঘুষা’
ফেসবুক গ্রুপগুলোতে সক্রিয়া প্রশ্নফাঁস চক্র
গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষা ভণ্ডুলের অপচেষ্টা: অধিদপ্তর
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘হিসাব সহকারী’ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে পরীক্ষা শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে বিনা নোটিশে তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা একদিকে যেমন ক্ষোভ জানিয়েছেন, অন্যদিকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জড়িত বলেও অভিযোগ তুলেছেন তারা।
হিসাব সহকারী পদের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার সামনে এসেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। এক দফা পিছিয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে অধিদপ্তর। তবে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা।
চাকরিপ্রার্থী ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে দেশের সবচেয়ে বড় নিয়োগ হয় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে। এবারও ১৪ হাজার ৩৮৫ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিতে তৎপর হওয়ায় প্রার্থীদের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় বেড়েছে।
তাদের অভিযোগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উচ্চপদে থাকা কর্মকর্তারা নির্বাচনের পর আর নাও থাকতে পারেন। অধিকাংশ পদে পরিবর্তন আসতে পারে। এজন্য তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিয়ে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করতে চান। এ কারণে নিয়োগে প্রভাব ও অনিয়মের আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন পক্ষ।
প্রশ্নফাঁস চক্র সক্রিয়, অভিযোগ পাচ্ছেন কর্মকর্তারাও:
রংপুর বিভাগের একটি জেলার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণত প্রাথমিকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের পর এত দ্রুত সময়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায় না। কিন্তু এবার দ্রুত এ পরীক্ষা নেওয়ার তোড়জোড় করায় সবার মধ্যে সন্দেহ বেড়েছে।
চাকরিপ্রার্থীরা প্রতারকচক্রের কাছ থেকে প্রশ্ন কেনার অফার পাচ্ছেন- এমন অভিযোগও পাচ্ছেন জানিয়ে এ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, গত কয়েকদিন একাধিক প্রার্থী কল করে জানিয়েছেন যে, তাদেরকে ফেসবুকের বিভিন্ন সিক্রেট গ্রুপে যুক্ত করে সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরীক্ষার আগে কেন্দ্রের আশপাশে কোনো বাসায় রেখে তাদের হাতে প্রশ্ন ও উত্তর দিয়ে পড়ানো বা প্রস্তুতি নেওয়ানো হবে। সেখান থেকে শতভাগ প্রশ্ন কমন আসবে বলেও নিশ্চয়তা দিচ্ছে চক্রটি। এর বিনিময়ে তারা অগ্রিম কিছু টাকা দাবি করছে। পাশাপাশি প্রবেশপত্র জমা রেখে পরীক্ষায় পাস করলে বাকি টাকা দিতে হবে বলে চুক্তি করছে। এ ধরনের প্রস্তাবের বিষয়টি অভিযোগ আকারে আসছে। আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দিয়েছি।
যেভাবে প্রশ্নফাঁসের প্রলোভন
প্রশ্নফাঁস চক্রের অফার পাওয়া দুজন প্রার্থীর মোবাইল ফোন নম্বরও দেন ওই প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তাদের একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছে জাগো নিউজ। নাম প্রকাশ না করে ওই নারী চাকরিপ্রার্থী জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি নামের একটা গ্রুপে যুক্ত আছি। সেখান থেকে একজন আমাকে প্রার্থী দেখে নক দিয়েছেন। কিছু কথাবার্তার পর মেসেঞ্জারে কল দিয়ে প্রশ্ন দেওয়ার অফার করছেন। তাদের অফার অনুযায়ী- তিন লাখে চুক্তি করতে হবে। ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম দিতে হবে। তাহলে স্পেশাল গ্রুপে নেবে।’
‘এরপর পরীক্ষার আগের দিন মোবাইল ফোন রেখে তাদের নির্ধারিত বাসায় যেতে হবে। সেখানে তারা খাওয়া-থাকা ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করবেন। পরদিন তারাই কেন্দ্রে দিয়ে আসবেন। কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর তাদেরকে প্রবেশপত্র দিতে হবে। রেজাল্ট হলে লিখিত পরীক্ষায় পাস করলে বাকি আড়াই লাখ টাকা দিয়ে প্রবেশপত্র নিতে হবে। তারা মৌখিক পরীক্ষার কোনো দায়িত্ব নেবে না’ যোগ করেন ওই চাকরিপ্রার্থী।
প্রশ্নপত্র কোথায়?
গত ২ জানুয়ারি একযোগে দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও তার পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পরীক্ষা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র বলছে, সেসময় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এমনকি প্রশ্নপত্রও প্রস্তুত করে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই এক সপ্তাহের বেশি প্রশ্নপত্রগুলো রয়ে গেছে। সে কারণে প্রশ্নফাঁসের কানাঘুষাটা বেশি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করছেন অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের এক কর্মকর্তা।
তবে জেলায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হলেও তা ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেছেন পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ২ জানুয়ারি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সঙ্গতকারণে আমাদেরকে সেসময় জেলা পর্যায়ে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিতে হয়েছে। প্রশ্নপত্রগুলো স্ব স্ব জেলা প্রশাসনের (ডিসি) ট্রেজারিতে জমা থাকে। সেখানে কঠোর নিরাপত্তায় সিলগালা এসব প্রশ্ন রাখা হয়। সেখান থেকে প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগই নেই।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব অপতথ্য বা মিথ্যা-ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, এটি একটি চক্রের কাজ। একটি চক্র পরীক্ষা ভণ্ডুল করতে চায়। আবার কেউ কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করে পরীক্ষাটা পেছাতে চান। এসব অপতথ্য রুখতে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা গণামধ্যমের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের জানাতে চাই যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না। ৯ জানুয়ারি বিকেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা হবে। শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার দুই ধাপ মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে লড়াই করবেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রথম ধাপে (রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগ) ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি।
বরিশাল টাইমস

