
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩০
গাজীপুরের শ্রীপুরে খেলাফত মজলিসের শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস ছাত্তারের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার বরমী বাজারের বরমী জামিয়া আনওয়ারীয়া মাদরাসার হলরুমে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও গাজীপুর-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর হাতে ফুল দিয়ে তারা বিএনপিতে যোগদান করেন।
তাদের মধ্যে, খেলাফত মজলিস শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস ছাত্তার, উপজেলার সিনিয়র সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন, বরমী আনওয়ারীয়া মাদরাসার মোহতামিম মুফতি আশেকে মোস্তফা, খেলাফত মজলিসের সদস্য ইকবাল হোসেন প্রমুখ রয়েছেন।
খেলাফত মজলিসের শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস ছাত্তার বলেন, দীর্ঘ লড়াই আন্দোলন রক্তের বিনিময়ে স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে। আমাদের আশার প্রতিফলন হয়নি। যারা ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের কথা বলছে আসলে তার এর ধারে কাছেও নেই। তুলনামূলকভাবে আলেম সমাজকে সবচেয়ে বেশি সম্মান দেয় বিএনপি। তাই আজ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপির পতাকাতলে সামিল হলাম।
অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, খেলাফত মজলিসের উপজেলা শাখার সভাপতির নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক আলেম বিএনপিতে যোগদান করেছেন। এটি সত্যিই আনন্দের। বিগত সরকারের সময় সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে আলেম সমাজ। বিএনপি বিজয়ী হলে সবচেয়ে সম্মানিত হবেন আলেম সমাজ।
গাজীপুরের শ্রীপুরে খেলাফত মজলিসের শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস ছাত্তারের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে উপজেলার বরমী বাজারের বরমী জামিয়া আনওয়ারীয়া মাদরাসার হলরুমে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও গাজীপুর-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চুর হাতে ফুল দিয়ে তারা বিএনপিতে যোগদান করেন।
তাদের মধ্যে, খেলাফত মজলিস শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস ছাত্তার, উপজেলার সিনিয়র সহসভাপতি মোশাররফ হোসেন, বরমী আনওয়ারীয়া মাদরাসার মোহতামিম মুফতি আশেকে মোস্তফা, খেলাফত মজলিসের সদস্য ইকবাল হোসেন প্রমুখ রয়েছেন।
খেলাফত মজলিসের শ্রীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুস ছাত্তার বলেন, দীর্ঘ লড়াই আন্দোলন রক্তের বিনিময়ে স্বৈরাচার বিদায় হয়েছে। আমাদের আশার প্রতিফলন হয়নি। যারা ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের কথা বলছে আসলে তার এর ধারে কাছেও নেই। তুলনামূলকভাবে আলেম সমাজকে সবচেয়ে বেশি সম্মান দেয় বিএনপি। তাই আজ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে বিএনপির পতাকাতলে সামিল হলাম।
অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, খেলাফত মজলিসের উপজেলা শাখার সভাপতির নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক আলেম বিএনপিতে যোগদান করেছেন। এটি সত্যিই আনন্দের। বিগত সরকারের সময় সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছে আলেম সমাজ। বিএনপি বিজয়ী হলে সবচেয়ে সম্মানিত হবেন আলেম সমাজ।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৮
দেশের সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোপালগঞ্জ জেলার মৎস ইনস্টিটিউটে অবস্থিত বিজিবির অস্থায়ী ক্যাম্পে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান, যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী।
এসময় তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকালে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট) এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেস্পন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত থাকবে, যারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মোতায়েন থাকবে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।
তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের ১৮টি জেলার ১০৮টি উপজেলায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ৯৩টি অস্থায়ী বেজ ক্যাম্প থেকে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন জোয়ানরা।
বিশেষ করে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) তাদের আওতাধীন ৩টি জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ৩১ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করেছে। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলাতেই ৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
দেশের সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে গোপালগঞ্জ জেলার মৎস ইনস্টিটিউটে অবস্থিত বিজিবির অস্থায়ী ক্যাম্পে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান, যশোর ব্যাটালিয়নের (৪৯ বিজিবি) অধিনায়ক লে. কর্নেল সাইফুল্লাহ্ সিদ্দিকী।
এসময় তিনি আরও বলেন, নির্বাচনকালে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিজিবির র্যাপিড অ্যাকশন টিম (র্যাট) এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেস্পন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত থাকবে, যারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে বিশেষায়িত কে-৯ ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মোতায়েন থাকবে বলে প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়।
