
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৫
দুমকি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাওলাদারের মায়ের জানাজা নামাজে অংশগ্রহণ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের বরিশাল বিভাগীয় নির্বাচনী সমাবেশে অংশগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় তিনি দুমকিতে এসে মাগরিব নামাজের পরে জাহিদ হাওলাদারের মায়ের জানাজা নামাজে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, বুধবার ভোর রাতে দুমকি উপজেলার গ্রামীন ব্যাংক সড়কের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন মরহুম আব্দুল হক হাওলাদারের স্ত্রী মোসা হাসিনা বেগম (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮৫ বছর। তিনি বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
জানাজা নামাজে এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুমকি উপজেলায় ধানের শীষের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সাইফুল আলম মৃধা, খলিলুর রহমান, মতিউর রহমান দিপু, জসিম উদ্দিন হাওলাদার,সহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এসময় নেতৃবৃন্দ মরহুমা মোসা হাসিনা বেগমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
দুমকি উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহিদ হাওলাদারের মায়ের জানাজা নামাজে অংশগ্রহণ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বাণিজ্যমন্ত্রী এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের বরিশাল বিভাগীয় নির্বাচনী সমাবেশে অংশগ্রহণ শেষে সন্ধ্যায় তিনি দুমকিতে এসে মাগরিব নামাজের পরে জাহিদ হাওলাদারের মায়ের জানাজা নামাজে উপস্থিত হন। এ সময় তিনি মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, বুধবার ভোর রাতে দুমকি উপজেলার গ্রামীন ব্যাংক সড়কের নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন মরহুম আব্দুল হক হাওলাদারের স্ত্রী মোসা হাসিনা বেগম (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৮৫ বছর। তিনি বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
জানাজা নামাজে এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান টোটন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুমকি উপজেলায় ধানের শীষের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সাইফুল আলম মৃধা, খলিলুর রহমান, মতিউর রহমান দিপু, জসিম উদ্দিন হাওলাদার,সহ জেলা ও উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এসময় নেতৃবৃন্দ মরহুমা মোসা হাসিনা বেগমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৯
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৭
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৫
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫
পটুয়াখালীর বাউফলে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন মাদক স্বামী-স্ত্রী ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
বাউফল সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানাযায়, তাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাউফল আর্মি ক্যাম্পের একটি দল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চায়েত বাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে পঞ্চায়েত বাড়ীর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিপন খাঁন (৩৫) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মিনারা বেগমকে (৩৩) হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে নগদ ৬০ হাজার ৩৫০ টাকা, ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০০ গ্রাম গাঁজা, দুটি মোবাইল ফোন, দুটি দেশীয় অস্ত্র, ভুয়া কবিরাজি চিকিৎসার সরঞ্জামাদি ১০ প্যাকেট এবং গাঁজা মাপার একটি ডিজিটাল মেশিন উদ্ধার করা হয়। সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত আলামত ও আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল।
অভিযানের পর আটককৃত দুইজন এবং উদ্ধারকৃত সব আলামত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকাবাসী সেনাবাহিনীর এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান,আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী স্বামী-স্ত্রী’র বিরুদ্ধে মাদক আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন মাদক স্বামী-স্ত্রী ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতদের কাছ থেকে নগদ অর্থ, মাদকদ্রব্য, দেশীয় অস্ত্রসহ বিভিন্ন অপরাধ সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
