
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৮
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন ৪৯ জন। তবে এ তালিকায় নেই বিএনপির শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ’র নাম।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ভোলা-১ (সদর) আসনে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়েছেন।
ভোলা জেলার সন্তান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। এলএলবি করার জন্য লন্ডনে যাওয়ার আগে প্রথমে সেন্ট যোসেফ উচ্চ বিদ্যালয়ের এবং পরবর্তীতে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে পড়ালেখা করেছেন। ১৯৯১ সালে ইংল্যান্ডে এ লেভেল করেন তিনি। ১৯৯৫ সালে সেখানেই এলএলবি সম্পন্ন করেন। ১৯৯৭ সালে ইংল্যান্ডের উলভার হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটি থেকে বার এট ল’ করে দেশে ফেরেন তিনি। দেশে ফিরে চার বছর কাজ করেন প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের সঙ্গে।
২০০০ সাল থেকে আন্দালিব রহমান পার্থ তার বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাথে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের বাবার মৃত্যু হলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চার দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসনে ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন।
মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়া মন্ত্রীদের মধ্যে যারা থাকছেন: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আউয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দিপন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফরিদ মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়া প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে যারা থাকছেন: রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, আজিজুল বারি হেলাল, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট)।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেছেন। ইতোমধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন ৪৯ জন। তবে এ তালিকায় নেই বিএনপির শরিক দল বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ’র নাম।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তাদের শপথ পড়াবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ভোলা-১ (সদর) আসনে ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ ১ লাখ ৪ হাজার ৪৬২ ভোট পেয়েছেন।
ভোলা জেলার সন্তান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। এলএলবি করার জন্য লন্ডনে যাওয়ার আগে প্রথমে সেন্ট যোসেফ উচ্চ বিদ্যালয়ের এবং পরবর্তীতে গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলে পড়ালেখা করেছেন। ১৯৯১ সালে ইংল্যান্ডে এ লেভেল করেন তিনি। ১৯৯৫ সালে সেখানেই এলএলবি সম্পন্ন করেন। ১৯৯৭ সালে ইংল্যান্ডের উলভার হ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটি থেকে বার এট ল’ করে দেশে ফেরেন তিনি। দেশে ফিরে চার বছর কাজ করেন প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হকের সঙ্গে।
২০০০ সাল থেকে আন্দালিব রহমান পার্থ তার বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর সাথে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন। ২০০৮ সালের বাবার মৃত্যু হলে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে চার দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করে বিজয়ী হন।
তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সংস্থাপন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনে তার দল বিএনপির নেতৃত্বে নির্বাচন বয়কট করে। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসনে ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়েছেন।
মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়া মন্ত্রীদের মধ্যে যারা থাকছেন: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, হাফিজ উদ্দিন আহমদ, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, খলিলুর রহমান (টেকনোক্র্যাট), আবদুল আউয়াল মিন্টু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, মিজানুর রহমান মিনু, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, আরিফুল হক চৌধুরী, জহির উদ্দিন স্বপন, আমিনুর রশিদ (টেকনোক্র্যাট) আফরোজা খানম রিতা, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী, আসাদুল হাবীব দুলু, মো. আসাদুজ্জামান, জাকারিয়া তাহের সুমন, দিপন দেওয়ান, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, ফরিদ মাহবুব আনাম, শেখ রবিউল আলম।
মন্ত্রিসভায় ডাক পাওয়া প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে যারা থাকছেন: রশিদুজ্জামান মিল্লাত, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, শরীফুল আলম, ফরহাদ হোসেন আজাদ, শামা ওবায়েদ, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাবিবুর রশিদ হাবিব, রাজিব আহসান, আজিজুল বারি হেলাল, মীর শাহে আলম, জোনায়েদ সাকি, ইশরাক হোসেন, ফারজানা শারমিন পুতুল, ফরিদুল ইসলাম, নুরুল হক নুর, ইয়াসের খান চৌধুরী, এম ইকবাল হোসেন, এম এ মুহিত, আহমেদ সোহেল মঞ্জুর, ববি হাজ্জাজ, আলী নেওয়াজ খৈয়াম, আমিনুল হক (টেকনোক্র্যাট)।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৭
