
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৬
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে ছয়জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের কাছ থেকে ৬টি মুঠোফোন, ২৫ হাজার টাকা, হিসাবের খাতা এবং একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বগাজান এলাকা থেকে তাদের আটক করে সাজা দেওয়া হয়।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- আবদুল হামিদ (৭৫), মো. তানভীর (৪২), গোলাম রাব্বী (২৩), মেহেদী হাসান (৪০), মো. শামসুদ্দিন (৭৪) ও গোলাম শহীদ (৫০)। গোলাম শহীদ পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও উপজেলার যশরা গ্রামের বাসিন্দা। বাকিরা ভালুকার ভান্ডাবো ও বগাজান এলাকার বাসিন্দা।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বগাজান এলাকায় টাকা বিতরণের খবর আসে। ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদের পক্ষে এসব টাকা বিতরণ করা হচ্ছিল।
সেখান থেকে সেনাবাহিনীর টহল টিম সাতজনকে আটক করেন। সেখানে ৩০ জনের একটি দল থাকলেও অন্যরা পালিয়ে যান। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম কাউসার জামান গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। আটক ব্যক্তিরা ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।
তিনি জানান, আটক ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে মুচলেকা নিয়ে তার মায়ের উপস্থিতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি হিসাবের খাতাও জব্দ করা হয়েছে। এতে কোন মহল্লায় কবে, কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, তার হিসাবের তথ্য আছে।
ধানের শীষের প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চুর মোবাইল নম্বরে একাধিক কল দিয়েও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার পক্ষে তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মোহাম্মদ রুহুল আমিন মাসুদ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, (ওসি) মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় ওই ছয়জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণের সময় আটক করা ছয়জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি হিসাবের খাতাও জব্দ করা হয়েছে। এতে কোন মহল্লায় কবে, কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, তার হিসাবের তথ্য রয়েছে।
ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা) আসনে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে ভোটারদের মধ্যে টাকা বিতরণের অভিযোগে ছয়জনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদের কাছ থেকে ৬টি মুঠোফোন, ২৫ হাজার টাকা, হিসাবের খাতা এবং একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মেদুয়ারী ইউনিয়নের বগাজান এলাকা থেকে তাদের আটক করে সাজা দেওয়া হয়।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- আবদুল হামিদ (৭৫), মো. তানভীর (৪২), গোলাম রাব্বী (২৩), মেহেদী হাসান (৪০), মো. শামসুদ্দিন (৭৪) ও গোলাম শহীদ (৫০)। গোলাম শহীদ পার্শ্ববর্তী গফরগাঁও উপজেলার যশরা গ্রামের বাসিন্দা। বাকিরা ভালুকার ভান্ডাবো ও বগাজান এলাকার বাসিন্দা।
সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, রাত সাড়ে ১২টার দিকে বগাজান এলাকায় টাকা বিতরণের খবর আসে। ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদের পক্ষে এসব টাকা বিতরণ করা হচ্ছিল।
সেখান থেকে সেনাবাহিনীর টহল টিম সাতজনকে আটক করেন। সেখানে ৩০ জনের একটি দল থাকলেও অন্যরা পালিয়ে যান। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ বি এম কাউসার জামান গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান। আটক ব্যক্তিরা ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে টাকা দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।
তিনি জানান, আটক ৭ জনের মধ্যে ৬ জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠানো হয়। অপ্রাপ্তবয়স্ক একজনকে মুচলেকা নিয়ে তার মায়ের উপস্থিতিতে ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি হিসাবের খাতাও জব্দ করা হয়েছে। এতে কোন মহল্লায় কবে, কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, তার হিসাবের তথ্য আছে।
ধানের শীষের প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মেদ বাচ্চুর মোবাইল নম্বরে একাধিক কল দিয়েও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তার পক্ষে তার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট মোহাম্মদ রুহুল আমিন মাসুদ বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য নেই।
ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, (ওসি) মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় ওই ছয়জনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফিরোজ হোসেন বলেন, ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণের সময় আটক করা ছয়জনকে সাজা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি হিসাবের খাতাও জব্দ করা হয়েছে। এতে কোন মহল্লায় কবে, কত টাকা বিতরণ করা হয়েছে বা করা হবে, তার হিসাবের তথ্য রয়েছে।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪১
লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে প্রস্তুত ভোটের ৬টি সিল জব্দের ঘটনায় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে শরীফ ও সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে, এ মামলায় আটক সোহেলকে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।
জাল ভোট প্রদানের লক্ষ্যে জামায়াত নেতা শরীফ অর্ডার দিলে সোহেল সিলগুলো বানিয়ে দোকানে রাখেন। তবে আত্মগোপনে রয়েছেন জামায়াত নেতা।
এদিকে সিল জব্দের পরপরই বিএনপির পক্ষ থেকে আটক সোহেলকে জামায়াত কর্মী দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিল বানানোর অর্ডার দেওয়া জামায়াত নেতা শরীফের ছবিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ও দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে। তিনি হাসপাতাল রোডের ‘আধুনিক অফসেট অ্যান্ড ডিজিটাল সাইন’-এর মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিয়ে জেলা শহরের গোডাউন রোড এলাকায় বশির ভিলা হলরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এই সিল-কাণ্ডে তিনি জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন। জাল ভোটসহ জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্র করার লক্ষ্যে জামায়াত পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিভাবে হয় এটা প্রমাণসহ মারইয়াম প্রিন্টার্স থেকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বোঝা গেছে। শুধু বোরকা নয়, বোরকার ভেতরে সিলকৃত ব্যালট থাকার মতো পরিস্থিতি জামায়াত সৃষ্টি করেছে। বোরকার ভেতরেই এই প্রচেষ্টা তারা করবে’। এ ঘটনায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
পরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নন বলে জানান। শরীফের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নে তিনি ঘটনার তদন্ত করে যেই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাকে গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ‘সিলগুলো জব্দের পরপরই শরীফকে আমরা দল থেকে বহিষ্কার করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এর প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।’
আরো পড়ুন
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে তার দোকান থেকে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ৬টি ভোটের সিল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল জব্দ করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক সোহেল রানার বরাত দিয়ে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জামায়াতের শরীফ গত ৩০ জানুয়ারি সোহেলের কাছে ৫টি নির্বাচনী সিলের অর্ডার করে। এ সংক্রান্ত একটি ভয়েস মেসেজ তিনি সোহেলকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে জাল ভোট প্রদানের জন্য অবৈধভাবে ভোটের সিল তৈরি করানো হয়েছে।
সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বলেন, ‘আসামি সোহেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনো রিমান্ড চাওয়া হয়নি। অপর আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। আর কেউ জড়িত আছে কি না ঘটনাটি তদন্ত চলছে।’
লক্ষ্মীপুরে অবৈধভাবে প্রস্তুত ভোটের ৬টি সিল জব্দের ঘটনায় জামায়াত নেতা সৌরভ হোসেন শরীফ ও ব্যবসায়ী সোহেল রানার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে সদর মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর বাদী হয়ে শরীফ ও সোহেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। জানা গেছে, এ মামলায় আটক সোহেলকে পুলিশ গ্রেপ্তার দেখিয়েছে।
জাল ভোট প্রদানের লক্ষ্যে জামায়াত নেতা শরীফ অর্ডার দিলে সোহেল সিলগুলো বানিয়ে দোকানে রাখেন। তবে আত্মগোপনে রয়েছেন জামায়াত নেতা।
এদিকে সিল জব্দের পরপরই বিএনপির পক্ষ থেকে আটক সোহেলকে জামায়াত কর্মী দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া সিল বানানোর অর্ডার দেওয়া জামায়াত নেতা শরীফের ছবিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
