
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২৫
চট্টগ্রামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপর প্রকাশ্যে চলে এসেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। সোমবার নগরীর নিউ মার্কেট মোড়সংলগ্ন দোস্ত বিল্ডিংয়ে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে প্রকাশ্যে আসেন দলটির নেতাকর্মীরা।
শুধু তাই নয় লালদিঘির পাড়ে মুজিবের ভাস্কর্য ধুয়েমুছে পরিষ্কার করে জয়বাংলা স্লোগানও ধরে তারা। এ নিয়ে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
জানা যায়, গতকাল সোমবার বিকেলে নগরীর নিউ মার্কেটস্থ দোস্ত বিল্ডিংয়ের কার্যালয়ে গিয়ে সাইনবোর্ড লাগান উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শওকত উল আনাম এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা কাজী সুরুজ।
এ সময় তারা একটি ব্যানার সেখানে স্থাপন করেন। এছাড়া নতুন একটি তালাও যুক্ত করেন তারা। এ সময় তাদের সঙ্গে আরো কয়েকজন নেতাকর্মী ভবনটিতে অবস্থান করছিলেন।
এদিকে সোমবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাদের এই কার্যক্রমের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন ব্যক্তি জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে ‘চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ’ লেখা স্টিকার কার্যালয়ের দরজার ওপর লাগিয়ে দিচ্ছেন।
অপরদিকে নগরের লালদিঘির পাড়ে দেওয়ালে থাকা মুজিবের ভাস্কর্য ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করেন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী।
এ ঘটনারও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এনসিপি, ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি, জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের নেতাকর্মীরা৷ রাতে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভের ডাক দেয় ছাত্র জনতা।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মুজিবের ভাস্কর্য ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করছেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের দিন মুজিবের মুখে চোখে কালো কালি লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনত।
গতকাল সেই সব কালি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। একই দিনে চট্টগ্রামে দুই কার্যক্রমের মাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে এলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে সিএমপির জনসংযোগ কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার আমিনুর রশিদ জানান, এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিতের চেষ্টা চলছে। আইন অনুসারে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ।
চট্টগ্রামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপর প্রকাশ্যে চলে এসেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। সোমবার নগরীর নিউ মার্কেট মোড়সংলগ্ন দোস্ত বিল্ডিংয়ে উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে দলের সাইনবোর্ড টাঙিয়ে প্রকাশ্যে আসেন দলটির নেতাকর্মীরা।
শুধু তাই নয় লালদিঘির পাড়ে মুজিবের ভাস্কর্য ধুয়েমুছে পরিষ্কার করে জয়বাংলা স্লোগানও ধরে তারা। এ নিয়ে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
জানা যায়, গতকাল সোমবার বিকেলে নগরীর নিউ মার্কেটস্থ দোস্ত বিল্ডিংয়ের কার্যালয়ে গিয়ে সাইনবোর্ড লাগান উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক শওকত উল আনাম এবং সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতা কাজী সুরুজ।
এ সময় তারা একটি ব্যানার সেখানে স্থাপন করেন। এছাড়া নতুন একটি তালাও যুক্ত করেন তারা। এ সময় তাদের সঙ্গে আরো কয়েকজন নেতাকর্মী ভবনটিতে অবস্থান করছিলেন।
এদিকে সোমবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতাদের এই কার্যক্রমের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, দুজন ব্যক্তি জয়বাংলা স্লোগান দিয়ে ‘চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ’ লেখা স্টিকার কার্যালয়ের দরজার ওপর লাগিয়ে দিচ্ছেন।
অপরদিকে নগরের লালদিঘির পাড়ে দেওয়ালে থাকা মুজিবের ভাস্কর্য ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করেন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী।
এ ঘটনারও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এনসিপি, ছাত্রশক্তি, যুবশক্তি, জামায়াতে ইসলামী ও শিবিরের নেতাকর্মীরা৷ রাতে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভের ডাক দেয় ছাত্র জনতা।
ভিডিওতে দেখা যায়, নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা মুজিবের ভাস্কর্য ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করছেন। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের পতনের দিন মুজিবের মুখে চোখে কালো কালি লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনত।
গতকাল সেই সব কালি ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। একই দিনে চট্টগ্রামে দুই কার্যক্রমের মাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যে এলেও কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এ বিষয়ে সিএমপির জনসংযোগ কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার আমিনুর রশিদ জানান, এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ভিডিওতে থাকা ব্যক্তিদের চিহ্নিতের চেষ্টা চলছে। আইন অনুসারে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ।
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:০৯
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৭
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫০
