
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫৭
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি শহীদ প্যাদাসহ (৪৯) তার আটজন সহযোগিকে আটক করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে শহীদ প্যাদাকে তার নিজ বাসভবন থেকে এবং তার সহযোগিদের শহীদ প্যাদার মাছের ঘের এলাকা থেকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা ওই এলাকায় মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল। শহীদ প্যাদা ও তার সহযোগিরা দীর্ঘদিন থেকে এলাকাবাসীর ওপর জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, জমি দখল, অর্থ আত্মসাত, অবৈধভাবে বালুমহল দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলো।
অভিযান চলাকালে আটককৃতদের কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা, মাদক সেবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম, বিপুল পরিমান অবৈধ সিগারেট ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পরবর্তীতে আটককৃত শীর্ষ সন্ত্রাসী শহীদ প্যাদা তার সহযোগি শামীম শেখ, শামীম মৃধা, সিরাজুল ইসলাম, শাওন শেখ, ফারুক শেখ, ওয়াশিম বেপারী, মামুন খান ও সুলতানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি বিশেষ দল এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানিক দল সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সমাজ থেকে অপরাধনির্মূলে সেনাবাহিনী সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
শীর্ষ সন্ত্রাসী শহীদ প্যাদা ও তার সহযোগিদের আটক করায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আটক শহীদ প্যাদা বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি। সে সুবাধে সে (শহীদ) বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করেন।
শহীদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। তারা (সন্ত্রাসী) বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপনের গরুর ফার্ম থেকে প্রকাশ্যে গরু লুট ও গত দুইদিন থেকে তার (স্বপন) মাছের ঘের থেকে প্রকাশ্যে কয়েক লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়েছে। এছাড়া ওইসব সন্ত্রাসীরা এলাকায় মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছে।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় সেনাবাহিনীর বিশেষ অভিযানে কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি শহীদ প্যাদাসহ (৪৯) তার আটজন সহযোগিকে আটক করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ভোর রাতে বাবুগঞ্জ উপজেলার বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে শহীদ প্যাদাকে তার নিজ বাসভবন থেকে এবং তার সহযোগিদের শহীদ প্যাদার মাছের ঘের এলাকা থেকে আটক করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটককৃতরা ওই এলাকায় মাদক সেবনে লিপ্ত ছিল। শহীদ প্যাদা ও তার সহযোগিরা দীর্ঘদিন থেকে এলাকাবাসীর ওপর জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন, চাঁদাবাজি, লুটপাট, জমি দখল, অর্থ আত্মসাত, অবৈধভাবে বালুমহল দখলসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলো।
অভিযান চলাকালে আটককৃতদের কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা, মাদক সেবনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম, বিপুল পরিমান অবৈধ সিগারেট ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
পরবর্তীতে আটককৃত শীর্ষ সন্ত্রাসী শহীদ প্যাদা তার সহযোগি শামীম শেখ, শামীম মৃধা, সিরাজুল ইসলাম, শাওন শেখ, ফারুক শেখ, ওয়াশিম বেপারী, মামুন খান ও সুলতানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাবুগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশনের আওতাধীন ৬ পদাতিক ব্রিগেডের ৬২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি বিশেষ দল এ অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানিক দল সূত্রে জানা গেছে, মাদক ও সমাজে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সমাজ থেকে অপরাধনির্মূলে সেনাবাহিনী সর্বদা কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
শীর্ষ সন্ত্রাসী শহীদ প্যাদা ও তার সহযোগিদের আটক করায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দারা জানিয়েছেন, আটক শহীদ প্যাদা বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি। সে সুবাধে সে (শহীদ) বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় সন্ত্রাসের রামরাজত্ব কায়েম করেন।
শহীদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। তারা (সন্ত্রাসী) বাবুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সরদার খালেদ হোসেন স্বপনের গরুর ফার্ম থেকে প্রকাশ্যে গরু লুট ও গত দুইদিন থেকে তার (স্বপন) মাছের ঘের থেকে প্রকাশ্যে কয়েক লাখ টাকার মাছ লুট করে নিয়েছে। এছাড়া ওইসব সন্ত্রাসীরা এলাকায় মাদকের স্বর্গরাজ্যে পরিনত করেছে।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৯

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৩
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি-সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুরকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে বরিশাল বেলস পার্কে আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, ট্রাক মার্কার নুরু এই এলাকারই ছেলে। আন্দোলন-সংগ্রামে সে আমাদের সঙ্গেই ছিল। তাকেও দয়া করে আপনারা বিজয়ী করে নিয়ে আসবেন। সে আমাদেরই একজন।
এ সময় তিনি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থসহ বিএনপি মনোনীত আরও ১৯ জন সংসদ সদস্য প্রার্থীর পক্ষেও ভোট প্রার্থনা করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২০ বছর পর বরিশাল বিভাগ সফরে আসেন তারেক রহমান। তাকে এক নজর দেখার জন্য বরিশাল বিভাগের বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০৯
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে অবস্থিত সরকারি পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটির নেতাকর্মীরা।
তবে জনসভাস্থল ঘিরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ ও তার আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চারদিক ছেয়ে গেছে ধানের শীষের ফেস্টুন-ব্যানারে।
বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের ছবি ও প্রতীক সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে মাঠের চারদিক এবং সমাবেশস্থলের আশপাশের পথে। প্রথম দেখায় মনে হবে, সেখানে জামায়াতের নয় বিএনপির কোনো সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিষয়টিকে ‘গায়ে পড়ে সংঘর্ষ লাগতে আসা’ বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে এটিকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ বলেও মন্তব্য করেন তারা।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের মিডিয়া বিভাগের আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ন্যূনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচার থাকলে এহেন কাজ কোনো রাজনৈতিক দল করতে পারে না। যেখানে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান আসবেন, সেই মাঠের আশপাশে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের ব্যানার-ফেস্টুন এভাবে টানানো কোন লেভেলের শিষ্টাচার?’
