
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে ‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার’ প্রতিশ্রুতিতে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বুধবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
দলীয় সূত্র জানায়, আগামী পাঁচ বছর রাষ্ট্র পরিচালনায় ২৬টি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে জামায়াতের। ইশতেহারের মূল স্লোগান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে—‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’।
ইশতেহারে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থরক্ষায় আপসহীন রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরে দলটি জানায়, যুবকদের ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। নারীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। আইনশৃঙ্খলার সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা হবে।
এছাড়া সব পর্যায়ে সৎ নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। ইশতেহারে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও স্মার্ট সমাজ গঠন; প্রযুক্তি, ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি ও শিল্পখাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি; সরকারি চাকরিতে বিনামূল্যে আবেদন; মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সব ধরনের বৈষম্য দূরীকরণ; ব্যাংকসহ আর্থিক খাতের সংস্কারের মাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ ও ব্যবসাবান্ধব এবং টেকসই ও স্বচ্ছ অর্থনীতি গড়ার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।
পাশাপাশি গণতন্ত্র সুসংহত করতে ইশতেহারে সমানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতির নির্বাচন, সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ এবং শক্তিশালী তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
মানবাধিকার প্রসঙ্গে জামায়াত নেতারা বলেন, বিগত সময়ে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত খুন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।
এছাড়া জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ইশতেহার ঘোষণাকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে জনগণের নিরাপত্তা, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ২৬টি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে ‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার’ প্রতিশ্রুতিতে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
বুধবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।
দলীয় সূত্র জানায়, আগামী পাঁচ বছর রাষ্ট্র পরিচালনায় ২৬টি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে জামায়াতের। ইশতেহারের মূল স্লোগান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে—‘জাতীয় স্বার্থে আপসহীন বাংলাদেশ’।
ইশতেহারে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থরক্ষায় আপসহীন রাষ্ট্র গঠনের অঙ্গীকার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বৈষম্যহীন, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
ইশতেহারের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরে দলটি জানায়, যুবকদের ক্ষমতায়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। নারীদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। আইনশৃঙ্খলার সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে মাদক, চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ রাষ্ট্র বিনির্মাণ করা হবে।
এছাড়া সব পর্যায়ে সৎ নেতৃত্ব ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে। ইশতেহারে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ও স্মার্ট সমাজ গঠন; প্রযুক্তি, ম্যানুফ্যাকচারিং, কৃষি ও শিল্পখাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি; সরকারি চাকরিতে বিনামূল্যে আবেদন; মেধাভিত্তিক নিয়োগ ও সব ধরনের বৈষম্য দূরীকরণ; ব্যাংকসহ আর্থিক খাতের সংস্কারের মাধ্যমে আস্থা ফিরিয়ে এনে বিনিয়োগ ও ব্যবসাবান্ধব এবং টেকসই ও স্বচ্ছ অর্থনীতি গড়ার পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে।
পাশাপাশি গণতন্ত্র সুসংহত করতে ইশতেহারে সমানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতির নির্বাচন, সুষ্ঠু নির্বাচনি পরিবেশ এবং শক্তিশালী তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালুর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।
মানবাধিকার প্রসঙ্গে জামায়াত নেতারা বলেন, বিগত সময়ে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সংঘটিত খুন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং মৌলিক মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।
এছাড়া জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস সংরক্ষণ, শহীদ পরিবার, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারও ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
ইশতেহার ঘোষণাকালে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে জনগণের নিরাপত্তা, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৬