বাবা ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য। মেয়ে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। বলছি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের কথা।
ফরিদপুর- ২ আসনের সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা, সালথা) আসনে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি ৩২ হাজার ৩৮৯ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন।
শামা ওবায়েদ প্রবীণ রাজনীতিবিদ প্রয়াত কেএম ওবায়দুর রহমানের কন্যা। শামা ওবায়েদ তার নির্বাচনি এলাকায় জনগণের পাশে থেকে ব্যাপক কাজ করেছেন। সেই কারণে ভোটারদের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই গুঞ্জন ছিল তার মন্ত্রিত্ব পাওয়ার। এবার সে গুঞ্জনই সত্যি হলো।
শামা ওবায়েদের বাবা কে এম ওবায়দুর রহমান বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। তিনি ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ফরিদপুর-৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৭৩-১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও তার প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পর তিনি খোন্দকার মোশতাক আহমেদের সরকারে যোগ দেন। ১৯৭৫ সালের জেল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে জেল হত্যা মামলায় তিনি খালাস পেয়েছিলেন।
১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন এবং ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।এ সময় তিনি প্রথমে মৎস্য ও পশুপালন এবং পরে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৬-১৯৮৮ সালে তিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। জুন ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে ফরিদপুর-২ আসনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।আমৃত্যু বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।
বাবা ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য। মেয়ে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। বলছি বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদের কথা।
ফরিদপুর- ২ আসনের সংসদ সদস্য শামা ওবায়েদ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা, সালথা) আসনে ১ লাখ ২১ হাজার ৬৯৪ ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি ৩২ হাজার ৩৮৯ ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হন।
শামা ওবায়েদ প্রবীণ রাজনীতিবিদ প্রয়াত কেএম ওবায়দুর রহমানের কন্যা। শামা ওবায়েদ তার নির্বাচনি এলাকায় জনগণের পাশে থেকে ব্যাপক কাজ করেছেন। সেই কারণে ভোটারদের ভালোবাসায় তিনি বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন। নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই গুঞ্জন ছিল তার মন্ত্রিত্ব পাওয়ার। এবার সে গুঞ্জনই সত্যি হলো।
শামা ওবায়েদের বাবা কে এম ওবায়দুর রহমান বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। তিনি ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন ফরিদপুর-৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
১৯৭৩-১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের ডাক ও তার প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পর তিনি খোন্দকার মোশতাক আহমেদের সরকারে যোগ দেন। ১৯৭৫ সালের জেল হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। ২০০৪ সালে জেল হত্যা মামলায় তিনি খালাস পেয়েছিলেন।
১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন এবং ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।এ সময় তিনি প্রথমে মৎস্য ও পশুপালন এবং পরে বিমান ও পর্যটনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৬-১৯৮৮ সালে তিনি বিএনপির মহাসচিব ছিলেন। জুন ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে ফরিদপুর-২ আসনে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।আমৃত্যু বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সারা দেশে সহিংসতা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যভুক্ত দলগুলোর আহ্বানে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করার ঘোষণা দেওয়া হয়, যা উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত যাওয়ার কথা রয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন: জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ারসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। এ ছাড়া খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ বিভিন্ন দলের নেতারা অংশ নেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বক্তব্যে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু সংসদ নির্বাচন নয়, গণভোটও হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কোনো টালবাহানা চলবে না।
তিনি আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ চলবে জুলাই সনদের ভিত্তিতে। জনগণ স্বৈরাচার তাড়াতে পেরেছে, সুতরাং সবাইকে সেটা মনে রাখতে হবে।
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, নির্বাচিত দল ভোটের পরদিন থেকেই জুলুম-নিপীড়ন শুরু করেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ হলেও ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে ২৯৭টির। এর মধ্যে ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট।
