Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৮
১৪ হাজার ৩৮৫ পদে প্রার্থী পৌনে ১১ লাখের বেশি
৬১ জেলায় পাঠানো প্রশ্নপত্র ফাঁসের ‘কানাঘুষা’
ফেসবুক গ্রুপগুলোতে সক্রিয়া প্রশ্নফাঁস চক্র
গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষা ভণ্ডুলের অপচেষ্টা: অধিদপ্তর
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘হিসাব সহকারী’ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে পরীক্ষা শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে বিনা নোটিশে তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা একদিকে যেমন ক্ষোভ জানিয়েছেন, অন্যদিকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জড়িত বলেও অভিযোগ তুলেছেন তারা।
হিসাব সহকারী পদের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার সামনে এসেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। এক দফা পিছিয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে অধিদপ্তর। তবে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা।
চাকরিপ্রার্থী ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে দেশের সবচেয়ে বড় নিয়োগ হয় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে। এবারও ১৪ হাজার ৩৮৫ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিতে তৎপর হওয়ায় প্রার্থীদের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় বেড়েছে।
তাদের অভিযোগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উচ্চপদে থাকা কর্মকর্তারা নির্বাচনের পর আর নাও থাকতে পারেন। অধিকাংশ পদে পরিবর্তন আসতে পারে। এজন্য তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিয়ে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করতে চান। এ কারণে নিয়োগে প্রভাব ও অনিয়মের আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন পক্ষ।
প্রশ্নফাঁস চক্র সক্রিয়, অভিযোগ পাচ্ছেন কর্মকর্তারাও:
রংপুর বিভাগের একটি জেলার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণত প্রাথমিকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের পর এত দ্রুত সময়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায় না। কিন্তু এবার দ্রুত এ পরীক্ষা নেওয়ার তোড়জোড় করায় সবার মধ্যে সন্দেহ বেড়েছে।
চাকরিপ্রার্থীরা প্রতারকচক্রের কাছ থেকে প্রশ্ন কেনার অফার পাচ্ছেন- এমন অভিযোগও পাচ্ছেন জানিয়ে এ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, গত কয়েকদিন একাধিক প্রার্থী কল করে জানিয়েছেন যে, তাদেরকে ফেসবুকের বিভিন্ন সিক্রেট গ্রুপে যুক্ত করে সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরীক্ষার আগে কেন্দ্রের আশপাশে কোনো বাসায় রেখে তাদের হাতে প্রশ্ন ও উত্তর দিয়ে পড়ানো বা প্রস্তুতি নেওয়ানো হবে। সেখান থেকে শতভাগ প্রশ্ন কমন আসবে বলেও নিশ্চয়তা দিচ্ছে চক্রটি। এর বিনিময়ে তারা অগ্রিম কিছু টাকা দাবি করছে। পাশাপাশি প্রবেশপত্র জমা রেখে পরীক্ষায় পাস করলে বাকি টাকা দিতে হবে বলে চুক্তি করছে। এ ধরনের প্রস্তাবের বিষয়টি অভিযোগ আকারে আসছে। আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দিয়েছি।
যেভাবে প্রশ্নফাঁসের প্রলোভন
প্রশ্নফাঁস চক্রের অফার পাওয়া দুজন প্রার্থীর মোবাইল ফোন নম্বরও দেন ওই প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তাদের একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছে জাগো নিউজ। নাম প্রকাশ না করে ওই নারী চাকরিপ্রার্থী জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি নামের একটা গ্রুপে যুক্ত আছি। সেখান থেকে একজন আমাকে প্রার্থী দেখে নক দিয়েছেন। কিছু কথাবার্তার পর মেসেঞ্জারে কল দিয়ে প্রশ্ন দেওয়ার অফার করছেন। তাদের অফার অনুযায়ী- তিন লাখে চুক্তি করতে হবে। ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম দিতে হবে। তাহলে স্পেশাল গ্রুপে নেবে।’
‘এরপর পরীক্ষার আগের দিন মোবাইল ফোন রেখে তাদের নির্ধারিত বাসায় যেতে হবে। সেখানে তারা খাওয়া-থাকা ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করবেন। পরদিন তারাই কেন্দ্রে দিয়ে আসবেন। কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর তাদেরকে প্রবেশপত্র দিতে হবে। রেজাল্ট হলে লিখিত পরীক্ষায় পাস করলে বাকি আড়াই লাখ টাকা দিয়ে প্রবেশপত্র নিতে হবে। তারা মৌখিক পরীক্ষার কোনো দায়িত্ব নেবে না’ যোগ করেন ওই চাকরিপ্রার্থী।
প্রশ্নপত্র কোথায়?