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা জাতিকে নিয়ে পেছনে যেতে চাই না, সামনে যেতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যে দেশে একটি শিশু উপযুক্ত শিক্ষা পাবে।
উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে সুস্থ হয়ে বড় হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা পাবে। নিরাপদ রাস্তা পাবে, নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবে। এরপর যখন বড় হবে হাতে কাজ পাবে। যখন আরও বড় হবে দেশটাকে গড়ে তুলতে পারবে।’
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যে যার যার অবস্থা হিসেবে মূল্যায়ন হবে। সবাইকে সমান দেওয়ার নাম ন্যায় বিচার নয়। যার যেটা ন্যায্য পাওনা তাকে সেটাই দিতে হবে- এর নাম ন্যায়বিচার। আমরা সেই বাংলাদেশ চাই যে বাংলাদেশে আইন হবে সবার জন্য সমান। একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে তার যে নির্দিষ্ট শাস্তি হবে দেশের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধ করলে তাদের ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘যারা নির্বাচন করেছেন, সুন্দর সুন্দর কথা শুনিয়েছেন। কিন্তু ওয়াদা ওয়াদার জায়গায় রয়ে গেছে, ওয়াদা তারা বাস্তবায়ন করেননি। যার কারণে সমাজে বৈষম্য দেখা দিয়েছিল, অপরাধ চরম যাত্রা ধারণ করেছিল, দুর্নীতি গোটা সমাজকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। এর বিরুদ্ধে আমাদের যুব সমাজ ফুঁসে উঠেছিল। একটা মাত্র শ্লোগান ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা ন্যায় বিচার চাই।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমার বাঁচার জন্য অধিকার চাই। শিশুর জন্য শিক্ষা চাই। যুবক-যুবতীর জন্য কাজ চাই। মা-বোনদের জন্য নিরাপত্তা চাই। ব্যবসায়ীদের জন্য নির্ভেজাল শান্তিতে ব্যবসা করার পরিবেশ চাই। কৃষকের জন্য জমিতে উন্নতমানের ফসল ফলানোর জন্য সরঞ্জাম চাই। শ্রমিকের জন্য ন্যায্য বিনিময় চাই। কর্ম পরিবেশ চাই।’
তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে সবচেয়ে মজলুম। আর কোনো সংগঠনের শীর্ষ ১১ জনকে শেখ হাসিনা গুম করে নাই। আর কোনো সংগঠনের নিবন্ধন কেড়ে নেয় নাই। আর কোনো সংগঠনের প্রতীক কেড়ে নেয় নাই।
আর কোনো সংগঠনের অফিসগুলো তালাবদ্ধ করে রাখে নাই। আর কোনো সংগঠনের নেতাদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় নাই। আর কোনো সংগঠনকে শেষ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় নাই। এটা একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘শুধু বিরোধীদলীয় নেতারাই এতোদিন মজলুম ছিলেন না। এদেশের ১৮ কোটি মানুষ মজলুম ছিল। ৫ তারিখের পর যখন জামায়াতে ইসলামী মুক্ত হলো তখন তারা কোনো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নাই।
নির্বাচন দেওয়ার দাবি করে নাই। হাজার হাজার মামলা বাণিজ্য করে মানুষকে হয়রানি করার সিদ্ধান্ত নেয় নাই। বরং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে সেজদায় পড়েছে। আমরা সে রাতেই ঘোষণা করেছিলাম, আমরা কারো বিরুদ্ধে কোনো প্রতিশোধ নেবো না। আমাদের নেতা কর্মীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু হারাম পথে উপার্জনের জন্য চাঁন্দাবাজি করবো না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সিজনাল পলিটিশিয়ান না। আমরা বসন্তের কোকিল না। যখন নির্বাচন আসবে, নতুন রঙ ধারণ করে সুন্দর সুন্দর কথা নিয়ে আমরা হাজির হবো। না, আমরা তাই না। আপনারা সাক্ষী, সাড়ে ১৫ বছর আমাদের ওপর এতো জুলুম হওয়ার পরও আমরা একদিনের জন্যও জনগণকে ছেড়ে যাইনি।
এ মাটি কামড় দিয়েই আমরা ছিলাম। আল্লাহ আমাদের এখানে রেখেছিলেন। দফায় দফায় জেলে গিয়েছি, ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়েছি, অফিসে ঢুকতে পারি নাই। কিন্তু বাংলাদেশে ছিলাম। ভবিষ্যতে দুর্দিন, সুদিন আসবে-আল্লাহ জানেন, কথা দিচ্ছি আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাবো নাই ইনশা আল্লাহ।’
জনসভায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা উত্তরাঞ্চলের অন্যতম সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় গণপরিষদের অন্যতম সদস্য তামিরুল মিল্লাতের অধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফি, টাঙ্গাইল-২ আসনের প্রার্থী হুমায়ুন কবির, টাঙ্গাইল-৩ আসনের এনসিপির প্রার্থী সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল-৪ আসনের খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান জোহরা খাতুন জুই, বাংলাদেশ ইত্তেহাদুল ওলামা টাঙ্গাইল জেলা শাখার আমির মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-৬ আসনের ডা. একেএম আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল-৭ আসনের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খানসহ জামায়াত ও ঐক্যজোটের অন্য শরীকদলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা জাতিকে নিয়ে পেছনে যেতে চাই না, সামনে যেতে চাই। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যে দেশে একটি শিশু উপযুক্ত শিক্ষা পাবে।
উপযুক্ত নাগরিক হিসেবে সুস্থ হয়ে বড় হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসেবা পাবে। নিরাপদ রাস্তা পাবে, নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাবে। এরপর যখন বড় হবে হাতে কাজ পাবে। যখন আরও বড় হবে দেশটাকে গড়ে তুলতে পারবে।’