তিনি আরও বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়নের ১৮টি জেলার ১০৮টি উপজেলায় নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে ৯৩টি অস্থায়ী বেজ ক্যাম্প থেকে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন জোয়ানরা।
বিশেষ করে যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি) তাদের আওতাধীন ৩টি জেলার ১১টি সংসদীয় আসনে ৩১ প্লাটুন সদস্য মোতায়েন করেছে। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ জেলাতেই ৮ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৬
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী— সবাই এ বিষয়ে ঐকান্তিক। সুতরাং, নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মতো মাধ্যমে কিছু অর্থের লেনদেন বা ‘মানি ট্রানজেকশন’ হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি।
সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় (কনস্টিটিউয়েন্সি) কিছু অপরাধী থাকতে পারে যারা ইলেকশন ডে-তে ব্যালট ছিনতাই বা ‘রিগিং’ করা এবং ভোটারদের পোলিং স্টেশনে যেতে বাধা দেওয়ার মতো অপকর্ম করতে পারে। আশা করি, আমাদের বাহিনী এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ অনুযায়ী আপনাদের হয় ডিটেনশন (আটক), না হয় মামলা— যেটি প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সফর করেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ সময় নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।
সফরকালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, একটি সুন্দর নির্বাচন করার জন্য সবাই আগ্রহী। নির্বাচন কমিশন, সরকার, প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনী— সবাই এ বিষয়ে ঐকান্তিক। সুতরাং, নির্বাচন না হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য বিকাশের মতো মাধ্যমে কিছু অর্থের লেনদেন বা ‘মানি ট্রানজেকশন’ হতে পারে। এ বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছি।
সেনাপ্রধান বলেন, প্রতিটি নির্বাচনী এলাকায় (কনস্টিটিউয়েন্সি) কিছু অপরাধী থাকতে পারে যারা ইলেকশন ডে-তে ব্যালট ছিনতাই বা ‘রিগিং’ করা এবং ভোটারদের পোলিং স্টেশনে যেতে বাধা দেওয়ার মতো অপকর্ম করতে পারে। আশা করি, আমাদের বাহিনী এদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ অনুযায়ী আপনাদের হয় ডিটেনশন (আটক), না হয় মামলা— যেটি প্রয়োজন সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সভায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় এবং সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়।
এর আগে গতকাল রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে ময়মনসিংহ সফর করেন সেনাবাহিনী প্রধান। এ সময় নির্বাচন ও গণভোটকে শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পেশাদারি, শৃঙ্খলা ও নাগরিকবান্ধব আচরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার কথাও বলেন।
সফরকালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সম্মেলনকক্ষে ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।
মতবিনিময় সভায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা পরিকল্পনা, দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা এবং আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় সেনাবাহিনী প্রধান পেশাদারি, ধৈর্য ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে দায়িত্ব পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি ‘ইন এইড টু দ্য সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় মোতায়েন সেনাসদস্যদের কার্যক্রম তিনি সরেজমিন পরিদর্শন করেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫২
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এই ভূ-কম্পন আঘাত হানে।
ভোর ৫টায় এক বিজ্ঞপ্তিতে ভূমিকম্পের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২.৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (ইএমএসসি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের গভীরতা ছিল ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পনটি তীব্র ছিল না। তবে ভোররাতে সাতক্ষীরা, খুলনা ও যশোরসহ পাশের জেলাগুলোতে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়।
ভোররাতের এই ভূমিকম্পে সাতক্ষীরা ও খুলনার বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ছড়ালেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ৪ দশমিক ১ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে এই ভূ-কম্পন আঘাত হানে।
ভোর ৫টায় এক বিজ্ঞপ্তিতে ভূমিকম্পের বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২.৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯.০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (ইএমএসসি) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (এনসিএস) জানিয়েছে, ভূপৃষ্ঠ থেকে এই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের গভীরতা ছিল ১৫০ কিলোমিটার। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পনটি তীব্র ছিল না। তবে ভোররাতে সাতক্ষীরা, খুলনা ও যশোরসহ পাশের জেলাগুলোতে মৃদু কম্পন অনুভূত হয়।
ভোররাতের এই ভূমিকম্পে সাতক্ষীরা ও খুলনার বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক ছড়ালেও এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৯
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৭
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৫
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