
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
বরগুনার বেতাগী উপজেলায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এসময় কার্যালয়ে নতুন সাইনবোর্ড লাগানো ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনাও ঘটে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বেতাগী পৌর মার্কেট এলাকায় অবস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিফাত সিকদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামাল শামীম কাগজে মোড়ানো ছবি নিয়ে আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ের দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করছেন।
পরে তারা কার্যালয়ের ভেতরে দেওয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে ফুলের মালা দেন। এরপর কার্যালয়ের প্রধান ফটকের ওপরে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বেতাগী উপজেলা’ লেখা একটি স্টিকার দেওয়ালে লাগিয়ে দেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। এসময় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করতে দেখা যায়।
আর একটি ভিডিও বার্তায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিফাত সিকদারকে বলতে শোনা যায়, ‘আসলে পার্টি অফিস খোলার মতো এখানে কিছু নেই। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৮ মাস পরে আজ দুপুর ১টার দিকে নির্দেশনা দিয়েছেন, আমাদের দেশের সকল পার্টি অফিসগুলো খোলার জন্য।
নির্দেশনা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি এবং আমার চাচা সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামাল শামীম বেতাগী পার্টি অফিসে প্রবেশ করি। এবং আমাদের নেত্রী ও জাতীর পিতার ছবি টাঙিয়েছি।
এছাড়াও পার্টি অফিসের নতুন ব্যানার এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছি। আসলে আওয়ামী লীগ হচ্ছে গণমানুষের একটি দল। এখানে কে কী করলো, কী নিষিদ্ধ করলো তা দেখার আমাদের টাইম নাই।’
আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে প্রবেশের বিষয়ে বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহীন বলেন, শুনেছি গোপনে কেউ এমন কাজ করেছে। রাষ্ট্রীয় আইনে যেহেতু সংগঠনটি নিষিদ্ধ, সেক্ষেত্রে এ ধরনের চেষ্টা রীতিমতো অবাক করার বিষয়। এমন ঘটনা ঘটলে তা আমি মনে করি পুলিশ প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চরম ব্যর্থতা। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম বলেন, এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। পরবর্তীতে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরগুনার বেতাগী উপজেলায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও দলের সভাপতি শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়েছেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এসময় কার্যালয়ে নতুন সাইনবোর্ড লাগানো ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের ঘটনাও ঘটে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বেতাগী পৌর মার্কেট এলাকায় অবস্থিত উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যার পর ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বেতাগী উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিফাত সিকদার ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামাল শামীম কাগজে মোড়ানো ছবি নিয়ে আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত কার্যালয়ের দরজা ঠেলে ভেতরে প্রবেশ করছেন।
পরে তারা কার্যালয়ের ভেতরে দেওয়ালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টাঙিয়ে ফুলের মালা দেন। এরপর কার্যালয়ের প্রধান ফটকের ওপরে ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, বেতাগী উপজেলা’ লেখা একটি স্টিকার দেওয়ালে লাগিয়ে দেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। এসময় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় পতাকাও উত্তোলন করতে দেখা যায়।
আর একটি ভিডিও বার্তায় উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিফাত সিকদারকে বলতে শোনা যায়, ‘আসলে পার্টি অফিস খোলার মতো এখানে কিছু নেই। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৮ মাস পরে আজ দুপুর ১টার দিকে নির্দেশনা দিয়েছেন, আমাদের দেশের সকল পার্টি অফিসগুলো খোলার জন্য।
