
২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:৪৮
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী বছরের ২ জানুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় এবার প্রার্থীদের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে। প্রায় ১১ লাখ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্রথম ধাপে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে প্রতিটি পদের জন্য প্রায় ৭৩ জন ও দ্বিতীয় ধাপে প্রতিটি পদের জন্য ৮০ জনের বেশি প্রার্থী লড়বেন। তাই প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে সঠিক কৌশল অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
পরীক্ষার মানবণ্টন ও নিয়ম
যাঁরা এবারই প্রথম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, তাঁদের পরীক্ষার মানবণ্টন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
পরীক্ষার ধরন নম্বর সময়
লিখিত (এমসিকিউ) ৯০ নম্বর ৯০ মিনিট
মৌখিক পরীক্ষা ১০ নম্বর
লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫ নম্বর কাটা যাবে। তাই নিশ্চিত না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখতে হবে, লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক নম্বর
বাংলা: ২৫ নম্বর
ইংরেজি: ২৫ নম্বর
সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক): ২০ নম্বর
গণিত ও বিজ্ঞান: ৩০ নম্বর (এখানে গণিত, বিজ্ঞানসহ অন্যান্য মৌলিক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত)
প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের পরামর্শ
চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য বিগত বছরের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ (২০০৯-২৩), প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, এটিইও, টিইও ও পিটিআই ইনস্ট্রাক্টর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে পড়ুন। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নগুলোও যথাযথ অনুশীলন করতে হবে। সেই আলোকে নিয়মিত মডেল টেস্ট দিন।
বাংলা
কারক, সন্ধি, সমাস, বাগ্ধারা, বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, বাক্য সংকোচন—এগুলো নিয়মিত চর্চা করুন। সাহিত্য অংশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জীবনানন্দ দাস, শামসুর রাহমান রহমান, আল মাহমুদ, জহির রায়হানসহ গুরুত্বপূর্ণ কবিদের কবিতা ও রচনাগুলো ভালোভাবে পড়ুন। সহায়ক বই হিসেবে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির এনসিটিবির বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য বইটি পড়তে পারেন।
ইংরেজি
ইংরেজি সাহিত্যের মৌলিক বিষয়গুলো অনুশীলন করতে হবে। গ্রামার অংশে Parts of Speech, Tense, Voice, Narration, Preposition, Correction, Synonym-Antonym, Idioms-Phrase—এগুলোর অনুশীলন জরুরি। এনসিটিবি গ্রামার বই ও নামকরা লেখকদের গ্রামার প্র্যাকটিস বই এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
সাধারণ জ্ঞান
সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির ওপর জোর দিন।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্থাপনা, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, প্রশাসনিক কাঠামো, জাতীয় দিবস ও প্রাথমিক শিক্ষা-সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্ন।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: ভৌগোলিক সীমারেখা, প্রণালি, দ্বীপ, চুক্তি, সংগঠন (যেমন জাতিসংঘ), আন্তর্জাতিক দিবস, খেলাধুলা ও পুরস্কার।
সহায়ক বই: এনসিটিবির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ভূগোল ও অর্থনীতি বইগুলো পড়লে বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর খবরও নিয়মিত দেখতে হবে।
গণিত ও বিজ্ঞান
গণিত বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে অধিক অনুশীলনে বেশি নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গণিতকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করে প্রস্তুতি নিন—পার্টিগণিত, বীজগণিত ও জ্যামিতি।
পার্টিগণিত: লাভ-ক্ষতি, সুদকষা, গড়, শতকরা, ঐকিক নিয়ম, লসাগু ও গসাগু। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির এনসিটিবির গণিত বোর্ড বই অনুশীলন করতে পারেন।
বীজগণিত: মাননির্ণয়, উৎপাদক বিশ্লেষণ, সরল সমীকরণ, সূচক ও লগারিদম, সেট ও ফাংশন। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির গণিত বোর্ড বই সহায়ক।
জ্যামিতি: রেখা ও কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বৃত্ত, ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জ্যামিতিক অংশ বোর্ড বই অনুশীলন কাজে দেবে।
