
০১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
সৌদি আরব-ইসরায়েলের চাপেই ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (১ মার্চ) এক বিশেষ প্রতিবেদনে চমকপ্রদ এ তথ্য ফাঁস করেছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। তারা জানিয়েছে, সৌদি আরব মুখে কূটনীতির কথা বললেও ইরানে হামলা করার জন্য গোপনে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছিল।
ইরানে হামলা ইস্যুতে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের একই ধরনের অবস্থানের জন্য তাদের ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি’ বলে উল্লেখ করেছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। চারটি সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সৌদি-ইসরায়েলের এই যৌথ প্রচেষ্টা ট্রাম্পকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের জন্য অভিযান চালাতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত মাসে একাধিকবার ট্রাম্পকে ফোন করে ইরানে হামলার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। যদিও তিনি প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলেছিলেন। একই সময়, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাপ দিয়েছিলেন।
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন বলেছিল, ইরানের বাহিনী আগামী এক দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি তৈরি করবে না। তবুও সৌদি-আরব ইসরায়েলের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রভাবিত হয়ে ট্রাম্প ব্যাপক হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন, যার শুরুতেই খামেনি ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাদের মৃত্যু হয়।
সৌদি কেন হামলার পক্ষে?
ওয়াশিংটন পোস্টের খবর অনুসারে, সৌদি নেতৃত্ব মূলত নিজ দেশের তেল অবকাঠামোকে রক্ষা করতে চাইছিল। তারা তেহরানকে শেষ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার কারণে হামলার পক্ষে অবস্থান নেয়।
হামলার পরে ইরান সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে প্রতিশোধ নেয়। এর প্রতিক্রিয়ায় রিয়াদ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়।
সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট
সৌদি আরব-ইসরায়েলের চাপেই ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। রোববার (১ মার্চ) এক বিশেষ প্রতিবেদনে চমকপ্রদ এ তথ্য ফাঁস করেছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। তারা জানিয়েছে, সৌদি আরব মুখে কূটনীতির কথা বললেও ইরানে হামলা করার জন্য গোপনে যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছিল।
ইরানে হামলা ইস্যুতে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের একই ধরনের অবস্থানের জন্য তাদের ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি’ বলে উল্লেখ করেছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। চারটি সূত্রের বরাতে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, সৌদি-ইসরায়েলের এই যৌথ প্রচেষ্টা ট্রাম্পকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের জন্য অভিযান চালাতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত মাসে একাধিকবার ট্রাম্পকে ফোন করে ইরানে হামলার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন। যদিও তিনি প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলেছিলেন। একই সময়, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাপ দিয়েছিলেন।
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মূল্যায়ন বলেছিল, ইরানের বাহিনী আগামী এক দশকের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের জন্য তাৎক্ষণিক কোনো হুমকি তৈরি করবে না। তবুও সৌদি-আরব ইসরায়েলের যৌথ প্রচেষ্টায় প্রভাবিত হয়ে ট্রাম্প ব্যাপক হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন, যার শুরুতেই খামেনি ও অন্যান্য জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তাদের মৃত্যু হয়।
সৌদি কেন হামলার পক্ষে?
ওয়াশিংটন পোস্টের খবর অনুসারে, সৌদি নেতৃত্ব মূলত নিজ দেশের তেল অবকাঠামোকে রক্ষা করতে চাইছিল। তারা তেহরানকে শেষ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখার কারণে হামলার পক্ষে অবস্থান নেয়।
হামলার পরে ইরান সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে প্রতিশোধ নেয়। এর প্রতিক্রিয়ায় রিয়াদ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ইরানের বিরুদ্ধে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ও দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানায়।
সূত্র: দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট

০১ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৩
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যুর পর তেহরান নতুন উত্তরসূরি খোঁজা শুরু করেছে। এরই মধ্যে আলোচনায় কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম এসেছে।
তবে নতুন খবরে জানা গেছে, খামেনির হত্যার পর স্থায়ীভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত আলিরেজা আরাফি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবেন।
এই নিয়োগের মাধ্যমে ইরানে একটি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব কাঠামো গঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অভিভাবক পরিষদের ধর্মীয় নেতা আরাফি অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার সঙ্গে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেইন মোহসেনি এজেই।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ৮৬ বছর বয়সি খামেনির হত্যার পর দেশে ৪০ দিনের শোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) খামেনির ‘খুনিদের’ শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতনিও নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তার মৃত্যুর পর তেহরান নতুন উত্তরসূরি খোঁজা শুরু করেছে। এরই মধ্যে আলোচনায় কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নাম এসেছে।
তবে নতুন খবরে জানা গেছে, খামেনির হত্যার পর স্থায়ীভাবে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত আলিরেজা আরাফি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবেন।
এই নিয়োগের মাধ্যমে ইরানে একটি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব কাঠামো গঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার (১ মার্চ) রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
অভিভাবক পরিষদের ধর্মীয় নেতা আরাফি অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদের অংশ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তার সঙ্গে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং প্রধান বিচারপতি গোলাম হোসেইন মোহসেনি এজেই।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ৮৬ বছর বয়সি খামেনির হত্যার পর দেশে ৪০ দিনের শোক এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
খামেনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) খামেনির ‘খুনিদের’ শাস্তি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ইরানি গণমাধ্যম জানিয়েছে, হামলায় খামেনির মেয়ে, জামাতা ও নাতনিও নিহত হয়েছেন।