নির্দেশনা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি এবং আমার চাচা সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা জামাল শামীম বেতাগী পার্টি অফিসে প্রবেশ করি। এবং আমাদের নেত্রী ও জাতীর পিতার ছবি টাঙিয়েছি।
এছাড়াও পার্টি অফিসের নতুন ব্যানার এবং জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছি। আসলে আওয়ামী লীগ হচ্ছে গণমানুষের একটি দল। এখানে কে কী করলো, কী নিষিদ্ধ করলো তা দেখার আমাদের টাইম নাই।’
আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে প্রবেশের বিষয়ে বরগুনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব হুমায়ুন হাসান শাহীন বলেন, শুনেছি গোপনে কেউ এমন কাজ করেছে। রাষ্ট্রীয় আইনে যেহেতু সংগঠনটি নিষিদ্ধ, সেক্ষেত্রে এ ধরনের চেষ্টা রীতিমতো অবাক করার বিষয়। এমন ঘটনা ঘটলে তা আমি মনে করি পুলিশ প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চরম ব্যর্থতা। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুয়েল ইসলাম বলেন, এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। পরবর্তীতে তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:০৯
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৭
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫০
১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩১

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:২৯
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা।
মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ও দৃঢ় ভূমিকা রেখে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখে পরিণত হন।
আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি। বরং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনপেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে বরগুনাবাসীর কাছে তিনি একটি পরিচিত ও আস্থাভাজন নাম হয়ে উঠেছেন।
বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এই সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিক সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা ও সক্ষমতা। স্থানীয়রা বলেন, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে তারা একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে দেখেন।
বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, দলগতভাবেও বিএনপির ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও ইতিবাচক হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, তিনি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনে কাজ করে যেতে চান। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরতে চান।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে বরগুনা থেকে সম্ভাব্য সংসদ সদস্য হিসেবে একাধিক নাম আলোচনায় রয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা, প্রয়াত এক বিএনপি নেতার কন্যা এবং মহিলা দলের একজন সক্রিয় নেত্রী। তবে বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের বাস্তব অভিজ্ঞতা ও মাঠপর্যায়ের সক্রিয় ভূমিকার কারণে আলোচনায় তুলনামূলকভাবে এগিয়ে আছেন সাবেক ছাত্রদল নেতা মারজিয়া হিরা।
মারজিয়া হিরা বর্তমানে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-নাট্য সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাজনীতিতে সক্রিয়। বরগুনা জেলা ছাত্রদলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সাহসী ও দৃঢ় ভূমিকা রেখে তিনি সংগঠনের একজন পরিচিত মুখে পরিণত হন।
আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার পরও তাঁর রাজনৈতিক সক্রিয়তা থেমে থাকেনি। বরং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণের কারণে তাঁকে একাধিক হয়রানিমূলক মামলা ও হামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবুও তিনি রাজপথ ছাড়েননি। বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার কৃতিসন্তান মারজিয়া হিরা আন্দোলন সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবীদের মধ্যে প্রথম সারির একজন নারী নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি অর্জন করেছেন।
বর্তমানে তিনি ঢাকা নারী ও শিশু আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এডিশনাল পিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আইনপেশার পাশাপাশি তিনি তৃণমূল পর্যায়ে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ, সামাজিক সমস্যায় পাশে দাঁড়ানো এবং সংগঠনের কাজে নিয়মিত সম্পৃক্ততার কারণে বরগুনাবাসীর কাছে তিনি একটি পরিচিত ও আস্থাভাজন নাম হয়ে উঠেছেন।
বরগুনা-২ আসনের নির্বাচনে তিনি পাথরঘাটা উপজেলা, কলেজ ও পৌর ছাত্রদলের সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সহকর্মীদের নিয়ে গ্রামে গ্রামে, পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছান। দলীয় বার্তা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি তিনি মানুষের বাস্তব সমস্যা, অভাব-অভিযোগ এবং প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এই সরাসরি যোগাযোগ ও আন্তরিক সম্পৃক্ততা স্থানীয়দের কাছে ব্যাপক প্রশংসিত হয়।
বরগুনার সাধারণ মানুষের মতে, রাজনৈতিক নেতৃত্ব মানে শুধু পদ-পদবি বা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়, বরং জনগণের কল্যাণে দায়িত্ব নেওয়ার মানসিকতা ও সক্ষমতা। স্থানীয়রা বলেন, অবহেলিত জনগোষ্ঠী, অসহায় নারী এবং তরুণ সমাজের পাশে দাঁড়ানোই মারজিয়া হিরার রাজনীতির মূল দর্শন। এই কারণেই তাঁকে তারা একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব হিসেবে দেখেন।
বরগুনার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, উন্নয়ন ও সামাজিক পরিবর্তনের জন্য দক্ষ, সৎ এবং তারুণ্যনির্ভর প্রতিনিধির বড় প্রয়োজন। তাঁদের মতে, মারজিয়া হিরার রাজনৈতিক দৃঢ়তা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের বাস্তব সংযোগ তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তিনি সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হলে শুধু সাধারণ মানুষের কল্যাণই নিশ্চিত হবে না, দলগতভাবেও বিএনপির ভাবমূর্তি আরও শক্তিশালী ও ইতিবাচক হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে বরগুনার অবহেলিত জনগোষ্ঠী আরও সচেতন ও সংগঠিত হবে। সমাজে নতুন আশার সঞ্চার ঘটবে এবং নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ আরও বিস্তৃত হবে। বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক নিরাপত্তা, আইনি সহায়তা এবং উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা বরগুনার রাজনীতিতে নতুন গতি আনতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।
নিজের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে মারজিয়া হিরা বলেন, তিনি বরগুনা ও দেশের মানুষের সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনে কাজ করে যেতে চান। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনকে শক্তি হিসেবে নিয়ে তিনি জাতীয় সংসদে বরগুনার মানুষের কথা তুলে ধরতে চান।’

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৭
পূর্বে বিষখালী আর পশ্চিমে বলেশ্বর নদী। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। সুন্দরবনসংলগ্ন বরগুনা জেলায় রয়েছে অসংখ্য জেলে সম্প্রদায়। ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদী ভাঙনসহ নানা দুর্যোগে এখানকার মানুষ অসহায়। সমুদ্র এবং উপকূল রক্ষায় বরগুনা-২ আসন থেকে নূরুল ইসলাম মনিকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় জনগণ।
সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ (পাথরঘাটা–বামনা–বেতাগী) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
দলের জেলা সভাপতি এবং একাধিকবার নির্বাচিত হওয়ায় তিনি এ অঞ্চলের রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছেন। যদিও নির্বাচনের আগে থেকেই নূরুল ইসলাম মনি বিজয়ী হলে মন্ত্রীত্ব পাবেন এমনটাই আশা পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী উপজেলায় দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণের। অবহেলিত উপকূলীয় জনপদে মন্ত্রী পায়নি জনতা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নূরুল ইসলাম মনি পেয়েছেন ৮২ হাজার ৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী (দাঁড়িপাল্লা) ডা. সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৮৮ ভোট। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১২২টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ৩২ হাজার ৭৪০ জন এবং পোস্টাল ভোটার ৫ হাজার ৪ জন।
