
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে ছয়জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের কাছ থেকে ৬টি মুঠোফোন, ২৫ হাজার টাকা, হিসাবের খাতা এবং একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বগাজান এলাকা থেকে তাদের আটক করে সাজা দেওয়া হয়।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- আবদুল হামিদ (৭৫), মো. তানভীর (৪২), গোলাম রাব্বী (২৩), মেহেদী হাসান (৪০), মো. শামসুদ্দিন (৭৪) ও গোলাম শহীদ (৫০)। গোলাম শহীদ পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও উপজেলার যশরা গ্রামের বাসিন্দা। বাকিরা ভালুকার ভান্ডাবো ও বগাজান এলাকার বাসিন্দা।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বগাজান এলাকায় টাকা বিতরণের খবর আসে। ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদের পক্ষে এসব টাকা বিতরণ করা হচ্ছিল।
সেখান থেকে সেনাবাহিনীর টহল টিম সাতজনকে আটক করেন। সেখানে ৩০ জনের একটি দল থাকলেও অন্যরা পালিয়ে যান। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম কাউসার জামান গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। আটক ব্যক্তিরা ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।
তিনি জানান, আটক ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে মুচলেকা নিয়ে তার মায়ের উপস্থিতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি হিসাবের খাতাও জব্দ করা হয়েছে। এতে কোন মহল্লায় কবে, কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, তার হিসাবের তথ্য আছে।
ধানের শীষের প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চুর মোবাইল নম্বরে একাধিক কল দিয়েও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার পক্ষে তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মোহাম্মদ রুহুল আমিন মাসুদ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, (ওসি) মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় ওই ছয়জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণের সময় আটক করা ছয়জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি হিসাবের খাতাও জব্দ করা হয়েছে। এতে কোন মহল্লায় কবে, কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, তার হিসাবের তথ্য রয়েছে।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে ছয়জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের কাছ থেকে ৬টি মুঠোফোন, ২৫ হাজার টাকা, হিসাবের খাতা এবং একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বগাজান এলাকা থেকে তাদের আটক করে সাজা দেওয়া হয়।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- আবদুল হামিদ (৭৫), মো. তানভীর (৪২), গোলাম রাব্বী (২৩), মেহেদী হাসান (৪০), মো. শামসুদ্দিন (৭৪) ও গোলাম শহীদ (৫০)। গোলাম শহীদ পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও উপজেলার যশরা গ্রামের বাসিন্দা। বাকিরা ভালুকার ভান্ডাবো ও বগাজান এলাকার বাসিন্দা।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বগাজান এলাকায় টাকা বিতরণের খবর আসে। ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদের পক্ষে এসব টাকা বিতরণ করা হচ্ছিল।
সেখান থেকে সেনাবাহিনীর টহল টিম সাতজনকে আটক করেন। সেখানে ৩০ জনের একটি দল থাকলেও অন্যরা পালিয়ে যান। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম কাউসার জামান গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। আটক ব্যক্তিরা ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।
তিনি জানান, আটক ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে মুচলেকা নিয়ে তার মায়ের উপস্থিতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি হিসাবের খাতাও জব্দ করা হয়েছে। এতে কোন মহল্লায় কবে, কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, তার হিসাবের তথ্য আছে।
ধানের শীষের প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চুর মোবাইল নম্বরে একাধিক কল দিয়েও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার পক্ষে তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মোহাম্মদ রুহুল আমিন মাসুদ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, (ওসি) মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় ওই ছয়জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণের সময় আটক করা ছয়জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি হিসাবের খাতাও জব্দ করা হয়েছে। এতে কোন মহল্লায় কবে, কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, তার হিসাবের তথ্য রয়েছে।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৩
সারা দেশে জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বগুড়া জেলা প্রশাসন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো গ্রাহককে তেল দেওয়া হবে না।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। জেলা প্রশাসক জানান, সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
এছাড়া প্রতিটি পাম্পে এসব নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কঠোর মনিটরিং চালানো হবে। জানা গেছে, বগুড়া জেলায় মোট ৭৮টি তেলের পাম্প রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন জানান, সংকটের শুরুতে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে।
তবে বর্তমানে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব দ্রুতই জেলার সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২০
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের করা মামলার আসামি বাবা জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান।
শাহরাস্তি থানা পুলিশ জানায়, গত ৬ মার্চ স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। কয়েকদিন পর মেয়েটির মা পালিয়ে এসে তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার সংবাদ পেয়ে জসিম উদ্দিন পরিবারের সদস্যদের রেখে পালিয়ে যান। শাহরাস্তি থানা পুলিশ জসিম উদ্দিনকে ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেন। সর্বশেষ আজ (রোববার) থানার এসআই মিঠুন দাসের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার রায়েরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ঢাকা থেকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।
সারা দেশে জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বগুড়া জেলা প্রশাসন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো গ্রাহককে তেল দেওয়া হবে না।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। জেলা প্রশাসক জানান, সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
এছাড়া প্রতিটি পাম্পে এসব নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কঠোর মনিটরিং চালানো হবে। জানা গেছে, বগুড়া জেলায় মোট ৭৮টি তেলের পাম্প রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন জানান, সংকটের শুরুতে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে।
তবে বর্তমানে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব দ্রুতই জেলার সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের করা মামলার আসামি বাবা জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান।
শাহরাস্তি থানা পুলিশ জানায়, গত ৬ মার্চ স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। কয়েকদিন পর মেয়েটির মা পালিয়ে এসে তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার সংবাদ পেয়ে জসিম উদ্দিন পরিবারের সদস্যদের রেখে পালিয়ে যান। শাহরাস্তি থানা পুলিশ জসিম উদ্দিনকে ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেন। সর্বশেষ আজ (রোববার) থানার এসআই মিঠুন দাসের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার রায়েরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ঢাকা থেকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।