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের উচিত ছিল আমাদের দলীয় প্রধানের আগমনের অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করা। উল্টো তারা এখানে পায়ে পাড়া দিয়ে আমাদের সঙ্গে ঝামেলা করতে চাচ্ছে। এ আচরণ অগণতান্ত্রিক।’
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেন বলেন, ‘আমরা নির্বাচনি কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাইনি। রাস্তার আশপাশে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাতেই পারি।
আর জামায়াতের আমির আসার বিষয়ে তারা আমাদের কাছে কোনো ধরনের সহযোগিতাও চায়নি। বরং বিগত দিনে জামায়াতের লোকজন বিএনপির ব্যানার-ফেস্টুনের ওপর তাদের নিজেদেরটা লাগিয়েছে। আমরাতো কারও কাছে অভিযোগ করিনি।’
বরিশালের বানারীপাড়ায় ১৮ মাস পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহিদ তাহিদুল ইসলামের (২১) মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের দক্ষিণ বড় চাউলাকাঠী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার মরদেহ তোলা হয়। পরে তা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এ সময় বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বায়েজিদুর রহমানের নেতৃত্বে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান, বানারীপাড়া থানার উপপরিদর্শক মো. ইসাহাক আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মরদেহ তোলার সময় তাহিদুলের বাবা-মা ও স্বজনরা কান্না-বিলাপ করেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তাহিদুল ইসলাম জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কবর থেকে তাঁর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে আবার দাফন করা হবে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, তাহিদুলের মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, তাহিদুল ইসলাম বরিশাল বিএম কলেজের ডিগ্রী প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি রাজধানীর ফার্মগেটে একটি ওয়ার্কসপে কাজ করতেন। তাহিদুলের মা লাভলী বেগম শারীরিকভাবে অসুস্থ, বড় ভাই তারিকুল ইসলাম বেকার। পরিবারে উপার্জনক্ষম হিসেবে তাহিদুলই ছিল একমাত্র ভরসা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগষ্ট বিকাল ৫ টায় তাহিদুল রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে আন্দোলনরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার মরদেহ ঢাকা থেকে বরিশালের বানারীপাড়ার চাখারে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। ময়না তদন্ত ছাড়াই ৬ আগষ্ট সকালে দু'দফা জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিন্দ্রায় শায়িত করা হয়।
তাহিদুলের বাবা কৃষক আব্দুল মান্নান কান্নাভেজা কন্ঠে জানান, তাঁদের দরিদ্র পরিবারে তাহিদুলই ছিলেন মূল ভরসা। তিনি দিনমজুরি করে যা আয় করেন, তা দিয়ে সংসার চলে না। তাহিদুলের স্বপ্ন ছিল উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে "মেধার" যোগ্যতায় ভালো কোন চাকরিতে যোগদান করবেন। দরিদ্র পিতা-মাতার সংসারে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য আনবেন। গ্রামের বাড়ির জীর্ণ ঘর ভেঙ্গে একটি বড় ঘর বানিয়ে সবাইকে নিয়ে বসবাস করবেন। কিন্তু গুলিতে তার সঙ্গে স্বপ্নেরও করুন মৃত্যু হয়েছে। তিনি সরকারের কাছে তার বড় ছেলের জন্য একটি চাকরির দাবি জানান।
বরিশালের বানারীপাড়ায় ১৮ মাস পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহিদ তাহিদুল ইসলামের (২১) মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের দক্ষিণ বড় চাউলাকাঠী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থান থেকে তার মরদেহ তোলা হয়। পরে তা বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। এ সময় বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বায়েজিদুর রহমানের নেতৃত্বে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান, বানারীপাড়া থানার উপপরিদর্শক মো. ইসাহাক আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মরদেহ তোলার সময় তাহিদুলের বাবা-মা ও স্বজনরা কান্না-বিলাপ করেন।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বায়েজিদুর রহমান বলেন, তাহিদুল ইসলাম জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত হয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য কবর থেকে তাঁর মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্ত শেষে আবার দাফন করা হবে।