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩০
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে রাতের আঁধারে ব্যানার টাঙিয়েছে যুবলীগ। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১টায় সদরে অবস্থিত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনের অংশে একটি ব্যানার ঝুলিয়ে স্লোগান দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন কয়েকজন।
স্থানীয়রা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতা এই কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। সোমবার দিনগত গভীর রাতে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের নির্দেশনায় কার্যালয়ের সামনে একটি ব্যানার টাঙিয়ে চলে যান কয়েকজন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিন ব্যক্তি একটি ব্যানার ভবনের গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন। এসময় তারা কয়েক সেকেন্ডের একটি স্লোগান দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। আসলে এটি গুজব। ব্যানার টাঙানোর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে রাতের আঁধারে ব্যানার টাঙিয়েছে যুবলীগ। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত ১টায় সদরে অবস্থিত আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনের অংশে একটি ব্যানার ঝুলিয়ে স্লোগান দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন কয়েকজন।
স্থানীয়রা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতা এই কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। সোমবার দিনগত গভীর রাতে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের নির্দেশনায় কার্যালয়ের সামনে একটি ব্যানার টাঙিয়ে চলে যান কয়েকজন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তিন ব্যক্তি একটি ব্যানার ভবনের গ্রিলের সঙ্গে ঝুলিয়ে দেন। এসময় তারা কয়েক সেকেন্ডের একটি স্লোগান দিয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন।
এ বিষয়ে মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। আসলে এটি গুজব। ব্যানার টাঙানোর কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৭
ভারতের কলকাতা শহরে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-এর তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী। আটক ব্যক্তিদের একজন পেশায় সংগীতশিল্পী।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শহরের কলিন স্ট্রিট এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোটেলটিতে তল্লাশি চালানো হলে বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করা হয়। এ সময় একটি কক্ষে একসঙ্গে অবস্থানরত ছয় বাংলাদেশিকে পাওয়া যায়, যাদের সবার মেডিকেল ভিসার মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তারা নোয়াখালী ও টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে ছয়টি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আবির হোসেন, মহম্মদ মামুন রশিদ, মহম্মদ আলিমুন গাজী, আজম মোল্লা, ফয়জল আমিন ও জায়দুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে আজম মোল্লা একজন গায়ক। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি পরিচিত মহলে গান পরিবেশন করতেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের সময় নিজের গিটার সঙ্গে রাখার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধও করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকে তারা চিকিৎসার অজুহাতে মেডিকেল ভিসায় ভারতে আসেন। গত বছর পৃথকভাবে দেশ ছাড়লেও পরে কলকাতায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। প্রথমদিকে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করলেও অর্থসংকট দেখা দিলে চলতি ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে কলিন স্ট্রিটের ওই হোটেলের একটি কক্ষে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর থেকে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হতে শুরু করে এবং চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে সবার ভিসাই সম্পূর্ণভাবে অবৈধ হয়ে পড়ে। তবে দেশে ফেরার বিষয়ে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বরং কলকাতা হয়ে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।
সোমবার তাদের ব্যাংকশাল আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয়জনকেই জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিয়ম মেনে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ভারতের কলকাতা শহরে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবৈধভাবে অবস্থান করার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তারা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ-এর তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মী। আটক ব্যক্তিদের একজন পেশায় সংগীতশিল্পী।
গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) শহরের কলিন স্ট্রিট এলাকার একটি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে হোটেলটিতে তল্লাশি চালানো হলে বিদেশি বোর্ডারদের পাসপোর্ট ও ভিসা যাচাই করা হয়। এ সময় একটি কক্ষে একসঙ্গে অবস্থানরত ছয় বাংলাদেশিকে পাওয়া যায়, যাদের সবার মেডিকেল ভিসার মেয়াদ আগেই শেষ হয়ে গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। তারা নোয়াখালী ও টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দা। তাদের কাছ থেকে ছয়টি বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— আবির হোসেন, মহম্মদ মামুন রশিদ, মহম্মদ আলিমুন গাজী, আজম মোল্লা, ফয়জল আমিন ও জায়দুল ইসলাম।