শরীফ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি ও দক্ষিণ বাঞ্চানগর এলাকার মো. শাজাহানের ছেলে। তিনি হাসপাতাল রোডের ‘আধুনিক অফসেট অ্যান্ড ডিজিটাল সাইন’-এর মালিক।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিয়ে জেলা শহরের গোডাউন রোড এলাকায় বশির ভিলা হলরুমে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। এই সিল-কাণ্ডে তিনি জামায়াতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন। জাল ভোটসহ জালিয়াতি ও ষড়যন্ত্র করার লক্ষ্যে জামায়াত পরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটিয়েছে বলে জানান তিনি।
এ্যানি চৌধুরী বলেন, ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কিভাবে হয় এটা প্রমাণসহ মারইয়াম প্রিন্টার্স থেকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে বোঝা গেছে। শুধু বোরকা নয়, বোরকার ভেতরে সিলকৃত ব্যালট থাকার মতো পরিস্থিতি জামায়াত সৃষ্টি করেছে। বোরকার ভেতরেই এই প্রচেষ্টা তারা করবে’। এ ঘটনায় সরকার, নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
পরে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করে একই আসনের দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ও জামায়াতের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম আটক সোহেল জামায়াতের কেউ নন বলে জানান। শরীফের সংশ্লিষ্টতা প্রশ্নে তিনি ঘটনার তদন্ত করে যেই এর সঙ্গে জড়িত থাকুক না কেন তাকে গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পুলিশের প্রতি আহ্বান জানান।
জেলা জামায়াতের আমির ও লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদরের একাংশ) আসনের প্রার্থী এসইউএম রুহুল আমিন ভূঁইয়া বলেন, ‘সিলগুলো জব্দের পরপরই শরীফকে আমরা দল থেকে বহিষ্কার করেছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে এর প্রেস রিলিজ দেওয়া হবে।’
আরো পড়ুন
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
এক্স আইডি ‘হ্যাকের’ ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক, যা বললেন জামায়াত আমির
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার সোহেল সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের টুমচর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও জেলা শহরের পুরাতন আদালত সড়কের মারইয়াম প্রিন্টার্সের স্বত্বাধিকারী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে তার দোকান থেকে ১৬ ঘর বিশিষ্ট ৬টি ভোটের সিল, একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল জব্দ করে পুলিশ। পরে পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
আটক সোহেল রানার বরাত দিয়ে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জামায়াতের শরীফ গত ৩০ জানুয়ারি সোহেলের কাছে ৫টি নির্বাচনী সিলের অর্ডার করে। এ সংক্রান্ত একটি ভয়েস মেসেজ তিনি সোহেলকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে জাল ভোট প্রদানের জন্য অবৈধভাবে ভোটের সিল তৈরি করানো হয়েছে।
সদর মডেল থানার এসআই মনির হোসেন বলেন, ‘আসামি সোহেলকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে এখনো রিমান্ড চাওয়া হয়নি। অপর আসামি পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে। আর কেউ জড়িত আছে কি না ঘটনাটি তদন্ত চলছে।’

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৩১
বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিমের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বাঁধা, অফিসে তালা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিম সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে এমএএইচ সেলিম, মাহবুবুর রহমান টুটুলসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএএইচ সেলিম বলেন, বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী বাঁধা দিচ্ছে, নির্বাচনী অফিসে আগুন লাগিয়েছে। প্রচারণার মাইক ভাংচুর করেছে, যাত্রাপুর নির্বাচনী অফিসে তালা লাগিয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এ অবস্থা বিরাজ করলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না। প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে আগামী সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, আমরা অভিযোগ পাওয়ার পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিমের নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বাঁধা, অফিসে তালা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেস ক্লাবে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিম সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে এমএএইচ সেলিম, মাহবুবুর রহমান টুটুলসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এমএএইচ সেলিম বলেন, বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় কিছু সন্ত্রাসী বাহিনী বাঁধা দিচ্ছে, নির্বাচনী অফিসে আগুন লাগিয়েছে। প্রচারণার মাইক ভাংচুর করেছে, যাত্রাপুর নির্বাচনী অফিসে তালা লাগিয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নিকট অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এ অবস্থা বিরাজ করলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না। প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে আগামী সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, আমরা অভিযোগ পাওয়ার পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৫
নির্বাচনকে সামনে রেখে মাদারীপুর-১ আসনের শিবচরে বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে প্রকাশ্যে এসেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপি প্রার্থী চৌধুরী নাদিরা আক্তার মিঠুর নির্বাচনি উঠান বৈঠকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে এ সমর্থন দেন।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের প্রার্থী নাদিরা আক্তারকে সমর্থন জানিয়ে সন্ধ্যায় পৌরসভার খান বাড়িতে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷ শিবচর পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেমায়েত হোসেন খানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক জহের গোমস্তা, সদস্য আবু জাফর চৌধুরী, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আজমল খানসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ৷ সভা পরিচালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহল রানা৷
এই সভায় আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন জানান৷ সভায় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বিএম আতাহার বেপারি, ফাহিমা আক্তারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান, সাবেক কাউন্সিলর ও নেতৃবৃন্দ৷
এসময় বিএনপি প্রার্থী চৌধুরী নাদিরা আক্তার মিঠু বলেন, আমাদের আগামীর রাষ্ট্র নায়ক দলের চেয়ারম্যান বলেছেন সবার আগে বাংলাদেশ৷ তাই আমরা বলবো সবার আগে শিবচর৷ এর কারণ প্রতিটি গ্রাম উপজেলা জেলা নিয়ে বাংলাদেশ৷ তাই আমরা ঠিক করেছি সবার আগে শিবচর৷ আমরা এক ও ঐক্যবদ্ধভাবে চলবো৷ ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপিকে বিজয়ী করে আনতে হবে৷ ঐক্যবদ্ধ না থাকলে আমাদের আশা আকাংখা পূরন করতে পারবো না৷
নির্বাচনকে সামনে রেখে মাদারীপুর-১ আসনের শিবচরে বিএনপিকে সমর্থন দিয়ে প্রকাশ্যে এসেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপি প্রার্থী চৌধুরী নাদিরা আক্তার মিঠুর নির্বাচনি উঠান বৈঠকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে এ সমর্থন দেন।
একাধিক সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাদারীপুর-১ (শিবচর) আসনের প্রার্থী নাদিরা আক্তারকে সমর্থন জানিয়ে সন্ধ্যায় পৌরসভার খান বাড়িতে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়৷ শিবচর পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হেমায়েত হোসেন খানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন খান, যুগ্ম আহ্বায়ক জহের গোমস্তা, সদস্য আবু জাফর চৌধুরী, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব আজমল খানসহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ৷ সভা পরিচালনা করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সোহল রানা৷
এই সভায় আওয়ামী লীগের বিপুল সংখ্যক নেতৃবৃন্দ ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে সমর্থন জানান৷ সভায় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পৌর মেয়র মো. আওলাদ হোসেন খান, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান বিএম আতাহার বেপারি, ফাহিমা আক্তারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান, সাবেক কাউন্সিলর ও নেতৃবৃন্দ৷
এসময় বিএনপি প্রার্থী চৌধুরী নাদিরা আক্তার মিঠু বলেন, আমাদের আগামীর রাষ্ট্র নায়ক দলের চেয়ারম্যান বলেছেন সবার আগে বাংলাদেশ৷ তাই আমরা বলবো সবার আগে শিবচর৷ এর কারণ প্রতিটি গ্রাম উপজেলা জেলা নিয়ে বাংলাদেশ৷ তাই আমরা ঠিক করেছি সবার আগে শিবচর৷ আমরা এক ও ঐক্যবদ্ধভাবে চলবো৷ ঐক্যবদ্ধভাবে বিএনপিকে বিজয়ী করে আনতে হবে৷ ঐক্যবদ্ধ না থাকলে আমাদের আশা আকাংখা পূরন করতে পারবো না৷

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৯
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৭
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৫৫
০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪৫