পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেল কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ এনে নিজ ভাগিনা কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুলমাল সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হোটেল মালিক ও কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ।
এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আইনি সহায়তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ভাগিনার নেতৃত্বে বেশকিছু লোকদেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেল সংলগ্ন জমির পেছনের দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ বিষয় ভুক্তভোগী হোটেল মালিক এমএ মোতালেব শরীফ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, কুয়াকাটা গেস্ট হাউস সংলগ্ন ১২৬৪/১২৬২ ডি নং খতিয়ানে আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে ৫৬/১৪ বণ্টন মোকদ্দমার মাধ্যমে বোনদের জমি দুই খতিয়ানের দক্ষিণ ভাগে ১২৬৪ খতিয়ানের মাধ্যমে ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়ে আদালত ভাই বোনদের জমি বুঝিয়ে দেয় ২০১৮ সালে। পরবর্তীতে আত্মীয় ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সাহেদা, জাহানারা, শাহীনুর ৩৮৫/২৩ নং ডিক্রি রদের মোকাদ্দমার মাধ্যমে জমির ওপর ২০২৪ সালে আদেশ হয়।
তা সত্ত্বেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে জাহানারা, শাহীনুর, সাহেদা আমার কাছে এসে আমার আবাসিক হোটেল গেস্ট হাউজের পেছনে ঢুকে ঘর তৈরি করবে বলে হুমকি দেয়।
তারই প্রেক্ষিতে আমি মহিপুর থানায় এক অভিযোগ দায়ের করি। পরে ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখ মধ্যে রাত ৩টার দিকে আমার কুয়াকাটা গেস্ট হাউজের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে অভিযুক্ত জাহানারা, শাহিনুর, শাহেদার সাথে জামায়াতে ইসলামী নেতা শাহাবুদ্দিন, শামিম ও অন্যান্য ১৫/২০ জন মিলে একটি টিনের বেড়ার মাধ্যমে জমি দখলের উদ্দেশ্যে ঘর তৈরির ব্যবস্থা করে।
গভীর রাতে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে বেআইনিভাবে হোটেল ও বাড়ি দখলের চেষ্টা করে। ওই রাতে আমি ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম আসে এবং আমি সাংবাদিকদেরও ঘটনাটি অবহিত করি।
তিনি আরও বলেন, আমার বাবার মৃত্যুতে বোনদের জমিবাবদ সাহেদা বেগমের সাড়ে ৩৪ শতাংশের ভেতর ২২ শতাংশ জমি খান প্যালেসের রহিম খানের কাছে বিক্রি করেন।
বাকি সাড়ে ১২ শতাংশ বাবদ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ২০০২ সালে নিয়ে যায়। অন্যান্য বোনদের জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু জমির দলিল আজ-কাল করে এখন পর্যন্ত দেয়নি। বর্তমানে দলিল না দিয়ে জোড়পূর্বক আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো জমি দখল করতে যাইনি। এখানে আমার মা ও খালারা তাদের ন্যায্য অংশ পাবে।
দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু মামা আমাদের বুঝিয়ে দেননি। তাই নিজেদের জায়গা বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা সেখানে গিয়েছি। এখানে আমি বা আমার মা-খালারা কোনো অন্যায় করেনি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই।
বিষয়টি জমি সংক্রান্ত বিরোধ। এটি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। তারপরও সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৪৮
পটুয়াখালীর বাউফলে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে সিফাত (২৯) ও নাজমুল (১৮) নামে দুই যুবক আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও আহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদক বিক্রি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে কয়েকজন কিশোর সিফাত ও নাজমুলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহত সিফাত ও নাজমুল অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি করে আসছে। মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় বুধবার ৩১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, হামলাকারীদের কাছে ছুরি, বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার যন্ত্র ও বৈদ্যুতিক তার ছিল। হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলেও তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় ওমর গাজী, নাজমুল আকন, সামী মোল্লা, রেদোয়ান ও রিফাত নামে কয়েকজনের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ওমর গাজী বলেন, তাদের মধ্যে সিনিয়রদের সম্মান দেওয়ার বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়েছে৷ আমাদেরকে তারা লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে আমরাও একটু করেছি। তবে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রেদোয়ান রিফাত বলেন, দুই যুবককে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মাথা ও মুখে আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আঘাতের ধরন ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, খোজ খবর নিয়ে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
পটুয়াখালীর বাউফলে মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে সিফাত (২৯) ও নাজমুল (১৮) নামে দুই যুবক আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের মমিনপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র ও আহতদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদক বিক্রি নিয়ে বিরোধের একপর্যায়ে কয়েকজন কিশোর সিফাত ও নাজমুলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
আহত সিফাত ও নাজমুল অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক বিক্রি করে আসছে। মাদক বিক্রির প্রতিবাদ করায় বুধবার ৩১ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। তাদের দাবি, হামলাকারীদের কাছে ছুরি, বৈদ্যুতিক শক দেওয়ার যন্ত্র ও বৈদ্যুতিক তার ছিল। হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল বলেও তারা অভিযোগ করেন।
এ ঘটনায় ওমর গাজী, নাজমুল আকন, সামী মোল্লা, রেদোয়ান ও রিফাত নামে কয়েকজনের বিরুদ্ধে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ওমর গাজী বলেন, তাদের মধ্যে সিনিয়রদের সম্মান দেওয়ার বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়েছে৷ আমাদেরকে তারা লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে আমরাও একটু করেছি। তবে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়।
বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক রেদোয়ান রিফাত বলেন, দুই যুবককে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মাথা ও মুখে আঘাত রয়েছে। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর আঘাতের ধরন ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, খোজ খবর নিয়ে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:৫০
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের সময় অভিযুক্তদের পা ধরে ‘আব্বা’ বলে ডাকলেও তাকে রেহাই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মেহেদী হাসান ফারুক নামে ওই ছাত্রদল নেতা।
ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন তিনি। ফারুক মহিপুর থানা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুক দাবি করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নেন। তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। পরে মোটরসাইকেলে করে তাকে কলাপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তার অভিযোগ, সেখানে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিমের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে দফায় দফায় মারধর করেন। রাত ১টা পর্যন্ত চলে নির্যাতন।
ফারুক বলেন, “আমি তাদের পা ধরে ‘আব্বা’ বলে ডেকেছি। বলেছি, আমার বাবা নেই, আপনারাই আমার বাবা। আমার মা অসুস্থ—এ ঘটনা জানলে তিনি মারা যেতে পারেন। তারপরও তারা আমাকে ছাড়েনি।”
পরে খবর পেয়ে তার দুই বন্ধু মহিপুর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদল নেতা কামরুল ইসলাম শাওন ও রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন বলে জানান ফারুক। প্রথমে তাকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে ১৫ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন তিনি। তবে গত ২৬ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালে নেওয়া হয়।
ফারুকের দাবি, তাকে তুলে নেওয়ার দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে। ওই ফুটেজ পর্যালোচনা করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন এই ছাত্রদল নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুক বলেন, কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হওয়া অপরাধ নয়। অথচ ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
অভিযোগের তীর রয়েছে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিম, রাশেদসহ ১০ থেকে ১৫ জনের দিকে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আমিরুল ইসলাম ফাহিম ও মাসুদ রানা। তাদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।'
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতনের সময় অভিযুক্তদের পা ধরে ‘আব্বা’ বলে ডাকলেও তাকে রেহাই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন মেহেদী হাসান ফারুক নামে ওই ছাত্রদল নেতা।
ঘটনার প্রায় দুই সপ্তাহ পর মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ করেন তিনি। ফারুক মহিপুর থানা সদর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুক দাবি করেন, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে তাকে তুলে নেন। তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল বলেও দাবি করেন তিনি। পরে মোটরসাইকেলে করে তাকে কলাপাড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।
তার অভিযোগ, সেখানে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিমের নেতৃত্বে কয়েকজন তাকে দফায় দফায় মারধর করেন। রাত ১টা পর্যন্ত চলে নির্যাতন।