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় জোটের নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘যে যার যার অবস্থা হিসেবে মূল্যায়ন হবে। সবাইকে সমান দেওয়ার নাম ন্যায় বিচার নয়। যার যেটা ন্যায্য পাওনা তাকে সেটাই দিতে হবে- এর নাম ন্যায়বিচার। আমরা সেই বাংলাদেশ চাই যে বাংলাদেশে আইন হবে সবার জন্য সমান। একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে তার যে নির্দিষ্ট শাস্তি হবে দেশের প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রী একই অপরাধ করলে তাদের ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘যারা নির্বাচন করেছেন, সুন্দর সুন্দর কথা শুনিয়েছেন। কিন্তু ওয়াদা ওয়াদার জায়গায় রয়ে গেছে, ওয়াদা তারা বাস্তবায়ন করেননি। যার কারণে সমাজে বৈষম্য দেখা দিয়েছিল, অপরাধ চরম যাত্রা ধারণ করেছিল, দুর্নীতি গোটা সমাজকে ডুবিয়ে দিয়েছিল। এর বিরুদ্ধে আমাদের যুব সমাজ ফুঁসে উঠেছিল। একটা মাত্র শ্লোগান ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা ন্যায় বিচার চাই।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমার বাঁচার জন্য অধিকার চাই। শিশুর জন্য শিক্ষা চাই। যুবক-যুবতীর জন্য কাজ চাই। মা-বোনদের জন্য নিরাপত্তা চাই। ব্যবসায়ীদের জন্য নির্ভেজাল শান্তিতে ব্যবসা করার পরিবেশ চাই। কৃষকের জন্য জমিতে উন্নতমানের ফসল ফলানোর জন্য সরঞ্জাম চাই। শ্রমিকের জন্য ন্যায্য বিনিময় চাই। কর্ম পরিবেশ চাই।’
তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে সবচেয়ে মজলুম। আর কোনো সংগঠনের শীর্ষ ১১ জনকে শেখ হাসিনা গুম করে নাই। আর কোনো সংগঠনের নিবন্ধন কেড়ে নেয় নাই। আর কোনো সংগঠনের প্রতীক কেড়ে নেয় নাই।
আর কোনো সংগঠনের অফিসগুলো তালাবদ্ধ করে রাখে নাই। আর কোনো সংগঠনের নেতাদের বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হয় নাই। আর কোনো সংগঠনকে শেষ পর্যন্ত নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় নাই। এটা একমাত্র সংগঠন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘শুধু বিরোধীদলীয় নেতারাই এতোদিন মজলুম ছিলেন না। এদেশের ১৮ কোটি মানুষ মজলুম ছিল। ৫ তারিখের পর যখন জামায়াতে ইসলামী মুক্ত হলো তখন তারা কোনো উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে নাই।
নির্বাচন দেওয়ার দাবি করে নাই। হাজার হাজার মামলা বাণিজ্য করে মানুষকে হয়রানি করার সিদ্ধান্ত নেয় নাই। বরং আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে সেজদায় পড়েছে। আমরা সে রাতেই ঘোষণা করেছিলাম, আমরা কারো বিরুদ্ধে কোনো প্রতিশোধ নেবো না। আমাদের নেতা কর্মীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু হারাম পথে উপার্জনের জন্য চাঁন্দাবাজি করবো না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা সিজনাল পলিটিশিয়ান না। আমরা বসন্তের কোকিল না। যখন নির্বাচন আসবে, নতুন রঙ ধারণ করে সুন্দর সুন্দর কথা নিয়ে আমরা হাজির হবো। না, আমরা তাই না। আপনারা সাক্ষী, সাড়ে ১৫ বছর আমাদের ওপর এতো জুলুম হওয়ার পরও আমরা একদিনের জন্যও জনগণকে ছেড়ে যাইনি।
এ মাটি কামড় দিয়েই আমরা ছিলাম। আল্লাহ আমাদের এখানে রেখেছিলেন। দফায় দফায় জেলে গিয়েছি, ঘর-বাড়ি ছাড়া হয়েছি, অফিসে ঢুকতে পারি নাই। কিন্তু বাংলাদেশে ছিলাম। ভবিষ্যতে দুর্দিন, সুদিন আসবে-আল্লাহ জানেন, কথা দিচ্ছি আপনাদের ছেড়ে কোথাও যাবো নাই ইনশা আল্লাহ।’
জনসভায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির আহসান হাবীব মাসুদ সভাপতিত্বে জনসভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা উত্তরাঞ্চলের অন্যতম সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় গণপরিষদের অন্যতম সদস্য তামিরুল মিল্লাতের অধ্যক্ষ ড. খলিলুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-১ আসনের জামায়াত প্রার্থী মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফি, টাঙ্গাইল-২ আসনের প্রার্থী হুমায়ুন কবির, টাঙ্গাইল-৩ আসনের এনসিপির প্রার্থী সাইফুল্লাহ হায়দার, টাঙ্গাইল-৪ আসনের খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, বাংলাদেশ লেবার পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান জোহরা খাতুন জুই, বাংলাদেশ ইত্তেহাদুল ওলামা টাঙ্গাইল জেলা শাখার আমির মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, টাঙ্গাইল-৬ আসনের ডা. একেএম আব্দুল হামিদ, টাঙ্গাইল-৭ আসনের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এবনে আবুল হোসেন, টাঙ্গাইল-৮ আসনের জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খানসহ জামায়াত ও ঐক্যজোটের অন্য শরীকদলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪৮
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাসের চাপায় আব্দুস ছালাম (৬০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুস ছালাম কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ছাতিরচর এলাকার বাসিন্দা। তিনি জামায়াত ইসলামীর একজন কর্মী ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী–বাজিতপুর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী।