তাদের মধ্যে আজম মোল্লা একজন গায়ক। কলকাতায় অবস্থানকালে তিনি পরিচিত মহলে গান পরিবেশন করতেন বলে জানা গেছে। গ্রেপ্তারের সময় নিজের গিটার সঙ্গে রাখার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধও করেন তিনি।
পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা থেকে তারা চিকিৎসার অজুহাতে মেডিকেল ভিসায় ভারতে আসেন। গত বছর পৃথকভাবে দেশ ছাড়লেও পরে কলকাতায় একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করেন। প্রথমদিকে বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করলেও অর্থসংকট দেখা দিলে চলতি ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে কলিন স্ট্রিটের ওই হোটেলের একটি কক্ষে একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
তদন্তে আরও জানা গেছে, গত বছরের নভেম্বর থেকে তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হতে শুরু করে এবং চলতি বছরের জানুয়ারির মধ্যে সবার ভিসাই সম্পূর্ণভাবে অবৈধ হয়ে পড়ে। তবে দেশে ফেরার বিষয়ে তারা অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। বরং কলকাতা হয়ে অন্য দেশে পাড়ি দেওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে।
সোমবার তাদের ব্যাংকশাল আদালতে হাজির করা হলে বিচারক ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছয়জনকেই জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিয়ম মেনে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৪
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে স্থানীয় নারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এক দম্পতিকে আটক করেছে প্রশাসন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরও বলেন, কারও কাছে এ ধরনের কার্ড বিক্রির প্রস্তাব এলে যাচাই-বাছাই ছাড়া টাকা না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, কার্ড ক্রেতা ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, কাশিপুর ইউনিয়নের নরসিংপুর এলাকায় নির্বাচনের পরদিন থেকেই রাসেল ওরফে জিলানী ও তার স্ত্রী হাসিনা ‘জিসান ট্রেডার্স’ নাম ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিক্রি শুরু করেন। রমজানকে সামনে রেখে প্রায় ৩০০ পরিবারের কাছে ৫০ টাকা করে কার্ড বিক্রি করা হয়। কার্ড দেখিয়ে প্রতি মাসে ১,২৮৫ টাকায় ১,৭২৫ টাকার পণ্য কেনা যাবে—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন ক্রেতারা।
সোমবার সকালে প্রথম কিস্তির পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল গড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত কোনো পণ্য না পেয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরে কার্ড ক্রেতারা একত্র হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কার্ড ক্রেতা জুলেখা বেগম বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল, সরকারিভাবে কোম্পানি থেকে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকে অপেক্ষা করছি, কেউ আসেনি। এখন ফোনও ধরছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর—এই চারটি এলাকায় কার্ড বিতরণ করা হয়। কার্ড ক্রেতাদের অধিকাংশই নারী ও স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় তারা সহজেই প্রলোভনে পড়েন বলে জানান করেন কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযুক্ত রাসেল ওরফে জিলানী মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও এখনো এ সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। এর মধ্যে একটি প্রতারকচক্র কার্ড ছাপিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ছাপিয়ে স্থানীয় নারীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগে এক দম্পতিকে আটক করেছে প্রশাসন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযুক্ত স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
তিনি আরও বলেন, কারও কাছে এ ধরনের কার্ড বিক্রির প্রস্তাব এলে যাচাই-বাছাই ছাড়া টাকা না দেওয়ার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা, কার্ড ক্রেতা ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, কাশিপুর ইউনিয়নের নরসিংপুর এলাকায় নির্বাচনের পরদিন থেকেই রাসেল ওরফে জিলানী ও তার স্ত্রী হাসিনা ‘জিসান ট্রেডার্স’ নাম ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিক্রি শুরু করেন। রমজানকে সামনে রেখে প্রায় ৩০০ পরিবারের কাছে ৫০ টাকা করে কার্ড বিক্রি করা হয়। কার্ড দেখিয়ে প্রতি মাসে ১,২৮৫ টাকায় ১,৭২৫ টাকার পণ্য কেনা যাবে—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন ক্রেতারা।
সোমবার সকালে প্রথম কিস্তির পণ্য দেওয়ার কথা থাকলেও সকাল গড়িয়ে দুপুর পর্যন্ত কোনো পণ্য না পেয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। পরে কার্ড ক্রেতারা একত্র হয়ে অভিযুক্তের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কার্ড ক্রেতা জুলেখা বেগম বলেন, আমাদের বলা হয়েছিল, সরকারিভাবে কোম্পানি থেকে কার্ড দেওয়া হচ্ছে। সকাল থেকে অপেক্ষা করছি, কেউ আসেনি। এখন ফোনও ধরছে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নরসিংপুর, বকুলতলা, চর কাশিপুর ও মধ্য নরসিংপুর—এই চারটি এলাকায় কার্ড বিতরণ করা হয়। কার্ড ক্রেতাদের অধিকাংশই নারী ও স্বল্পশিক্ষিত হওয়ায় তারা সহজেই প্রলোভনে পড়েন বলে জানান করেন কয়েকজন বাসিন্দা।
অভিযুক্ত রাসেল ওরফে জিলানী মহানগর বিএনপির এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ফতুল্লা থানা বিএনপির সভাপতি শহীদুল ইসলাম টিটু বলেন, দলের নির্বাচনী ইশতেহারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও এখনো এ সংক্রান্ত কোনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। এর মধ্যে একটি প্রতারকচক্র কার্ড ছাপিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.