
২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:১০
দেশীয় প্রায় সাড়ে ৩শ কোটি টাকা ব্যায়ে বিএডিসি বরিশালের ২৮ উপজেলার সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে ৬৬ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বাস্তাবায়নাধীন প্রকল্পটির ভৌত অবকাঠামোর প্রায় ৭০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ২০২৩ এর সেপ্টেম্বর থেকে চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা থাকলেও এর মেয়াদ আরো অন্তত একবছর বৃদ্ধি করতে হচ্ছে। প্রকল্পটির জন্য গত অর্থবছর পর্যন্ত প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা ব্যায়ের পরে চলতি অর্থ বছরে আরো ১১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যারমধ্যে গত অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যায় হয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে প্রকল্পটির জন্য ব্যায়ের পরিমান প্রায় ২৫৫ কোটিতে দাঁড়াচ্ছে। ভৌত অগ্রগতির হার প্রায় ৬৫ ভাগ বলে বিএডিসির প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যাবহার হ্রাস করে ভূ-উপরিস্থিত পানির ব্যবহার বর্তমানের ১ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর থেকে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার হেক্টরে উন্নীত হবে। পাশাপাশি সৌরচালিত লো-লিফট পাম্পের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তির মাধ্যমে পুন:খননকৃত খাল ও পুকুর সহ ফসল রক্ষা বাঁধে বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করনে সহায়তা করবে। ফলে ভূ-উপরিস্থিত পানির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন হ্রাসের ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাবার প্রবনতা কিছুটা হলেও রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বিএডিসি’র দায়িত্বশীল মহল।
প্রায় ১২ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে সেচযোগ্য জমির অর্ধেক এখনো সেচের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। রবি মৌসুমে বরিশাল অঞ্চলে ২ লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে সেচাবাদ হলেও তারমধ্যে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন-বিএডিসি’র অবদান ২০ হাজার হেক্টরেরও কম। উপরন্তু গত রবি মৌসুমে এ অঞ্চলের মাঠে ব্যবহৃত বিভিন্ন মাপের ১৯,৪৩৮টি সেচ পাম্পের মধ্যে বিদ্যুৎ চালিত পাম্পের সংখ্যা ছিল মাত্র ১,৪৬২টি বা ৭.৫১%। ডিজেল চালিত পাম্প ১৭,৯৫৮ বা ৯২.৩০%। আর সোলার চালিত পাম্প ছিল ৩৭টি বা ০.১৯ভাগ।
এমনকি সরকার ২০০২-০৩ সাল থেকে কৃষিসেচ কাজে ব্যবহৃত বিদ্যুতে ২০% ভর্তুকি প্রদান করলেও অধিক ব্যায়বহুল ডিজেলচালিত পাম্পে কোন ভর্তুকি নেই। অথচ বরিশাল অঞ্চলে সেচকাজে ব্যবহৃত ৯৩ ভাগ সেচ যন্ত্রই ব্যায়বহুল ডিজেলচালিত। ফলে এ অঞ্চলে অত্যাধিক সেচ ব্যায়ের কারণে ধানের উৎপাদন ব্যায়ও দেশের যেকোন স্থানের তুলনায় বেশী।
ফলে একদিকে রবি মৌসুমে সেচাবাদে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে না, অপরদিকে অধিক ব্যায়বহুল সেচ ব্যায়ের কারণে তাদের ভাগ্যেরও পরিবর্তন হচ্ছে না। অথচ সেচযন্ত্রের অর্ধেকও বিদ্যুতায়িত করতে পারলে এ অঞ্চলের খাদ্য উৎপাদন বর্তমানের প্রায় ৫০ লাখ টনের স্থলে অন্তত ৬০ লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবীদরা। এমনকি কৃষিসেচ ব্যবস্থা বিদ্যুতায়িত করতে পারলে লাগাতার লোকাসানে থাকা এ অঞ্চলের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোও আর্থিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারতো বলে মনে করছেন জ¦ালানী বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয় আহুত ‘ট্রান্সফর্মিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার আউটলুক ২০২৫’ শির্ষক এক কর্মশালায়, ‘বরিশাল কৃষি অঞ্চলে সেচযোগ্য জমির পরিমান ৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৪ হেক্টর বলে জানিয়ে এরমধ্যে মাত্র ২ লাখ ২৫ হাজার ৪৩ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ অঞ্চলে সেচের আওতায় আনা জমির পরিমান এখনো মাত্র ৩৫.৭৫ ভাগ বলে ঐ কর্মশালায় উপস্থাপন করে বোরো মৌসুমেই আবাদযোগ্য অনাবাদি জমির পরিমান ৯৮ হাজার ৩৭৫ হেক্টর বলে জানান হয়েছে।