জানা যায়, বরগুনা-২ আসনটি বিষখালী ও বলেশ্বর নদীবেষ্টিত উপকূলীয় জনপদ। এ কারণে এখানে নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা, মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে এ এলাকার মানুষের কাছে বিবেচিত। তাই নির্বাচনি ইশতেহারে নূরুল ইসলাম মনি এ অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, মৎস্যসম্পদের আধুনিকায়ন, আধুনিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণ, জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, উপকূল রক্ষা বাঁধ শক্তিশালীকরণ, আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক মানের বন্দরনগরী হিসেবে এলাকাকে গড়ে তোলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন।
নির্বাচনে বিজয়ের পর স্থানীয়দের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে এ অঞ্চলের মানুষের। পাথরঘাটা পৌর শহরের বাসিন্দা কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চারবারের এমপি হিসেবে নুরুল ইসলাম মনি এলাকার জন্য অনেক কাজ করেছেন। তার প্রতিদান এ অঞ্চলের মানুষ তাকে দিয়েছে। এবার আমরা দেশনায়ক তারেক রহমানের কাছে চাই মনিকে মন্ত্রী বানানো হোক। তাহলে বরগুনা-২ আসনের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
পদ্মা গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম বলেন, নদীর ভাঙছে, বসতঘর জমিজমা হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাই। আমাগো এলাকার এমপি যদি মন্ত্রী হন তাহলে নদী ভাঙা আর ভূমিহীনদের জন্য কাজ করতে পারবেন। আমরা আশা করছি নূরুল ইসলাম মনি সাহেব মন্ত্রিত্ব পাবেন।
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের গহরপুর গ্রামের ছেলে ইউসুফ মিয়া বলেন, আমরা জেলে, সাগরে মাছ শিকার করে পেট চালাই। সাগরে নিরাপত্তা নাই, ছেলেদের নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার আমরা মনি ভাইয়ের কাছে চাই।
পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ ফারুক বলেন, নূরুল ইসলাম মনি সাহেব মন্ত্রিত্ব পাবেন এটা আমাদের প্রাণের দাবি। নুরুল ইসলাম মনি একজন প্রভাবশালী বিএনপি নেতা। আমরা আশা করি, তারেক রহমান আমাদের বিমুখ করবেন না।
পাথরঘাটা প্রেস ক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, শুধু পদ নয়—নূরুল ইসলাম মনির দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। উপকূলীয় এ জনপদের টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে উপকূলের জীবন-জীবিকা ও জেলেদের অধিকার নিয়ে কাজ করছেন উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন। তিনি বলেন, একটি ভবন যেমন চারটা খুঁটির ওপর ভর করে থাকে তেমন একটি রাষ্ট্র কয়েকটি স্তম্ভের ওপর থাকে।
ওই ভবনের একটি খুঁটি যদি না থাকে তাহলে ভবন যেমন নড়বড়ে হয়ে যায় তেমনি বাংলাদেশের ১৯টি জেলা নিয়ে উপকূল অঞ্চল তা-ও নড়বড়ে হয়ে যায়। ফলে উপকূল অঞ্চল যদি অনিরাপদ বা হুমকিতে থাকে তাহলে গোটা দেশও হুমকিতে এবং ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। তাই উপকূল রক্ষার্থে জন্য টেকসই বাঁধ, বনায়নসহ জেলেদের টেকসই অধিকার নিশ্চিতের বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলের অনেক জেলে পরিবার অসহায় রয়েছে, অসংখ্য জেলে নিখোঁজ থাকায় তাদের স্ত্রীরা পারছেন না সরকারি সুযোগ-সুবিধা, সন্তান লিখতে পারছেন বাবার নামে সাথে মৃত্যু অথবা নিখোঁজ, স্ত্রীরা লিখতে পারছেন না স্বামী নিখোঁজ বা মৃত্যু। এমনকি ওয়ারিশ সনদ সনদসহ প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পাচ্ছেন না। এটা নিয়ে আমাদের গবেষণা আছে। বিগত সরকারের কাছে আমরা সুপারিশমালাও পাঠিয়েছিলাম। সব সবমিলিয়ে উপকূলের জেলেদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করতে আমাদের মন্ত্রী দরকার।
চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর আলহাজ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিদান তিনি উন্নয়নের মাধ্যমে দিতে চান। দল ও সরকারের নীতির আলোকে বরগুনা-২ আসনকে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে তার দেওয়া আশ্বাস অনুযায়ী তিনি কাজ করে যাবেন বলে আশ্বাস দেন।