ফারুক বলেন, “আমি তাদের পা ধরে ‘আব্বা’ বলে ডেকেছি। বলেছি, আমার বাবা নেই, আপনারাই আমার বাবা। আমার মা অসুস্থ—এ ঘটনা জানলে তিনি মারা যেতে পারেন। তারপরও তারা আমাকে ছাড়েনি।”
পরে খবর পেয়ে তার দুই বন্ধু মহিপুর ইউনিয়ন শাখা ছাত্রদল নেতা কামরুল ইসলাম শাওন ও রবিউল ইসলাম গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করেন বলে জানান ফারুক। প্রথমে তাকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে ১৫ দিন চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফেরেন তিনি। তবে গত ২৬ সেপ্টেম্বর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বরিশালে নেওয়া হয়।
ফারুকের দাবি, তাকে তুলে নেওয়ার দৃশ্য সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে। ওই ফুটেজ পর্যালোচনা করলে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে। অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পর তাকে বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি। এতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন এই ছাত্রদল নেতা।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুক বলেন, কোনো বিয়ের অনুষ্ঠানে সাক্ষী হওয়া অপরাধ নয়। অথচ ডিবি পুলিশ পরিচয়ে তাকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তার ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।
অভিযোগের তীর রয়েছে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্য সচিব আমিরুল ইসলাম ফাহিম, রাশেদসহ ১০ থেকে ১৫ জনের দিকে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আমিরুল ইসলাম ফাহিম ও মাসুদ রানা। তাদের দাবি, ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে পুলিশ কাজ করছে।'

২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:০২
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মেহেদী হাসান ফারুক নামে এক ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্যসচিব ফাহিম, রাশেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত ফারুক বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর বাজার থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ফারুককে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল। পরে কলাপাড়ার একটি হোটেলের পাশের নির্জন এলাকায় নিয়ে ফারুককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি বিয়েতে সাক্ষী হওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই ফারুককে তুলে নেওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল বলেন, ওই রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ফারুককে তুলে নেওয়ার খবর পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হয়। পরে রাত ১টার দিকে কলাপাড়ার রুবান হোটেলের পাশ থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
অভিযোগের বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ফাহিম বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি আমি জানি। তবে এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মাসুদ রানাও। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওয়াকিটকি হাতে এক ব্যক্তির সঙ্গে মাসুদ রানাকে দেখা গেছে।
কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তুষার বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছি। ১৭ সেপ্টেম্বর পারিবারিক কাজে আমি চট্টগ্রামে ছিলাম। তবে ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তদন্তে ডিবি পরিচয় ব্যবহার, হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।'
পটুয়াখালীর মহিপুরে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে মেহেদী হাসান ফারুক নামে এক ছাত্রদল নেতাকে তুলে নিয়ে মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা, সদস্যসচিব ফাহিম, রাশেদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত ফারুক বর্তমানে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে মহিপুর বাজার থেকে সাদা পোশাকে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ফারুককে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান। স্থানীয়দের দাবি, তাদের হাতে ওয়াকিটকি ছিল। পরে কলাপাড়ার একটি হোটেলের পাশের নির্জন এলাকায় নিয়ে ফারুককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, একটি বিয়েতে সাক্ষী হওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই ফারুককে তুলে নেওয়া ও মারধরের ঘটনা ঘটে।
মহিপুর মুক্তিযোদ্ধা মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি রবিউল বলেন, ওই রাতে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ফারুককে তুলে নেওয়ার খবর পেয়ে বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হয়। পরে রাত ১টার দিকে কলাপাড়ার রুবান হোটেলের পাশ থেকে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। প্রথমে কলাপাড়া ৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