গণিতের পাশাপাশি বিজ্ঞানের প্রশ্নও আসবে। বিজ্ঞান অংশে পদার্থের অবস্থা, মৌলিক কণা, চুম্বকত্ব, শক্তি, উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ, রক্ত সঞ্চালন, রোগজীবাণু, খাদ্য ও পুষ্টি ইত্যাদি বিষয়ে জোর দিতে হবে। সেই সঙ্গে আইসিটি বিষয়েও মৌলিক ধারণা থাকা আবশ্যক। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির এনসিটিবির গণিত ও বিজ্ঞান বই সহায়ক।
প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে যা মনে রাখবেন
নিয়মিত অধ্যয়ন করুন। পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ ও মডেল টেস্ট অনুশীলনই সাফল্যের চাবিকাঠি।
লেখক: বিশ্বজিৎ সুর, সহকারী শিক্ষক, গোয়ালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোতোয়ালি, ঢাকা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের লিখিত পরীক্ষা আগামী বছরের ২ জানুয়ারি একযোগে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। বিপুলসংখ্যক আবেদন জমা পড়ায় এবার প্রার্থীদের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হবে। প্রায় ১১ লাখ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
প্রথম ধাপে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ এবং দ্বিতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম ধাপে প্রতিটি পদের জন্য প্রায় ৭৩ জন ও দ্বিতীয় ধাপে প্রতিটি পদের জন্য ৮০ জনের বেশি প্রার্থী লড়বেন। তাই প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে সঠিক কৌশল অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
পরীক্ষার মানবণ্টন ও নিয়ম
যাঁরা এবারই প্রথম শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন, তাঁদের পরীক্ষার মানবণ্টন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।
পরীক্ষার ধরন নম্বর সময়
লিখিত (এমসিকিউ) ৯০ নম্বর ৯০ মিনিট
মৌখিক পরীক্ষা ১০ নম্বর
লিখিত পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.৫ নম্বর কাটা যাবে। তাই নিশ্চিত না হয়ে কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখতে হবে, লিখিত ও মৌখিক উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।
লিখিত পরীক্ষার বিষয়ভিত্তিক নম্বর
বাংলা: ২৫ নম্বর
ইংরেজি: ২৫ নম্বর
সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক): ২০ নম্বর
গণিত ও বিজ্ঞান: ৩০ নম্বর (এখানে গণিত, বিজ্ঞানসহ অন্যান্য মৌলিক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত)
প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তের পরামর্শ
চূড়ান্ত প্রস্তুতির জন্য বিগত বছরের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ (২০০৯-২৩), প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, এটিইও, টিইও ও পিটিআই ইনস্ট্রাক্টর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে পড়ুন। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নগুলোও যথাযথ অনুশীলন করতে হবে। সেই আলোকে নিয়মিত মডেল টেস্ট দিন।
বাংলা
কারক, সন্ধি, সমাস, বাগ্ধারা, বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, বাক্য সংকোচন—এগুলো নিয়মিত চর্চা করুন। সাহিত্য অংশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, মাইকেল মধুসূদন দত্ত, জীবনানন্দ দাস, শামসুর রাহমান রহমান, আল মাহমুদ, জহির রায়হানসহ গুরুত্বপূর্ণ কবিদের কবিতা ও রচনাগুলো ভালোভাবে পড়ুন। সহায়ক বই হিসেবে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির এনসিটিবির বাংলা ব্যাকরণ ও সাহিত্য বইটি পড়তে পারেন।
ইংরেজি
ইংরেজি সাহিত্যের মৌলিক বিষয়গুলো অনুশীলন করতে হবে। গ্রামার অংশে Parts of Speech, Tense, Voice, Narration, Preposition, Correction, Synonym-Antonym, Idioms-Phrase—এগুলোর অনুশীলন জরুরি। এনসিটিবি গ্রামার বই ও নামকরা লেখকদের গ্রামার প্র্যাকটিস বই এ ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।
সাধারণ জ্ঞান
সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির ওপর জোর দিন।
বাংলাদেশ বিষয়াবলি: ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্থাপনা, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ, সংবিধান, প্রশাসনিক কাঠামো, জাতীয় দিবস ও প্রাথমিক শিক্ষা-সম্পর্কিত মৌলিক প্রশ্ন।
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি: ভৌগোলিক সীমারেখা, প্রণালি, দ্বীপ, চুক্তি, সংগঠন (যেমন জাতিসংঘ), আন্তর্জাতিক দিবস, খেলাধুলা ও পুরস্কার।
সহায়ক বই: এনসিটিবির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ভূগোল ও অর্থনীতি বইগুলো পড়লে বিষয়বস্তু সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন। দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলোর খবরও নিয়মিত দেখতে হবে।
গণিত ও বিজ্ঞান
গণিত বিষয়ে আতঙ্কিত না হয়ে অধিক অনুশীলনে বেশি নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। গণিতকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করে প্রস্তুতি নিন—পার্টিগণিত, বীজগণিত ও জ্যামিতি।
