
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেল কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ এনে নিজ ভাগিনা কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুলমাল সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হোটেল মালিক ও কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ।
এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আইনি সহায়তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ভাগিনার নেতৃত্বে বেশকিছু লোকদেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেল সংলগ্ন জমির পেছনের দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ বিষয় ভুক্তভোগী হোটেল মালিক এমএ মোতালেব শরীফ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, কুয়াকাটা গেস্ট হাউস সংলগ্ন ১২৬৪/১২৬২ ডি নং খতিয়ানে আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে ৫৬/১৪ বণ্টন মোকদ্দমার মাধ্যমে বোনদের জমি দুই খতিয়ানের দক্ষিণ ভাগে ১২৬৪ খতিয়ানের মাধ্যমে ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়ে আদালত ভাই বোনদের জমি বুঝিয়ে দেয় ২০১৮ সালে। পরবর্তীতে আত্মীয় ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সাহেদা, জাহানারা, শাহীনুর ৩৮৫/২৩ নং ডিক্রি রদের মোকাদ্দমার মাধ্যমে জমির ওপর ২০২৪ সালে আদেশ হয়।
তা সত্ত্বেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে জাহানারা, শাহীনুর, সাহেদা আমার কাছে এসে আমার আবাসিক হোটেল গেস্ট হাউজের পেছনে ঢুকে ঘর তৈরি করবে বলে হুমকি দেয়।
তারই প্রেক্ষিতে আমি মহিপুর থানায় এক অভিযোগ দায়ের করি। পরে ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখ মধ্যে রাত ৩টার দিকে আমার কুয়াকাটা গেস্ট হাউজের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে অভিযুক্ত জাহানারা, শাহিনুর, শাহেদার সাথে জামায়াতে ইসলামী নেতা শাহাবুদ্দিন, শামিম ও অন্যান্য ১৫/২০ জন মিলে একটি টিনের বেড়ার মাধ্যমে জমি দখলের উদ্দেশ্যে ঘর তৈরির ব্যবস্থা করে।
গভীর রাতে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে বেআইনিভাবে হোটেল ও বাড়ি দখলের চেষ্টা করে। ওই রাতে আমি ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম আসে এবং আমি সাংবাদিকদেরও ঘটনাটি অবহিত করি।
তিনি আরও বলেন, আমার বাবার মৃত্যুতে বোনদের জমিবাবদ সাহেদা বেগমের সাড়ে ৩৪ শতাংশের ভেতর ২২ শতাংশ জমি খান প্যালেসের রহিম খানের কাছে বিক্রি করেন।
বাকি সাড়ে ১২ শতাংশ বাবদ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ২০০২ সালে নিয়ে যায়। অন্যান্য বোনদের জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু জমির দলিল আজ-কাল করে এখন পর্যন্ত দেয়নি। বর্তমানে দলিল না দিয়ে জোড়পূর্বক আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো জমি দখল করতে যাইনি। এখানে আমার মা ও খালারা তাদের ন্যায্য অংশ পাবে।
দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু মামা আমাদের বুঝিয়ে দেননি। তাই নিজেদের জায়গা বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা সেখানে গিয়েছি। এখানে আমি বা আমার মা-খালারা কোনো অন্যায় করেনি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই।
বিষয়টি জমি সংক্রান্ত বিরোধ। এটি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। তারপরও সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেল কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ এনে নিজ ভাগিনা কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুলমাল সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হোটেল মালিক ও কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ।
এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আইনি সহায়তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ভাগিনার নেতৃত্বে বেশকিছু লোকদেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেল সংলগ্ন জমির পেছনের দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ বিষয় ভুক্তভোগী হোটেল মালিক এমএ মোতালেব শরীফ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, কুয়াকাটা গেস্ট হাউস সংলগ্ন ১২৬৪/১২৬২ ডি নং খতিয়ানে আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে ৫৬/১৪ বণ্টন মোকদ্দমার মাধ্যমে বোনদের জমি দুই খতিয়ানের দক্ষিণ ভাগে ১২৬৪ খতিয়ানের মাধ্যমে ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়ে আদালত ভাই বোনদের জমি বুঝিয়ে দেয় ২০১৮ সালে। পরবর্তীতে আত্মীয় ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সাহেদা, জাহানারা, শাহীনুর ৩৮৫/২৩ নং ডিক্রি রদের মোকাদ্দমার মাধ্যমে জমির ওপর ২০২৪ সালে আদেশ হয়।