এ বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, তাহিদুলের মৃত্যুর কারণ উদ্ঘাটনে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, তাহিদুল ইসলাম বরিশাল বিএম কলেজের ডিগ্রী প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি তিনি রাজধানীর ফার্মগেটে একটি ওয়ার্কসপে কাজ করতেন। তাহিদুলের মা লাভলী বেগম শারীরিকভাবে অসুস্থ, বড় ভাই তারিকুল ইসলাম বেকার। পরিবারে উপার্জনক্ষম হিসেবে তাহিদুলই ছিল একমাত্র ভরসা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৪ আগষ্ট বিকাল ৫ টায় তাহিদুল রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী ও পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে আন্দোলনরত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে তার মরদেহ ঢাকা থেকে বরিশালের বানারীপাড়ার চাখারে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। ময়না তদন্ত ছাড়াই ৬ আগষ্ট সকালে দু'দফা জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে চিরনিন্দ্রায় শায়িত করা হয়।
তাহিদুলের বাবা কৃষক আব্দুল মান্নান কান্নাভেজা কন্ঠে জানান, তাঁদের দরিদ্র পরিবারে তাহিদুলই ছিলেন মূল ভরসা। তিনি দিনমজুরি করে যা আয় করেন, তা দিয়ে সংসার চলে না। তাহিদুলের স্বপ্ন ছিল উচ্চ শিক্ষা অর্জন করে "মেধার" যোগ্যতায় ভালো কোন চাকরিতে যোগদান করবেন। দরিদ্র পিতা-মাতার সংসারে সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য আনবেন। গ্রামের বাড়ির জীর্ণ ঘর ভেঙ্গে একটি বড় ঘর বানিয়ে সবাইকে নিয়ে বসবাস করবেন। কিন্তু গুলিতে তার সঙ্গে স্বপ্নেরও করুন মৃত্যু হয়েছে। তিনি সরকারের কাছে তার বড় ছেলের জন্য একটি চাকরির দাবি জানান।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি-সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী নুরুল হক নুরকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে বরিশাল বেলস পার্কে আয়োজিত এক নির্বাচনী সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।
তারেক রহমান বলেন, ট্রাক মার্কার নুরু এই এলাকারই ছেলে। আন্দোলন-সংগ্রামে সে আমাদের সঙ্গেই ছিল। তাকেও দয়া করে আপনারা বিজয়ী করে নিয়ে আসবেন। সে আমাদেরই একজন।
এ সময় তিনি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ সংসদীয় আসনে বিএনপি জোট মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থসহ বিএনপি মনোনীত আরও ১৯ জন সংসদ সদস্য প্রার্থীর পক্ষেও ভোট প্রার্থনা করেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে বিএনপির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২০ বছর পর বরিশাল বিভাগ সফরে আসেন তারেক রহমান। তাকে এক নজর দেখার জন্য বরিশাল বিভাগের বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে দেখা যায় ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ) আসনে অবস্থিত সরকারি পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এ জনসভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ উপলক্ষে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটির নেতাকর্মীরা।
তবে জনসভাস্থল ঘিরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ ও তার আশপাশ এলাকা ঘুরে দেখা যায়, চারদিক ছেয়ে গেছে ধানের শীষের ফেস্টুন-ব্যানারে।
বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের ছবি ও প্রতীক সম্বলিত ব্যানার ও ফেস্টুন লাগানো হয়েছে মাঠের চারদিক এবং সমাবেশস্থলের আশপাশের পথে। প্রথম দেখায় মনে হবে, সেখানে জামায়াতের নয় বিএনপির কোনো সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
বিষয়টিকে ‘গায়ে পড়ে সংঘর্ষ লাগতে আসা’ বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে এটিকে রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত কাজ বলেও মন্তব্য করেন তারা।
জামায়াতে ইসলামীর বরিশাল-৪ আসনের মিডিয়া বিভাগের আহ্বায়ক মুজাহিদুল ইসলাম ইউসুফ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ন্যূনতম রাজনৈতিক শিষ্টাচার থাকলে এহেন কাজ কোনো রাজনৈতিক দল করতে পারে না। যেখানে একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান আসবেন, সেই মাঠের আশপাশে অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের ব্যানার-ফেস্টুন এভাবে টানানো কোন লেভেলের শিষ্টাচার?’
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদের উচিত ছিল আমাদের দলীয় প্রধানের আগমনের অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করা। উল্টো তারা এখানে পায়ে পাড়া দিয়ে আমাদের সঙ্গে ঝামেলা করতে চাচ্ছে। এ আচরণ অগণতান্ত্রিক।’
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দীপেন বলেন, ‘আমরা নির্বাচনি কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাইনি। রাস্তার আশপাশে ব্যানার-ফেস্টুন লাগাতেই পারি।
আর জামায়াতের আমির আসার বিষয়ে তারা আমাদের কাছে কোনো ধরনের সহযোগিতাও চায়নি। বরং বিগত দিনে জামায়াতের লোকজন বিএনপির ব্যানার-ফেস্টুনের ওপর তাদের নিজেদেরটা লাগিয়েছে। আমরাতো কারও কাছে অভিযোগ করিনি।’
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৯
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৭
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৫
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