নূরুল ইসলাম মনি ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বরগুনা-২ আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন এবং ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে একই আসন থেকে বিজয় লাভ করেন। এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন।
পূর্বে বিষখালী আর পশ্চিমে বলেশ্বর নদী। দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। সুন্দরবনসংলগ্ন বরগুনা জেলায় রয়েছে অসংখ্য জেলে সম্প্রদায়। ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদী ভাঙনসহ নানা দুর্যোগে এখানকার মানুষ অসহায়। সমুদ্র এবং উপকূল রক্ষায় বরগুনা-২ আসন থেকে নূরুল ইসলাম মনিকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় জনগণ।
সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনা-২ (পাথরঘাটা–বামনা–বেতাগী) আসনে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
দলের জেলা সভাপতি এবং একাধিকবার নির্বাচিত হওয়ায় তিনি এ অঞ্চলের রাজনীতিতে অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করেছেন। যদিও নির্বাচনের আগে থেকেই নূরুল ইসলাম মনি বিজয়ী হলে মন্ত্রীত্ব পাবেন এমনটাই আশা পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী উপজেলায় দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ জনগণের। অবহেলিত উপকূলীয় জনপদে মন্ত্রী পায়নি জনতা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নূরুল ইসলাম মনি পেয়েছেন ৮২ হাজার ৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী (দাঁড়িপাল্লা) ডা. সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৩৮৮ ভোট। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১২২টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ৩২ হাজার ৭৪০ জন এবং পোস্টাল ভোটার ৫ হাজার ৪ জন।
জানা যায়, বরগুনা-২ আসনটি বিষখালী ও বলেশ্বর নদীবেষ্টিত উপকূলীয় জনপদ। এ কারণে এখানে নদীভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, লবণাক্ততা, মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন, কৃষি ও অবকাঠামো উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে এ এলাকার মানুষের কাছে বিবেচিত। তাই নির্বাচনি ইশতেহারে নূরুল ইসলাম মনি এ অঞ্চলের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, মৎস্যসম্পদের আধুনিকায়ন, আধুনিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র নির্মাণ, জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, উপকূল রক্ষা বাঁধ শক্তিশালীকরণ, আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক মানের বন্দরনগরী হিসেবে এলাকাকে গড়ে তোলার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দেন।
নির্বাচনে বিজয়ের পর স্থানীয়দের প্রত্যাশা আরও বেড়েছে এ অঞ্চলের মানুষের। পাথরঘাটা পৌর শহরের বাসিন্দা কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চারবারের এমপি হিসেবে নুরুল ইসলাম মনি এলাকার জন্য অনেক কাজ করেছেন। তার প্রতিদান এ অঞ্চলের মানুষ তাকে দিয়েছে। এবার আমরা দেশনায়ক তারেক রহমানের কাছে চাই মনিকে মন্ত্রী বানানো হোক। তাহলে বরগুনা-২ আসনের উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
পদ্মা গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম বলেন, নদীর ভাঙছে, বসতঘর জমিজমা হারিয়ে আমরা নিঃস্ব হয়ে যাই। আমাগো এলাকার এমপি যদি মন্ত্রী হন তাহলে নদী ভাঙা আর ভূমিহীনদের জন্য কাজ করতে পারবেন। আমরা আশা করছি নূরুল ইসলাম মনি সাহেব মন্ত্রিত্ব পাবেন।
পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের গহরপুর গ্রামের ছেলে ইউসুফ মিয়া বলেন, আমরা জেলে, সাগরে মাছ শিকার করে পেট চালাই। সাগরে নিরাপত্তা নাই, ছেলেদের নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার আমরা মনি ভাইয়ের কাছে চাই।
পাথরঘাটা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ ফারুক বলেন, নূরুল ইসলাম মনি সাহেব মন্ত্রিত্ব পাবেন এটা আমাদের প্রাণের দাবি। নুরুল ইসলাম মনি একজন প্রভাবশালী বিএনপি নেতা। আমরা আশা করি, তারেক রহমান আমাদের বিমুখ করবেন না।
পাথরঘাটা প্রেস ক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, শুধু পদ নয়—নূরুল ইসলাম মনির দেওয়া প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। উপকূলীয় এ জনপদের টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।