তা সত্ত্বেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে জাহানারা, শাহীনুর, সাহেদা আমার কাছে এসে আমার আবাসিক হোটেল গেস্ট হাউজের পেছনে ঢুকে ঘর তৈরি করবে বলে হুমকি দেয়।
তারই প্রেক্ষিতে আমি মহিপুর থানায় এক অভিযোগ দায়ের করি। পরে ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখ মধ্যে রাত ৩টার দিকে আমার কুয়াকাটা গেস্ট হাউজের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে অভিযুক্ত জাহানারা, শাহিনুর, শাহেদার সাথে জামায়াতে ইসলামী নেতা শাহাবুদ্দিন, শামিম ও অন্যান্য ১৫/২০ জন মিলে একটি টিনের বেড়ার মাধ্যমে জমি দখলের উদ্দেশ্যে ঘর তৈরির ব্যবস্থা করে।
গভীর রাতে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে বেআইনিভাবে হোটেল ও বাড়ি দখলের চেষ্টা করে। ওই রাতে আমি ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম আসে এবং আমি সাংবাদিকদেরও ঘটনাটি অবহিত করি।
তিনি আরও বলেন, আমার বাবার মৃত্যুতে বোনদের জমিবাবদ সাহেদা বেগমের সাড়ে ৩৪ শতাংশের ভেতর ২২ শতাংশ জমি খান প্যালেসের রহিম খানের কাছে বিক্রি করেন।
বাকি সাড়ে ১২ শতাংশ বাবদ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ২০০২ সালে নিয়ে যায়। অন্যান্য বোনদের জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু জমির দলিল আজ-কাল করে এখন পর্যন্ত দেয়নি। বর্তমানে দলিল না দিয়ে জোড়পূর্বক আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো জমি দখল করতে যাইনি। এখানে আমার মা ও খালারা তাদের ন্যায্য অংশ পাবে।
দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু মামা আমাদের বুঝিয়ে দেননি। তাই নিজেদের জায়গা বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা সেখানে গিয়েছি। এখানে আমি বা আমার মা-খালারা কোনো অন্যায় করেনি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই।
বিষয়টি জমি সংক্রান্ত বিরোধ। এটি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। তারপরও সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫২
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩০
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৪
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৭
পটুয়াখালী -২ (বাউফল) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের এক কর্মীকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে কালাইয়া বন্দর এলাকায় যৌথবাহিনীর চেকপোস্টে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দণ্ড প্রদান করেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি মাইক্রোগাড়িতে দাঁড়িপাল্লার পোস্টার সাঁটিয়ে চলাচল করার সময় কালাইয়া এলাকায় যৌথবাহিনীর চেকপোস্টে সম্প্রতি বিএনপি থেকে যোগদান করা হেলাল মুন্সী নামের এক জামায়াত কর্মীকে আটক করা হয়।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত আচরণবিধি লঙ্ঘনের অপরাধে তাকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ মিলু বলেন, “একটি মাইক্রোগাড়িতে দাঁড়িপাল্লা মার্কার ব্যানার সাঁটিয়ে চলাচল করার অপরাধে ২৭(ক) ধারা মোতাবেক হেলাল মুন্সী নামের এক ব্যক্তিকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন।”
পটুয়াখালী -২ (বাউফল) আসনে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের এক কর্মীকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহাগ মিলু।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে কালাইয়া বন্দর এলাকায় যৌথবাহিনীর চেকপোস্টে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ দণ্ড প্রদান করেন।
জানা গেছে, ঘটনার দিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি মাইক্রোগাড়িতে দাঁড়িপাল্লার পোস্টার সাঁটিয়ে চলাচল করার সময় কালাইয়া এলাকায় যৌথবাহিনীর চেকপোস্টে সম্প্রতি বিএনপি থেকে যোগদান করা হেলাল মুন্সী নামের এক জামায়াত কর্মীকে আটক করা হয়।
এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত আচরণবিধি লঙ্ঘনের অপরাধে তাকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করেন।
এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহাগ মিলু বলেন, “একটি মাইক্রোগাড়িতে দাঁড়িপাল্লা মার্কার ব্যানার সাঁটিয়ে চলাচল করার অপরাধে ২৭(ক) ধারা মোতাবেক হেলাল মুন্সী নামের এক ব্যক্তিকে ৭ দিনের কারাদণ্ড অনাদায়ে ৫ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়। পরে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি জরিমানার টাকা পরিশোধ করে মুক্ত হন।”