বাউফল সেনা ক্যাম্প সূত্রে জানাযায়, তাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাউফল আর্মি ক্যাম্পের একটি দল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের পঞ্চায়েত বাড়ী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে পঞ্চায়েত বাড়ীর এলাকার একটি বাড়ি থেকে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রিপন খাঁন (৩৫) ও তার স্ত্রী মোসাঃ মিনারা বেগমকে (৩৩) হাতেনাতে আটক করা হয়।
এ সময় তাদের হেফাজত থেকে নগদ ৬০ হাজার ৩৫০ টাকা, ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০০ গ্রাম গাঁজা, দুটি মোবাইল ফোন, দুটি দেশীয় অস্ত্র, ভুয়া কবিরাজি চিকিৎসার সরঞ্জামাদি ১০ প্যাকেট এবং গাঁজা মাপার একটি ডিজিটাল মেশিন উদ্ধার করা হয়। সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, উদ্ধারকৃত আলামত ও আটককৃত ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল।
অভিযানের পর আটককৃত দুইজন এবং উদ্ধারকৃত সব আলামত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাউফল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এলাকাবাসী সেনাবাহিনীর এ অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান জানান,আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী স্বামী-স্ত্রী’র বিরুদ্ধে মাদক আইনে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৫৮
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট- ফেজ ২’ চলাকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাবুল মল্লিককে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুবিদখালী বন্দর বাজার মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ার হোসেন বাবুল মল্লিক উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামের মৃত আজাহার আলী মল্লিকের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ ফারুক হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃত বাবুল মল্লিকের বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুতর মামলা রয়েছে। তিনি ২০২৩ সালের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়িবহরে হামলার মামলার এজাহারভুক্ত এবং ২০২৪ সালের দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস ছালাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,"অপারেশন ডেভিল হান্ট- ফেজ ২ এর আওতায় দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।"
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযান ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট- ফেজ ২’ চলাকালীন উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বাবুল মল্লিককে (৬২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার সুবিদখালী বন্দর বাজার মসজিদের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আনোয়ার হোসেন বাবুল মল্লিক উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ছৈলাবুনিয়া গ্রামের মৃত আজাহার আলী মল্লিকের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযান পরিচালনাকারী কর্মকর্তা সাব ইন্সপেক্টর (এসআই) মোঃ ফারুক হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল এই অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেপ্তারকৃত বাবুল মল্লিকের বিরুদ্ধে বেশ কিছু গুরুতর মামলা রয়েছে। তিনি ২০২৩ সালের সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরীর গাড়িবহরে হামলার মামলার এজাহারভুক্ত এবং ২০২৪ সালের দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুস ছালাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,"অপারেশন ডেভিল হান্ট- ফেজ ২ এর আওতায় দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়ন বিএনপি অফিস ভাঙচুর মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।"

০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৫২
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অস্বাভাবিকভাবে ভেসে আসছে হাজার হাজার মৃত জেলিফিশ। গত কয়েকদিন ধরে সৈকতের লেম্বুরবন, মাঝিবাড়ি, গঙ্গামতি ও ঝাউ বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব স্বচ্ছ মৃত জেলিফিশ বালিয়াড়িতে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।
কখনো জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, আবার কখনো বালিতে আটকে নিথর হয়ে পড়ছে এগুলো। এদিকে সৈকতের চেয়েও গভীর সমুদ্রের অবস্থা আরও ভয়াবহ বলে জানা গেছে।