দীর্ঘদিন ধরে উপকূলের জীবন-জীবিকা ও জেলেদের অধিকার নিয়ে কাজ করছেন উপকূল অনুসন্ধানী সাংবাদিক ও গবেষক শফিকুল ইসলাম খোকন। তিনি বলেন, একটি ভবন যেমন চারটা খুঁটির ওপর ভর করে থাকে তেমন একটি রাষ্ট্র কয়েকটি স্তম্ভের ওপর থাকে।
ওই ভবনের একটি খুঁটি যদি না থাকে তাহলে ভবন যেমন নড়বড়ে হয়ে যায় তেমনি বাংলাদেশের ১৯টি জেলা নিয়ে উপকূল অঞ্চল তা-ও নড়বড়ে হয়ে যায়। ফলে উপকূল অঞ্চল যদি অনিরাপদ বা হুমকিতে থাকে তাহলে গোটা দেশও হুমকিতে এবং ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। তাই উপকূল রক্ষার্থে জন্য টেকসই বাঁধ, বনায়নসহ জেলেদের টেকসই অধিকার নিশ্চিতের বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন, এ অঞ্চলের অনেক জেলে পরিবার অসহায় রয়েছে, অসংখ্য জেলে নিখোঁজ থাকায় তাদের স্ত্রীরা পারছেন না সরকারি সুযোগ-সুবিধা, সন্তান লিখতে পারছেন বাবার নামে সাথে মৃত্যু অথবা নিখোঁজ, স্ত্রীরা লিখতে পারছেন না স্বামী নিখোঁজ বা মৃত্যু। এমনকি ওয়ারিশ সনদ সনদসহ প্রয়োজনীয় এবং গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র পাচ্ছেন না। এটা নিয়ে আমাদের গবেষণা আছে। বিগত সরকারের কাছে আমরা সুপারিশমালাও পাঠিয়েছিলাম। সব সবমিলিয়ে উপকূলের জেলেদের অধিকার নিশ্চিতে কাজ করতে আমাদের মন্ত্রী দরকার।
চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর আলহাজ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জনগণের ভালোবাসা ও আস্থার প্রতিদান তিনি উন্নয়নের মাধ্যমে দিতে চান। দল ও সরকারের নীতির আলোকে বরগুনা-২ আসনকে একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে তার দেওয়া আশ্বাস অনুযায়ী তিনি কাজ করে যাবেন বলে আশ্বাস দেন।
নূরুল ইসলাম মনি ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বরগুনা-২ আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন এবং ১৯৯১ ও ২০০১ সালে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে একই আসন থেকে বিজয় লাভ করেন। এবারের নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি পুনরায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন।

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি জয় পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোট গ্রহণের পর, গণনা শেষে রাতে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসন থেকে মোট ৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ২৯১ ভোট পয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৫ ভোট। এতে মোট ৪ হাজার ১৪৬ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ।
অপর দিকে বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও তালতলী) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি ভোট পয়েছেন ৮৯ হাজার ৪২৮ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১৫ ভোট। এতে ৬ হাজার ৪১৩ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরগুনার দুটি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর মধ্যে বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ এবং বরগুনা-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি জয় পেয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোট গ্রহণের পর, গণনা শেষে রাতে জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বরগুনা-১ (সদর, আমতলী ও তালতলী) আসন থেকে মোট ৪ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ মোট ১ লাখ ৪০ হাজার ২৯১ ভোট পয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ১৪৫ ভোট। এতে মোট ৪ হাজার ১৪৬ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মো. অলি উল্লাহ।
অপর দিকে বরগুনা-২ (পাথরঘাটা, বামনা ও তালতলী) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এদের মধ্যে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি ভোট পয়েছেন ৮৯ হাজার ৪২৮ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১৫ ভোট। এতে ৬ হাজার ৪১৩ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. নূরুল ইসলাম মণি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.