গত ২ জানুয়ারি একযোগে দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও তার পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পরীক্ষা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র বলছে, সেসময় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এমনকি প্রশ্নপত্রও প্রস্তুত করে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই এক সপ্তাহের বেশি প্রশ্নপত্রগুলো রয়ে গেছে। সে কারণে প্রশ্নফাঁসের কানাঘুষাটা বেশি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করছেন অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের এক কর্মকর্তা।
তবে জেলায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হলেও তা ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেছেন পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ২ জানুয়ারি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সঙ্গতকারণে আমাদেরকে সেসময় জেলা পর্যায়ে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিতে হয়েছে। প্রশ্নপত্রগুলো স্ব স্ব জেলা প্রশাসনের (ডিসি) ট্রেজারিতে জমা থাকে। সেখানে কঠোর নিরাপত্তায় সিলগালা এসব প্রশ্ন রাখা হয়। সেখান থেকে প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগই নেই।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব অপতথ্য বা মিথ্যা-ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, এটি একটি চক্রের কাজ। একটি চক্র পরীক্ষা ভণ্ডুল করতে চায়। আবার কেউ কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করে পরীক্ষাটা পেছাতে চান। এসব অপতথ্য রুখতে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা গণামধ্যমের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের জানাতে চাই যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না। ৯ জানুয়ারি বিকেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা হবে। শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার দুই ধাপ মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে লড়াই করবেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রথম ধাপে (রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগ) ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি।
বরিশাল টাইমস
১৪ হাজার ৩৮৫ পদে প্রার্থী পৌনে ১১ লাখের বেশি
৬১ জেলায় পাঠানো প্রশ্নপত্র ফাঁসের ‘কানাঘুষা’
ফেসবুক গ্রুপগুলোতে সক্রিয়া প্রশ্নফাঁস চক্র
গুজব ছড়িয়ে পরীক্ষা ভণ্ডুলের অপচেষ্টা: অধিদপ্তর
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘হিসাব সহকারী’ নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে পরীক্ষা শুরুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে বিনা নোটিশে তা স্থগিত করে দেওয়া হয়। এ নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা একদিকে যেমন ক্ষোভ জানিয়েছেন, অন্যদিকে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জড়িত বলেও অভিযোগ তুলেছেন তারা।
হিসাব সহকারী পদের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই এবার সামনে এসেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। এক দফা পিছিয়ে আগামী ৯ জানুয়ারি এ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে অধিদপ্তর। তবে এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্রও ফাঁস হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এতে ক্ষুব্ধ চাকরিপ্রার্থীরা।
চাকরিপ্রার্থী ও অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারি চাকরিতে দেশের সবচেয়ে বড় নিয়োগ হয় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে। এবারও ১৪ হাজার ৩৮৫ পদে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ সময়ে তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিতে তৎপর হওয়ায় প্রার্থীদের মধ্যে সন্দেহ-সংশয় বেড়েছে।
তাদের অভিযোগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের উচ্চপদে থাকা কর্মকর্তারা নির্বাচনের পর আর নাও থাকতে পারেন। অধিকাংশ পদে পরিবর্তন আসতে পারে। এজন্য তড়িঘড়ি করে এ পরীক্ষা নিয়ে মৌখিক পরীক্ষা শেষ করতে চান। এ কারণে নিয়োগে প্রভাব ও অনিয়মের আশঙ্কা করছেন বিভিন্ন পক্ষ।
প্রশ্নফাঁস চক্র সক্রিয়, অভিযোগ পাচ্ছেন কর্মকর্তারাও:
রংপুর বিভাগের একটি জেলার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জাগো নিউজকে বলেন, সাধারণত প্রাথমিকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, আবেদনের পর এত দ্রুত সময়ে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায় না। কিন্তু এবার দ্রুত এ পরীক্ষা নেওয়ার তোড়জোড় করায় সবার মধ্যে সন্দেহ বেড়েছে।