এসব বিবেচনায় বিএডিসি ২০২৩-২৪ অর্থ বছর থেকে ‘বরিশাল অঞ্চলে সেচ উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎচালিত ২৫০টি, ১ ও ২ কিউসেক সেচযন্ত্র, ২০টি ১কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার লো-লিফট পাম্প, ৩২৫ কিলোমিটার ছোট সেচ খাল ও ৫০ কিলোমিটার বড় সেচখাল পুন:খনন এবং প্রতি কিলোমিটারে ৪টি করে বিভিন্ন খালের পাড়ে প্রায় দেড় হাজার পানি নির্গমন স্থাপনা নির্মান করা হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় ২শটি পাম্প হাউজ ও ৩শটি ওয়াটার পাস নির্মান করা হচ্ছে। একই সাথে প্রায় ৪ হাজার ঘনমিটার করে ৩০টি পুকুর পুন:খননও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সেসব পুকুর থেকে বিভিন্ন জমিতে সেচ প্রদানও সম্ভব হবে। একইসাথে প্রকল্পটির আওতায় ২৭০টি ১ ও ২ কিউেসেক ক্ষমতার ভূ-গর্ভস্থ সেচনালাও খনন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় ৪০ কিলোমিটার ফসল রক্ষা বাঁধও নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্প এলাকায় ফলের বাগানের জন্য ৭৫টি ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম ও ৪০টি ভূ-গর্ভস্থ নিষ্কাশন নালা নির্মিত হচ্ছে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার খালগুরোতে পানি ধরে রাখতে ২০৩ ভিন্টের ৩০টি রেগুলেটর’ও নির্মান করা হচ্ছে।
২০২৬ সালের ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১৬,৫০৪ হেক্টর জমিতে বাড়তি সেচ সুবিধা নিশ্চিতের মাধ্যমে ৬৬ হাজার ১৪ টন খাদ্যশস্য উৎপন্ন হবে বলে আশা করছে বিএডিসি’র দায়িত্বশীল মহল। একইসাথে ফলের বাগানেও সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ফলের আবাদ ও উৎপাদন বাড়বে বলেও আশাবাদী কৃষিবীদ সহ বিএডিসি। এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ ওয়াহিদ মুরাদ জানান, আমরা প্রতিটি বিষয়ে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে প্রকল্পটি বাস্তাবায়নের চেষ্টা করছি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষি প্রধান বরিশাল অঞ্চলে এ ক্ষেত্রে অগ্রগতিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
দেশীয় প্রায় সাড়ে ৩শ কোটি টাকা ব্যায়ে বিএডিসি বরিশালের ২৮ উপজেলার সাড়ে ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে ৬৬ হাজার টন অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বাস্তাবায়নাধীন প্রকল্পটির ভৌত অবকাঠামোর প্রায় ৭০ ভাগ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। তবে ২০২৩ এর সেপ্টেম্বর থেকে চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা থাকলেও এর মেয়াদ আরো অন্তত একবছর বৃদ্ধি করতে হচ্ছে। প্রকল্পটির জন্য গত অর্থবছর পর্যন্ত প্রায় ১৩৫ কোটি টাকা ব্যায়ের পরে চলতি অর্থ বছরে আরো ১১৯ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যারমধ্যে গত অক্টোবর পর্যন্ত প্রায় ১৬ কোটি টাকা ব্যায় হয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে প্রকল্পটির জন্য ব্যায়ের পরিমান প্রায় ২৫৫ কোটিতে দাঁড়াচ্ছে। ভৌত অগ্রগতির হার প্রায় ৬৫ ভাগ বলে বিএডিসির প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ভূ-গর্ভস্থ পানির ব্যাবহার হ্রাস করে ভূ-উপরিস্থিত পানির ব্যবহার বর্তমানের ১ লাখ ৫৭ হাজার হেক্টর থেকে প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার হেক্টরে উন্নীত হবে। পাশাপাশি সৌরচালিত লো-লিফট পাম্পের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তির মাধ্যমে পুন:খননকৃত খাল ও পুকুর সহ ফসল রক্ষা বাঁধে বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করনে সহায়তা করবে। ফলে ভূ-উপরিস্থিত পানির ব্যবহার বৃদ্ধির মাধ্যমে ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন হ্রাসের ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাবার প্রবনতা কিছুটা হলেও রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে বিএডিসি’র দায়িত্বশীল মহল।