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২১
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই দেশের ৫৯ জেলায় (চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের পাঁচ জেলা বাদে) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) এইচএসসির তিনটি বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। এর সবগুলো বিষয়ের দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা ছিল।
এদিন সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ২০ হাজার ৫২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ১৫ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গত ১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় একই বিষয়গুলোর প্রথমপত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাতে অনুপস্থিত ছিলেন ১৯ হাজার ৫৯২ জন। সেই হিসাবে প্রথমপত্রের চেয়ে দ্বিতীয়পত্রে অনুপস্থিতি বেড়েছে প্রায় পাঁচশ জন।
অন্যদিকে প্রথমপত্র পরীক্ষায় এইচএসসিতে বহিষ্কার হয়েছিল ২৯ জন। আর আজ দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা বহিষ্কার হয়েছেন ১৫ জন। সেই হিসাবে বহিষ্কার কমেছে।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনের তথ্যমতে, সাধারণ আটটি শিক্ষা বোর্ডে এদিন পদার্থবিজ্ঞান, হিসাববিজ্ঞান ও যুক্তিবিদ্যা দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট শিক্ষার্থী ছিলেন ৪ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪ লাখ ৪১ হাজার ৭৩৮ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ১২ হাজার ১০১ জন। আর বহিষ্কার হয়েছেন ১০ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ।
মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিমে এদিন আরবি দ্বিতীয়পত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ৬৮ হাজার ৬০ জন। তার মধ্যে অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৮৫৫ জন। গড় অনুপস্থিতির হার ৭ দশমিক শূন্য ৯। আর বহিষ্কার হয়েছেন পাঁচজন।
অন্যদিকে কারিগরি বোর্ডে অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৯৬ জন। এদিন কারিগরিতে কেউ বহিষ্কার হননি। গড় অনুপস্থিতির হার ৩ দশকি ৮৬ শতাংশ।
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় পরীক্ষা গ্রহণ এবং শিক্ষার্থীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করার প্রতিবাদে মঙ্গলবার দিনভর বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ঢাকাসহ দেশের অন্তত ৩০ জেলায় রাজপথে নামেন পরীক্ষার্থীরা। তাদের বেশ কিছু দাবি পূরণ হলেও আজকের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়নি। বাধ্য হয়ে তারা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
এদিকে, পরীক্ষা শেষে বেলা ২টার দিকে শিক্ষার্থীরা লং মার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্মসূচি শুরু করেন। তারা প্রথমে সায়েন্সল্যাব মোড়ে জড়ো হন। সেখান শিক্ষাভবন ও সচিবালয়ের দিকে রওনা দিয়েছেন। এখন তাদের একটাই দাবি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ।

১৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪২
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
গাইবান্ধা সদর উপজেলায় রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের হাওয়া দীঘির মোড়ে বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার হারজিত দিয়ে দুই বন্ধু মিলে অপর বন্ধু রায়হান প্রধান (১৬) নামে একজনকে পুকুরের পানিতে চুবিয়ে হত্যার ২৭ দিন পর দুই বন্ধুকে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন সাকিব মিয়া ও রিফাদ মিয়া। দুজনের বাড়ি একই এলাকায়।
রোববার দুপুরে র্যাব-১৩-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী সাংবাদিকদের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন।
র্যাব জানায়, ১৬ জুন বিকালে সাকিব মিয়া (১৮) ও রিফাদ মিয়া (১৬) অপর বন্ধু রায়হানকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে স্থানীয় হরিণসিংহা দীঘিতে গোসল করতে যান। গোসলের সময় বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক হয়।
একপর্যায়ে সাকিব ও রিফাদ রায়হানকে বেধড়ক মারপিট করে পানিতে চুবিয়ে রাখেন। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে দীঘিরপাড়ে ফেলে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন রায়হানকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর খবর পেয়ে সাকিব ও রিফাদ বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। ছেলে হত্যার ঘটনায় পিতা মকবুল হোসেন বাদী হয়ে ১৯ জুন গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে অভিযুক্ত দুই বন্ধু সাকিব ও রিফাদকে বিমানবন্দর ও অপরজনকে উত্তরা থেকে গ্রেফতার করে গাইবান্ধায় নিয়ে আসে। রোববার দুপুরে তাদের দুজনকে গাইবান্ধা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আবদুল্লা আল মামুন বলেন, রোববার দুপুরে র্যাব দুইজনকে থানায় হস্তান্তর করে। বিকালে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

১৪ জুলাই, ২০২৬ ১৭:১৫
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে ফের রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব অবরোধ করেন তারা।
এর আগে বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। পরে মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুক্ষণ অবস্থান করেন তারা।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ঢাকার সামনে ৩টা ১০ মিনিট পর্যন্ত অবস্থান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে ফের সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের ৩ দফা দাবি
১/ দুর্যোগের প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত।
২/ বৈরী আবহাওয়ার কারণে যারা ১৩ জুলাই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি তাদের পরীক্ষা পুনরায় গ্রহণ।
৩/ আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ।
শিক্ষার্থীদের অবরোধের ফলে বর্তমানে সায়েন্সল্যাব মোড় দিয়ে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