শরিক দলগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের উদ্যোগে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ছয়টি আসন। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয়লাভ করেছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সারা দেশে সহিংসতা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যভুক্ত দলগুলোর আহ্বানে রাজধানীতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করার ঘোষণা দেওয়া হয়, যা উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত যাওয়ার কথা রয়েছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
সমাবেশকে কেন্দ্র করে এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন: জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোয়ারসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। এ ছাড়া খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরানসহ বিভিন্ন দলের নেতারা অংশ নেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বক্তব্যে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি শুধু সংসদ নির্বাচন নয়, গণভোটও হয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কোনো টালবাহানা চলবে না।
তিনি আরও বলেন, আগামীর বাংলাদেশ চলবে জুলাই সনদের ভিত্তিতে। জনগণ স্বৈরাচার তাড়াতে পেরেছে, সুতরাং সবাইকে সেটা মনে রাখতে হবে।
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগ তুলে তিনি দাবি করেন, নির্বাচিত দল ভোটের পরদিন থেকেই জুলুম-নিপীড়ন শুরু করেছে।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ হলেও ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে ২৯৭টির। এর মধ্যে ৭৭টি আসনে জয় পেয়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট।
শরিক দলগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের উদ্যোগে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ছয়টি আসন। এ ছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে জয়লাভ করেছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৯
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লেখেন, ‘আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং সার্বিক কার্যক্রমে ওয়াচডগ হিসেবে কাজ করবে ছায়া মন্ত্রিসভা।’
এর আগে গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরও ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। ফেসবুকে নিজের আইডিতে এক স্ট্যাটাসে শিশির মনির লেখেন, ‘আমরা ছায়া মন্ত্রীপরিষদ গঠন করব ইনশাআল্লাহ।’
ছায়া মন্ত্রিসভা কী
সাধারণত সংসদীয় গণতন্ত্রে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ হলো বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে গঠিত একটি বিকল্প কাঠামো, যেখানে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে একজন করে “ছায়া মন্ত্রী” থাকেন। যারা ক্ষমতাসীন সরকারের সমান্তরালে কাজ করেন।
এই ব্যবস্থার মূল কাজ হলো সরকার যখন কোনো নীতি গ্রহণ করবে, তখন বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রী সেই নীতির ভালো-মন্দ দিক বিশ্লেষণ করবেন, সম্ভাব্য ত্রুটি বা ঝুঁকি চিহ্নিত করবেন এবং বিকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন।
যদিও ছায়া মন্ত্রিসভার কোনো নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না, তবে এটি সরকারকে নিয়মিত জবাবদিহির মধ্যে রাখে এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখে।
ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া লেখেন, ‘আমরা ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তুতি নিচ্ছি। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং সার্বিক কার্যক্রমে ওয়াচডগ হিসেবে কাজ করবে ছায়া মন্ত্রিসভা।’
এর আগে গতকাল শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনিরও ছায়া মন্ত্রিসভা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। ফেসবুকে নিজের আইডিতে এক স্ট্যাটাসে শিশির মনির লেখেন, ‘আমরা ছায়া মন্ত্রীপরিষদ গঠন করব ইনশাআল্লাহ।’
ছায়া মন্ত্রিসভা কী
সাধারণত সংসদীয় গণতন্ত্রে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ হলো বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে গঠিত একটি বিকল্প কাঠামো, যেখানে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের বিপরীতে একজন করে “ছায়া মন্ত্রী” থাকেন। যারা ক্ষমতাসীন সরকারের সমান্তরালে কাজ করেন।
এই ব্যবস্থার মূল কাজ হলো সরকার যখন কোনো নীতি গ্রহণ করবে, তখন বিরোধী দলের ছায়া মন্ত্রী সেই নীতির ভালো-মন্দ দিক বিশ্লেষণ করবেন, সম্ভাব্য ত্রুটি বা ঝুঁকি চিহ্নিত করবেন এবং বিকল্প প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন।
যদিও ছায়া মন্ত্রিসভার কোনো নির্বাহী ক্ষমতা থাকে না, তবে এটি সরকারকে নিয়মিত জবাবদিহির মধ্যে রাখে এবং ভবিষ্যতে রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য নিজেদের প্রস্তুত রাখে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:০৯
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৭
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫০
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১