জেলেদের ভাষ্য, মাছ ধরার জালে হাজার হাজার জেলিফিশ আটকে পড়ায় জাল নষ্ট হচ্ছে ও মাছ ধরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন অনেক জেলে। এতে দিন কাটছে চরম লোকসান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।
হোসেন পাড়ার জেলে মো. মাহাতাব আঁকন বলেন, প্রতিদিন সাগরে গেলে জালে মাছের চেয়ে জেলিফিশই বেশি উঠছে। জাল পরিষ্কার করতেই সময় চলে যায়, মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। সংসার চালানো নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
ঝাউবন এলাকার জেলে মো. শামিম হোসেন জানান, প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে কিছু জেলিফিশ আসে, কিন্তু এবার দুই সপ্তাহ আগেই সাগর ভরে গেছে। এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। এখন সাগরে গেলে শুধু ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জেলিফিশের দেখা মিললেও এ বছর আগেভাগেই এর ব্যাপকতা বেড়েছে। এতে উপকূলের কয়েক হাজার জেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গবেষকদের মতে, জেলিফিশ সমুদ্রের একটি প্রাকৃতিক প্রাণী ও সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলিফিশ মূলত অতিক্ষুদ্র প্ল্যাংকটন খেয়ে বেঁচে থাকে ও নিজে আবার কচ্ছপ, কিছু মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান খাবারের একটি হলো জেলিফিশ।
তবে সাগরে কচ্ছপসহ জেলিফিশভোজী প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অক্সিজেনের ঘাটতি ও দূষণ জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে সহায়তা করছে। গবেষকরা বলছেন, জেলিফিশের আধিক্য অনেক সময় সমুদ্রের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।
বিষয়টি নজরে এসেছে সমুদ্র অর্থনীতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোফিশের। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী গবেষক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, তারা মৃত জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করেছেন ও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, জেলিফিশের আক্রমণের পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বৈরী আবহাওয়া এবং বছরে দুই দফা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলীয় জেলেরা এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এর ফলে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান এই কঠিন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় জেলেরা সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানোর জোর দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি বারবার অনুরোধ জানিয়ে আসছি গবেষকদের সম্পৃক্ত করে জেলিফিশসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে গভীর গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে জেলেদের কীভাবে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স, মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার বলেন, জেলিফিশ কচ্ছপের প্রধান খাদ্য। কিন্তু সাগরে কচ্ছপের সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বিস্তার স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের গভীরে অক্সিজেনের ঘাটতি ও পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধিও জেলিফিশ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সাগরের স্রোতের গতিপথে পরিবর্তন আসে। এসময় প্রজননের জন্য উপযোগী লবণাক্ততা ও পর্যাপ্ত আলোর সন্ধানে জেলিফিশ উপকূলের দিকে চলে আসে, ফলে জেলেদের জালে ব্যাপকভাবে জেলিফিশ আটকে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতি বছর পরিকল্পিতভাবে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সামুদ্রিক কচ্ছপ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করে, তাহলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র পুনরুদ্ধার হবে ও দীর্ঘমেয়াদে জেলিফিশের আধিক্য কমিয়ে জেলেদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, প্রতিবছরই নির্দিষ্ট সময়ে জেলিফিশ তীরে আসে। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এই সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে কমে যায়।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে অস্বাভাবিকভাবে ভেসে আসছে হাজার হাজার মৃত জেলিফিশ। গত কয়েকদিন ধরে সৈকতের লেম্বুরবন, মাঝিবাড়ি, গঙ্গামতি ও ঝাউ বাগানসহ বিভিন্ন এলাকায় এসব স্বচ্ছ মৃত জেলিফিশ বালিয়াড়িতে আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে।