চাকরিপ্রার্থীরা প্রতারকচক্রের কাছ থেকে প্রশ্ন কেনার অফার পাচ্ছেন- এমন অভিযোগও পাচ্ছেন জানিয়ে এ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, গত কয়েকদিন একাধিক প্রার্থী কল করে জানিয়েছেন যে, তাদেরকে ফেসবুকের বিভিন্ন সিক্রেট গ্রুপে যুক্ত করে সেখানে প্রশ্নফাঁসের বিষয়টি জানানো হয়েছে। পরীক্ষার আগে কেন্দ্রের আশপাশে কোনো বাসায় রেখে তাদের হাতে প্রশ্ন ও উত্তর দিয়ে পড়ানো বা প্রস্তুতি নেওয়ানো হবে। সেখান থেকে শতভাগ প্রশ্ন কমন আসবে বলেও নিশ্চয়তা দিচ্ছে চক্রটি। এর বিনিময়ে তারা অগ্রিম কিছু টাকা দাবি করছে। পাশাপাশি প্রবেশপত্র জমা রেখে পরীক্ষায় পাস করলে বাকি টাকা দিতে হবে বলে চুক্তি করছে। এ ধরনের প্রস্তাবের বিষয়টি অভিযোগ আকারে আসছে। আমরা আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তা জানিয়ে দিয়েছি।
যেভাবে প্রশ্নফাঁসের প্রলোভন
প্রশ্নফাঁস চক্রের অফার পাওয়া দুজন প্রার্থীর মোবাইল ফোন নম্বরও দেন ওই প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা। তাদের একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছে জাগো নিউজ। নাম প্রকাশ না করে ওই নারী চাকরিপ্রার্থী জাগো নিউজকে বলেন, ‘প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ প্রস্তুতি নামের একটা গ্রুপে যুক্ত আছি। সেখান থেকে একজন আমাকে প্রার্থী দেখে নক দিয়েছেন। কিছু কথাবার্তার পর মেসেঞ্জারে কল দিয়ে প্রশ্ন দেওয়ার অফার করছেন। তাদের অফার অনুযায়ী- তিন লাখে চুক্তি করতে হবে। ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম দিতে হবে। তাহলে স্পেশাল গ্রুপে নেবে।’
‘এরপর পরীক্ষার আগের দিন মোবাইল ফোন রেখে তাদের নির্ধারিত বাসায় যেতে হবে। সেখানে তারা খাওয়া-থাকা ও প্রস্তুতির ব্যবস্থা করবেন। পরদিন তারাই কেন্দ্রে দিয়ে আসবেন। কেন্দ্র থেকে বের হওয়ার পর তাদেরকে প্রবেশপত্র দিতে হবে। রেজাল্ট হলে লিখিত পরীক্ষায় পাস করলে বাকি আড়াই লাখ টাকা দিয়ে প্রবেশপত্র নিতে হবে। তারা মৌখিক পরীক্ষার কোনো দায়িত্ব নেবে না’ যোগ করেন ওই চাকরিপ্রার্থী।
প্রশ্নপত্র কোথায়?
গত ২ জানুয়ারি একযোগে দেশের ৬১ জেলায় প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যু ও তার পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে পরীক্ষা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্র বলছে, সেসময় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। এমনকি প্রশ্নপত্রও প্রস্তুত করে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানেই এক সপ্তাহের বেশি প্রশ্নপত্রগুলো রয়ে গেছে। সে কারণে প্রশ্নফাঁসের কানাঘুষাটা বেশি ছড়িয়েছে বলে ধারণা করছেন অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনস বিভাগের এক কর্মকর্তা।
তবে জেলায় প্রশ্নপত্র পাঠানো হলেও তা ফাঁস হওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি করেছেন পলিসি অ্যান্ড অপারেশন্স বিভাগের পরিচালক এ কে মোহম্মদ সামছুল আহসান। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ২ জানুয়ারি পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল। সঙ্গতকারণে আমাদেরকে সেসময় জেলা পর্যায়ে প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিতে হয়েছে। প্রশ্নপত্রগুলো স্ব স্ব জেলা প্রশাসনের (ডিসি) ট্রেজারিতে জমা থাকে। সেখানে কঠোর নিরাপত্তায় সিলগালা এসব প্রশ্ন রাখা হয়। সেখান থেকে প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগই নেই।
তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব অপতথ্য বা মিথ্যা-ভিত্তিহীন তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, এটি একটি চক্রের কাজ। একটি চক্র পরীক্ষা ভণ্ডুল করতে চায়। আবার কেউ কেউ প্রশ্নবিদ্ধ করে পরীক্ষাটা পেছাতে চান। এসব অপতথ্য রুখতে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা রাখতে পারে। আমরা গণামধ্যমের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টদের জানাতে চাই যে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবে কান দেবেন না। ৯ জানুয়ারি বিকেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা হবে। শতভাগ মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এবার দুই ধাপ মিলিয়ে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি। সে হিসাবে গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে লড়াই করবেন প্রায় ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী।
অধিদপ্তরের তথ্যমতে, প্রথম ধাপে (রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগ) ১০ হাজার ২১৯টি শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯টি। দ্বিতীয় ধাপে (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে আবেদন জমা পড়েছে ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১টি।
বরিশাল টাইমস

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