পার্টিগণিত: লাভ-ক্ষতি, সুদকষা, গড়, শতকরা, ঐকিক নিয়ম, লসাগু ও গসাগু। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণির এনসিটিবির গণিত বোর্ড বই অনুশীলন করতে পারেন।
বীজগণিত: মাননির্ণয়, উৎপাদক বিশ্লেষণ, সরল সমীকরণ, সূচক ও লগারিদম, সেট ও ফাংশন। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির গণিত বোর্ড বই সহায়ক।
জ্যামিতি: রেখা ও কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বৃত্ত, ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির জ্যামিতিক অংশ বোর্ড বই অনুশীলন কাজে দেবে।
গণিতের পাশাপাশি বিজ্ঞানের প্রশ্নও আসবে। বিজ্ঞান অংশে পদার্থের অবস্থা, মৌলিক কণা, চুম্বকত্ব, শক্তি, উদ্ভিদ ও প্রাণিজগৎ, রক্ত সঞ্চালন, রোগজীবাণু, খাদ্য ও পুষ্টি ইত্যাদি বিষয়ে জোর দিতে হবে। সেই সঙ্গে আইসিটি বিষয়েও মৌলিক ধারণা থাকা আবশ্যক। ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির এনসিটিবির গণিত ও বিজ্ঞান বই সহায়ক।
প্রস্তুতির শেষ মুহূর্তে যা মনে রাখবেন
নিয়মিত অধ্যয়ন করুন। পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্ন বিশ্লেষণ ও মডেল টেস্ট অনুশীলনই সাফল্যের চাবিকাঠি।
লেখক: বিশ্বজিৎ সুর, সহকারী শিক্ষক, গোয়ালনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোতোয়ালি, ঢাকা

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজিবর রহমান মাদবরকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। অভিযানের সময় তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সদর আলী মাদবর কান্দি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মজিবর রহমান মাদবর দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০১২ সালে দলীয় প্রতীক নৌকার বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি শুরু করেন।
প্রশাসন সূত্র জানায়, তার কাছে অবৈধ অস্ত্র থাকার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী মঙ্গলবার রাতে তার বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলের কভার, পিস্তলের স্লাইড, অস্ত্র পরিষ্কারের ওয়েল ব্রাশসহ আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন অংশ এবং চাপাতি, ছুরিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
জানতে চাইলে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বলেন, অভিযানের সময় এক নারীসহ তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তল্লাশিতে আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়। পরে তাদের পুলিশ হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মেদ বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে সাবেক চেয়ারম্যানকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০২:২৩
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় লাঠির আঘাতে মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের চোখ প্রায় উপড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিলেও এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্ট্রোক করে মারা যান মজিদের মা মাজেদা খাতুন।
গতকাল সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাসুদ রানা মজিদ ছাড়াও অন্য আহতারা হলেন– তাঁর ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রবিউল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের বগুড়া শহর শাখার সাথি পারশুন গ্রামের আসাদুল্লাহ হিল গালিব। মাসুদ ও তাঁর ভাই রবিউলকে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাসুদকে আজ মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের জন্য স্থানীয় জামায়াতকর্মী বেলাল হোসেন ও ফারুক আহম্মেদ পারশুন গ্রামে যান। এ সময় বিএনপির লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকর্মী অন্য এলাকা থেকে সেখানে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তারা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে মাসুদের ডান চোখ প্রায় উপড়ে যায়।
অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, পারশুন এলাকায় বিএনপির মিছিল থেকে তাদের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের কর্মীকে গালিব মারধর এবং আরও দুই কর্মীকে আটকে রাখে বিএনপিকর্মীরা। মারধরে আহত গালিবকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আজ বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও জামায়াত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরকে দায়ী করেছেন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখনও থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নন্দীগ্রামের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আরা বলেন, উভয় পক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশ এবং এসিল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা রোধে ব্যানারের ওপর সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহসহ তার দলের কর্মীরা। সম্প্রতি এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডগুলোতে জামায়েতের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার ও পোস্টার চুরি এবং ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, তারই প্রেক্ষিতে একাধিকবার প্রশাসনকে জানানোর পরও এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই জামায়াতের কর্মীরা তাদের নিজ উদ্যোগে ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে নির্বাচনী ব্যানার থেকে ৫০ গজ দূরে দোকান ঘরের পাশে একটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে রাখা হয়েছে, আরেকটি সিসি ক্যামেরা সরাসরি ব্যানারের উপরে সংযোজন করা হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা উত্তর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং প্রচারণার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহ সাংবাদিককে বলেন, আমার দলের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার বারবার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটছে। আমি প্রশাসনকে বারবার এ বিষয়টা নিয়ে অভিযোগ করার পরও প্রশাসনের তরফ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায়, দলের কর্মীরাসহ আমি বাধ্য হয়েই ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছি।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ইউএনও নাছরিন আকতার সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত সব ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রতিটি অভিযোগ সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে আমরা বদ্ধপরিকর, এ জন্য সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।
এদিকে সংসদীয় আসনটিতে চাটখিল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।
এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. ছাইফ উল্যাহ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মো. নুরুল আমিন, ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মনিনুল ইসলাম, আপেল, প্রতীকে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের মো. মশিউর রহমান এবং তারা প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) মনোনীত প্রার্থী রেহানা বেগম।
উল্লেখ্য, নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫২ হাজার ৪২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭১১ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১৮ হাজার ৭১৪ জন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা রোধে ব্যানারের ওপর সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছেন নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহসহ তার দলের কর্মীরা। সম্প্রতি এমন একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ডগুলোতে জামায়েতের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার ও পোস্টার চুরি এবং ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, তারই প্রেক্ষিতে একাধিকবার প্রশাসনকে জানানোর পরও এ বিষয়ে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি প্রশাসন। এমন পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েই জামায়াতের কর্মীরা তাদের নিজ উদ্যোগে ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আমিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে নির্বাচনী ব্যানার থেকে ৫০ গজ দূরে দোকান ঘরের পাশে একটি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে রাখা হয়েছে, আরেকটি সিসি ক্যামেরা সরাসরি ব্যানারের উপরে সংযোজন করা হয়েছে।
নোয়াখালী জেলা উত্তর ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে এবং প্রচারণার স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মওলানা মো. ছাইফ উল্লাহ সাংবাদিককে বলেন, আমার দলের নির্বাচনী প্রচারণার ব্যানার বারবার চুরি ও ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা ঘটছে। আমি প্রশাসনকে বারবার এ বিষয়টা নিয়ে অভিযোগ করার পরও প্রশাসনের তরফ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায়, দলের কর্মীরাসহ আমি বাধ্য হয়েই ব্যানারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছি।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সোনাইমুড়ী উপজেলার ইউএনও নাছরিন আকতার সাংবাদিকদের জানান, নির্বাচনী আচরণবিধি সংক্রান্ত সব ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। প্রতিটি অভিযোগ সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করতে আমরা বদ্ধপরিকর, এ জন্য সবাইকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানাচ্ছি।
এদিকে সংসদীয় আসনটিতে চাটখিল উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং সোনাইমুড়ী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত।