তিনি জানান, কটিয়াদীতে রাস্তা পারাপারের সময় একটি বাসের চাপায় মারা যান আব্দুস ছালাম। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে মরহুমের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনি জনসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাসের চাপায় আব্দুস ছালাম (৬০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুস ছালাম কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ছাতিরচর এলাকার বাসিন্দা। তিনি জামায়াত ইসলামীর একজন কর্মী ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী–বাজিতপুর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির অধ্যাপক মো. রমজান আলী।
তিনি জানান, কটিয়াদীতে রাস্তা পারাপারের সময় একটি বাসের চাপায় মারা যান আব্দুস ছালাম। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জেলা জামায়াতের পক্ষ থেকে মরহুমের পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানানো হয়েছে।

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মায়েরা আমাদের মাথার তাজ। তাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে। কয়েকদিন আগে আমার বিরুদ্ধে লেগে গেছে। লেগে লাভ হবে না, নিজেরা ফেঁসে যাবে। আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি, তাই আমার বিরুদ্ধে লেগেছে।
তিনি বলেন, ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ) দিয়ে শুরু, জকসুতে (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ) এসে থেমেছে আপাতত। আগামী ১২ তারিখ ইতিহাস সৃষ্টি হবে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বীর চট্টলার মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। আমি, আমরা, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে চাই না৷ ক্ষমতায় আসবে ১৮ কোটি মানুষ। আমরা যেন রাষ্ট্রের সবকিছু বণ্টন করে দিতে পারি। যারা ১৩ তারিখ থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখতে চান, তারা ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় আনবেন।
বক্তব্য শেষে চট্টগ্রাম উত্তরের সাতটি আসনে প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের আমির আলাউদ্দিন শিকদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জামায়েতের অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান, উত্তর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী, উত্তর জেলা শ্রমিক সভাপতি ইউসুফ বিন আবু বকর, চট্টগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ছাইফুর রহমান, চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী নাসির উদ্দিন মনির, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী শাহজাহান মঞ্জু , চট্টগ্রাম-৭ আসনের প্রার্থী ডা. এটিএম রেজাউল করিম, সনাতন প্রতিনিধি দোলন দেব, কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধায়ক ইব্রাহিম, ডাকসু জিএস এসএম ফরহাদ, চবি শিবির সভাপতি ও চাকসু ভিপি ইব্রাহিম রনি প্রমুখ।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, মায়েরা আমাদের মাথার তাজ। তাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে। কয়েকদিন আগে আমার বিরুদ্ধে লেগে গেছে। লেগে লাভ হবে না, নিজেরা ফেঁসে যাবে। আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি, তাই আমার বিরুদ্ধে লেগেছে।
তিনি বলেন, ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ) দিয়ে শুরু, জকসুতে (জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ) এসে থেমেছে আপাতত। আগামী ১২ তারিখ ইতিহাস সৃষ্টি হবে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নির্বাচনি জনসভায় দেওয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বীর চট্টলার মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। আমি, আমরা, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে চাই না৷ ক্ষমতায় আসবে ১৮ কোটি মানুষ। আমরা যেন রাষ্ট্রের সবকিছু বণ্টন করে দিতে পারি। যারা ১৩ তারিখ থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখতে চান, তারা ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় আনবেন।
বক্তব্য শেষে চট্টগ্রাম উত্তরের সাতটি আসনে প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের আমির আলাউদ্দিন শিকদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জামায়েতের অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান, উত্তর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী, উত্তর জেলা শ্রমিক সভাপতি ইউসুফ বিন আবু বকর, চট্টগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ছাইফুর রহমান, চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী নাসির উদ্দিন মনির, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী শাহজাহান মঞ্জু , চট্টগ্রাম-৭ আসনের প্রার্থী ডা. এটিএম রেজাউল করিম, সনাতন প্রতিনিধি দোলন দেব, কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধায়ক ইব্রাহিম, ডাকসু জিএস এসএম ফরহাদ, চবি শিবির সভাপতি ও চাকসু ভিপি ইব্রাহিম রনি প্রমুখ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৯
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৭
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৫
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