অভিযোগের বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব ফাহিম বলেন, ‘মারধরের বিষয়টি আমি জানি। তবে এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’
অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত মাসুদ রানাও। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে ওয়াকিটকি হাতে এক ব্যক্তির সঙ্গে মাসুদ রানাকে দেখা গেছে।
কলাপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি তুষার বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি দেখেছি। ১৭ সেপ্টেম্বর পারিবারিক কাজে আমি চট্টগ্রামে ছিলাম। তবে ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, ‘এ ঘটনায় আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার সত্যতা অনুসন্ধানে কার্যক্রম চলমান রয়েছে।’
অভিযোগের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তদন্তে ডিবি পরিচয় ব্যবহার, হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।'

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় গভীর রাতে আবাসিক হোটেল কুয়াকাটা গেস্ট হাউসের জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ এনে নিজ ভাগিনা কুয়াকাটা পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সহকারী বাইতুলমাল সম্পাদক মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী হোটেল মালিক ও কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এমএ মোতালেব শরীফ।
এ সময় তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি। পরে ৯৯৯ এ কল দিয়ে আইনি সহায়তা চাইলে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী।
বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তার ভাগিনার নেতৃত্বে বেশকিছু লোকদেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেল সংলগ্ন জমির পেছনের দিক দিয়ে প্রবেশ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় হোটেল কর্তৃপক্ষ বাধা দিলে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হয়।
এ বিষয় ভুক্তভোগী হোটেল মালিক এমএ মোতালেব শরীফ কুয়াকাটা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে লিখিত অভিযোগ করে বলেন, কুয়াকাটা গেস্ট হাউস সংলগ্ন ১২৬৪/১২৬২ ডি নং খতিয়ানে আমার বাবা মারা যাওয়ার পরে ৫৬/১৪ বণ্টন মোকদ্দমার মাধ্যমে বোনদের জমি দুই খতিয়ানের দক্ষিণ ভাগে ১২৬৪ খতিয়ানের মাধ্যমে ডিগ্রি প্রাপ্ত হয়ে আদালত ভাই বোনদের জমি বুঝিয়ে দেয় ২০১৮ সালে। পরবর্তীতে আত্মীয় ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে সাহেদা, জাহানারা, শাহীনুর ৩৮৫/২৩ নং ডিক্রি রদের মোকাদ্দমার মাধ্যমে জমির ওপর ২০২৪ সালে আদেশ হয়।
তা সত্ত্বেও গত ৩ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার পক্ষগণের মাধ্যমে জাহানারা, শাহীনুর, সাহেদা আমার কাছে এসে আমার আবাসিক হোটেল গেস্ট হাউজের পেছনে ঢুকে ঘর তৈরি করবে বলে হুমকি দেয়।
তারই প্রেক্ষিতে আমি মহিপুর থানায় এক অভিযোগ দায়ের করি। পরে ০৬/০২/২০২৬ ইং তারিখ মধ্যে রাত ৩টার দিকে আমার কুয়াকাটা গেস্ট হাউজের বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে অভিযুক্ত জাহানারা, শাহিনুর, শাহেদার সাথে জামায়াতে ইসলামী নেতা শাহাবুদ্দিন, শামিম ও অন্যান্য ১৫/২০ জন মিলে একটি টিনের বেড়ার মাধ্যমে জমি দখলের উদ্দেশ্যে ঘর তৈরির ব্যবস্থা করে।
গভীর রাতে বাউন্ডারি ওয়াল ভেঙে বেআইনিভাবে হোটেল ও বাড়ি দখলের চেষ্টা করে। ওই রাতে আমি ৯৯৯ নম্বরে অভিযোগ জানালে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশের একটি টিম আসে এবং আমি সাংবাদিকদেরও ঘটনাটি অবহিত করি।
তিনি আরও বলেন, আমার বাবার মৃত্যুতে বোনদের জমিবাবদ সাহেদা বেগমের সাড়ে ৩৪ শতাংশের ভেতর ২২ শতাংশ জমি খান প্যালেসের রহিম খানের কাছে বিক্রি করেন।
বাকি সাড়ে ১২ শতাংশ বাবদ এক লাখ ২৪ হাজার টাকা ২০০২ সালে নিয়ে যায়। অন্যান্য বোনদের জমির সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু জমির দলিল আজ-কাল করে এখন পর্যন্ত দেয়নি। বর্তমানে দলিল না দিয়ে জোড়পূর্বক আমার জমি দখলের চেষ্টা করছে তারা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা মো. শাহাবুদ্দিন ফরাজি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো জমি দখল করতে যাইনি। এখানে আমার মা ও খালারা তাদের ন্যায্য অংশ পাবে।
দীর্ঘদিন ধরে আমরা আমাদের জায়গা ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করেছি, কিন্তু মামা আমাদের বুঝিয়ে দেননি। তাই নিজেদের জায়গা বুঝে নেওয়ার জন্য আমরা সেখানে গিয়েছি। এখানে আমি বা আমার মা-খালারা কোনো অন্যায় করেনি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে ফোর্স পাঠাই।
বিষয়টি জমি সংক্রান্ত বিরোধ। এটি আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে। তারপরও সাময়িকভাবে উভয় পক্ষকে শান্ত রাখার চেষ্টা করেছি।
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০২:৩১
০২ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:৫২