প্রায় ১২ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে সেচযোগ্য জমির অর্ধেক এখনো সেচের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। রবি মৌসুমে বরিশাল অঞ্চলে ২ লক্ষাধিক হেক্টর জমিতে সেচাবাদ হলেও তারমধ্যে কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন-বিএডিসি’র অবদান ২০ হাজার হেক্টরেরও কম। উপরন্তু গত রবি মৌসুমে এ অঞ্চলের মাঠে ব্যবহৃত বিভিন্ন মাপের ১৯,৪৩৮টি সেচ পাম্পের মধ্যে বিদ্যুৎ চালিত পাম্পের সংখ্যা ছিল মাত্র ১,৪৬২টি বা ৭.৫১%। ডিজেল চালিত পাম্প ১৭,৯৫৮ বা ৯২.৩০%। আর সোলার চালিত পাম্প ছিল ৩৭টি বা ০.১৯ভাগ।
এমনকি সরকার ২০০২-০৩ সাল থেকে কৃষিসেচ কাজে ব্যবহৃত বিদ্যুতে ২০% ভর্তুকি প্রদান করলেও অধিক ব্যায়বহুল ডিজেলচালিত পাম্পে কোন ভর্তুকি নেই। অথচ বরিশাল অঞ্চলে সেচকাজে ব্যবহৃত ৯৩ ভাগ সেচ যন্ত্রই ব্যায়বহুল ডিজেলচালিত। ফলে এ অঞ্চলে অত্যাধিক সেচ ব্যায়ের কারণে ধানের উৎপাদন ব্যায়ও দেশের যেকোন স্থানের তুলনায় বেশী।
ফলে একদিকে রবি মৌসুমে সেচাবাদে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে না, অপরদিকে অধিক ব্যায়বহুল সেচ ব্যায়ের কারণে তাদের ভাগ্যেরও পরিবর্তন হচ্ছে না। অথচ সেচযন্ত্রের অর্ধেকও বিদ্যুতায়িত করতে পারলে এ অঞ্চলের খাদ্য উৎপাদন বর্তমানের প্রায় ৫০ লাখ টনের স্থলে অন্তত ৬০ লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন মাঠ পর্যায়ের কৃষিবীদরা। এমনকি কৃষিসেচ ব্যবস্থা বিদ্যুতায়িত করতে পারলে লাগাতার লোকাসানে থাকা এ অঞ্চলের পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোও আর্থিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারতো বলে মনে করছেন জ¦ালানী বিশেষজ্ঞরা।
সম্প্রতি কৃষি মন্ত্রণালয় আহুত ‘ট্রান্সফর্মিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার আউটলুক ২০২৫’ শির্ষক এক কর্মশালায়, ‘বরিশাল কৃষি অঞ্চলে সেচযোগ্য জমির পরিমান ৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৪ হেক্টর বলে জানিয়ে এরমধ্যে মাত্র ২ লাখ ২৫ হাজার ৪৩ হেক্টর জমি সেচের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ অঞ্চলে সেচের আওতায় আনা জমির পরিমান এখনো মাত্র ৩৫.৭৫ ভাগ বলে ঐ কর্মশালায় উপস্থাপন করে বোরো মৌসুমেই আবাদযোগ্য অনাবাদি জমির পরিমান ৯৮ হাজার ৩৭৫ হেক্টর বলে জানান হয়েছে।
এসব বিবেচনায় বিএডিসি ২০২৩-২৪ অর্থ বছর থেকে ‘বরিশাল অঞ্চলে সেচ উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎচালিত ২৫০টি, ১ ও ২ কিউসেক সেচযন্ত্র, ২০টি ১কিউসেক ক্ষমতা সম্পন্ন সোলার লো-লিফট পাম্প, ৩২৫ কিলোমিটার ছোট সেচ খাল ও ৫০ কিলোমিটার বড় সেচখাল পুন:খনন এবং প্রতি কিলোমিটারে ৪টি করে বিভিন্ন খালের পাড়ে প্রায় দেড় হাজার পানি নির্গমন স্থাপনা নির্মান করা হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় ২শটি পাম্প হাউজ ও ৩শটি ওয়াটার পাস নির্মান করা হচ্ছে। একই সাথে প্রায় ৪ হাজার ঘনমিটার করে ৩০টি পুকুর পুন:খননও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সেসব পুকুর থেকে বিভিন্ন জমিতে সেচ প্রদানও সম্ভব হবে। একইসাথে প্রকল্পটির আওতায় ২৭০টি ১ ও ২ কিউেসেক ক্ষমতার ভূ-গর্ভস্থ সেচনালাও খনন করা হচ্ছে। প্রকল্পটির আওতায় ৪০ কিলোমিটার ফসল রক্ষা বাঁধও নির্মিত হচ্ছে। প্রকল্প এলাকায় ফলের বাগানের জন্য ৭৫টি ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেম ও ৪০টি ভূ-গর্ভস্থ নিষ্কাশন নালা নির্মিত হচ্ছে। এছাড়া প্রকল্প এলাকার খালগুরোতে পানি ধরে রাখতে ২০৩ ভিন্টের ৩০টি রেগুলেটর’ও নির্মান করা হচ্ছে।
২০২৬ সালের ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ১৬,৫০৪ হেক্টর জমিতে বাড়তি সেচ সুবিধা নিশ্চিতের মাধ্যমে ৬৬ হাজার ১৪ টন খাদ্যশস্য উৎপন্ন হবে বলে আশা করছে বিএডিসি’র দায়িত্বশীল মহল। একইসাথে ফলের বাগানেও সেচ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ফলের আবাদ ও উৎপাদন বাড়বে বলেও আশাবাদী কৃষিবীদ সহ বিএডিসি। এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ ওয়াহিদ মুরাদ জানান, আমরা প্রতিটি বিষয়ে সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে প্রকল্পটি বাস্তাবায়নের চেষ্টা করছি। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে কৃষি প্রধান বরিশাল অঞ্চলে এ ক্ষেত্রে অগ্রগতিকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকা থেকে বরিশালের চরমোনাই মাহফিলে আসা রিজার্ভ লঞ্চ কীর্তনখোলা-১০ এর একটি কেবিনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার চরমোনাই ঘাটে লঞ্চটির ৩২৫ নম্বর কেবিনে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।