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৭
সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের একটি সামরিক ঘাঁটির দিকে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনিবার ‘সাইপ্রাসের দিক বরাবর’ নিক্ষেপ করা হয়, তবে জন হিলি সতর্ক করে বলেন, ইরান দ্বীপটিকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।
তিনি আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য স্থানে ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার কাজে ব্রিটিশ বাহিনী যুক্ত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ইরান পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে এবং অঞ্চলজুড়ে হামলা চালিয়ে দুবাই, আবুধাবি, বাহরাইন ও দোহায় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
হিলি বলেন, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে সুরক্ষা দিতে ব্রিটিশ বাহিনী এখন পর্যন্ত ‘সক্রিয়’ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপে যুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা সেই ড্রোনগুলো ভূপাতিত করছি, যেগুলো আমাদের ঘাঁটি, আমাদের লোকজন বা আমাদের মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। আর এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর এবং অবনতিশীল পরিস্থিতি।’
হিলি আরো জানান, বাহরাইনে অবস্থানরত ব্রিটিশ বাহিনী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ২০০ মিটারের মধ্যে ছিল, আর ইরাকে থাকা সেনারা ৪০০ মিটার দূরে অবস্থান করছিল।
সার কিয়ার স্টারমারের সরকার ইরানি শাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে যোগ দেওয়ার চাপের মুখে রয়েছে।
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ
সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটেনের একটি সামরিক ঘাঁটির দিকে ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনিবার ‘সাইপ্রাসের দিক বরাবর’ নিক্ষেপ করা হয়, তবে জন হিলি সতর্ক করে বলেন, ইরান দ্বীপটিকে লক্ষ্যবস্তু করেনি।
তিনি আরো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য স্থানে ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করার কাজে ব্রিটিশ বাহিনী যুক্ত ছিল। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক পদক্ষেপের জবাবে ইরান পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে এবং অঞ্চলজুড়ে হামলা চালিয়ে দুবাই, আবুধাবি, বাহরাইন ও দোহায় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে।
হিলি বলেন, ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে সুরক্ষা দিতে ব্রিটিশ বাহিনী এখন পর্যন্ত ‘সক্রিয়’ প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপে যুক্ত রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘আমরা সেই ড্রোনগুলো ভূপাতিত করছি, যেগুলো আমাদের ঘাঁটি, আমাদের লোকজন বা আমাদের মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে উঠছে। আর এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর এবং অবনতিশীল পরিস্থিতি।’
হিলি আরো জানান, বাহরাইনে অবস্থানরত ব্রিটিশ বাহিনী ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ২০০ মিটারের মধ্যে ছিল, আর ইরাকে থাকা সেনারা ৪০০ মিটার দূরে অবস্থান করছিল।
সার কিয়ার স্টারমারের সরকার ইরানি শাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক পদক্ষেপে যোগ দেওয়ার চাপের মুখে রয়েছে।
সূত্র : দ্য টেলিগ্রাফ

০১ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৫
ইরানে হামলা এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের রাজধানী করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ ও হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থি বিক্ষোভকারীরা। সে সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৮ জন নিহত হয়েছে। খবর এএফপির।
স্থানীয় সময় রোববার করাচিতে বিক্ষোভে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইধি ফাউন্ডেশন উদ্ধার পরিষেবার এক মুখপাত্র। ইধি ফাউন্ডেশন উদ্ধার পরিষেবার মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন বলেন, বিক্ষোভকারীদের বেশিরভাগেরই গুলি লেগেছে। আমরা কমপক্ষে আটজনের মৃতদেহ করাচির সিভিল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছি এবং এই ঘটনায় আরও ২০ জন আহত হয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল হামলা চালানোর পর শত শত ইরানপন্থি বিক্ষোভকারী করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে এবং দূতাবাস প্রাঙ্গনে প্রবেশ করে ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে।
ইরানে হামলা এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার প্রতিবাদে পাকিস্তানের রাজধানী করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিক্ষোভ ও হামলা চালিয়েছে ইরানপন্থি বিক্ষোভকারীরা। সে সময় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে ৮ জন নিহত হয়েছে। খবর এএফপির।
স্থানীয় সময় রোববার করাচিতে বিক্ষোভে হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইধি ফাউন্ডেশন উদ্ধার পরিষেবার এক মুখপাত্র। ইধি ফাউন্ডেশন উদ্ধার পরিষেবার মুখপাত্র মুহাম্মদ আমিন বলেন, বিক্ষোভকারীদের বেশিরভাগেরই গুলি লেগেছে। আমরা কমপক্ষে আটজনের মৃতদেহ করাচির সিভিল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেছি এবং এই ঘটনায় আরও ২০ জন আহত হয়েছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল হামলা চালানোর পর শত শত ইরানপন্থি বিক্ষোভকারী করাচিতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা চালিয়েছে এবং দূতাবাস প্রাঙ্গনে প্রবেশ করে ভাঙচুর করেছে বলে জানা গেছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.