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৮
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মনোনীত প্রার্থী ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় বাংলাবাজারস্থ উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘোষিত ইশতেহারে বাউফলের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ৮ দফা অঙ্গীকার এবং ইউনিয়ন ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে, ৬০ দিনের মধ্যে মাদক নির্মূল ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন এবং ৯০ দিনের মধ্যে সকল প্রকার দুর্নীতি নির্মূলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
বগা সেতু বাস্তবায়ন, কালাইয়া পটুয়াখালী– বগা –বাহেরচর সড়ক টু-লেনে উন্নীতকরণ, নদী তীরবর্তী এলাকায় স্থায়ী সিসি ব্লক ও বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদী ভাঙন প্রতিরোধের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
এছাড়া বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করে পর্যায়ক্রমে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, ক্রীড়ামোদী যুবসমাজের জন্য একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, দখলকৃত সকল খাল দখল মুক্ত করণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে নৌ চলাচলের সুবিধার্থে খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণের অঙ্গীকার করা হয়।
বেকারত্ব দূরীকরণে স্থানীয় শিল্পকারখানা স্থাপন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কাঁচা ও ভাঙা সড়ক সংস্কার, কালিশুরী অঞ্চলসহ উত্তর বাউফলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি ও ফায়ার স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনাও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নাজিরপুর, কেশবপুর ও ধুলিয়া নদী ভাঙন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসন, ডিজিটাল ট্যাক্স ব্যবস্থা, নাগরিক সেবা অ্যাপ ও অনলাইন অভিযোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাউফল পৌরসভাকে আধুনিক ও স্মার্ট শহরে রূপান্তরের কথাও তুলে ধরা হয়।
গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য সাংবাদিক তহবিল গঠন, চিকিৎসা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য শ্মশানঘাট নির্মাণ, মন্দির সংস্কার ও স্থাপন, ‘স্বাবলম্বী নারী—সমৃদ্ধ বাউফল’ স্লোগানে নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ পরিকল্পনা, জেলে সম্প্রদায়ের জীবিকা ও নিরাপত্তা, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং বাউফল কেন্দ্রিক ট্যুরিজম উন্নয়নে পৃথক কর্মপরিকল্পনার কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়। সবশেষে ‘শাসন নয়, সেবা’র এই স্লোগানকে সামনে রেখে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থব্যয় জনগণের সামনে প্রকাশ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
ইশতেহার ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা সহকারী সেক্রেটারি এবিএম সাইফুল্লাহ, বাউফল উপজেলা জামায়াত আমির মাওলানা মো. ইসহাক মিয়া, খিলাফত মজলিসের বাউফল উপজেলা সভাপতি আইউব বিন মুসা, এবি পার্টির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল গনি, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি, বাউফলের সাতজন শহীদ পরিবারের সদস্য, ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দসহ জেলা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।
পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মনোনীত প্রার্থী ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তাঁর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১২টায় বাংলাবাজারস্থ উপজেলা জামায়াত কার্যালয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ঘোষিত ইশতেহারে বাউফলের সার্বিক উন্নয়ন ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে ৮ দফা অঙ্গীকার এবং ইউনিয়ন ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকারগুলোর মধ্যে রয়েছে, ৬০ দিনের মধ্যে মাদক নির্মূল ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ কমিটি গঠন এবং ৯০ দিনের মধ্যে সকল প্রকার দুর্নীতি নির্মূলে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
বগা সেতু বাস্তবায়ন, কালাইয়া পটুয়াখালী– বগা –বাহেরচর সড়ক টু-লেনে উন্নীতকরণ, নদী তীরবর্তী এলাকায় স্থায়ী সিসি ব্লক ও বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে নদী ভাঙন প্রতিরোধের পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।