কখনো জোয়ারের পানিতে ভেসে আসছে, আবার কখনো বালিতে আটকে নিথর হয়ে পড়ছে এগুলো। এদিকে সৈকতের চেয়েও গভীর সমুদ্রের অবস্থা আরও ভয়াবহ বলে জানা গেছে।
জেলেদের ভাষ্য, মাছ ধরার জালে হাজার হাজার জেলিফিশ আটকে পড়ায় জাল নষ্ট হচ্ছে ও মাছ ধরা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে বাধ্য হয়ে মাছ ধরা বন্ধ রেখেছেন অনেক জেলে। এতে দিন কাটছে চরম লোকসান ও অনিশ্চয়তার মধ্যে।
হোসেন পাড়ার জেলে মো. মাহাতাব আঁকন বলেন, প্রতিদিন সাগরে গেলে জালে মাছের চেয়ে জেলিফিশই বেশি উঠছে। জাল পরিষ্কার করতেই সময় চলে যায়, মাছ ধরা সম্ভব হচ্ছে না। সংসার চালানো নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় আছি।
ঝাউবন এলাকার জেলে মো. শামিম হোসেন জানান, প্রতিবছর মার্চ-এপ্রিলে কিছু জেলিফিশ আসে, কিন্তু এবার দুই সপ্তাহ আগেই সাগর ভরে গেছে। এমন অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। এখন সাগরে গেলে শুধু ক্ষতি হচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা জানান, সাধারণত ফেব্রুয়ারি-মার্চে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য জেলিফিশের দেখা মিললেও এ বছর আগেভাগেই এর ব্যাপকতা বেড়েছে। এতে উপকূলের কয়েক হাজার জেলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
গবেষকদের মতে, জেলিফিশ সমুদ্রের একটি প্রাকৃতিক প্রাণী ও সামুদ্রিক খাদ্যশৃঙ্খলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জেলিফিশ মূলত অতিক্ষুদ্র প্ল্যাংকটন খেয়ে বেঁচে থাকে ও নিজে আবার কচ্ছপ, কিছু মাছ ও সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রধান খাবারের একটি হলো জেলিফিশ।
তবে সাগরে কচ্ছপসহ জেলিফিশভোজী প্রাণীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অক্সিজেনের ঘাটতি ও দূষণ জেলিফিশের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে সহায়তা করছে। গবেষকরা বলছেন, জেলিফিশের আধিক্য অনেক সময় সমুদ্রের পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার সতর্ক সংকেত হিসেবেও ধরা হয়।
বিষয়টি নজরে এসেছে সমুদ্র অর্থনীতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোফিশের। প্রতিষ্ঠানটির সহযোগী গবেষক মো. বখতিয়ার হোসেন জানান, তারা মৃত জেলিফিশের নমুনা সংগ্রহ করেছেন ও বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চলছে।
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) যুগ্ম-আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, জেলিফিশের আক্রমণের পাশাপাশি বছরের বিভিন্ন সময়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বৈরী আবহাওয়া এবং বছরে দুই দফা মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার কারণে উপকূলীয় জেলেরা এমনিতেই চরম সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এর ফলে তাদের জীবন-জীবিকা মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে।
বর্তমান এই কঠিন পরিস্থিতিতে উপকূলীয় জেলেরা সরকারের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর নজরদারি ও সহায়তা বাড়ানোর জোর দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর প্রতি বারবার অনুরোধ জানিয়ে আসছি গবেষকদের সম্পৃক্ত করে জেলিফিশসহ সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য নিয়ে গভীর গবেষণা পরিচালনার মাধ্যমে জেলেদের কীভাবে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা যায়, সে বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি অ্যান্ড জেনেটিক্স, মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. রাজিব সরকার বলেন, জেলিফিশ কচ্ছপের প্রধান খাদ্য। কিন্তু সাগরে কচ্ছপের সংখ্যা কমে যাওয়ায় জেলিফিশের বিস্তার স্বাভাবিকভাবে নিয়ন্ত্রণে থাকছে না। পাশাপাশি সাগরের গভীরে অক্সিজেনের ঘাটতি ও পানির তাপমাত্রা বৃদ্ধিও জেলিফিশ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে সাগরের স্রোতের গতিপথে পরিবর্তন আসে। এসময় প্রজননের জন্য উপযোগী লবণাক্ততা ও পর্যাপ্ত আলোর সন্ধানে জেলিফিশ উপকূলের দিকে চলে আসে, ফলে জেলেদের জালে ব্যাপকভাবে জেলিফিশ আটকে ক্ষতির পরিমাণ বাড়ে। তাই প্রতি বছর পরিকল্পিতভাবে যদি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সামুদ্রিক কচ্ছপ অবমুক্তকরণ কর্মসূচি পালন করে, তাহলে প্রাকৃতিক খাদ্যচক্র পুনরুদ্ধার হবে ও দীর্ঘমেয়াদে জেলিফিশের আধিক্য কমিয়ে জেলেদের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, প্রতিবছরই নির্দিষ্ট সময়ে জেলিফিশ তীরে আসে। সাধারণত ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যেই এই সমস্যা প্রাকৃতিকভাবে কমে যায়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.