এই আসনে মোট সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে জামায়াতে ইসলামীর মো. ছাইফ উল্যাহ, হাতপাখা প্রতীকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জহিরুল ইসলাম, লাঙল প্রতীকে জাতীয় পার্টির মো. নুরুল আমিন, ডাব প্রতীকে বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. মনিনুল ইসলাম, আপেল, প্রতীকে ইনসানিয়াত বাংলাদেশের মো. মশিউর রহমান এবং তারা প্রতীকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) মনোনীত প্রার্থী রেহানা বেগম।
উল্লেখ্য, নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫২ হাজার ৪২৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭১১ জন এবং নারী ভোটার ২ লাখ ১৮ হাজার ৭১৪ জন।
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মজিবর রহমান মাদবরকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। অভিযানের সময় তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার বিকেনগর ইউনিয়নের সদর আলী মাদবর কান্দি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মজিবর রহমান মাদবর দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০১২ সালে দলীয় প্রতীক নৌকার বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তিনি বিএনপিতে যোগ দিয়ে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি শুরু করেন।
প্রশাসন সূত্র জানায়, তার কাছে অবৈধ অস্ত্র থাকার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যৌথবাহিনী মঙ্গলবার রাতে তার বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পিস্তলের কভার, পিস্তলের স্লাইড, অস্ত্র পরিষ্কারের ওয়েল ব্রাশসহ আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন অংশ এবং চাপাতি, ছুরিসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
জানতে চাইলে জাজিরা ক্যাম্পের কমান্ডার মেজর আশরাফ আহমেদ বলেন, অভিযানের সময় এক নারীসহ তাকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তল্লাশিতে আগ্নেয়াস্ত্রের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়। পরে তাদের পুলিশ হেফাজতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
জাজিরা থানার ওসি সালেহ্ আহম্মেদ বলেন, যৌথবাহিনীর অভিযানে সাবেক চেয়ারম্যানকে আটক করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এ সময় লাঠির আঘাতে মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের চোখ প্রায় উপড়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিলেও এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্ট্রোক করে মারা যান মজিদের মা মাজেদা খাতুন।
গতকাল সোমবার রাতে নন্দীগ্রাম উপজেলার পারশুন গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মাসুদ রানা মজিদ ছাড়াও অন্য আহতারা হলেন– তাঁর ভাই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী রবিউল ইসলাম এবং ছাত্রশিবিরের বগুড়া শহর শাখার সাথি পারশুন গ্রামের আসাদুল্লাহ হিল গালিব। মাসুদ ও তাঁর ভাই রবিউলকে প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মাসুদকে আজ মঙ্গলবার ঢাকায় জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।
বিএনপির অভিযোগ, সোমবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের জন্য স্থানীয় জামায়াতকর্মী বেলাল হোসেন ও ফারুক আহম্মেদ পারশুন গ্রামে যান। এ সময় বিএনপির লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার আগেই জামায়াতের বেশ কিছু নেতাকর্মী অন্য এলাকা থেকে সেখানে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালায়। তারা মাঝগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি মাসুদ রানা মজিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে হামলাকারীদের লাঠির আঘাতে মাসুদের ডান চোখ প্রায় উপড়ে যায়।
অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, পারশুন এলাকায় বিএনপির মিছিল থেকে তাদের নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের কর্মীকে গালিব মারধর এবং আরও দুই কর্মীকে আটকে রাখে বিএনপিকর্মীরা। মারধরে আহত গালিবকে শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আজ বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মোশারফ হোসেন ও জামায়াত প্রার্থী ড. মোস্তফা ফয়সাল পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে একে অপরকে দায়ী করেছেন। নন্দীগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, এখনও থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নন্দীগ্রামের ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আরা বলেন, উভয় পক্ষ আমাকে বিষয়টি জানালে আমি পুলিশ এবং এসিল্যান্ডকে পাঠিয়েছিলাম। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৩
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১