এছাড়া বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করে পর্যায়ক্রমে ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণ, ক্রীড়ামোদী যুবসমাজের জন্য একটি আধুনিক মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, দখলকৃত সকল খাল দখল মুক্ত করণ এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে নৌ চলাচলের সুবিধার্থে খাল খননের উদ্যোগ গ্রহণের অঙ্গীকার করা হয়।
বেকারত্ব দূরীকরণে স্থানীয় শিল্পকারখানা স্থাপন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কাঁচা ও ভাঙা সড়ক সংস্কার, কালিশুরী অঞ্চলসহ উত্তর বাউফলের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি ও ফায়ার স্টেশন স্থাপনের পরিকল্পনাও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নাজিরপুর, কেশবপুর ও ধুলিয়া নদী ভাঙন কবলিত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসন, ডিজিটাল ট্যাক্স ব্যবস্থা, নাগরিক সেবা অ্যাপ ও অনলাইন অভিযোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাউফল পৌরসভাকে আধুনিক ও স্মার্ট শহরে রূপান্তরের কথাও তুলে ধরা হয়।
গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য সাংবাদিক তহবিল গঠন, চিকিৎসা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য শ্মশানঘাট নির্মাণ, মন্দির সংস্কার ও স্থাপন, ‘স্বাবলম্বী নারী—সমৃদ্ধ বাউফল’ স্লোগানে নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ পরিকল্পনা, জেলে সম্প্রদায়ের জীবিকা ও নিরাপত্তা, কৃষি ও কৃষকের উন্নয়ন, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং বাউফল কেন্দ্রিক ট্যুরিজম উন্নয়নে পৃথক কর্মপরিকল্পনার কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়। সবশেষে ‘শাসন নয়, সেবা’র এই স্লোগানকে সামনে রেখে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থব্যয় জনগণের সামনে প্রকাশ করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ।
ইশতেহার ঘোষণাকালে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা সহকারী সেক্রেটারি এবিএম সাইফুল্লাহ, বাউফল উপজেলা জামায়াত আমির মাওলানা মো. ইসহাক মিয়া, খিলাফত মজলিসের বাউফল উপজেলা সভাপতি আইউব বিন মুসা, এবি পার্টির অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল গনি, ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি, বাউফলের সাতজন শহীদ পরিবারের সদস্য, ১১ দলীয় জোটের নেতৃবৃন্দসহ জেলা ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত তিন আসামি এবং অপরাধ সংগঠনের ষড়যন্ত্রকালে একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি—গাজিপুরা এলাকার আনেচ মুসুল্লির ছেলে মোঃ সাইফুল (২৮) এবং একই এলাকার মৃত মুজাহার মিয়ার ছেলে মোঃ আঃ রব (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া পৃথক জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি আন্দুয়া এলাকার মৃত মন্নান সিকদারের ছেলে সেন্টু সিকদার-কেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
অন্যদিকে, গভীর রাতে উপজেলার ভিকাখালি এলাকায় অপরাধ সংগঠনের উদ্দেশ্যে ধারালো দা নিয়ে অবস্থান করার সময় সাইফুল ইসলাম (২০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। আটককৃত সাইফুল গাজিপুরা এলাকার সোবাহান খানের ছেলে। তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃতদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার পরোয়ানাভুক্ত তিন আসামি এবং অপরাধ সংগঠনের ষড়যন্ত্রকালে একজনকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ৯টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামি—গাজিপুরা এলাকার আনেচ মুসুল্লির ছেলে মোঃ সাইফুল (২৮) এবং একই এলাকার মৃত মুজাহার মিয়ার ছেলে মোঃ আঃ রব (৪৫)-কে গ্রেপ্তার করা হয়।
এছাড়া পৃথক জিআর মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি আন্দুয়া এলাকার মৃত মন্নান সিকদারের ছেলে সেন্টু সিকদার-কেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
অন্যদিকে, গভীর রাতে উপজেলার ভিকাখালি এলাকায় অপরাধ সংগঠনের উদ্দেশ্যে ধারালো দা নিয়ে অবস্থান করার সময় সাইফুল ইসলাম (২০) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। আটককৃত সাইফুল গাজিপুরা এলাকার সোবাহান খানের ছেলে। তাকে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫১ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশের এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গ্রেপ্তারকৃতদের যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.