চরমোনাই মাহফিলের মিডিয়া সমন্বয়ক কেএম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় কেবিনে কেউ অবস্থান করছিলেন না। আগুন টের পেয়ে লঞ্চ কর্তৃপক্ষ দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফলে কেবিনের ভেতরের মালামাল পুড়ে গেলেও আগুন বাইরে ছড়িয়ে পড়েনি। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে চরমোনাই ঘাটে একই সময়ে আরও বেশ কয়েকটি বিলাসহুল লঞ্চ নোঙর করা ছিল। যেখানে হাজারো যাত্রী রাত্রিযাপন করছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকল লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের জন্য মাহফিলের নিরাপত্তা বিভাগের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।
বরিশালের বানারীপাড়া পৌর শহরের উত্তরপাড় ইউনিটির উদ্যোগে এলাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা ফেলার প্রবণতা রোধে নেওয়া হয়েছে প্রশংসনীয় সামাজিক উদ্যোগ। স্থায়ী ডাস্টবিন স্থাপন ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ছয়টি নির্দিষ্ট স্থানে ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। বুধবার
পহেলা মে, বাদ জোহর এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ তাওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ডাস্টবিনগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থাপন করা হয়। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উত্তরপাড় ইউনিটির সদস্যরা—মোঃ রাব্বি সরদার, মোঃ সজিব, শাহাদাত হোসাইন, মাহমুদুল হাসান, মেহেদী মাসুদ মাসুম, নাইম মৃধাসহ আরও অনেকে।
এ বিষয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম মোঃ নাজমুল হাসান জুয়েল বলেন, জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রোগজীবাণু থেকে মানুষকে বাঁচাতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণের অংশ এবং ঈমানী দায়িত্ব। পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড সংলগ্ন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা এলাকার আংশিক অংশে এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ভবিষ্যতেও এলাকাবাসীর সহযোগিতায় এ ধরনের সামাজিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে উত্তরপাড় ইউনিটি।

০১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫০
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এ্যডভোকেট বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন মহানগরীর উন্নয়ন ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করনে গণমাধ্যম কর্মীদর সহযোগিতা চেয়েছেন।
সবার সহযোগীতা নিয়ে ঐতিহ্যবাহী একটি জনবান্ধব নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সম্ভব সবকিছু করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে, নগর ভবনকে দুর্নীতির রাহু গ্রাস থেকে মুক্ত করতে সম্ভব সব কিছু করার কথাও জানান নগর প্রশাসক।
বুধবার (১ মার্চ) দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় বরিশালের প্রথম নারী প্রশাসক শিরিন জানান, নগরবাসীর স্বার্থে তার এ স্বল্পতম কর্মকালে তিনি সব কিছু করার চেষ্টা করে যাবেন। এক্ষেত্রে তিনি নগরবাসীর পাশাপাশি গণমাধ্যমের সহযোগীতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
নগর প্রশাসক নগরীর বিভিন্ন সমস্যাসমুহ সম্পর্কে গণমাধ্যম কর্মীদের বক্তব্য শোনার পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও বর্ণনা করে নগরীর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের কথাও জানান। নগর প্রশাসক বরিশাল প্রেসক্লাবে তার অতীত স্মৃতির কথা উল্লেখ করে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সম্ভব সবকিছু করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০৬
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৪৪
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩২
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৫